আপন খালা-ফুপুদের সাথে অন্যরকম অভিজ্ঞতা – পর্ব ২

ফরিদা-পারভীন ছাড়াও অন্য কয়েকজন খালার সাথে আমার মশলাদার কিছু অভিজ্ঞতা আছে, সেগুলো বলার আগে একমাত্র আপন ফুপু রাবেয়ার ব্যাপারে কিছু বলে নিই। সত্যি বলতে, তিনি অবশ্য আমার একমাত্র ফুপু নন। আরেকজন আছে, রাবেয়ার চেয়ে বেশ কয়েক বছরের ছোট, নাম সম্ভবতঃ কুলসুম। তবে ওই ফুপুটি ছোট বেলা থেকে পাকিস্তানে থাকেন, সম্ভবতঃ করাচী নগরীতে। আসলে মধ্যবয়সে আমার দাদীর মাথা খারাপ হয়ে গেছিল, তখন একদিন তিনি আমার সেই ছোট ফুপুকে গলা টিপে হত্যা করতে উদ্যত হয়েছিলেন, তখন কুলসুমের বয়স ছিল এক বা দুই বছর। তবে খারাপ কিছু ঘটে যাবার আগেই আশপাশের লোক ঘটনাটি দেখে ফেলায় সে যাত্রা বেঁচে যান কুলসুম। তখন তাঁকে যে দম্পতির কাছে পালক দেয়া হয়, তাঁরা তাঁকেসহ পাকিস্তানে চলে যান।




যাই হোক, এবার রাবেয়া ফুপুর বিষয়ে বলি। সত্যি বলতে তাঁকে দীর্ঘ একটা সময় ভালো চোখেই দেখেছি, তাঁর চরিত্রে কোনো সমস্যা আছে বলে কখনো মনে হয় নি। তবে সম্প্রতি দুই-তিন বছর আগে এমন একটি ঘটনা ঘটলো যেটির কারণে তাঁকে বাঁকা চোখে দেখতে বাধ্য হলাম। তিনি ২০০৪ বা ‘০৫ সালে স্বামীহারা হয়েছিলেন, এরপর ১০-১২ বছর বিধবার বেশেই জীবনযাপন করেছেন। এ সময় কারো সাথে কোনো দৈহিক সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন কিনা, সে বিষয়ে নিশ্চিত নই আমি, তাই ফাও কথা বলে কাজ নেই।

‘১৭ সালের কথা, তখন তাঁর বয়স প্রায় ৫৫ বছর, অর্থাৎ তাঁকে বুড়ি বললেও ভুল হবে না। অবশ্য দেখতে উনি বুড়ি ছিলেন না, গায়ের রং কালো হলেও তাকে ৪০-৪২ বছরের মহিলাদের মতো দেখাতো। এমন একটা সময় শুনতে পেলাম যে, তিনি নাকি এক মধ্যবয়সী পুরুষের সাথে বদ্ধকক্ষে পরকীয়া করতে গিয়ে জনগণের হাতে ধরা খেয়েছেন, ফলশ্রুতিতে তাঁদেরকে বিয়ে পড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকে ফুপুর চেহারা গত তিন বছর ধরে দেখি নি। এক দিক থেকে ভালোই হলো, আগে তো আমাদের কাছ থেকে সাহায্য নিয়ে চলতেন, এখন তাঁকে আর্থিক সাপোর্ট দেয়ার মতো কেউ একজন আছে।

এখন, প্রশ্ন হলো, তাঁকে কি ঐ ব্যাটা একা পেয়ে জোর করে ধর্ষণ করেছিল, নাকি তিনি স্বেচ্ছায় তাকে ‘লাগাতে’ দিয়েছিলেন? আমার আন্দাজ হলো, আর্থিক সুবিধা পাবার আশায়, প্লাস পড়ন্ত বয়সে স্বামীবিহীন দিনগুলোতে যৌনজ্বালা মেটাবার জন্যই হয়তো তিনি ঐ পুরুষটির কাছে নিজের দেহ সমর্পণ করেছিলেন। বয়স ৫৫ হলেও তাঁর যৌবন হয়তো ফুরিয়ে যায় নি, যেটা আমার আগেই বোঝা উচিত ছিল, যখন তিনি আমাদের বাসায় আমাকে একা পেলে আমার পিছনে সহাস্যবদনে ঘুরঘুর করতেন এবং এটা-সেটা বলার চেষ্টা করতেন। আমি তাঁর মনের উদ্দেশ্য কখনোই বুঝতে পারি নি; তিনি যেসব প্যাঁচাল আমার সাথে পিটতে চাইতেন, সেগুলো আমার কাছে ফালতু মনে হতো, তাই তাঁকে এড়িয়ে চলতাম। তিনি আমার সাথে ‘লম্বা’ কথাবার্তা বা কনভারসেশন শুরু করার চেষ্টা করলেও আমি বরাবরই সেটা শর্টকাট করতাম।

