মেনোপজ: নারীর শরীরে কী ধরণের প্রভাব ফেলে?

মেনোপজ একটি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া। সাধারণত ৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সে নারীদের পিরিয়ড বন্ধ হয়ে আসার ঘটনা ঘটে।

তবে, অপারেশন করে কোনও নারী যদি তার দুটো ওভারি অথবা জরায়ু ফেলে দেয় তাহলেও পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যায়।

যুক্তরাজ্যে নারীদের মেনোপজ হওয়ার গড় বয়স ৫১ বছর।




শরীরের এই বদলের পেছনে কারণ কী?

নারীদের শরীরে এই পরিবর্তন আসার পেছনে মূল কারণ ওয়েস্ট্রোজেন নামের একটি হরমোন।

এটি নারীর প্রজনন স্বাস্থ্য চক্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নারীদের ওভারি বা ডিম্বাশয়ে প্রতিমাসে যে ডিম্ব উৎপাদন হয় এবং সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য নারীর শরীর যেভাবে প্রস্তুত হয় তার পেছনেও রয়েছে এই হরমোনের ভূমিকা।


নারীদের শরীরে এই পরিবর্তনের মূল কারণ ওএস্ট্রোজেন নামের একটি হরমোন।

কিন্তু বয়স হতে থাকলে নারীদের শরীরে ওয়েস্ট্রোজেন হরমোনের উৎপাদন কমে যেতে থাকে। এই হরমোনই প্রজননের পুরো প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।

তাই বয়স হতে থাকলে নারীদের ডিম্বাশয়ে ডিম্বের পরিমাণও কমতে থাকে। পিরিয়ডের পরিমাণ কমতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় জন্ম দেওয়ার প্রক্রিয়াও বন্ধ হয়ে যায়।

হরমোনে বদল এলে শরীরে এর কী প্রভাব পড়ে?

এর ফলে নারীর শরীরে ব্যাপক প্রভাব পড়ে।

মেনোপজের পর শরীর অদ্ভুত সব আচরণ শুরু করে। অবশ্য পরিবর্তনটা দেখা যায় মেনোপজ শুরু হবার আরও আগে থেকেই।

এই স্তরটিকে তাই বলা হয় প্রি-মেনোপজ।

মেনোপজের সময় আকস্মিকভাবে আগুনের উল্কার মতন শরীরে গরম অনুভূত হওয়া, রাতের বেলায় ঘাম হওয়া, ঘুম না হওয়া, দুশ্চিন্তা হওয়া, মনমরা ভাব এবং যৌনতায় বা মিলনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলার ঘটনা অতি সাধারণ।

এছাড়া মূত্রথলিতে সমস্যা এবং যোনিপথ শুষ্ক হয়ে যাওয়ার ঘটনাও খুব স্বাভাবিক।

আর ওয়েস্ট্রোজেন হরমোনের উৎপাদন যখন শরীরে একেবার বন্ধ হয়ে যায় এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়ে নারীদের হাড় ও হৃদপিণ্ডের উপরে।

তবে যদি থেরাপির মাধ্যমে হরমোন প্রতিস্থাপন করা যায় এবং শরীরে ওয়েস্ট্রোজেন হরমোনের পরিমাণ ঠিক রাখা যায় তাহলে শরীরে এর নেতিবাচক প্রভাব কিছু কমানো সম্ভব।


প্রভাব পড়ে নারীদের হাড় ও হৃদপিণ্ডের উপরে।

কেন এত গরম লাগে?

ওয়েস্ট্রোজেন হরমোনের অভাবে এরকম অনুভূতি হয়। এটি মানুষের ব্রেইন বা মস্তিষ্কের সাথে সম্পৃক্ত।

সাধারণত তাপমাত্রার পরিবর্তন হলে শরীর সেটির সাথে খাপ খাইয়ে নেয়। কিন্তু যখন ওয়েস্ট্রোজেন হরমোন কমে যায়, মানবদেহে থার্মোস্টেট বা তাপমাত্রা বোধের বিষয়টি এলোমেলো বা দুর্বল হয়ে যায়। ফলে, অনেক সময় মস্তিষ্ক মনে করে শরীরে অতিমাত্রায় গরম লাগছে।

ওয়েস্ট্রোজেন হরমোনের কারণে মানুষের মুড বা মেজাজের উপরেও প্রভাব পড়ে। এই হরমোনের পরিমাণ কমে গেলে দুশ্চিন্তা বাড়তে পারে ও মনমরা ভাব হতে পারে।

এছাড়া ওয়েস্ট্রোজেন হরমোনের অভাবে ত্বকেও প্রভাব পড়ে। ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় এবং মনে হয় যেন ত্বকের নিচে পোকা-মাকড় হাঁটাহাঁটি করছে।

ওয়েস্ট্রোজেন হরমোনের সাথে অন্য আরও হরমোন সম্পৃক্ত। যেমন প্রোজেস্টেরোন ও টেস্টোস্টেরোন। তবে, ওয়েস্ট্রোজেন হরমোনের মতন এগুলোর প্রভাব এতোটা তীব্র নয়।


ওয়েস্ট্রোজেন হরমোনের অভাবে একরকম গরম অনুভূতি হয়।

মেনোপজের লক্ষণ কী?

