এক ডিভোর্সি মধ্যবয়সী মহিলা ও তার জোয়ান মেয়ের সাথে পরিচয়

Hi, I am Alpha, a 22-year-old guy living in Bangalore. হাই, আমার নাম আলফা, আমি ২২ বছর বয়সের একজন পুরুষ, ব্যাংলোর থাকি। I am a very sexually active and open-minded person. আমি যৌনতায় খুবই সক্রিয় এবং খোলা মনের একজন ব্যক্তি। Also not to brag but I am 6.6 ft tall, light brown toned and well built. বাড়িয়ে বলছি না বা গর্বও করছি না, আমি ৬ ফুট ৬ ইঞ্চি লম্বা, গায়ের রং হালকা বাদামী এবং শারীরিক গঠন ভালো। So this story is about something that happened to me a year or so back. এখানে যে ঘটনা বর্ণনা করতে যাচ্ছি, সেটা আমার সাথে ঘটেছিল প্রায় ১ বছর আগে।




Just as a background, I own a kitchen hardware retail store and I have about 5-6 employees. উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, আমার একটি দোকান রয়েছে যেখানে রান্নাঘরের খুচরা যন্ত্রপাতি বিক্রয় করা হয় এবং দোকানে আমার প্রায় ৫-৬ জন কর্মচারী আছে। And this incident or story started in that store. আর ঘটনার সূত্রপাত সেই দোকানেই। About a year back, late in the evening (around 8 pm), 2 customers came to my store. প্রায় ১ বছর আগে, একদিন সন্ধ্যা রাত্তিরে ৮টার দিকে দোকানে দুইজন গ্রাহক আসলেন। Both were mature women, one of them looked in her early 30’s and the other one looked in her late 50’s. দুইজনই প্রাপ্তবয়ষ্কা মহিলা, একজনের বয়স দেখাচ্ছিল ৩১-৩২ এর মতো আর আরেকজনের বয়স মনে হচ্ছিল ৫৮-৫৯ এর কাছাকাছি।

They both wore matching skin pink t-shirt and jeans. দু’জনেই ম্যাচিং করে হালকা গোলাপী রংয়ের টিশার্ট আর জিন্সের প্যান্ট পরে এসেছিল। I was closing the store at that moment. আমি ঐ সময় দোকানটা বন্ধ করছিলাম। Normally my employees attend the customers. সাধারণত আমার কর্মচারীরাই গ্রাহকদেরকে সামলায়। However, I was in a hurry. তবে ওই সময় আমি তাড়াহুড়ার মধ্যে ছিলাম। So I wanted to show them all the products and close the store as quickly as possible. তাই আমি চাচ্ছিলাম তাদেরকে সবগুলো পণ্য দেখিয়ে যত দ্রুত সম্ভব দোকানটি বন্ধ করে দিতে। I ended up telling my salesperson that I will take care of these customers. They can get back to closing up the shop. আমি দোকানের কর্মচারীদেরকে বলতে বাধ্য হলাম, ‘আমিই এদেরকে দেখছি। তোমরা বরং গোছগাছ করে চলে যাও।’

I went and said ‘Hi’ to the customers and introduced myself as Alpha, the owner. আমি গিয়ে গ্রাহকদেরকে ‘হাই’ বললাম এবং নিজেকে ‘আলফা’ নামে পরিচয় দিলাম; বললাম, ‘আমিই দোকানের মালিক।’ The older lady turned towards me. বয়ষ্কা মহিলাটা আমার দিকে ফিরলেন। With a big smile, she said she was Tanya and the other lady was her daughter, Sonia. বড় একখান হাসি দিয়ে তিনি বললেন, তাঁর নাম তানিয়া এবং সাথে যে মহিলা এসেছেন তাঁর নাম সোনিয়া, তাঁর কন্যা। I asked them what they wanted to see and showed them everything they asked for. আমি তাঁদেরকে জিজ্ঞেস করলাম, তাঁরা কী দেখতে চান এবং যা যা দেখতে চাইলেন, সবই দেখালাম।

They noticed that I was in a hurry. তাঁরা বুঝতে পারলেন যে, আমি একটু তাড়াহুড়ায় ছিলাম। They asked me if I could visit their place just for 5 minutes for consultancy. তাঁরা আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তাঁদের বাসায় কেবল ৫ মিনিটের জন্য যেতে পারবো কিনা, কিছু পরামর্শ দেয়ার জন্য। Their home was just 2-3 minutes walk from my store. দোকান থেকে ২-৩ মিনিট হাঁটলেই তাঁদের বাসা। Their flat was on the way to my home so I said yes. আমার নিজের বাসায় ফেরার পথে তাঁদের বাসা পড়ে, তাই তাঁদের সাথে যেতে রাজি হলাম। I took my bike and they came in theirs. আমি আমার বাইক নিলাম আর তাঁরা গেলেন তাঁদের নিজস্ব বাইকে (স্কুটি) করে।

In less than a minute we reached their flat. এক মিনিটেরও কম সময়ে তাঁদের ফ্ল্যাটে পৌঁছে গেলাম। They welcomed me into their home. তাঁরা আমাকে তাঁদের বাসায় স্বাগত জানালেন। It was a nice place. বাসাটা সুন্দর ছিল। As I was in a hurry I said, “Can I have a quick look in your present kitchen setup?” যেহেতু তাড়াহুড়ায় ছিলাম, তাই বললাম, ‘আপনাদের রান্নাঘরের সেটআপটা কি চট করে একটু দেখতে পারি?’ It was badly set up and it needed an immediate revamping. গিয়ে দেখলাম, রান্নাঘরের সেটআপটা খুবই বাজে এবং অতিসত্ত্বর এটা পুনর্গঠন করতে হবে।

I said that there was a lot of work to be done and I would need at least an hour to plan everything. আমি তাঁদেরকে গিয়ে বললাম, ‘রান্নাঘরে অনেক কাজ করতে হবে। পরিকল্পনা করতে কমপক্ষে এক ঘণ্টা সময় লাগবে।’ As I did not have time I offered to send one of my staff the next morning. যেহেতু তখন আমার সময় ছিল না, তাই পরের দিন সকালে তাঁদের বাসায় আমার এক কর্মচারীকে পাঠাতে চাইলাম। But the older lady (the mother) insisted I come and do all the planning. কিন্তু বয়ষ্কা মহিলা আব্দার ধরলেন, আমি নিজেই যাতে আসি আর পরিকল্পনাটা করি।

This is common as most customers believe I have more idea about everything than my staff. এটা অবশ্য প্রায়ই ঘটে, কারণ বেশিরভাগ গ্রাহকই মনে করেন যে, আমি আমার কর্মচারীদের চেয়ে এসব বিষয় বেশি বুঝি। So I sometimes say yes, so I did say okay in this case. তাই এরকম ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে আমি নিজেই কাজ করতে রাজি হই, ঠিক যেমনটি এদের বেলায় হলাম। The next morning I had completely forgotten about the whole thing. কিন্তু পরের দিন সকালে পুরো ব্যাপারটিই ভুলে গেলাম। In the evening when I was heading back home, I happened to pass by their flat. সন্ধ্যায় বাসায় ফিরছিলাম, এক পর্যায়ে তাদের বাসার পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিলাম।

Then I remembered about them. তখন তাঁদের কথা মনে পড়লো। I parked close to their flat and went to their home and rang the bell. আমি তাঁদের বাসার কাছে বাইকটা পার্ক করে সেখানে গিয়ে বেল বাজালাম। Tanya opened the door, for a second she seemed surprised for some reason. তানিয়া দরজা খুললেন, কিছুক্ষণের জন্য তাঁকে অবাক দেখাল, কী কারণে কে জানে! I said that I was extremely sorry that I forgot about the meeting. আমি বললাম, ‘আজ সকালে এখানে আসার কথা ছিল, সেটা ভুলে গিয়েছিলাম, এজন্য খুবই দুঃখিত।’ I wanted to know if  I can do the meeting at this moment. জিজ্ঞেস করলাম, পরিকল্পনা বা ডিজাইন এর সেই কাজটা এখন করা যাবে কিনা।

She replied by saying no worries and that she was okay with me working on her kitchen now. তিনি বললেন, ‘ব্যাপার না’। আর আমি যদি এখন তাঁর রান্নাঘরে কাজ করি, তাহলে তাঁর কোনো সমস্যা নেই। She invited me in and took me to the kitchen. তিনি আমাকে ভিতরে আসতে বলে পরে রান্নাঘরে নিয়ে গেলেন। She said to start work and she would be back in a sec. তিনি আমাকে কাজ শুরু করতে বললেন, তিনি কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিরে আসবেন। I started the planning part. আমি পরিকল্পনার কাজটুকু শুরু করলাম। She came back in a different dress and had makeup on. তিনি অন্য একটি পোশাকে হাজির হলেন, চেহারায় মেকআপ লাগানো।