আমি তাঁকে এড়িয়ে গেলেও আমার ছোট ভাই পাপ্পু হয়তো তাঁর সাথে প্যাঁচাল পিটতে কোনো সমস্যাবোধ করে নি, আসলে পাপ্পু ছেলেটি অন্য যেকোনো বাঙালী ব্যক্তির চেয়ে বেশি প্যাঁচালবাজ বলে আমার ধারণা। তাই পাপ্পুর পাল্লায় পড়ে ফুপু রাবেয়া উল্টো রেহাই চাইলেন; একটি অভিযোগ করে বসলেন ওর নামে, ‘পাপ্পু নাকি তাঁকে কেমন কেমন করে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরতে চেয়েছিল’। ব্যাপারটি পুরোপুরি বিশ্বাস হয় নি আমার। যদিও পাপ্পু ঠিক ধোয়া তুলসীপাতা নয়, সে একবার আমার বউকে যৌন হেনস্থা করেছিল। তাই বলে সে ৫৪/৫৫ বছর বয়সী একজন পৌঢ়া অনাকর্ষণীয় মহিলাকে ‘লাগাতে’ চেষ্টা করবে, সেটা বিশ্বাস হয় নি আমার তখন।

আমার মনে হয়, ফুপুর কথাবার্তা বা বডি ল্যাঙ্গুয়েজ হয়তো তার কাছে প্রভোক্যাটিভ মনে হয়েছে, তাই সে ওনাকে চেপে ধরতে চেয়েছিল। তবে শেষ মুহূর্তে হয়তো ফুপুর বিবেক জাগ্রত হয়, বয়সে এতো ছোট একটি ছেলের কাছে, বিশেষ করে যে কিনা তাঁর আপন ভাইপো হয়, তার কাছে নিজের দেহ সমর্পণ করে দিতে মন পুরোপুরি সায় দেয় নি তাঁর, তাই শেষ মুহূর্তে বেঁকে বসেন। আর ঘটনাটি ভিন্ন রকম দেখানোর উদ্দেশ্যেই তখন উল্টো ওর নামে অভিযোগ করেন; মেয়ে ও মহিলাদের এই আচরণ তথা চরিত্রটির কথা ভালোই জানা আছে আমার।

তবে কেন জানি মনে হয়, পাপ্পুর বদলে আমি যদি তাঁর সাথে কিছু করতে চাইতাম, তাহলে বোধ হয় রাজি হতেন ফুপু। প্রথম কারণঃ আমার সাথে তাঁর বয়সের ব্যবধান বেশি নয়, যেটা পাপ্পুর ক্ষেত্রে অনেক বেশি। দ্বিতীয়তঃ আমি প্রায়ই তাঁকে আর্থিক সাহায্য করতাম। হয়তো কৃতজ্ঞতাস্বরূপ অথবা আরো আর্থিক সাহায্য পাবার আশায় তিনি ট্যাবু ভেঙ্গে আপন ভাইপো মানে আমার সাথে যৌন সম্পর্কে জড়াতেন। তিনি হয়তো বুঝতে পেরেছিলেন যে, আমি একটি সেক্সপাগল ছেলে, সেক্সের বিনিময়ে অনেক কিছুই দিতে রাজি আমি