কেউ মেনোপজের উপসর্গে ভুগছে কিনা সেটি জানার জন্য রক্ত পরীক্ষা করা যেতে পারে। তবে, সবসময় যে পরীক্ষার ফল খুব নির্ভুল হবে এমন নয়।

তবে, কোনও ডাক্তারের সাথে আলাপ করে একজন নারী যে সব লক্ষণগুলো তার শরীরে দেখছেন সেগুলো জানানো যেতে পারে।

মেনোপজের পর ওয়েস্ট্রোজেন হরমোন শরীরে আর পুনরুৎপাদন হয় না।

ফলে, মেনোপজের পর ওয়েস্ট্রোজেন হরমোনের অভাব নিয়েই জীবনের বাকিটা সময় কাটাতে হয়।

চিন্তিত হওয়ার কী কিছু আছে?

গাইনোকোলজিস্ট ও মেনোপজ বিশেষজ্ঞ ড. হেদার কুরি বলেছেন, মেনোপজ নিয়ে আতঙ্কগ্রস্ত হবার কিছু নেই।

মেনোপজের লক্ষণ দেখা দিলে ডাক্তারের সাথে আলাপ করলে এই বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।


হরমোন প্রতিস্থাপন থেরাপি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।

মেনোপজের ক্ষেত্রে হরমোন প্রতিস্থাপন থেরাপিকে একটি কার্যকর উপায় বিবেচনা করা হয়। তবে, এই নিয়ে বিতর্কও রয়েছে। কারণ হরমোন প্রতিস্থাপনের বেশ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে।

যে দিকে নজর রাখবেন

মেনোপজ নারীর স্বাস্থ্যের জন্য একটি ভালো দিক। মেনোপজ হলে যদি নিচের বিষয়গুলো নারীরা খেয়াল করেন তাহলে সুস্বাস্থ্য পাওয়া সম্ভব।

* ব্যালেন্সড ডায়েট বা ভারসাম্যপূর্ণ খাবার খাওয়া। চর্বিযুক্ত খাবার না খাওয়া। হৃৎপিণ্ড ও হাড়কে সুরক্ষা দিতে ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া।

* দুশ্চিন্তা, চাপ ও হৃদরোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে নিয়মিত কিছু ব্যায়াম করা।

* হার্টের অসুখ ও হঠাৎ গরম লাগা কমাতে ধূমপান ও অ্যালকোহল পান বন্ধ করা।



মাঝবয়সী নারীদের প্রতি যুবকদের ঝোঁক হয় কেন ?

কেন ছেলেরা তাদের চেয়ে মধ্যবয়স্ক নারীদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়? অনেকেই এ প্রশ্নের উত্তর এখনও খুঁজে বেড়ায়। কিন্তু কেন? বিশেষজ্ঞরা খুঁজে বের করেছেন এর বেশ কিছু বৈজ্ঞানিক কারণ। সেরকমই কয়েকটি কারণ সাজিয়ে দেওয়া হলো এই প্রতিবেদনে।

যৌনতাঃ শয্যায় একজন মধ্যবয়স্ক নারী যথেষ্ট অভিজ্ঞ, তিনি চরম মুহূর্তের চাওয়া-পাওয়ার কথা পুরুষসঙ্গীটিকে বলতে দ্বিধা করেন না। এই খোলামেলা সততাই দুজনকে সুখের চরম পর্যায়ে নিয়ে যায়। আমরা যদি কাউকে ‘সেক্সুয়ালি স্যাটিসফাইড’ বলি, তবে সেটা অবিশ্বাস্যভাবে সেই ব্যক্তিকে আত্মবিশ্বাসী ও ভেতর থেকে সতেজ করে তোলে।

মধ্যবয়স্ক নারীর এই ধরনের গুণাবলী একজন পুরুষকে সহজেই সন্তুষ্ট করে। অন্যান্য বড় কারণ ছাড়াও এই কারণে মধ্যবয়স্ক নারীর প্রতি পুরুষেরা বেশি আকৃষ্ট হন। এ নারীরা বিছানায় অত্যাধিক প্লেফুল, রোমাঞ্চকর হন। পুরুষটির মধ্যে নিজেকে সম্পূর্ণ উজাড় করে দিতে পারেন।