She came with a glass of juice and a few cookies for me. তিনি আমার জন্য একগ্লাস জুস এবং কয়েকটি বিস্কুট নিয়ে হাজির হলেন। Till now I hadn’t noticed her that much. এতক্ষণ পর্যন্ত তাঁর দিকে ভালো করে তাকাই নি। She looked good but that dress and sexy makeup made her look like a milf. তাঁকে ভালোই দেখাচ্ছিল, কিন্তু ঐ ড্রেস আর আবেদনময়ী মেকআপের কারণে তাকে ‘মিল্ফ’এর ন্যায় দেখাচ্ছিল (মিল্ফ হলো আন্টি টাইপের মহিলা যাদেরকে দেখলেই ‘লাগাতে’ ইচ্ছা করে।) I thanked her for the juice and asked if she was going out. আমি তাঁকে জুসের জন্য ধন্যবাদ দিলাম এবং জানতে চাইলাম, তিনি কোথাও যাচ্ছেন কিনা। She replied by saying no. তিনি নাসূচক উত্তর দিলেন।

She was just trying out her daughter’s dress as she was not going to be home till late tonight. তিনি তাঁর কন্যার ড্রেসগুলো ট্রাই করে দেখছিলেন, কারণ সে গভীর রাতের আগে আসবে না। I told her she looked really great and that her daughter should give that dress to her permanently. আমি তাঁকে বললাম, ‘আপনাকে এই ড্রেসে বেশ ভালো দেখাচ্ছে। আপনার কন্যার উচিত আপনাকে এটা স্থায়ীভাবে দিয়ে দেয়া।’ She sarcastically said, “Stop already.” তিনি ব্যঙ্গ করে বললেন, ‘আরো থামো!’ She went back in and after a few more minutes came back out. তিনি ভিতরে চলে গেলেন এবং কয়েক মিনিট পর আবারো ফিরে এলেন।

She asked me how the new dress was. তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, নতুন পোশাকটা কেমন দেখাচ্ছে। I like mature ladies just as much as girls my age. আমি নিজবয়সী মেয়েদেরকে যেমন পছন্দ করি, ঠিক তেমনি প্রাপ্তবয়ষ্কা মহিলাদেরকেও পছন্দ করি। But she was a bit old for my taste. কিন্তু আমার রুচি অনুযায়ী তাঁকে একটু বেশি বয়ষ্ক দেখাচ্ছিল। So at this point, I was getting a bit uncomfortable with what was going on. তাই এই পর্যায়ে একটু অস্বস্তি লাগছিল, যেটা হচ্ছে সেটা বিবেচনা করে। But I said that this looks better than the last one. কিন্তু মুখে বললাম, এটা তো আগেরটার চেয়ে আরো ভালো। Then she came close to me and said, “You’re funny.” তখন তিনি কাছে এসে বললেন, ‘মজা করছো নাকি?’

At this point, I was done. ইতিমধ্যে আমার কাজ শেষ হয়ে এসেছিল। But she asked me to wait 30 more minutes as her daughter would arrive soon. কিন্তু তিনি আমাকে আরো আধা ঘণ্টার মতো সেখানে থাকতে বললেন, কারণ তাঁর মেয়ে নাকি এর মধ্যে চলে আসবে। I was not in a hurry like last time. আমি অবশ্য এর আগের বারের ন্যায় এবার তাড়াহুড়ার মধ্যে ছিলাম না। So I said sure no problem. তাই বললাম, অবশ্যই, কোনো সমস্যা নেই। So out of curiosity, I asked her if she was married. তখন কৌতুহলবশতঃ জিজ্ঞেস করতাম, তিনি বিবাহিতা অবস্থায় আছেন কিনা (অর্থাৎ তাঁর স্বামী আছে কিনা)। She said she got divorced almost 20 years back. তিনি জবাবে বললেন, প্রায় কুড়ি বছর আগেই তাঁর বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গেছে।

Her daughter is kinda like her and she got divorced over 3 years back. তাঁর কন্যাও অনেকটা তার মত, তারও তিন বছর আগে বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গেছে। She asked me why I was curious about these facts. তিনি আমাকে জিগ্যেস করলেন, এসব জানতে চাইছি কেন। I said her I just wanted to make small talk just to avoid awkward silence. বললাম, ‘এমনিই, চুপচাপ জবুথবু হয়ে বসে থাকার চাইতে একটু আলাপ করলাম, এই আর কি!’ So she in return asked me if I was in a relationship. তাই তখন তিনিও আমায় জিগ্যেস করলেন, কোনো প্রেমটেম করছি কিনা।

I said, “I broke up with my girlfriend a year back and have been single for almost a year or so. I prefer it that way.” আমি বললাম, ‘এক বছর আগে বান্ধবীর সাথে ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে, তখন থেকে একাই আছি। এভাবেই ভালো আছি।’ She touched my hand and said, “It’s okay.” তিনি আমার হাত ধরে বললেন, ‘ঠিক আছে।’ I was still feeling very awkward considering her age but I said thanks anyway. তখন আমার অস্বস্তি লাগছিল, তাঁর বয়সের কথা বিবেচনা করে, তারপরও মুখে তাঁকে ধন্যবাদ জানালাম।

Then she asked me, “Why did you say yes to give us special treatment by personally consulting in our case?” তখন তিনি বললেন, ‘আমাদের কাজটা নিজেই করতে রাজি হলে কেন?’ By now I knew that she was more interested in me than the products and consultancy my company was selling. ততক্ষণে আমি বুঝে গেছি, তিনি আসলে আমার কোম্পানির পণ্য বা সার্ভিসের চাইতে আমার ব্যক্তিগত ব্যাপারে বেশি আগ্রহী। I like to try new things sexually. সেক্সের জন্য নতুন নতুন মাল ট্রাই করতে আমার ভালোই লাগে।

I had never slept with a woman as old as her. আমি তাঁর মতো এত বয়ষ্ক কোনো মহিলার সাথে এখনো শুই নি। So I thought if she really was in the mood I would flirt back with her. তাই ঠিক করলাম, তিনি যদি আমার সাথে এসব করতে চান, তাহলে আমিও ঈঙ্গিতপূর্ণ কথা বলবো। So I replied saying that she and her daughter looked very hot. তাই আমি উত্তরে বললাম, তাঁকে এবং তাঁর কন্যাকে খুব সেক্সি দেখাচ্ছিল। I wanted to make sure they got special treatment. তাঁরা যাতে বিশেষ সার্ভিস পান, সেটা নিশ্চিত করতে চাচ্ছিলাম। So that is why I attended them personally. তাই তাদের কেসটা পার্সোনালি করতে রাজি হলাম।

She laughingly said, “You naughty little thing.” So I replied by saying, “I might be naughty but I am anything but little in height or in other ways.” I pointed with my eyes towards my pants to indicate that I was talking about my dick. She said, “Oh really?”

I nodded and then she asked if I thought I was being appropriate. I wanted to continue flirting. I said well if she did not think it was appropriate she would have kicked me out by now. I said I knew what she was thinking. She asked me to say what was I thinking.

I got up and got close to her she looked me in the eyes. I said, “You want me in your bed giving your orgasms after orgasms for hours on end. She said, “You are a quick study, aren’t you?” And then she grabbed me with the pants. She unzipped my pants. I removed the t-shirt she was wearing.

She stood up and started removing my shirt. Then she said, “You look really great.” I said, “Nothing in comparison to you though.” She kissed my chest and then I bent and started kissing her. I lifted her up and carried her to her bedroom. I removed the pant she was wearing.

যে কথাগুলো শেয়ার করার তাগিদ অনুভব করি – পর্ব ২

ট্র্যাফিক নিয়ম কড়াকড়ি হয়েছে, উচ্চ হারের জরিমানা নির্ধারণ করা হয়েছে, এ নিয়ে আমার আপত্তি নেই। আপত্তি হলো, আগে থেকে বিদ্যমান আইনগুলো প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না কেন? এরকম একটি আইন হলো, গাড়িতে কালো গ্লাস ব্যবহার করা যাবে না। কিন্তু আমার পর্যবেক্ষণ মতে, এখনকার (অন্ততঃ ঢাকা শহরের) বেশিরভাগ ব্যক্তিগত গাড়ি বা প্রাইভেট কারে (তথা মাইক্রোবাস ও জিপে) কালো ও অস্বচ্ছ গ্লাস ব্যবহৃত হচ্ছে। সেটা কেন? এটাই হচ্ছে আমার প্রশ্ন কর্তৃপক্ষ তথা সরকারের কাছে। প্লাস, আরেকটা আইনের কথা মনে করিয়ে দিতে চাই। আর সেটা হলো, প্রকাশ্যে ধুমপানে ৩০০ টাকা জরিমানা। এই আইনটা এখন আর কেউ মানছে না, কারণ এটার প্রয়োগ নেই। পুরনো আইনগুলো বলবৎ না করে নতুন আইন কেন চাপানো হচ্ছে? জবাব চাই সরকারের কাছে!