আর একটু আগে যে বললাম, উনি অনাকর্ষণীয়, কথাটা পুরোপুরি সঠিক নয়। অনেক মেয়ে বা মহিলা আছে, যাদেরকে বাইরে থেকে দেখে আকর্ষণীয় মনে হলেও কাপড়-চোপড় খুললে বা যৌনসঙ্গম করার সময় বেশি আকর্ষণীয় মনে হয় না, যেমনঃ মোটা মেয়েরা ও মহিলারা। বাইরে থেকে দেখে তাদের ৩৮ বা ৪০ ইঞ্চি বুক বা নিতম্ব অনেক আকর্ষণীয় মনে হয়; মনে হয়, ‘একবার যদি পেতাম তাহলে খুব করে টিপে দিতাম অথবা জন্মের মতো ‘দুচে’ দিতাম!’ কিন্তু ঘটনা ঘটার সময় দেখা যায়, হয় ঐগুলো ঝুলে গেছে, এখন দুই হাত দিয়ে ‘আটা’ ঠিকমতো গোলা যাচ্ছে না; অথবা শরীর এতো ভারী যে, মনে হয় জিমে কঠিন কোনো ব্যায়াম করা হচ্ছে, ৭০ বা ৮০ কেজি ওজনের কোনো বারবেল দিয়ে।

এই মেয়েটিকে দেখলেই ফুপু রাবেয়ার কথা মনে পড়ে, ফুপু যৌবনে হয়তো এমনই ছিলেন দেখতে

আর রাবেয়া ফুপু ছিলেন একেবারে অপোজিট, তিনি ছিলেন ছোটখাট আর স্লিম। এইরকম শরীরের মেয়ে বা মহিলাদেরকে লাগাতে বেশ আরাম, তাদেরকে যেকোনো পজিশনে বসিয়ে আরামসে ‘করা’ যায়, এমনকি কোলে বসিয়েও। তাই নিষিদ্ধ সম্পর্ক হলেও রাবেয়ার সাথে একটা চান্স নেয়া উচিত ছিল আমার, আফটার অল তাঁকে নিজ থেকেই আগ্রহী মনে হচ্ছিল। সে চেষ্টাটা করতাম অবশ্য, যদি ঘুণাক্ষরেও তাঁর মনের কথা বুঝতে পারতাম।

এজন্য পরকীয়ায় আগ্রহী যেকোনো পুরুষের প্রতি আমার পরামর্শ হলো, যদি কোনো মেয়ে বা মহিলা, হোক সে মধ্যবয়সী বা পৌঢ়া, আপনার সাথে যেচে বারবার আলাপ করতে আসে, তাহলে তাঁর ইনোসেন্ট চেহারা বা এপ্রোচ দেখে আগেই ওয়াকওভার দিবেন না। তাঁকে কিছুটা সময় দিন আপনার সাথে আলাপচারিতার। আপনার সাথে ফ্রি হলে এবং আপনাকে তার অন্তরে ধরলে তখন সে নিজেই আপনাকে বিশেষ ইশারা দিবে, যদি সে আপনার সাথে যৌনতায় আগ্রহী হয়। তবে এই পদ্ধতি যে সবসময়ই কাজে দেবে, ব্যাপারটা তা নয়। তাই কমপক্ষে ৭০%-৮০% নিশ্চিত না হয়ে কোনো মেয়ে বা মহিলার গায়ে হাত দেবেন না। তবে সত্যি এই যে, মেয়ে ও মহিলারা চায়, ছেলেরাই আগে তাকে দৈহিক সম্পর্কের প্রস্তাব দিক বা তার শরীর স্পর্শ করুক।



আপন খালা-ফুপুদের সাথে অন্যরকম অভিজ্ঞতা – পর্ব ১

আপন খালা-ফুপু বা নিকট আত্মীয়ার সাথে যৌনতার অভিজ্ঞতাকে ‘ইনসেস্ট’ বলে থাকে। আমার সে রকম কোনো সরাসরি অভিজ্ঞতা নেই, তবে মশলাদার কিছু অভিজ্ঞতা তো আছেই। আর সরাসরি অভিজ্ঞতাও হতে পারতো, যদি বিন্দুমাত্র আগ্রহ দেখাতাম বা তুরুপের তাস ঠিকমতো মেলাতে পারতাম।