স্বাধীনতাঃ সাধারণত অধিকাংশ মধ্যবয়স্ক নারী কোনো ভনিতা ছাড়াই খুশি হন। একজন পুরুষকে তাঁর গড়েপিঠে নেওয়ার দরকার পড়ে না। তিনি কখনোই তার ওপর নির্ভর করেন না, এমনকি তার নিজের ডিনার অথবা কফির বিল নিজেই দেওয়ার মানসিকতা রাখেন। মানসিক এবং আর্থিক স্বাধীনতা একটি মানুষের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।

অভিজ্ঞতাঃ একজন মধ্যবয়স্ক নারী জীবনে একাধিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন, তাই তাঁর অভিজ্ঞতাও অনেক। জীবনের ছোটখাট সবধরনের সম্পর্কের অভিনয় তিনি নিখুঁতভাবে বিবেচনা করতে পারেন। এটা কীভাবে সমাধান করা যায় যায় সেটাও তিনি ভালো জানেন। মধ্যবয়স্ক নারী যথাসময়ে আবেগতাড়িত হয়ে ওঠেন এবং পুরুষটির সঙ্গে সত্যিকার গাঢ় সম্পর্ক স্থাপন করার চেষ্টা করেন।

তিনি প্রিয় মানুষটির কাছে নিজেকে এমনভাবে মেলে ধরেন যাতে সেই মানুষটি তাকে সহজভাবে পড়তে পারে। ফলে তিনি একজন ভালো মানুষ, একজন ভালো বন্ধু, এমনকি দীর্ঘ চলার পথে ভালো একজন সঙ্গী হতে পারেন।

আত্মবিশ্বাসঃ একজন মধ্যবয়স্কা নারী এটা ভালো করেই উপলব্ধি করতে পারেন যে তারা অন্যদের চেয়ে আলাদা। তিনি নিজের সম্পর্কে ভালোভাবেই জানেন।

আর তাই তার ভেতরটা আত্মবিশ্বাসে পরিপূর্ণ থাকে। এই ভারসাম্য ও আত্মপ্রত্যয়ী মনোভাবই তাকে ভেতর থেকে তীব্র আবেদনময়ী ও আকর্ষণীয় করে তোলে। আত্মবিশ্বাসী নারীরাই পুরুষের কাছে কাম্য। আত্মবিশ্বাসী নারীরা ছকবাঁধা নিয়মে চলতে পছন্দ করেন, তারা নিজের জগতে কখনোই সন্ত্রস্ত হন না। নারীর এই দৃঢ় রূপ ও আবেদনময়ী চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে ছেলেরা মুগ্ধ হয়।

দায়ীত্বশীলতাঃ একজন মধ্যবয়স্ক নারী নিজেকে গড়ে তোলার জন্য যথেষ্ট পরিশ্রম করেন। তারা কী চান সেটা তারা ভালো করেই জানেন তাই তাদের লক্ষ্য স্থির ও স্বচ্ছ থাকে। মধ্যবয়স্ক নারীই পারে একজন মানুষকে জীবনের আঁকাবাঁকা পথ চেনাতে, আস্থা তৈরি করতে, উপরে উঠার প্রবল ইচ্ছাশক্তি তৈরি করতে, এমনকি প্রবল আত্মসম্মানবোধ তৈরি করতে। জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি একটি মানুষকে কল্পনার জগতে ভেসে বেড়াতে নয়, জীবনের অমোঘ বাস্তবতা শেখাতে পারেন।

সততাঃ একজন মধ্যবয়স্ক নারী পুরুষকে বিশ্বাস এবং সততার স্তরগুলো ভালোভাবে শিখিয়ে নিতে পারেন। প্রেম, ভালোবাসা, বিয়ে যে কোনো ধরনের সম্পর্কেই শ্রদ্ধা একটি গুরুত্ত্বপূর্ণ ব্যাপার।

মধ্যবয়স্ক নারী তাঁর দৈনন্দিন জীবনে অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দেন। তাঁর মধ্যে সততা, বিশ্বাস এবং শ্রদ্ধাবোধ প্রবল থাকে। একজন মধ্যবয়স্ক নারী কখনোই একাধিক পুরুষের প্রতি কামনা রাখেন না। যে পুরুষটি অন্য একাধিক নারীদের সাথে ডেট করছে তাঁর প্রতি এ নারীরা কখনোই আগ্রহ প্রকাশ করেন না।

পারস্পরিক বোঝাপড়াঃ একে অপরের মধ্যে যদি বোঝাপড়া ভালো না হয় তাহলে সম্পর্কের শুরুতেই হোঁচট খেতে হয়। তীব্র আগ্রহ মুখ থুবড়ে পড়ে। সম্পর্কের মধ্যে বোঝাপড়াটা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। অর্থময় বোঝপড়া সম্পর্ককে আনন্দময় করে তোলে। আর এটা গড়ে ওঠে মধ্যবয়স্ক নারীর জীবনের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে।

