ফর্সা মোটা পেটখোলা রোজাদার মহিলার অশোভন আচরণ

যে মহিলার কথা বলছি সে কুড়িল বিশ্বরোড থেকে নরসিংদীর পাঁচদোনায় যাচ্ছিল বিআরটিসি এসি বাসে করে, যেখানে আমি তার সামনের সিটে বসেছিলাম। রোজার দিন বিকেল বেলা ছিল, আমি রোজা রাখি নি (কারণটা একান্তই আমার ব্যক্তিগত), বাসে ওঠার আগে ৫০ টাকা দিয়ে একটি ডাব কিনে খেয়েছিলাম। ইফতারির সময়ের আধাঘণ্টা যখন বাকি তখন আমি সামনের সিটে হেলান দিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। ইফতারির সময় কাঞ্চন ব্রীজের কাছে বাস থামাল ইফতারির জন্য। সবাই নেমে গেলেও আমি ঘুমের ঘোরে থাকায় সেটা টের পাই নি, আমি আগের মতোই ঘুমাচ্ছিলাম।



তবে বাস থামানোর প্রায় ৫-৭ মিনিট পর কীভাবে যেন টের পেলাম, পাশের সিটের যাত্রীরা নেমে গেছে। আমি চোখ খুলে দেখলাম, বাস প্রায় খালি; ভাবলাম, বেশির ভাগ যাত্রী এই স্টপেজে নেমে গেছে। মনে মনে খুশি হলাম, কারণ এখন আমি আরো ভালো একটা সিট পাব। তখন নিজের সিট থেকে উঠে গিয়ে পাশের সারিতে এক ধাপ পিছনে বসলাম, আর লক্ষ্য করলাম, পাশের সিটের সারি থেকে একটা ফর্সা, মোটা, পেটখোলা (শাড়িপরিহিত) মহিলা আমার দিকে চেয়ে আছে। তখনই বুঝতে পারলাম যে, ইফতার ব্রেক চলছিল। বুঝতে পারলাম, মহিলার স্বামী বা ভাই কেউ হয়তো ইফতারি আনার জন্য বাস থেকে নেমেছে।

মহিলার পেট এরকম খোলাই ছিল, তবে সে আরো মোটা ও ফর্সা ছিল

আমার মন চাচ্ছিলো মহিলার পেটখোলা অংশের দিকে তাকিয়ে থাকতে, তবে সে কী মনে করে, বা ধমক দিয়ে বসে কিনা, সে ভয়ে সেদিকে আর তাকালাম না। যাই হোক, কিছুক্ষণ পর বুঝতে পারলাম, মহিলা সম্ভবতঃ রোজা রেখেছিল; ভাবলাম, রোজা রেখে এ ধরনের ড্রেসআপে সে কীভাবে চলাফেরা করছে?! তার রোজা আদৌ কবুল হবে তো?! তার স্বামী ইফতারি নিয়ে আসার পর দু’জনেই ইফতার খাবার দিকে মনোনিবেশ করলো, এসময় ঠাণ্ডা পানি বা ড্রিংক খেয়ে মহিলা এমন আচরণ করা শুরু করলো যেন, দীর্ঘ যৌনসঙ্গমের পর তার এখন অর্গাজম বা রসক্ষরণ হচ্ছে! সে আবেগপ্রবণ ভাবে সিটে গা এলিয়ে দিয়ে অনেকটা যৌনশিৎকারের ভঙ্গিতে বলতে লাগলো, ‘আহ! আহ! প্রাণডা জুড়াইয়া যাইতাছে!’ বুঝলাম, পয়সাওয়ালা ফ্যামিলির মহিলা হলেও আসলে একেবারেই ক্ষ্যাত, কোনো ম্যানার জানে না। হয়তো এমন টাইপের ফ্যামিলির সদস্য যাদের এলাকায় বড় মুদির দোকান বা মিষ্টির দোকান আছে, যা তুমুল ব্যবসা করে, কিন্তু শিক্ষাদীক্ষায় একেবারে জিরো।