এ পর্যায়ে অনেকে হয়তো প্রশ্ন করবেন, সেনসিটিভ এ বিষয়গুলো শেয়ার করছি কেন। কারণ, আমার শেয়ার করতে ভালো লাগে। আমি দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আলোকে দেখেছি যে, মানুষের চিন্তাভাবনার স্টাইল প্রায় সেইম। তাই অভিজ্ঞতাগুলোও প্রায় একই রকম হওয়ার কথা। অর্থাৎ আমার যেমন ইনচেস্ট অভিজ্ঞতা আছে, ঠিক তেমনি বেশিরভাগ মানুষের সেটা থাকার কথা। উদাহরণস্বরূপঃ আমার স্কুল লেভেলের বন্ধু চন্দ্রনাথ দেবনাথের কথা উল্লেখ করি। সে তো এসএসসি পাশের পর ১৯৯৭ সালে তার আপন মাসীর সাথে সেক্স করেছিল, অবশ্য কনডম ব্যবহার করে। সে কথা বোকাটা আবার আমাদেরকে বলে দেয়। তখন বন্ধু-বান্ধবরা বিশেষ করে রাজীব ওকে মারাত্মক রকম খ্যাঁপাতো।



তাই খ্যাঁপানির হাত হতে বাঁচার জন্য সে বন্ধু-বান্ধবদের মধ্যে অন্য কারো চরিত্রে কালিমা লেপনের সুযোগ খুঁজতে থাকে, সেটা সে পেয়েও যায় – আমার মাধ্যমে। আমাকে সে মাগি লাগানোর জন্য কুমিল্লায় যাওয়ার সুযোগ করে দেয়, পরবর্তীতে সে ঘটনা আবার সবাইকে বলেও দেয়। যাই হোক, এ কথাগুলো বলার উদ্দেশ্য হলো, একই ধরনের অভিজ্ঞতা প্রায় সবারই থাকার কথা। তাই আমার আপন খালা-ফুপুদের কাছ থেকে প্রাপ্ত এই অভিজ্ঞতাগুলো আপনাদের কারো কখনো হয়েছে কিনা, সেটা একটু যাচাই করে নিন।

প্রথমেই আসি পারভীনের কথায়, সে আমার ছোট খালা, আমার চেয়ে তিন বছরের বড়। তার ইমেডিয়েট বড় বোন ছিল ফরিদা খালা, যিনি ১৯৯৪ সালে ২০/২১ বছর বয়সে মারা গেছেন। তবে ওনার বিষয়ে আমার বউয়ের মন্তব্যই সঠিক। বউ একবার বলেছিল, ‘ফরিদা খালা মরে গিয়ে তোমাদের হাত হতে বেঁচেছে’। আমার মনে হয়, কথাটা সত্যি – আমি যে রকম সেক্সপাগল ছেলে, তাতে ফরিদা বেঁচে থাকলে তাঁর সাথে নির্ঘাৎ যৌনতায় লিপ্ত হতাম, কারণ দেখতে খুব বেশি সুন্দরী না হলেও গতরখানা তাঁর অসাধারণ ছিল।

ফরিদা খালা বেঁচে থাকলে এতোদিনে এরকম আন্টি হয়ে যেতেন

পারভীন ও ফরিদা যখন আমাদের বাসায় অবস্থান করতো, আমার সেই ছোট বেলার কাহিনী বলছি, তখন রাতে তাদের পাশে শোয়াই ছিল আমার ধ্যান-জ্ঞান। শুয়ে রাতের গভীরে কামিজ ও স্যালোয়ারের নিচ দিয়ে তাদের দেহ হাতানোই ছিল আমার একটা চরম বিনোদন। এসব কাজ করতে গিয়ে ধরা খেলে আমি ঘুমিয়ে থাকার অভিনয় করতাম, কখনো লাথি খেতাম তাদের পায়ের, কখনো বা ধাক্কা। কখনো বা পরের দিন তারা আমার মায়ের সামনে প্রকাশ্যে আমাকে লজ্জা দিত, ‘তোর পোলা বড় হইয়া গ্যাছে, ওরে বিয়া করাইয়া দে!’।