পারস্পরিক কথোপকথন জীবনের গল্পকে থামিয়ে দিবে না, বরং জীবনের গতিকে বাড়িয়ে দেবে। পরস্পরকে ভালো করে বুঝে ওঠার পথ তৈরি করে দেবে। যে পুরুষটি শুধু সেক্স এবং একটু মুগ্ধতার চোখে তাকানোর জন্য অপেক্ষা করতো সেই পুরুষটির মধ্যেও এই নারীর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জেগে ওঠে।



চরিত্র আর স্মার্টনেস আসলে কী?

আমাদের দেশের সমাজে চরিত্র বলতে মূলতঃ যৌন চরিত্রকে বুঝায়। কোনো ব্যক্তি কেবল একজন যৌনসঙ্গীর প্রতি বিশ্বস্ত কিনা বা তাতেই সন্তুষ্ট কিনা, বাংলাদেশে চরিত্র বলতে সেটাই বুঝায়। এখানে চরিত্রহীন বলতে তাকেই বুঝায় যে একজন যৌনসঙ্গীতে খুশি নয়, বরং একাধিক সঙ্গীর সাথে শুয়ে অভ্যস্ত। তাই তো মঈনুল ইসলাম যখন মাসুদা ভাট্টিকে ‘চরিত্রহীন’ বললেন, তখন মাসুদা খেপে গিয়েছিলেন এবং মঈনুলের বিরুদ্ধে মামলাও করে দিয়েছিলেন। সে মামলায় মঈনুল গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন। এখন সে মামলার কী অবস্থা কে জানে! হয়তো মঈনুল মাসুদার সাথে মিলমিশ করে ফেলেছেন টাকার বিনিময়ে বা অন্য কোনো উপায়ে।

উপরে যেটা বর্ণিত হয়েছে সেটা আসলে যৌন চরিত্র। অর্থাৎ যৌনতার দিক থেকে একজন ব্যক্তি কী রকম সেটা। আমার হিসেব মতে, দেশে ‘যৌন চরিত্র ভালো’ এরকম লোকের সংখ্যা হাতে গোণা। যাদের যৌন চরিত্র ভালো, তাদের আবার অন্য সমস্যা থাকে। যেমনঃ বুদ্ধিশুদ্ধি কম থাকে অনেক ক্ষেত্রে, উদাহরণঃ আমার বউ এবং শ্বশুর। শ্বশুরমশায় অবশ্য মারা গেছেন দুই বছর আগে, তাঁর যৌন চরিত্র সলিড ছিল এমনটা শোনা যায়। কিন্তু অন্য সবদিক থেকে তিনি ছিলেন চরম দুই নম্বর।




তিনি কন্ট্র্যাক্টরি বিজনেস করতেন। ১৫ হাজার টাকার কাজ করিয়ে বিলে ২৫ হাজার টাকা লিখে রাখতেন। আর আত্মীয়-স্বজন বিবাহ দেয়ার ক্ষেত্রেও চরম দুই নম্বরী অবলম্বন করতেন। যেমনঃ নিজের ভাই ও বোনের বিয়ে দেয়ার সময় এক পাত্র বা পাত্রী দেখিয়ে অন্যজনের সাথে কৌশলে বিবাহ দিয়েছেন। এর জ্বলজ্যান্ত উদাহরণ হলোঃ আমার এক চাচীশ্বাশুড়ি খাদিজা বেগমের বিয়ের সময় প্রথমে আমার ছোট চাচাশ্বশুরকে দেখানো হয়েছিল, যিনি দেখতে বেশ সুদর্শন ছিলেন। পরে আসলে বিয়ে দেয়া হয় তৃতীয় চাচাশ্বশুরের সাথে, যিনি দেখতে বরাবরই নিতান্ত কুৎসিত ও ছোট-খাট।

অর্থাৎ আমার পয়েন্ট হলো, একজন ব্যক্তি যৌন চরিত্রের দিক থেকে সলিড হলেও বিশাল মাপের ঠগবাজ হতে পারেন লোকজনের সাথে অন্যান্য লেনদেনের বিষয়ে। এছাড়া শ্বশুরের বিরুদ্ধে আমার ব্যক্তিগত অভিযোগও রয়েছেঃ তিনি ও তাঁর বউ মানে আমার শ্বাশুড়ি মিলে আমার ছাত্রজীবন তথা বিশ্ববিদ্যালয় জীবন নষ্ট করেছেন; তাঁদের কারণে গ্র্যাজুয়েশন করতে আমার কয়েক বছর বিলম্ব হয়। এছাড়া শ্বশুরসাহের একবার আমাকে একটা টেকনিক্যাল চাকুরির লোভ দেখিয়ে অন্য একটি ভালো বেতনের চাকুরি হতে ছাড়িয়ে নিয়েছিলেন, কিন্তু পরে সে চাকুরিটা আর দিতে পারেন নি।