পরবর্তী টপিক হলো, দেশপ্রেম নাকি দেশকে বিপদে ফেলার ফন্দি? পিয়াজের ব্যাপারে বলছি। এস. আলম গ্রুপ বিদেশ থেকে ৫৫ হাজার টন পেয়াজ আমদানীর ঘোষণা দিয়েছে, সেটা প্রায় ১০ দিন হলো। অথচ এখনো সে পিয়াজ বাজারে আসার নাম নেই। আমার এক কলিগ বললো, এটা আসলে দেশবাসীকে ঝামেলায় ফেলার একটা কৌশল। তার মতে, উক্ত পিয়াজগুলো এমন সময় এসে দেশে পৌঁছাবে যখন দেশি চাষীর উৎপাদিত পিয়াজে বাজার সয়লাব। এতে করে সকল পিয়াজেরই দাম হবে অত্যন্ত নিম্ন এবং চাষীগণ পরবর্তী বছর পিয়াজ চাষে অনুৎসাহিত হবে। আমি অবশ্য কলিগের এই কথা বিশ্বাস করি নি। কারণ আমার হিসেব মতে, বিদেশী পিয়াজ দেশে আনতে অনেক টাকা ঢালতে হবে এস. আলম গ্রুপকে। নিজেদের এতোগুলো টাকা নিয়ে নিশ্চয়ই ছিনিমিনি খেলবে না তারা। তারপরও যদি এমন কোনো কন্সপিরেসি বা ষড়যন্ত্র থাকে দেশের বিরুদ্ধে, বড় গ্রুপ ও মহলগুলোর কাছে আমার অনুরোধ, আপনারা সেখান থেকে সরে আসুন।

এমনটি বলতে বাধ্য হলাম, আজ সংবাদপত্রে প্রকাশিত একটি খবর দেখে। জানতে পারলাম যে, কখন এস. আলম গ্রুপসহ অন্যান্য বড় আমদানীকারকের পিয়াজ বিদেশ থেকে এসে পড়ে, সেই ভয়ে ছোট আমদানীকারকরা মিয়ানমার থেকে পিয়াজ আমদানী স্থগিত রেখেছেন। একারণে সবচেয়ে ভালো হয়, যদি বড় আমদানীকারকগণ নিয়মিত আপডেট দিতে থাকেন, তাদের পণ্য আমদানী এখন কোন পর্যায়ে আছে – সেই সম্পর্কে।

আজকে প্রথম আলোতে ‘মনের আগুন থেকে বনের আগুন’ শিরোনামে একটি নিবন্ধ পড়লাম। সেখান থেকে জানতে পারলাম যে, অস্ট্রেলিয়াতে অনেক নাগরিক ইচ্ছাকৃতভাবে দাবানল ঘটিয়ে থাকেন, শুধুমাত্র পাশবিক আনন্দ পাবার উদ্দেশ্যে এবং অনেক সময় অন্যের অনিষ্ট করা উদ্দেশ্যে। আমার মনে হয়, এ ধরনের একটি মানসিকতা বাংলাদেশের অনেক মানুষের মাঝেই রয়েছে। রাস্তাঘাটের অবস্থা দেখে মনে হয়, অন্যের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করাই যেন কিছু মানুষের শখ বা নেশা। এছাড়া আরেকটি ভয়ংকর বিষয় শেয়ার করতে চাই দর্শকবৃন্দ ও বন্ধুগণ আপনাদের সাথে। আমি পর্যবেক্ষণ করে দেখেছি যে, দেশের অনেক গাড়িচালকই ইচ্ছাকৃতভাবে দুর্ঘটনা ঘটাতে তৎপর থাকেন, জাস্ট তাদের টার্গেট হলো – ইচ্ছাকৃত বা সচেতনভাবে ঘটানো কাণ্ডটিকে দুর্ঘটনা বলে চালিয়ে দেয়া। এ ব্যাপারে আর বিস্তারিত বললাম না; বললে, আপনারাই হয়তো আমাকে অসুস্থ মানসিকতার মানুষ মনে করবেন। শুধু এতটুকু মনে রাখুন, রাস্তা পারাপার বা রোড ক্রসিং-এর ক্ষেত্রে খুবই সাবধান থাকবেন। আপনাকে যদি শুধু চেহারা দেখেই অপছন্দ করে কোনো গাড়িচালক, তবে সিস্টেমে ফেলে গাড়িচাপা দিয়ে মেরে ফেলতেও দ্বিধা করবে না হয়তো সে। এখানে গাড়িচালক বলতে সব ধরনের গাড়িচালক (প্রাইভেট কার, জিপ, বাস, ট্রাক, পিকআপ, কোচ, ট্রাক্টর, অটোরিকশা ও অন্যান্য) এবং মোটরসাইকেল চালককেও বুঝানো হয়েছে।

এরপর দেশবাসীর প্রতি আমার বক্তব্য হচ্ছে – সর্বোচ্চ বলতে কী বুঝায় সেটা ঠিকঠাক বুঝতে হবে। যেমনঃ আসন্ন বিপিএলে দেশি এ প্লাস খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক হবে ৫০ লাখ টাকা আর বিদেশী খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক হবে ১ হাজার ডলার বা ৮৪ লাখ টাকা –  এমনটাই ঘোষণা দেয়া হয়েছে বিসিবি’র পক্ষ থেকে। অথচ দেশের প্রথিতযশা কয়েকটি সংবাদপত্রে ঢালাও লেখা হয়েছে যে, দেশি এ প্লাস ক্রিকেটাররা নাকি ৫০ লাখ আর বিদেশি ক্রিকেটাররা পাবেন ৮৪ লাখ টাকা করে – এটা অসত্য ও ভ্রান্ত।

এ প্রসঙ্গে আরো কয়েকটি কথা বলতে চাই, যেমনঃ যদি কোনো ইলেকট্রনিক্স দোকানে গিয়ে দেখেন যে, সেখানে সর্বোচ্চ ১০% ছাড় চলছে; তার মানে এই না যে, এক্সাক্টলি ১০% ছাড় পাবেন। সেটা ৫% ও হতে পারে, আবার ১% ও হতে পারে। যদি আপনি সর্বোচ্চ পরিমাণে ভাগ্যবান হোন, তাহলে হয়তো ১০% ছাড় পেলেও পেতে পারেন। এ বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত আছেন তো? আমি এ বিষয়টি সম্পর্কে সচেতন হয়েছি তিন বছর আগে- তখন একটি টিভি কেনার দরকার ছিল। বাবা এসে খবর দিলেন যে, রামপুরার হাজিপাড়ার ইলেক্ট্রা ইন্টারন্যাশনালের একটি দোকানে নাকি ১০% ছাড় চলছে, আমি তো মহা উৎসাহে সেখানে গিয়ে হাজির হলাম। পরে তাদের বিজ্ঞাপন বা নোটিশে দেখলাম যে, ‘১০% পর্যন্ত ছাড়’। এটা দেখে বিষয়টির ফাঁক সম্পর্কে তৎক্ষণাৎ অবহিত হয়ে গেলাম।

এরপর কিছু বলতে চাই ‘অন্যতম’ শব্দটার অর্থ সম্পর্কে। সংবাদপত্রের লোকজন তো বাংলা ভাষায় সাধারণ জনগণের চেয়ে বেশি এক্সপার্ট হওয়ার কথা, তাই না? অথচ তারাই ‘অন্যতম’ শব্দটাকে যেভাবে ব্যবহার করে, তাতে বোঝা যায়, শব্দটার সঠিক মানে তারা বোধ হয় জানে না। ‘অন্যতম’ মানে ‘অনেকের মধ্যে একজন’। কিন্তু বেশিরভাগ বাঙালী (অন্তত বাংলাদেশিরা) শব্দটিকে ‘প্রধান’ অর্থে ব্যবহার করেন, যেটা ঠিক নয়। ‘প্রধান’ বুঝাতে চাইলে ‘প্রধান’ বা ‘মুখ্য’ শব্দদ্বয়ের যেকোনো একটি ব্যবহার করুন, ‘অন্যতম’ শব্দটি ব্যবহার করছেন কেন?

এরপর কিছু বিশেষ বাঙালীকে উদ্দেশ্য করে বলতে চাই – গুজবের ব্যবসা বন্ধ করুন। প্রথমেই বলে নিই যে, আমি কোনো আওয়ামী লীগার না; আওয়ামী সরকার তথা হাসিনার কর্মকাণ্ড আমার পছন্দ না। তারপরও আমি অন্তত গুজব ছড়াই না, বা সরকারের শত্রু বা দেশদ্রোহী না। কিন্তু কিছু লোক এবং কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ফেসবুকে এমন সব পোস্ট দিচ্ছে যে, এটা স্পষ্ট – তারা দেশে ক্যাঁচাল লাগাতে চায়। কী কারণে সেটা স্পষ্ট নয় – কারণ মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করা মানে দেশে ও সমাজে অশান্তি ও বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা।

এমনটা বলতে বাধ্য হলাম সম্প্রতি একটা পোস্ট দেখে। শেখ হাসিনা নাকি বলেছেন, ‘৭০০ টাকা দিয়ে খাসীর মাংস খেতে পারেন, ২৭০ টাকা দিয়ে পিয়াজ খেতে সমস্যা কী?’ আসলে এই কথাটি হাসিনা বলেন নি, বলেছেন কাওরানবাজারের এক খুচরা ব্যবসায়ী। কথাটি কমপক্ষে একটি সংবাদপত্রে এসেছে, আর সেটি হলো ‘প্রথম আলো’। সুতরাং খুচরা ব্যবসায়ীর এই উক্তিটি প্রধানমন্ত্রীর নামে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা একটা গুরুতর অন্যায়। এ ধরনের গর্হিত কাজ কেউ করবেন না। শত্রুকে ঘায়েল করতে চান, ভালো কথা; কিন্তু সেটাও ঈমানদারীর সাথে করতে হবে। শত্রুর সাথে যুদ্ধ যদি করেন, তাহলে যুদ্ধের নিয়মকানুন মেনেই যুদ্ধ করুন। যুদ্ধবিরতি চলাকালীন বেনিয়া লর্ড ক্লাইভের মতো গাদ্দারী করলে তো আর চলবে না। এমনটা যারা করে, তাদের কর্মের ফলাফল যাই হোক না কেন, পরিশেষে এরা ‘মীরজাফর’ নামে পরিচিত হয়। সুতরাং আওয়ামী সরকারকে ঘায়েল করার উদ্দেশ্য নিয়ে কেউ শেখ হাসিনা বা অন্য কারো নামে মিথ্যা বা বানোয়াট কিছু প্রচার করবেন না।