ফরিদা খালা মারা যাওয়ার পর পারভীনের সাথে আর এসব কর্মকাণ্ড করা হয়ে ওঠে নি, কারণ ততদিনে আমি অনেক বড়, ক্লাস নাইনে পড়ি এমন। ঐ সময় আমি পড়াশুনার দিকে মনোযোগ দেই এবং মেয়েদেরকে যথাসম্ভব ভুলে থাকার চেষ্টা করি বেশ কয়েক বছর। তবে ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হবার পর বুঝতে পারলাম যে, পারভীন নিজেই আমার প্রতি দিনদিন দুর্বল বা মুগ্ধ হচ্ছে, অবশ্য এসবকে কখনো আমলে নেই নি। তবে আরো দু’তিন বছর পর তার স্বামী আফজালের সাথে তার ছাড়াছাড়ি হয়ে গেল এবং সে বিভিন্ন পুরুষের সাথে প্রেম করা শুরু করলো। এরকম একটা সময়ে আমি একটা ভুল করে বসি, যাতে তার ধারণা হয় যে, আমি তাকে দৈহিকভাবে কামনা করি; যদিও আদৌ ব্যাপারটা তা ছিল না।

তখন ২০০৯ সালের কথা, একটা কল সেন্টারে জব করতাম, রাতের শিফটে। জবে যাওয়ার আগ মুহূর্তে রাত নটার দিকে পারভীনের সাথে আমাদের বারান্দায় দেখা হলো। তার মানে, আমি সেখানে গিয়েছিলাম কোনো একটা কারণে, আর অন্ধকারে সেও কী জানি মনে করে সেখানে গিয়েছিল। বিদায় নেয়ার আগ মুহূর্তে তার পিঠে বা কাঁধে হাত দিয়ে তাকে সামান্য জড়িয়ে ধরার ভঙ্গি করে তার কাছ থেকে বিদায় নেই, কারণ পরের দিন সকালে তার চলে যাবার কথা। এতে করে তার ধারণা হয় যে, আমি তার প্রতি দৈহিকভাবে আকৃষ্ট, যেটা পরবর্তীতে তার আচরণে বুঝতে পারি।

এ ঘটনার পর থেকে সে যেচে এসে প্রায়ই আমার সাথে ঘনিষ্ঠ হবার চেষ্টা করতে থাকে। ব্যাপারটা অগ্রসর হয় নি, কারণ আমি তার প্রতিটি আচরণকে একটি ইনোসেন্ট অ্যাপ্রোচ নিয়ে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করতাম। তবে আরো ম্যাচিউর হবার পর বুঝতে পারি যে, সে আমার সাথে শোয়ার জন্য কতটা পাগল ছিল। সে প্রায়ই আমার রুমে এসে আমার বিছানায় শুয়ে রোমান্টিক গান বাজাতে বলতো আর গান চলাকালীন সময়ে আমার দিকে রোমান্টিক ভঙ্গিতে চেয়ে থাকতো।

আমি তখন বিছানা থেকে নেমে পাশের চেয়ারে বসে তার দৃষ্টি এড়িয়ে থাকার চেষ্টা করতাম, কারণ বিষয়টিকে খারাপ হিসেবে নেয়ার কোনো ইচ্ছে তখন আমার ছিল না। তবে এখন অনুভব করি, সুযোগগুলো লুফে নেয়া উচিত ছিল আমার। কারণ যৌনতার সুযোগ আর শক্তি চিরকাল থাকে না, মানুষ কেবল একবারের জন্যই বাঁচে। পারভীন কালো হলেও তার দেহবল্লরী ছিল অসাধারণ, যেটা আমার চেখে দেখা উচিত ছিল।

পরবর্তীতে সে যখন জানতে পারে যে, আমি মোটা অঙ্কের টাকা কামাই, তখন সে আমার সাথে শোয়ার জন্য অস্থির হয়ে গেল। জানি না, সেটা কি টাকার লোভে, নাকি মেধাবী কারো সাথে শুতে পারার অভিজ্ঞতা অর্জনের উদ্দেশ্যে। এসময় সে আমাকে কারণে-অকারণে তার দেহ দেখিয়ে বেড়াতো এবং মিনিংফুল এক্সপ্রেশন দেখাতে থাকতো। আমি সেটা কেবলই দেখে দেখে উপভোগ করতাম, তার সাথে যৌনতায় জড়াব কিনা সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না।