আমি যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলাম, তখন বরাবরই আমার কনফিডেন্স ছিল যে, আমি নিজের চাকুরি নিজে খুঁজে নিতে পারব, অন্ততঃ এ বিষয়ে কারোর হেল্প দরকার হবে না আমার। কিন্তু আমার শ্বশুর-শ্বাশুড়ি আমার এ কনফিডেন্স ভেঙেছেন বেশ কয়েক বছর ধরে, সময় নিয়ে; তাঁরা আমার কানের কাছে কেবল ঘ্যানঘ্যান করতেন (চাপাবাজি), ‘তুমি শুধু পাশ কর, তোমাকে চাকুরি দেয়ার দায়িত্ব আমার।’ তাছাড়া আমার শ্বশুরের আরো বহুবিধ সমস্যা ছিল।

তিনি ছিলেন অত্যন্ত বিরক্তিকর একজন ব্যক্তি, প্রায় সবসময়ই গলায় ঘোৎঘোৎ করতেন (গলা খাঁকড়াতেন), ক্রমাগত এ ধরনের শব্দ দূষণ মেনে নেয়া কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব বলে আমি মনে করি না। কীভাবে তাঁর সাথে আমার শ্বাশুড়ি ও তাঁর সন্তানেরা থাকতেন, সেটা আল্লাহই মালুম। এছাড়া ব্যক্তিগত হাইজিনের ব্যাপারে সাংঘাতিক সমস্যা ছিল তাঁর, প্রায়ই হাত না ধুয়ে ও লুঙ্গি কাঁছা দেয়ার মতো করে পরে ভাত খেতেন। অর্থাৎ যৌবনকালে সুদর্শন হলেও পৌঢ় ও বৃদ্ধ বয়সে চরম একটা ‘কামলা’ লুক ধারণ করেন আমার এই শ্বশুর।

এসব বলার পেছনে আমার পয়েন্ট হলো, একজন ব্যক্তির যৌন চরিত্র ভালো হলেই সে গ্রহণযোগ্য হয়ে যায় না, তাকে অন্যান্য সবদিক থেকেই ভালো হতে হয়। আর আমার মতে, ‘যৌন চরিত্র’ খারাপ বলে কিছু নেই, মানুষ প্রকৃতিগতভাবেই বহুগামী। এসব শুনে আবার ভেবে নিয়েন না যে, আমি নিজেও বহুগামী। আমি বহুগামী হতাম যদি সুযোগ পেতাম। যেহেতু সুযোগ পাচ্ছি না, তাই আমি মনোগ্যামি; কারণ পতিতাদের কাছে যাবার ইচ্ছে আমার নেই; যৌন অসুখ, অপরিচ্ছন্নতা ও ‘তারা তাড়াহুড়া করে’ – এ সকল কারণে। এছাড়া কয়েকজন মেয়ে ও মহিলার সাথে যৌনতার সুযোগ সৃষ্টি হলেও হয় আমি সেগুলো বোকামি করে হারিয়েছি, অথবা তাদেরকে কোনো কারণে অপছন্দ করায় বা ধান্ধাবাজ মনে হওয়ায় অ্যাভোয়েড করে গিয়েছি। তবে এখনো ভালো কোনো যৌনসঙ্গীর খোঁজ পেলে আমি বহুগামী হতে রাজি, কারণ আমি ফিল করি, ‘সারাজীবন বউকে লাগিয়ে জীবন চলে না!’।

তাছাড়া বললামই তো, দেশে যারা ‘মনোগ্যামি’ বা ‘সঠিক যৌন চরিত্রের’ বলে নিজেদেরকে প্রমাণ করতে চায়, তাদের ৯৯%-এরই সমস্যা রয়েছে, অর্থাৎ এগুলো শুধু অভিনয় আর ভান, আসলে তারা পলিগ্যামি। আমি তাদের মতো ভং ধরতে জানি না, বা চাইও না। হিপোক্র্যাসি করতে পারব না, তাই আমি স্বঘোষিত ‘কাফির’, যাতে কেউ আমাকে মুনাফিক বলতে না পারে। যেমনঃ এ ব্লগে এক ক্যারিয়ারিস্ট মাগির কথা একাধিকবার বলা হয়েছে। সে সাম্প্রতিক সময়ে ২৯টা রোজাই রেখেছে বলে শুনেছি, তবে সে আসলে পলিগ্যামি। অর্থাৎ রোজার এক মাস বাদে বাকি সময়টা সে আকাম-কুকাম করে বেড়ায়।