অনেকদিন পর শ্বাশুড়ির সাথে একা বাসায়

খালি বাসায় শ্বাশুড়ি

আমার শ্বাশুড়ি লুৎফুন্নেছা, বয়স ৫৩ বছর। গত দুই বছর ধরে বিধবা, শরীরে কোনো যৌবন নেই বললেই চলে। প্রধান কারণ হলো ডায়াবেটিস, দ্বিতীয় কারণ হলো – হিংসুটে ও সর্বদা প্রতিযোগিতা পরায়ণ মানসিকতা। তিন নম্বর কারণ হলো, বোকাচন্দ শ্বশুর বেঁচে থাকতেই অনেক আগে থেকে শ্বাশুড়ির সাথে ‘ওসব’ করতেন না। শ্বশুর ছিলেন অনেকটা মহাত্মা গান্ধী টাইপ। মহাত্মা গান্ধীর বয়স যখন ৩৮, তখন তিনি যৌনতা সম্পর্কে নতুন একটা থিওরী নিয়ে হাজির হয়েছিলেন – যে, বাচ্চা জন্ম দেওয়া ছাড়া নাকি যৌনতা বা সেক্স করা উচিত নয়। তাই ঐ সময় থেকেই তিনি তাঁর স্ত্রী’র (নাম কমলা বাই সম্ভবতঃ) সাথে শারীরিক নয়, বরং কেবল আধ্যাত্মিক সম্পর্ক রেখে চলতেন।



শ্বশুরও ছিলেন অনেকটা এই টাইপের, প্লাস অন্যমনস্ক হয়ে রাস্তা পার হতে গিয়ে উত্তরায় একটি বাসের ধাক্কা খেয়েছিলেন। তাতে প্রাণে বাঁচলেও নুনুতে আঘাত পেয়েছিলেন সম্ভবতঃ। সেখান থেকে প্রায়ই রক্তক্ষরণ হতো, আর তাই সেক্স তো ছিল পুরো অসম্ভব একটি ব্যাপার তাঁর জন্য।

শ্বশুরের অ্যাক্সিডেন্ট হওয়ার আগ পর্যন্ত শ্বাশুড়ির ছিল টসটসে যৌবন। শ্বশুর অক্ষম হলেও আমার সাথে তাঁর যৌনজীবন কন্টিনিউ করতেন শ্বাশুড়ি, যদি তাঁদের মনে দুঃখ না দিতাম। তাঁরাও যে আমাকে দুঃখ দেন নি, ব্যাপারটা তা না। তাঁরা তো আমার ছাত্রজীবন বিশেষ করে, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন ধ্বংস করেছেন। আমিও তাঁদেরকে যথাসম্ভব হয়রানি করেছি। আমাদের মাঝে এই ভুল বোঝাবুঝিগুলো না হলে দীর্ঘদিন যাবৎ শ্বাশুড়ির শয্যাসঙ্গী হতে পারতাম আমি, যেমনটির ঈঙ্গিত বহুবার দিয়েছেন তিনি। সেগুলো পরবর্তী অংশে বর্ণনা করবো। আগে বলে নেই, আজকে কী ঘটলো।

ডাক্তার শ্যালক এফসিপিএস এর ভর্তি পরীক্ষা দেবে, তাতে বেশ কিছু টাকা লাগবে। শ্বশুরবাড়ির আর্থিক অবস্থা একেবারে খারাপ নয়, তবে এখন সম্ভবতঃ কিছুটা টান যাচ্ছে। তাই আমি বলে দিলাম, টাকার জন্য যাতে উচ্চতর পড়াশুনা আটকে না থাকে, দরকার হলে টাকা আমি দেব। সেটা পরে একসময় শোধ করে দিলেই চলবে। সেই টাকা দিতে অফিসের পর তাদের বাসায় হাজির হলাম কুড়িল চৌরাস্তার নিকট, একটা বিল্ডিং-এর নিচ তলায়; এখানে তারা ১৩ বছর ধরে থাকে। বাসায় তখন শ্বাশুড়ি ছাড়া আর কেউ ছিল না। তাই একটু আতংক বোধ করছিলাম, শ্বাশুড়ি আদৌ আমাকে বাসায় ঢুকতে দেয় কিনা। এজন্য অবশ্য আমিই দায়ী। তাঁর যখন ভরা যৌবন ছিল, তখন তুরুপের তাস ঠিকমতো খেলতে পারি নি, তাই বিছানায়ও নিতে পারি নি। আর যৌবন যখন শেষ পর্যায়ে, তখন একদিন তাঁকে একা পেয়ে চেপে ধরেছিলাম, সোফায়, এক শুক্রবার বিকেলে, ২০১১ সালের ২৭ শে জানুয়ারী তারিখে।

এভাবে তাঁকে হেনস্থা করার পেছনে শ্বাশুড়ি নিজেও কম দায়ী নন, এ ব্যাপারে আরেকটি নিবন্ধে লিখেছি, যেটির শিরোনাম হলো ‘শ্বাশুড়িকে যৌন হেনস্থা করার প্রকৃত কারণ’। সেটা পড়ে না থাকলে এখনই ব্লগে সার্চ দিয়ে খুঁজে বের করে পড়ে নিন (নিচে সাজেস্টেড বা রিলেটেড তিনটা নিবন্ধের মধ্যে একটা)।

যাই হোক, শ্বাশুড়ি দেখলাম, আমাকে ঢুকতে দিলেও মেইন দরজা পুরোপুরি বন্ধ করছেন না। একা কক্ষে বা ফ্ল্যাটে মেয়ে বা মহিলাদের সাথে কখনোই আমার অস্বস্তিবোধ লাগে না, বিশেষ করে স্বাস্থ্যবান বা নাদুসনুদুস যখন হলাম, সেই ২২ বছর বয়স হতে। তাই আজও শ্বাশুড়ির সাথে স্বাভাবিক আচরণ করছিলাম। আমার টার্গেট ছিল, টাকাটা দিয়ে আমার যে ব্যাগটা এখানে ছিল, সেটা নিয়ে প্রস্থান করা। কিন্তু শ্বাশুড়ি আমাকে খেয়ে যেতে বললেন। আমি বললাম, ভাত খাব না, হালকা-পাতলা কিছু থাকলে দেন। তখন তিনি দই বের করে দিলেন। পরে যখন জানালেন যে, চিংড়ী মাছ আর ইলিশ মাছের ভুনা তরকারী রেঁধেছেন, তখন লোভ আর সামলাতে না পেরে খেতে বসে গেলাম। খাওয়ার আগ পর্যন্ত তাঁর সাথে আই কন্ট্যাক্ট করি নি, অর্থাৎ চোখে না তাকিয়েই আলাপ চালিয়ে যাচ্ছিলাম। তবে শ্বাশুড়িকে মনে হলো, আমার আচরণে ধীরে ধীরে মুগ্ধ হচ্ছেন; এই যে, আমি সুযোগ পেয়েও তাঁর সাথে বেয়াদবী করি নি, সেই কারণে।

যেটাকে এখন বেয়াদবী বলতে বাধ্য হচ্ছি, সেটা এক সময় ছিল ‘সুবর্ণ সুযোগ’, বউয়ের সাথে বোনাস হিসেবে শ্বাশুড়ির দেহ উপভোগ করার সুযোগ। তবে কথায় আছে না, ‘কাঁচায় না নোয়ালে বাঁশ, পাকলে করে টাস্ টাস্’। শ্বাশুড়িকে দিয়ে এবং আরো বেশ কয়েকজন মহিলা ও মেয়েকে দিয়ে এই সত্যটা হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করলাম। তাই যুবক বন্ধুদের কাছে পরামর্শ হলো, যৌনজীবন পুরোপুরি উপভোগ করতে চাইলে চোখ-কান খোলা রাখবেন সবসময়, মেয়ে ও মহিলাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ও কথাবার্তার ধাঁচ পর্যবেক্ষণ করতে থাকুন; তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন, কখন আপনার সুবর্ণ সুযোগটি পাশ দিয়ে যাচ্ছে।

এবার তাহলে শ্বাশুড়ির সাথে একা বাসায় পূর্বোক্ত অভিজ্ঞতাগুলো বর্ণনা করি।

নাভি দেখানো শ্বাশুড়ি

শ্বাশুড়ির শরীরে যে যৌনতার সুড়সুড়ি আছে, সেটা প্রথম বোঝা উচিত ছিল, যেদিন তাঁকে তাঁদের রান্নাঘরে নাভি খোলা অবস্থায় দেখতে পাই। তখন সদ্যমাত্র বিবাহ করেছি, একমাস-দু’মাস হবে। মজার ব্যাপার হলো, আমার উপস্থিতি টের পাওয়া সত্ত্বেও তিনি নাভি ঢাকেন নি, এমন কি মুখে একটা স্মিত বা লোচ্চা হাসি ধরে রেখেছিলেন। ঐ সময় বাসায় আরো দু’একজন থাকলেও তারা সম্ভবতঃ ঘুমাচ্ছিল। তখন তারা বসুন্ধরা গেটের অপোজিটে ‘চাঁন মিয়া হাউজ’ নামক একটি বিল্ডিং-এ ছয় তলায় থাকতো।