একটা সময় নানীবাড়িতে সে কেবল একাই বাস করতো, এমন সময়ে সেখানে বেড়াতে গেলে তার সাথে একা এক ঘরে শুতে হতো; অর্থাৎ সে ঐ রুমে আর আমি এই রুমে। ঐ সময় চাইলেই আমি তাকে চেপে ধরতে পারতাম, আর সেও বোধ হয় সেটাই চাইতো। আর আমিও আজ না, কাল চেপে ধরবো – এসব টালবাহানায় মূল্যবান সময় ক্ষেপণ করছিলাম। আমার স্পষ্ট মনে আছে, একরাতে ঠিক করেছিলাম যে, মাঝরাতে তার পাশে গিয়ে শোব, অথচ ক্লান্তির চোটে সেই ঘুম ভাঙলো গিয়ে সকাল নয়টায়। তখনো সে বিছানায় শুয়ে ছিল, আমার জন্য অপেক্ষা করছিল হয়তো। দরজা বন্ধ ছিল, তাই খালা-বোনপো ভিতরে কী করছে, সেটা দেখতে কেউ আসবে না। এমন মোক্ষম সুযোগও হাতছাড়া করেছি আমি। পরবর্তীতে সে বিরক্ত হয়ে আরেক পুরুষকে বিয়ে করে নেয়।

অামাকে এক পর্যায়ে সে নিঃস্বার্থভাবে কামনা করলেও পরবর্তীতে খুব সম্ভবতঃ স্বার্থাণ্বেষীভাবে কামনা করে। অর্থাৎ প্রথমতঃ সে হয়তো নিছক দৈহিক সুখ লাভের আশায় আমার সাথে ঘনিষ্ঠ হবার চেষ্টা করে, তবে পরবর্তীতে সে আমাকে নিয়ে খারাপ একটা প্ল্যান করে, আর সেটা হলো ব্ল্যাকমেইলের প্ল্যান। আমার সাথে শুয়ে সেটাকে সে ধর্ষণ হিসেবে চালিয়ে দেয়ার প্ল্যান করেছিল, আর আমাকে কেস-মামলা হতে বাঁচাতে মা হয়তো নানাবাড়ির ভাগের অংশটুকু তার কাছে সমর্পণ করবে – এমনটাই আশা করেছিল পারভীন। তবে তার সে আশায় গুড়েবালি, আমি মোটেই তার ফাঁদে পা দেই নি।

আমাকে জালে আটকাতে না পেরে এক পর্যায়ে সে কোনো রাখঢাক না রেখে সরাসরি মা’র বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। মা যখন নানাবাড়িতে তার আগে থেকেই অবস্থান করা ঘরটা মেরামত করার পদক্ষেপ নেয়, তখন পারভীন তাতে বাদ সাধে। সে এটা প্রতিষ্ঠা করতে চায় যে, এ ঘরটাও মৃত নানার মালিকানাধীন, সুতরাং ঘরটিতে অন্য আট-দশ জনের মতো পারভীনেরও শেয়ার আছে। আদতে ব্যাপারটা তা নয়, আজ হতে বহুদিন পূর্বে নানা বেঁচে থাকতে ঐ জায়গাটুকু মা’র নামে বরাদ্দ করেছিলেন, যেহেতু মা ছিলেন নানার দ্বিতীয় ঘরের প্রথম সন্তান এবং নানার অনেকগুলো ছেলেমেয়ে মানুষ করার পেছনে মা অনেক শ্রম দিয়েছিলেন। সে জায়গাটাতে পরবর্তীতে আমার পিতা অর্থ খরচ করে ঘর তুলেছিলেন।

কিন্তু পারভীন এলাকার দু’-একজন নেতার সাথে ‘অন্যরকম’ সম্পর্ক থাকার খ্যাতিরে সত্যকে মিথ্যা আর মিথ্যাকে সত্যকে বানাতে চেয়েছিল, যদিও তার এই দূরভিসন্ধি পরবর্তীতে ধোপে টিকে নি। শুধু শুধু সে আমাদের চোখে কালার হলো, এই আর কি! তাকে এখন আর খালা বলে মনে করি না; আমার চোখে সে শুধু দুশ্চরিত্রা এক মহিলা, যদিও এক ব্যাটার সংসার করছে সে গত কয়েক বছর ধরে এবং সেখানে তার একটি সন্তানও হয়েছে।