সে নিজের দেবর, অফিসের সহকর্মী, রিপোর্টিং বস, ডিরেক্টরসহ একাধিক ব্যক্তির শয্যাসঙ্গী হয়েছে বলে আমার এস্টিমেশনে পাই। কিন্তু সে তো নিজেকে সলিড যৌন চরিত্রের ব্যক্তি হিসেবে প্রমাণ করতে ব্যস্ত। আমি যখন তাকে যৌনতার প্রস্তাব দিলাম, তখন সে ‘দুধে ধোয়া তুলসী পাতা’র মতো অভিনয় করলো। আসলে সে ঐ সকল ব্যক্তির সাথে শুতে রাজি, যাদের সাথে শুলে তার ক্যারিয়ারে উন্নতি ঘটবে। এদিক থেকে বলা যায়, সে বেশ হিসেবী। হ্যাঁ, তাই তো! আমার সাথে সে শুতে যাবে কেন? আমার সাথে কীসের স্বার্থ তার?! যারা কিনা এভাবে নিজের একটি বিশেষ উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য পলিগ্যামি হয়, তারা অবশ্য এক দিক থেকে ভালো। বেছে বেছে যৌনসঙ্গী ঠিক করার কারণে তাদের বিভিন্ন যৌনরোগ যেমনঃ এইচআইভি কম হয়।

এভাবে একাধিক ব্যক্তির সাথে শোয়া খারাপ কিছু নয়, তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমি ‘খারাপি’ দেখেছি। যেমনঃ হিন্দু ব্যক্তিদের অনেকেই বিবাহের ক্ষেত্রে বেশ দেরী করে, এসময়টায় তারা বিপরীত লিঙ্গের বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে কৌশলে ও ঠকিয়ে সেক্স করে থাকে, যা আসলে ঠিক নয়। আমার নিজেরও এ ধরনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। জুপিটার পাবলিকেশন্সে যখন চাকুরি করতাম, তখন কৃষ্ণা সাহা নামে এক সমবয়সী হিন্দু নারী আমাকে তার যৌনসঙ্গী বানাতে চেয়েছিল, সেটা করতে না পেরে সে আমার পিছে লাগে। এক্ষেত্রে আমারও কিছু দোষ ছিল, যেমনঃ জুপিটারে কলিগদের কাছে নিজের ‘বিবাহিত’ স্ট্যাটাসটা ফ্ল্যাশ করি নি। তাই কৃষ্ণার সাথে জড়ানো আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না, কারণ সে আমাকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে সেটা করতে চাচ্ছিল। দ্বিতীয় বিবাহ করতে হলে তো সেই রকম ‘মাল’ দরকার, তাই না? কৃষ্ণা তো তেমন আকর্ষণীয় ছিলই না, উল্টো আগেই একাধিক ব্যক্তির যৌনসঙ্গী ছিল বলে রিপোর্ট পাই।

এছাড়া অন্য একটি পাবলিকেশন্সে কর্মরত বিথীকা রাণি মুন্সি নামে আরেক হিন্দু নারী আমাকে তার যৌনসঙ্গী বানাতে চেয়েছিল, সে আমার চেয়ে তিন বছরের বড় ছিল। তার বয়স যখন ৩৭ তখন সে আমার সাথে শোয়ার জন্য অস্থির হয়ে ওঠে। তার সাথে শুতে আমার কোনো সমস্যা ছিল না, আফটার অল সে জানতো যে, আমি আগে থেকেই বিবাহিত। তবে সে ভেতরে ভেতরে আমার শত্রু ছিল, অফিসে আমি বেশি ইনকাম করতাম বলে সে আমার পিছনে লেগে ছিল। তার একটি ধারণা ছিল, আমি অফিস থেকে দুই নম্বরী উপায়ে অর্থ কামাচ্ছি যেটা আদতে সত্য নয়। এই কাজটা আসলে সে করতো (দুই নম্বরী); তো, ব্যাপার হলো, সে আমাকে আর আমার রিপোর্টিং বসকে নিয়ে কাল্পনিক অভিযোগ তোলায় শেষ পর্যন্ত তার সাথে এক বিছানায় শোয়া সম্ভব হলো না আমার পক্ষে। তার সাথে শুলে আমার শুধু ‘যৌন চরিত্রের’ হানি হতো, অভারওল নৈতিক চরিত্রের নয়; আর তার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। কারণ আমরা দু’জনে শুধু শারীরিক সুখ পাবার আশায় একে অপরের ঘনিষ্ঠ হবার চেষ্টা করেছিলাম, অন্য কোনো উদ্দেশ্যে নয়। বর্তমানে বীথি রতন ঘোষ নামে এক সরকারি কর্মকর্তাকে বিবাহ করে ‘বীথিকা রাণি ঘোষ’ নাম ধারণ করেছে।