যাই হোক, লোকজনকে ধীরে ধীরে পুনরায় বাসে উঠতে দেখে আমি আমার আগের সিটে ফিরে গেলাম, মহিলা ও তার স্বামী কী করছে সেদিকে মাথা ঘামানোর ইচ্ছে ছিল না। করুক তারা যা ইচ্ছা, নতুন টাকা আছে, ইনজয় করুক! কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে যে আমাকে উদ্দেশ্য করে খারাপ মন্তব্য করা শুরু করবে, সেটা আমি ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারি নি। আমি তাদের ফ্যামিলি বা সোশ্যাল স্ট্যাটাস বুঝে ফেললেও এমনকিও তাদেরকে লো-ক্লাস মনে করলেও তাদের দিকে তাকাই-ই নি বলতে গেলে (শুধু একবার তাকিয়ে ছিলাম মহিলার দিকে, সেটাও এক সেকেন্ডের জন্য)। এধরনের ক্ষেত্রে অনেকেই যেমন বাজে একটা লুক দেয়, সে ধরনের লুক আমি চরম বিরক্ত হলেও দেই না (না দেয়ার চেষ্টা করি)। কারণ দেশে এমন ক্ষ্যাত টাইপের ফ্যামিলি বহুত আছে, তাদের প্রতি এভাবে বিরক্তি প্রকাশ করতে থাকলে আমার এনার্জিতে নাও কুলাতে পারে।

ব্যাপারটা হলো এই যে. আমাকে ইফতার করতে না দেখে তাদের ধারণা হলো, আমি হিন্দু। হয়তো সারাদিন অভুক্ত থেকে ভাজাপোড়া খাওয়ার কারণে মহিলার পেটে মোচড় দিয়েছিল, তাই তার মেজাজ বিগড়ে গেল, এখন ঝাল তো কারোর উপর মেটাতে হবে। তখন সে আমাকে শুনিয়ে তার স্বামীর উদ্দেশ্যে বলতে থাকলো, ‘হিন্দুগুলা খাটাশ, হেগো টেকা থাকলেও খায় না। আল্লায় হেগো খালি টেকাই দিছে, খাওনের কপাল দেয় নাই।’ আরো কিছু বললে হয়তো আমি মহিলাকে দেখে নিতাম, কিন্তু সম্ভবতঃ সে আর কিছু বলে নি। আমি মনে মনে বলি, ‘ফকিন্নি, বাসে ওঠার আগে আমি ৫০ টাকা দিয়ে ডাব খেয়েছি, তোরা একেকজনে ৫০ টাকার ইফতারি খেয়েছিস্ তো?’

বোঝেন তাহলে, এই হলো দেশের অবস্থা! মুসলমানেরা সুযোগ পেলেই হিন্দু ও অন্যান্য বিধর্মীদেরকে পদে পদে অপমান করে। নামাজের পর বিশেষ করে জুমআর নামাজের পর মুসল্লিরা এমন বডি ল্যাঙ্গুয়েজে মসজিদ থেকে বের হয়, যেন তারা ছাড়া আর কারো দুনিয়ায় বেঁচে থাকার অধিকার নেই। রাস্তায় তারা তখন যাদেরকে দেখতে পায় (অমুসল্লি), তাদের দিকে বাজে দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে, তাদেরকে কাফের, হিন্দু ও মুর্তাদ মনে করে, তাদেরকে উদ্দেশ্য করে থুতুও ফেলে। এমনকি এসময় এসকল মুসল্লির সামনে দিয়ে হাঁটাও যায় না, তারা কাঁধে ধাক্কা দিয়ে চলে যায়; মনে হয়, এ ধাক্কা দেয়ার অধিকার বাংলাদেশের সংবিধান তাদেরকে দিয়েছে। তাই এসময় তাদের ধাক্কার হাত হতে বাঁচতে সন্তর্পণে তাদেরকে পাশ কাটিয়ে তাদের চোখ এড়িয়ে চলে যেতে হয় গন্তব্যের উদ্দেশ্যে।