আমার সেদিন উচিত ছিল, রান্নাঘরে প্রবেশ করে তাঁর সাথে আলাপচারিতা করা ও তিনি ‘নাই’ (আঞ্চলিক ভাষায় ‘লাই’) দিলে তাঁর পেছনে গিয়ে তাঁকে আলতোভাবে জড়িয়ে ধরা, বিশেষ করে তাঁর নাভিতে হাত দিয়ে স্পর্শ করা।

এরকম একটা সময়ে একদিন আমার বউয়ের এক চাচাতো বোন যে কিনা বউয়ের চেয়ে দু’-তিন বছর ছোট, তাকে একা এক রুমে পেয়ে হাতে হাত রেখেছিলাম। শ্বাশুড়ি সেটা দূর থেকে দেখতে পেয়েছিলেন, কেবলই মুচকি হেসেছিলেন, কোনো আপত্তি করেন নি।

বাসা বদলের দিন মেয়েজামাইয়ের পেছনে ঘুরঘুর করে শ্বাশুড়ি

চাঁন মিয়া হাউজের মালিক বাড়িটা বিক্রি করে দিবেন, ঋণে জর্জরিত হয়ে। তাই ভাড়াটিয়া সবাইকে বাসা ছেড়ে দিতে হবে, আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজনও ব্যতিক্রম নন। যেদিন তাঁরা বাসা বদল করছিলেন, ঐদিন সেখানে আমি ছিলাম। ঘুরে ঘুরে ‘প্রায় খালি’ বাসাটা দেখছিলাম আর ভাবছিলাম, ‘এখানেই আমার প্রথম বাসর দিন হয়েছে। সত্যি, এই বাসাটা খুব মিস্ করব।’ ঐ সময় আমার বয়স ছিল প্রায় সাড়ে পঁচিশ, আর তখনকার দিনে লুঙ্গির বদলে বক্সার্স পরতাম।

এমন একটা সময় আমি আর শ্বাশুড়ি ছাড়া ঐ ফ্ল্যাটে আর কেউ ছিল না। শ্বাশুড়ি তখন গোছগাছ করছিলেন, আর বিভিন্ন রুম ঝাড়ু দিচ্ছিলেন। হঠাৎ শ্বাশুড়ি ঐ সকল কাজকর্ম ফেলে আমার পেছনে ঘুরঘুর শুরু করলেন, বিভিন্ন প্যাঁচাল পাড়তে শুরু করলেন। যেমনঃ তাঁর আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে কে কে পয়সাওয়ালা আর ক্ষমতাধর আছেন, এই সব আর কি! আমি ভদ্রতার বশে সেগুলো শুনছিলাম ঠিকই, কিন্তু ওনার ঈষৎ স্মিত তথা লোচ্চা টাইপের হাসি দেখে আর অবাধ্য লিঙ্গ দাঁড়ানো শুরু করলো। তখন পড়ে গেলাম অস্বস্তিতে, কারণ শ্বাশুড়ি রেহাইও দিচ্ছেন না, একনাগাড়ে প্যাঁচাল পেড়েই যাচ্ছেন। মজার ব্যাপার হলো, শ্বাশুড়ি আমার লিঙ্গ উত্থানের বিষয়টি টের পেয়েছিলেন এবং কিছুক্ষণ পরপর সেদিকে নির্লজ্জের মতো তাকাচ্ছিলেন। যেন, আমি ছোট বাচ্চাছেলে, আমার লিঙ্গ দেখে বোঝার চেষ্টা করছেন, আমি এখন মুতবো কিনা। মুততে তো মনে চাচ্ছিলো ঠিকই, তবে তা বিশেষ ধরনের মোত (বীর্যস্খলন), আর সেটা তাঁর গোপনাঙ্গের ভেতর, যদি উনি একটা সুযোগ দিতেন।

সুযোগ অবশ্য উনি দিতেই চেয়েছিলেন, অন্ততঃ ওনার চোখমুখের ভাষা সেটাই বলছিল। আমি এক পর্যায়ে তাঁর খুব কাছাকাছি চলে আসি (নাকি উনি এসেছিলেন, সেটা মনে নেই এখন), হাত বাড়ালেই আলিঙ্গন করতে পারব এমন দূরত্বে। সারপ্রাইজিং হলো, তিনি দূরে সরে যাচ্ছেন না, বরং মুখের প্রলোভনসুলভ হাসিটা আরো বিস্তৃত করছিলেন। বোকাচন্দ আমি অন্তত তাঁকে জড়িয়ে ধরে বলতে পারতাম, ‘আসেন আম্মা, আপনাকে একটু জড়িয়ে ধরি (বা, আপনার সাথে কোলাকুলি করি)’, যেমনটি পরে একসময় ঠিকই বলেছিলাম, তবে ভুল সময়ে। এভাবে প্রথমে তিনি একটু আপত্তির অভিনয় করতেন হয়তো, তবে পরে ধীরে ধীরে সবকিছুই করতে দিতেন বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। পাশে খাটটা তো তখনও পাতা ছিল। আহারে, এমন সুযোগ হাতছাড়া করলাম!

রুটি-ভাজির বদলে শ্বাশুড়ির ‘আম’গুলোই খেতে মন চাচ্ছিল

বাসা বদলের পর একদিন সকালের ঘটনা, আমার বউ কলেজে গিয়েছে (অনার্স সেকেন্ড ইয়ারে পড়তো সে তখন)। বাসায় শ্বাশুড়ি আর আমি ছাড়া আর কেউ নেই। আমি ঘুম থেকে ওঠার পর ডাইনিং টেবিলে নাশতা খেতে দিলেন। আইটেম ছিল খুব সম্ভবতঃ রুটি-ভাজি আর ডিমপোচ। তবে এক পর্যায়ে তিনি কোনো কারণ ছাড়াই টেবিল ঘেঁষে আমার পাশে দাঁড়ালেন, ঐ সময় হঠাৎ করে দুর্ঘটনাবশতঃ নাকি উনি ইচ্ছে করেই শাড়ির আঁচলটা ফেলে দিয়েছিলেন, সেটা বলতে পারব না। তবে ব্লাউজের উপর দিয়েই ওনার ডান স্তন দেখে আমার তো পুরোপুরি দাঁড়িয়ে গেল, আর কিছুতেই নাশতা খেতে ইচ্ছে করছিল না তখন আমার। মনে চাচ্ছিল, তৎক্ষণাৎ গিয়ে তাঁর স্তনখানা খামছে ধরি। সেটাই করা উচিত ছিল বোধ হয়; আফটার অল, উনি শ্বাশুড়ি হয়ে এভাবে মেয়েজামাইকে যৌন উত্তেজিত করবেন কেন? আর অ্যাক্সিডেন্টালি যে ব্যাপারটা হয় নি, তা নিশ্চিত হওয়া গেল ওনার মুখের প্রলোভনসুলভ হাসি দেখে।

এরপর থেকে আজও যদি রুটি-ভাজি দেখি, শ্বাশুড়ির সেই স্তনের কথা খুব মনে পড়ে যায় আর জিহ্বা দিয়ে লালা ঝরে! (এগুলো সবই ‘০৬ সালের কথা, যে বছরের মার্চে বিয়ে করি)



যে কথাগুলো শেয়ার করার তাগিদ অনুভব করি – পর্ব ১

দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রী প্রচণ্ড বায়ুদূষণের দরুন আগামী চার-পাঁচ দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন এবং আউটডোর স্পোর্টসে অংশগ্রহণ করতে মানা করেছেন। অথচ কাল রবিবার বাংলাদেশের সাথে ভারতের টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হওয়ার কথা, সেখানে ভারতের টপ ক্লাস খেলোয়াড়দের খেলানো হচ্ছে না। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, ম্যাচের ভেন্যু কেন ওটা নির্ধারণ করা হলো? বাংলাদেশী খেলোয়াড়দেরকে দূষণের মুখে ঠেলে দেয়াই কি তাদের উদ্দেশ্য?




অনেকেই বলে, নোয়াখাইল্লারা খারাপ। ভুলে গেলে চলবে না যে, এস আলম গ্রুপের মালিকপক্ষ কিন্তু নোয়াখালীর লোক। তারা মিশর থেকে ৫৫ হাজার টন পেয়াজ আমদানী করতে যাচ্ছে, ব্যবসা করার জন্য নয়, বরং কেবল দেশবাসীর স্বার্থে। এছাড়া নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার সময় নোয়াখালীবাসী যেভাবে সারাদেশ থেকে আসা পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকবৃন্দের যত্ন-আত্তি করেছেন, এমনটি দেশের আর কোথাও পাওয়া যাবে কি? এটাই নোয়াখালী-হেটারদের কাছে আমার প্রশ্ন।

মিথিলা ফাহমীর সাথে পরকীয়া (বিবাহ বহির্ভূত যৌন সম্পর্ক) করা অবস্থায় ছবি তুলেছে, আবার সেই ছবি ফেসবুকে আপলোড করেছে। মিথীলার বক্তব্য হচ্ছে, সে এমনটা করতেই পারে, এটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু আমরা তো জানি, বিবাহ বহির্ভূত যৌন সম্পর্ক ‌এ দেশে অসামাজিক কার্যকলাপ হিসেবে চিহ্নিত। আবাসিক হোটেলে বা যেকোনো বাসাবাড়িতে এমনটি যারা করে, তাদেরকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায় এবং জেল-জরিমানা করে। তাহলে মিথীলা ও ফাহমির ব্যাপারে একই পদক্ষেপ নেয়া হবে না কেন? এছাড়া মিথীলার প্রতি আমার প্রশ্ন হচ্ছে, ‘তুমি কত জনের সাথে এসব করবা? জন কবির, সৃজিত মুখার্জী, আর এখন আবার নতুন প্রেমিক ফাহমি! এতজনের সাথে করা কি ঠিক?’