যাই হোক, মোদ্দা কথা হলো অর্থাৎ আমার মেইন পয়েন্ট হলো, কারো যৌন চরিত্র খারাপ হলেই তাকে বর্জনীয় ভাবার কোনো কারণ নেই; দেখতে হবে, সে কী ধরনের যৌনসঙ্গী বেছে নিচ্ছে। যদি সে ‘সেইফ’ যৌনসঙ্গী বেছে নেয়, তাহলে সে ওকে। আর যদি রিস্কি যৌনসঙ্গী বেছে নিতে থাকে (যেমনঃ পতিতা), তাহলে তাকে ভালো চোখে দেখার কোনো কারণ নেই। ‘সেইফ’ যৌনসঙ্গী বেছে নেয় এমন কোনো ব্যক্তি যদি অন্যান্য দিক থেকে ‘ওকে’ থাকে, যেমনঃ বেশ বিশ্বস্ত ও আচরণ ভালো হয়, তবে তাকে সামাজিক বলে ধরে নিতে হবে এবং তার সাথে সব ধরনের কাজ-কর্ম ও লেনদেন করা যেতে পারে। এ ধরনের ব্যক্তি যাদের আচরণের ধরন পাল্টায় না বললেই চলে এবং যারা সুযোগসন্ধানী নয়, বরং বিশ্বস্ত তাদেরকেই সত্যিকার ‘চরিত্রবান’ লোক হিসেবে ধরে নিতে হবে। আর এটাকেই বহির্বিশ্বে চরিত্র বা ‘ক্যারেকটার’ বলে।

স্মার্টনেস আসলে কী?

স্মার্টনেস হলো বুদ্ধিমত্তা ও মস্তিষ্কের প্রখরতা। এটাই স্মার্টনেসের সঠিক সংজ্ঞা। কিন্তু আমাদের দেশে মনে করা হয়, যারা পরিচ্ছন্ন, ফিটফাট পোশাক পরে এবং চটচট করে কথার জবাব দিতে পারে, তারাই স্মার্ট। অনেক শিক্ষিত লোকেরা এটাকেই স্মার্টনেসের সংজ্ঞা হিসেবে ধরে নিয়ে চাকুরি ক্ষেত্রে কেবল এ ধরনের লোকদেরকেই নিয়োগ দিতে আগ্রহী হন। পরিচ্ছন্নতা ও ফিটফাট থাকা যদিও জরুরী, তবে এগুলোর সাথে আরো কিছু দিকে নজর দিতে হবে কর্মী রিক্রুটের ক্ষেত্রে, আর সেটা হলো দৃষ্টিভঙ্গী। অনেকের দৃষ্টিভঙ্গী সঠিক নয়, এমনকি তারা সাধারণ লোকজনকে মনেপ্রাণে ঘৃণা করে, নিজের চেয়ে ভালো অবস্থানে থাকা কাউকে দেখলেই ‘ঈর্ষাণ্বিত’ হয়ে পড়ে এবং তার ক্ষতি ঘটাতে চায়। এ ধরনের লোকেরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে খুব চতুর হয়ে থাকে, ফলে এদের স্বরূপ উদঘাটন করা চাট্টিখানি কথা নয়।

এজন্য নিয়োগকর্তাদেরকে আরো ধুর্ত হতে হবে এবং তাদের মাঝে কমপক্ষে একজন সাইকোলজিস্ট তো থাকতেই হবে। শুধুমাত্র পোশাক-আশাক ও কথাবার্তার ফিটনেস দেখে সিলেক্ট করা হলে ভুল লোক সিলেক্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আমি এরকম বহু কেস দেখেছি যে, লোকটি দেখতে পরিচ্ছন্ন ও ফিটফাট হলেও পাবলিক ট্রান্সপোর্টে অশোভন আচরণ করে, যেমনঃ তুচ্ছ কারণে সহযাত্রীর সাথে মারামারি লাগিয়ে দেয়, বাপ-মা তুলে গালাগালি করে, অসহায় ও দুর্বলকে অত্যাচার করে, এমনকি ছোটখাট অশোভন কাজকর্মও করে, যেমনঃ নাক খোঁটাখুঁটি করা, খালি হাতে নাক ঝাঁড়া, বিনা কারণে (পাশের জনকে বিব্রত করতে) গলা খকখক করা ইত্যাদি। এখানে যে আচরণগুলোর কথা বললাম, সেগুলো স্মার্ট লোকের কাজকর্ম হতে পারে না। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, বাংলাদেশই বোধ হয় একমাত্র দেশ যেখানে যাদেরকে সমাজে ‘স্মার্ট’ হিসেবে ধরে নেয়া হয়, তাদের অনেকেই রাস্তাঘাটে ও চলার পথে এ ধরনের অশোভনীয় আচরণ করে থাকে।