এখানে ভদ্রবেশে দেখা গেলেও সাম্প্রতিক কিছু ছবিতে তাঁকে নোংরা অবস্থায় দেখা গেছে

সরকার ২২ দিন ধরে ইলিশ শিকার বন্ধ রেখেছে, কিন্তু এর পরে যে ইলিশগুলো শিকার করা হলো, দেখা গেল, তাদের অধিকাংশের পেটেই ডিম। তাহলে ঐ টাইমফ্রেম কি সঠিক ছিল? সরকারের প্রতি আমার পরামর্শ হলো, টাইমফ্রেমটা প্রয়োজনে শিফট করা বা এক্সটেন্ড করা হোক। আর ঐ সময়টায় জেলেদের কাছে যাতে চাল ও অন্যান্য সাহায্য ঠিকমতো পৌঁছায়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে, যেভাবেই হোক।

পিয়াজের বিকল্প একটি জিনিসের কথা বলি, আর সেটা হলো সিদ্ধ পেঁপে। হ্যাঁ, সিদ্ধ পেঁপে যদি তরকারীতে দিয়ে বাগার ও রান্না করেন, তাহলে পিয়াজ যে উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেন, সেটার অনেকখানিই পূরণ হবে। মনে রাখবেন, পিয়াজ সিদ্ধ হয়ে যাবার পর এতে তেমন কোনো পুষ্টিগুণ থাকে না। তাই পিয়াজের ভিটামিন ও খাদ্যমান পেতে চাইলে একে কাঁচা অবস্থায় গ্রহণ করুন। আর রান্নাতে যৎসামান্য পেয়াজ দেয়াই যথেষ্ট। তদুপরি, একটি নির্ভরযোগ্য অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে জানতে পেরেছি যে, দেশে বেশ কয়েকটি পিয়াজ সংরক্ষণাগার নির্মাণ করা হবে। তাই আগামী বছর পিয়াজের এমন আকাল পরার সম্ভাবনা কম। আরেকটি উপদেশ হলো এই যে, আগস্ট বা সেপ্টেম্বর আসলেই বেশি করে পেয়াজ কিনে তা বাসাবাড়িতে ঝুলিয়ে মজুদ করুন। আর নিশ্চিত করবেন যাতে, সে স্থানে পানি পৌঁছাতে না পারে, তবে যথেষ্ট বায়ু চলাচল করতে পারে। ঝুলিয়ে রাখার একটি উদ্দেশ্য হলো, ইঁদুর যাতে পিয়াজ পর্যন্ত পৌঁছতে না পারে।



স্ত্রী সন্তান ধারণে অক্ষম, তাই শাশুড়ী এগিয়ে এলেন জামাইয়ের দিকে

I got married when I was only twenty and my wife was eighteen years. আমার যখন বিয়ে হয়েছিল, তখন আমার বয়স ছিল কুড়ি আর বউয়ের ছিল আঠারো। We tried to have an early issue but even after five years of attempt my wife did not conceive. আমরা আগেভাগেই সন্তান নিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু ৫ বছর চেষ্টার পরও আমার স্ত্রী গর্ভধারণ করে নি। That made us worry as to whether we can really get our children or not. এতে আমরা দুশ্চিন্তিত হয়ে পড়লাম, এটা ভেবে যে আমাদের আদৌ সন্তান হবে নাকি হবে না। I took my wife from doctor to doctor. বউকে কত ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলাম! They tested my semen and also tested my wife. তারা আমার বীর্য পরীক্ষা করলো আর বউকেও পরীক্ষা করলো। They opined that there is no issue with me but as my wife’s womb is very small it was rejecting any sort of conception to grow. তারা মতামত দিল যে, আমার কোনো সমস্যা নেই, কিন্তু আমার বউয়ের গর্ভ খুবই ছোট, তাই সেখানে ভ্রুণ জন্ম নিলেও বড় হওয়ার আগেই সেখান থেকে বের হয়ে যাচ্ছিল। They opined that the only solution is to have a surrogate mother. তাদের মতে, একমাত্র সমাধান হলো – অন্য এক মহিলার গর্ভে সন্তান উৎপাদন করা।




Me and my wife both had got good job in an IT company situated at Germany. আমি আর আমার বউ দুজনেই জার্মানীতে অবস্থিত এক আইটি কোম্পানীতে ভালো চাকুরী পেলাম। So we would have had to stay there for eight to ten years. তাই এখন আমাদেরকে সেখানে আট থেকে দশ বছর থাকতে হবে। Surrogate motherhood was a new thing then which I had heard and such facility were available at Anand in Gujarat. অন্য মহিলার গর্ভে বাচ্চা উৎপাদনের বিষয়টি তখন নতুন শুনেছি, গুজরাটের আনন্দ নামক এলাকায় এরকম সার্ভিস পাওয়া যেত। It would be too late for us to think of such a procedure after returning from Germany. জার্মানী থেকে ফিরে এসেও বিষয়টি করা যায়, তবে তখন অনেক দেরি হয়ে যাবে। Facilities there would be costlier. জার্মানীতেও করা যায়, তবে অনেক বেশি খরচ পরবে। Therefore I decided to try at Anand. তাই আনন্দতেই বিষয়টি চেষ্টা করার সিদ্ধান্ত নিলাম।

I took leave for a week and went to Anand. আমি এক সপ্তাহের জন্য ছুটি নিলাম আর আনন্দতে গেলাম। We stayed at a hotel and enquired at many places. আমরা এক হোটেলে অবস্থান করলাম আর বিভিন্ন জায়গায় খোজ নিলাম। There were number of such surrogate homes. এরকম অনেকগুলো সারোগেট সার্ভিস প্রোভাইডার ছিল। They had housed many ladies who were all in their gestation period. তাদের সংগ্রহে অনেকগুলো মহিলা ছিল যারা গর্ভধারণে সক্ষম। There were three to seven star places accommodation, even foreigners. সেখানে তিন তারকা থেকে শুরু করে সাত তারকা চিহ্নিত আবাসস্থল ছিল, এমনকি বিদেশী মহিলাও ছিল। Every place they did lot of questioning, saw our reports and told that it is possible to help us. প্রত্যেক জায়গায় আমাদের রিপোর্ট দেখে অনেকগুলো প্রশ্ন করছিল আর জানাল যে, আমাদেরকে সাহায্য করতে পারবে। But when the question of fees came we were flabbergasted. কিন্তু সার্ভিসের ফী শুনে আমাদের চক্ষু চড়কগাছ হয়ে গেল। It was exorbitant for my pay pocket. এটা আমার বাজেট বা সামর্থ্যর বাইরে ছিল।

So we returned with no positive result. তাই আমরা সন্তোষজনক কোনো ফলাফল ছাড়াই ফিরে আসলাম। My wife was sad and depressed. আমার বউ দুঃখিত ও বিষন্ন হয়ে গেল। She started telling me to divorce her and marry someone else. সে আমাকে বললো, তাকে তালাক দিয়ে অন্য কাউকে বিয়ে করতে। But that was not the right step as I loved her too much. কিন্তু সেটা ঠিক হবে না, কারণ তাকে অনেক ভালোবাসতাম। As she was depressed I called her mother to come and stay with us for a few days. যেহেতু সে বিষন্ন ছিল, তাই তার মাকে ফোন করে বললাম, এসে আমাদের সাথে কিছুদিন থাকতে।

Now a few words about my mother in law. এখন আমার শ্বাশুড়ির বিষয়ে কয়েকটি কথা বলি।

My wife’s mother had expired while giving birth to her second baby. আমার বউয়ের আসল মা তার দ্বিতীয় বাচ্চা জন্ম দিতে গিয়ে মারা গিয়েছিলেন। The baby also had expired. আর বাচ্চাটাও মারা গিয়েছিল। My father in law went into depression and his widowed sister cared for my wife when she was young. আমার শ্বশুর বিষন্নতায় আক্রান্ত হলেন এবং তার বিধবা বোন আমার বউয়ের যত্ন নিতেন যখন সে ছোট ছিল। But when my wife was in her tenth standard, her father somehow got entangled in an affair with his secretary in office and married. কিন্তু আমার বউ যখন ক্লাস টেনে পড়তো, তখন শ্বশুরমশায় অফিসে তার সেক্রেটারির সাথে প্রেমে জড়িয়ে গিয়ে তাকে বিয়ে করেন।