বিদেশে স্মার্টনেস মানে হলো বুদ্ধিমত্তা ও মস্তিষ্কের প্রখরতা, যেমনটা আগেই বলা হয়েছে। যেমনঃ আইনস্টাইনকে সর্বকালের সেরা একজন স্মার্ট লোক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আদতে তিনি কী প্রকৃতির লোক ছিলেন, সেটা সবাই বোধ হয় জানেন। তিনি একই ধরনের পোশাক ডেইলি পড়তেন, যেগুলোর বেশির ভাগই ছিল ‘ব্যাগি’ বা অতিরিক্ত ঢিলেঢালা টাইপের। চুল আঁচড়াতেন না বললেই চলে, এমনকি পার্সোনাল হাইজিনেও তাঁর সমস্যা রয়েছিল বলে জানা যায়। তিনি চটপট উত্তর দিতে পারতেন না, যেমনঃ একবার যখন তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, ‘স্যার, বলেন তো, বায়ুতে শব্দের বেগ কত?’ তখন তিনি বললেন, ‘এসব তথ্য তো বইয়েই রয়েছে, তাই এগুলো আমার মাথায় ক্যারি করি না।’ তাহলে বোঝেন অবস্থা!

তার মানে এই না যে, আইনস্টাইন স্মার্ট ছিলেন না। সেটা তিনি অবশ্যই ছিলেন, উন্নত বিশ্বে স্মার্টনেসের যে সংজ্ঞা ব্যবহার করা হয়, সে অনুসারে তিনি অবশ্যই স্মার্ট। এবং বাংলাদেশেও সেটাই হওয়া উচিত। কাউকে স্মার্ট বলার আগে শুধু তার পোশাক-আশাক ও পরিচ্ছন্নতা দেখলেই চলবে না, তার জ্ঞানের পরিধি ও মানসিকতা সর্বোপরি গণমানুষকে ভালোবাসার সক্ষমতা আছে কিনা, সেগুলোও যাচাই করতে হবে।

তবে আইনস্টাইনের চেয়ে বেশি স্মার্ট লোক হয়তো তাঁর জীবদ্দশাতেই বেঁচে ছিলেন, আর তিনি হলেন সর্বকালের সেরা ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার নিকোলা টেসলা। তিনি অতি উচ্চ মাপের ব্যবহারিক বিজ্ঞানী ছিলেন। আইনস্টাইন যেমন তাত্ত্বিক বিজ্ঞানী ছিলেন, তেমনি টেসলা ছিলেন ‘ব্যবহারিক বা প্র্যাকটিক্যাল’ বিজ্ঞানী। একবার আইনস্টাইনকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, ‘স্যার, বর্তমান যুগের সবচেয়ে স্মার্ট লোক হতে পেরে আপনার কেমন অনুভূতি হয়?’ তখন তিনি উত্তরে বলেছিলেন, ‘কী জানি! সেটা আপনি বরং নিকোলা টেসলাকেই জিজ্ঞেস করুন।’ অর্থাৎ আইনস্টাইনের মতে, টেসলা তাঁর চেয়েও বেশি স্মার্ট ছিলেন।

আইনস্টাইন অবশ্য লোক চিনতে ভুল করেন নি, কারণ টেসলা যন্ত্র উদ্ভাবন করার আগে কোনো কাগজে তার ডিজাইন আঁকতেন না, বরং সেটা করতেন তিনি নিজের মাথায়। পরে মাথাতেই সেই যন্ত্রের ডিজাইন মডিফাই বা চেঞ্জ করতেন এবং বিভিন্ন কন্ডিশনে যন্ত্রটি ‘রান’ করলে কী হবে সেটার সাইমুলেশন তিনি তাঁর মগজেই করতেন। অর্থাৎ টেসলার ছিল ফটোগ্রাফিক মেমরি। অথচ জন্মসূত্রে ক্রোয়েশিয়া বা সার্বিয়ার নাগরিক হওয়ার কারণে আমেরিকান মিডিয়া তাঁর নাম ইতিহাসের পাতা হতে মুছে ফেলতে চেয়েছে, কারণ উক্ত দেশগুলো একসময় সোভিয়েট ইউনিয়নের মধ্যে ছিল। যাই হোক, টেসলা সম্পর্কে একটি আর্টিক্যাল রয়েছে এই ব্লগে, সেটা পঠনের আহ্বান থাকলো; রচনাটির শিরোনাম হলো, ‘সর্বকালের সেরা ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার’।