At that time my wife was 18 and her step mother was 25. ওই সময় আমার বউয়ের বয়স ছিল ১৮ আর তার সৎ মায়ের বয়স ছিল ২৫। Though many made fun of the huge age gap between my father in law and his second wife, they somehow managed. যদিও অনেকেই আমার শ্বশুর আর তার দ্বিতীয় বউয়ের বয়সের ব্যবধান নিয়ে হাসাহাসি করতো, তবে তারা মোটামুটি সুুুুখেই ছিল। It seems the lady looked after my wife with love and almost treated her as a younger sister. মনে হচ্ছে ওই মহিলা ভালোবাসা সহকারে আমার বউয়ের দেখভাল করতেন আর তাকে নিজ ছোট বোনের মতো বিবেচনা করতেন। But unfortunately before our marriage my father in law expired due to heart attack. কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমাদের বিয়ের ঠিক আগমুহূর্তে আমার শ্বশুর হার্ট এটাক করে মারা গেলেন। So my MIL was all alone. তখন আমার শ্বাশুড়ি পুরোপুরি একা হয়ে গেলেন। Many times my wife had suggested calling her and asking her to stay with us, but I had not decided. অনেক বারই আমার বউ আমাকে বলেছে, যাতে তাকে (শ্বাশুড়িকে) ফোন করে আমাদের এখানে কয়েকদিন বেড়িয়ে যেতে বলি, তবে আমি এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারি নি।

Now my MIL agreed for surrogate motherhood to bear our child. আমার সেই শ্বাশুড়ি এখন নিজের গর্ভে আমাদের ভ্রুণ ধারণ করতে রাজি হলেন। She arrived a week after we told her about my wife’s depression. তাকে আমার বউয়ের বিষন্নতার ব্যাপারে জানানোর এক সপ্তাহ পর তিনি হাজির হলেন। She was also to be examined and hence I took her also to the doctors and they opined that it can be done. তাকেও তো পরীক্ষা করাতে হবে, তাই তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলাম। পরীক্ষা করার পর তারা মতামত দিল যে, (তাকে দিয়ে) করা যাবে। But again the issue was money. কিন্তু এবারেও সমস্যা হলো টাকা। I explained it to my mother in law. আমি শ্বাশুড়িকে সেটা বুঝিয়ে বললাম। She told that she need some time to plan for money. তিনি আমাকে জানালেন, টাকা কীভাবে জোগাড় হবে সেটা পরিকল্পনা করতে তার কিছুটা সময় লাগবে।

A week later she went to a doctor alone and returned at night. এক সপ্তাহ পর এক ডাক্তারের কাছে তিনি একাই গেলেন এবং রাতে ফিরে আসলেন। She told my wife and me that all have been arranged. তিনি আমাকে আর আমার বউকে জানালেন যে, সবকিছু জোগাড়যন্ত্র হয়েছে। Then my mother in law told me separately that she want to talk to me alone about the procedure and her daughter should not know about it. তখন শ্বাশুড়ি আমাকে আলাদাভাবে জানালেন যে, কোন উপায়ে এটা হবে সে ব্যাপারে তিনি আমার সাথে একা আলাপ করতে চান আর বউ যাতে এ বিষয়ে কিছু না জানে। In the pretext of taking her to a temple I drove her to a distant place where we could speak. শ্বাশুড়িকে মন্দিরে নিয়ে যাচ্ছি এমন উছিলা করে তাকে নিয়ে গাড়ি চালিয়ে অনেক দূরে চলে গেলাম, যেখানে তার সাথে একটু নিরিবিলি আলাপ করতে পারি। She was hesitant but on my support told that she had detailed discussion with the doctors and made some arrangement. তিনি বলতে দ্বিধা করছিলেন। আমি তাকে আশ্বাস দিলে তিনি জানালেন যে, তিনি ডাক্তারদের সাথে বিস্তারিত আলাপ করে একটা ব্যবস্থা করেছেন। The arrangement would not involve major expenditure than what she had already paid the doctor. এতে খুব একটা খরচ হবে না; তিনি ইতিমধ্যে ডাক্তারদেরকে যে পরিমাণ টাকা দিয়েছেন, তার চেয়ে কম খরচ। I was curious to know. আমি সেটা জানতে উৎসুক হলাম।

She told that we can take my wife to the clinic where the doctor will enact a drama of tests and extracting her eggs and store it. তিনি প্রস্তাব দিলেন যে, আমি বউকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাব। সেখানে তারা তার মেডিকেল পরীক্ষা করার অভিনয় করবেন। এমন ভান করবেন যেন, তার শরীর থেকে ডিম্বাণু সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হচ্ছে। Then doctor would call me for test and tell my wife that they have collected my semen also and after some time would fertilize the egg and then implant it in my mother in law’s womb. এরপর ডাক্তাররা আমাকে ডাকবেন পরীক্ষার জন্য এবং আমার বউকে জানাবেন যে, আমার শুক্রাণু সংগ্রহ করা হয়েছে। তা দিয়ে কিছুদিনের মধ্যে তার ডিম্বাণু নিষিক্ত করা হবে ও শ্বাশুড়ির গর্ভে স্থাপন করা হবে। So they will call her also for procedure which will be a pure drama. এরপর ডাক্তাররা শ্বাশুড়িকে ডাকবেন অপারেশনের জন্য, যেটা হবে পুরোপুরি একটা নাটক।

I could not understand at all. আমি কিছুই বুঝলাম না। If everything was drama how we can get child. সবকিছু যদি অভিনয়ই হয়, তবে বাচ্চা হবে কীভাবে? On my questioning she said that for the sake of her daughter’s happiness she is ready to do anything and everything. প্রশ্ন শুনে শ্বাশুড়ি বললেন, তিনি তার মেয়ের সুখের জন্য যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত। She revealed that even my wife’s eggs had problem and hence it was not possible to fertilize her eggs at all. তিনি আমাকে জানালেন যে, বউয়ের ডিম্বাণুতেও সমস্যা, তাই ওগুলো নিষিক্ত করা সম্ভব না। To take donor egg would mean the child will not be of ours. অন্য মহিলা থেকে যদি ডিম্বাণু নেই, তাহলে বাচ্চা তো পুরোপুরি আমাদের হবে না। Therefore she had decided other plan. এই কারণে তিনি অন্য এক পরিকল্পনা করেছেন। On my insistence she told that alternate days we can go out in the pretext of meeting doctor and she would get pregnant natural way. আমি পীড়াপীড়ি করলে তিনি জানালেন, ডাক্তারের সাথে সাক্ষাতের উছিলায় তিনি একদিন পরপর আমাকে নিয়ে বাহিরে যাবেন এবং প্রাকৃতিক উপায়ে গর্ভধারণ করবেন। I was astonished to hear these words from her. আমি তার মুখ থেকে এইসব কথা শুনে খুবই অবাক হলাম। I could not believe my ears. নিজের কানকে তখন বিশ্বাস হচ্ছিল না আমার। I felt it is not right but she was insistent. আমি বললাম, এটা করা ঠিক হবে না, কিন্তু তিনি তার সিদ্ধান্তে অনড়। Her logic was that the child will be of mine and of her DNA which means child will be of same family lineage. তার যুক্তি হলো, এভাবে করলে শিশুর শরীরে আমার ও তার ডিএনএ থাকবে; তার মানে হলো, শিশুটি একই পারিবারিক বংশের সদস্য হবে। I told her that I need time to think. আমি তাকে বললাম, আমার কিছুটা সময় দরকার চিন্তা করার জন্য।

My mother in law was a woman of grit and determination. আমার শ্বাশুড়ি ছিলেন কঠিন আত্মসংকল্পের এক মহিলা। Hence she set out on her mission next day itself. তাই পরের দিনই তিনি তাঁর মিশনে বের হলেন। When I went to office she took my wife to doctor. যখন আমি অফিসে গেলাম তখন তিনি আমার বউকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলেন। When I came in the evening my wife felt happy and told me that doctors have agreed to fertilize our child in her mother and cost would be very less. যখন সন্ধ্যায় বাসায় ফিরলাম তখন বউকে খুব খুশি দেখাচ্ছিল এবং সে আমাকে বললো যে, ডাক্তার আমাদের ভ্রুণ তার মায়ের গর্ভে স্থাপন করতে রাজি হয়েছেন আর খরচ পড়বে অনেক কম। I looked at my MIL who smiled. আমি শ্বাশুড়ির দিকে তাকালাম যে তখন স্মিতভাবে হাসছিল। I just kept quiet. আমি শুধু চুপচাপ থাকলাম। The following week she again took my wife to the doctor. পরের সপ্তাহে তিনি আবার আমার বউকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলেন। That night my wife told me that doctors had taken her eggs and another day would take my semen and then fertilize them before planting in her mother’s womb. ওই রাতে আমার বউ আমাকে বললো যে, ডাক্তাররা তার ডিম্বাণু নিয়েছে, পরে আমাকে ডেকে আমার বীর্য নিবে এবং এরপর এ দুটিকে একসাথে নিষিক্ত করে তার মায়ের গর্ভে স্থাপন করবে। She was excited. সে উত্তেজিত ছিল। Since that moment my thinking about my MIL changed. ঐ মুহূর্ত থেকে শ্বাশুড়ির ব্যাপারে আমার চিন্তা-ভাবনা বদলে গেল। I had started appreciating her for her determination. আমি তাঁর দৃঢ়সংকল্পের জন্য মনে মনে তাঁর প্রশংসা করতে শুরু করলাম। I started to look at her with interest. আমি তাঁর দিকে আগ্রহ সহকারে তাকানো শুরু করলাম।

Two days later, being a Saturday my MIL told her daughter that I have to go to doctor for my examination and depositing semen. দুই দিন পর শনিবার ছিল; শ্বাশুড়ি বউকে বললো যে, আমাকে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে, পরীক্ষার জন্য আর বীর্যদানের জন্য। She told me to just go out, bring some vegetables and tell that I met the doctor. তিনি আমাকে বাজারে গিয়ে কিছু সবজি কিনে এনে টাইম পাস করার বুদ্ধি দিলেন; আর বাসায় এসে যাতে বলি যে, ডাক্তারের সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়েছে। I did just that. আমি সেটাই করলাম। She told that the doctor would now fertilize the egg and when the fetus is formed they would call her and implant in her womb. তিনি বউকে বললেন, ডাক্তার এখন ডিম্বাণু নিষিক্ত করবেন; যখন ভ্রুণ গঠিত হবে, ডাক্তার তাঁকে ডেকে নিয়ে তাঁর গর্ভে সেটা স্থাপন করবেন। My wife was grateful to her. আমার বউ তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা বোধ করলো।

Just then the company which had selected us in Germany wanted my wife to report urgently. ঠিক তখনই যে কোম্পানীটি আমাদের দুজনকে জার্মানীতে চাকুরির জন্য বাছাই করেছিল, তারা বউকে অতিসত্ত্বর হাজির হতে বললো। My post had provision of three months of joining period. আমি তিন মাস পরে জয়েন করলেও চলবে। My MIL convinced her daughter that now already she had deposited her eggs and rest is left to doctors to succeed in fertilizing, she can go and join in Germany and I can join after three months. শ্বাশুড়ি বউকে বুঝিয়ে বললো যে, সে তো ডিম্বাণু দিয়েছেই, এখন ডিম্বাণু নিষিক্ত করা আর বাকি প্রক্রিয়ার সফলতা নির্ভর করছে ডাক্তারদের উপর। তাই সে এখন জার্মানীতে গিয়ে চাকুরিতে জয়েন করতে পারে, আমি তো আসছিই তিন মাস পর। With that logic she convinced my wife to go and join immediately as otherwise the job would have gone to someone else. এই যুক্তি দিয়ে শ্বাশুড়ি বউকে ঐ চাকুরিতে অতিসত্ত্বর জয়েন করতে রাজি করালেন, নয়তো চাকুরিটা তো অন্য কাউকে দিয়ে দিবে হয়তো।

The first night after my wife left us we returned home after leaving my wife at airport. যে রাতে বউ আমাদের ছেড়ে চলে গেল, সে রাতে তাকে বিমানবন্দরে বিদায় দিয়ে আমরা দুজনে বাড়ি ফিরে আসলাম। We had dinner on way back at a hotel. ফিরে আসার পথে এক রেস্তোরাঁয় রাতের খাবার খেয়ে নিলাম। On return it was past midnight. বাসায় ফিরে আসতে আসতে রাত বারোটার বেশি বেজে গেল। She changed to her nighty and I could observe that she had no undergarments. তিনি জামাকাপড় পরিবর্তন করে নাইটি পরলেন এবং আমি বুঝতে পারলাম যে, এর নিচে কোনো অন্তর্বাস পরেন নি তিনি। I was excited. আমি উত্তেজিত হয়ে গেলাম। I told her good night and went to my bedroom, too shy to call her. আমি তাঁকে শুভরাত্রি জানিয়ে নিজের বিছানাকক্ষে চলে গেলাম, তাঁকে নিজের কাছে ডাকতে লজ্জাবোধ করছিলাম। Knowing my mind she just kept quiet. আমার মনের কথা বুঝে তিনি নিরব থাকলেন। Ten minutes later I put off the lights, she was there by my side. দশ মিনিট পর বাতি নিভালাম; দেখলাম, বিছানায় আমার পাশে শ্বাশুড়ি শোয়া। She put her hand on me and pulled me to her side. তিনি আমার গায়ে হাত রাখলেন এবং টেনে তাঁর কাছে নিয়ে গেলেন।

নয়নকে তালাক না দিয়েই রিফাতকে বিয়ে করেছিল মিন্নি, একইসাথে দুটি সংসার করতো

বরগুনায় আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যাকান্ডের ২০ দিন পর গ্রেফতার হন তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। গ্রেফতারের পরই মিন্নি ‘প্রধান সাক্ষী’ থেকে ৭ নম্বর আসামি হয়ে যান। পাঁচ দিনের রিমান্ডের দু’দিন শেষ হতেই রিফাত হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন তিনি। ১৬৪ ধারায় দেয়া সেই স্বীকারোক্তি সাংবাদিকদের হাতে এসেছে। স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, স্বামী রিফাতের সঙ্গে দাম্পত্য অশান্তি সৃষ্টি হওয়ায় নয়ন ও তার সঙ্গীদের দিয়ে তাকে কিছুটা ‘মাইর’ খাওয়াতে চেয়েছিলেন মিন্নি। হত্যা করতে বলেননি।



জবানবন্দিতে মিন্নি বলেন, বরগুনা সরকারি কলেজে ডিগ্রি প্রথম বর্ষে পড়াশোনা করেন তিনি। ২০১৮ সালে বরগুনা আইডিয়াল কলেজ থেকে মানবিক বিভাগ থেকে এইচএসসি পাস করেন। কলেজে পড়াশোনার সময় ২০১৭ সালে বামনা ডিগ্রি কলেজের ছাত্র রিফাত শরীফের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই সময় রিফাত তার কয়েকজন বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে মিন্নির পরিচয় করে দেন যার মধ্যে নয়ন বন্ড একজন। এক পর্যায়ে নয়নও তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিলে তিনি সাড়া দেননি। তবে এক পর্যায় রিফাত অন্য মেয়েদের প্রতি ঝুঁকে পড়লে তিনি ধীরে ধীরে রিফাত শরীফের অজান্তে নয়ন বন্ডের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। মিন্নি জবানবন্দিতে আরো বলেন, আমি আমার মায়ের মোবাইল দিয়ে নয়নের সঙ্গে কল, এসএমএস এবং ফেসবুকে যোগাযোগ করতাম। এক পর্যায়ে নয়ন বন্ডের বাসায় নিয়মিত যাতায়াত শুরু করি। তার বাসায় আমাদের অনেকবার শারীরিক ঘনিষ্ঠতা হয়। আমার অজান্তে আমাদের এই ঘনিষ্ট সম্পর্কের ছবি ও ভিডিও ধারণ করে রাখে নয়ন। তার বাসায় যাওয়া-আসার সুবাদে আমি শাওন, রাজু, রিফাত ফরাজী এবং আরও ৭/৮ জনকে দেখি। একদিন শাওন কাজী ডেকে আনে এবং নয়নের বাসায় তার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। তারপর আমি বাসায় চলে যাই। নয়নকে ফোন করে বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখতে বলি। এরপর আমরা গোপনে স্বামী-স্ত্রীর মতো জীবনযাপন করতে থাকি। বিয়ের বিষয়টি আমার পরিবারের কেউ জানে না।’

মিন্নি আরো বলেন, একপর্যায়ে আমি জানতে পারি নয়ন মাদকসেবী। সে ছিনতাই করে এবং তার নামে থানায় অনেক মামলা আছে। এ কারণে তার সঙ্গে আমার সমপর্কের অবনতি হয় এবং রিফাতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধার হয়। পরে পারিবারিকভাবে রিফাতের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। তবে রিফাতের সঙ্গে বিয়ের পরও নয়নের সঙ্গে ফোন যোগাযোগ এবং ‘স্বামী-স্ত্রী’র সম্পর্ক বজায় রাখি। তবে বিয়ের পর জানতে পারি রিফাত শরীফও মাদকসেবী। সে মাদকসহ পুলিশের কাছে ধরা পড়ার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি। এক পর্যায়ে নয়ন বন্ডের বিষয়টি রিফাত জেনে ফেলায় তার সঙ্গে আমার মাঝে মাঝে কথা কাটাকাটি হতো এবং রিফাত আমার গায়ে হাত তুলতো।

মিন্নি আরো বলেন, গত ২৪ এপ্রিল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নয়ন আমাকে ফোন দিয়ে বলে, তোর স্বামী হেলালের ফোন ছিনাইয়া নিয়েছে। আমি রিফাতকে হেলালের ফোন ফেরত দিতে বললে সে আমাকে চড় থাপ্পড় এবং তলপেটে লাথি মারে। বিষয়টি রাতে মোবাইলে নয়নকে জানাই এবং কান্নাকাটি করি। পরদিন ২৫ এপ্রিল আমি কলেজে গিয়ে নয়নের বাসায় যাই। রিফাতকে ‘মাইর’ দিয়ে একটা শিক্ষা দিতে হবে- এ কথা নয়নকে বলি। এতে নয়ন বলে, হেলালের ফোন নিয়ে যে ঘটনা তাতে রিফাত ফরাজীই তাকে মারবে। তারপর আমি বাসায় চলে আসি এবং এ বিষয়ে কয়েক বার আমার নয়ন বন্ডের সঙ্গে মোবাইলে কথা হয় এবং রিফাতকে ‘শিক্ষা’ দেয়ার পরিকল্পনা করি।