হিন্দুরাও অবশ্য কম যায় না, তারাও মুসলমানদেরকে সুযোগ পেলে অপমান ও অপদস্থ করতে ছাড়ে না। এধরনের বহু অভিজ্ঞতাই আমার রয়েছে। আমি বর্তমানে যে গ্রামে থাকি, সেখানে বহু হিন্দু রয়েছে। তাদের কাছে সবচেয়ে শিক্ষিত লোক হলো, তাদের সম্প্রদায়ের শ্যামল ডাক্তার বা বিজয় ইঞ্জিনিয়ার। শ্যামল ডাক্তার অবশ্য এ গ্রামের সন্তান হলেও এখানে আর থাকেন না, ঢাকায় থাকেন সম্ভবতঃ। আর বিজয় ইঞ্জিনিয়ার ডেসকোতে ছিলেন এক সময়, ব্যাপক দুর্নীতি করে অঢেল টাকার মালিক হয়েছেন, অথচ ছাত্রজীবনে দু’বেলা দু’মুঠো ভাতই খেতে পেতেন না। আমি ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার -এর কোনোটাই না, আমি বলতে গেলে একজন লেখক/সম্পাদক। তবে ইঞ্জিনিয়ারিং সার্টিফিকেট আমার আছে, আর সেটা হলো বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল ডিপার্টমেন্টের। তাহলে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন, আমার সার্টিফিকেটের ওজন কতটুকু, সেটা নিশ্চয়ই শ্যামল ডাক্তার বা বিজয় ইঞ্জিনিয়ারের সার্টিফিকেটের চেয়ে কম না।

সার্টিফিকেটের ব্যাপারটা বাদ দিলেও আমি অত্যন্ত বিদ্বান একজন লোক, আমার পেটে বিভিন্ন বিষয়ের টোটাল যে পরিমাণ বিদ্যা আছে, তার অর্ধেক পরিমাণ বিদ্যাও শ্যামল ডাক্তার বা বিজয় ইঞ্জিনিয়ারের পেটে নেই। কারণ আমার পেটে এমন কিছু বিদ্যা আছে, যা বইপুস্তকে পাওয়া যায় না, সেগুলো আমি দীর্ঘদিন চিন্তাভাবনা ও গবেষণা করে বের করেছি (এখন সেগুলো নিয়ে একটি বই প্রকাশের চিন্তাভাবনা করছি)। এ বিদ্যাগুলো আমার পেটে এসেছে অনেকটা বুদ্ধদেবের মতো, তিনি দীর্ঘদিন ধ্যান করে জীবন সম্পর্কে যেমন কিছু বোধি লাভ করেছিলেন, সে রকম। সো বুঝতেই পারছেন, আমি এখন বুদ্ধদেবের লেভেলে চলে গেছি। তা সত্ত্বেও দেশে আমার চেয়ে বেশি বিদ্বান গুটিকয়েক লোক থাকতে পারে, তবে সেটা আমার এলাকার হিন্দু গ্রামবাসীর প্রিয় ব্যক্তি শ্যামল ডাক্তার বা বিজয় ইঞ্জিনিয়ার নয়।

কিছুদিন আগে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী টাইপের একজন আমাকে প্রশ্ন করলো (তখন আমি পিঠা কিনছিলাম), ‘ভাই, আপনে কী কাজ করেন গো?’ আমি তখন বললাম, ‘আমি কী কাজ করি, সেটা বললে কি তুমি বুঝবা? ধইরা নেও, আমি এই গ্রামের সবচেয়ে বিদ্বান লোক।’ এসময় ঐ পিঠাওয়ালাসহ আরো দু’-একজন হিন্দু লোক আমার এ কথাটা শুনেছিল। আমার কথা শুনে তাদের পিত্তি জ্বলে উঠেছিল নিশ্চয়ই, তাই তো কথাটা অন্যান্য হিন্দু লোকজনের মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে এটা নিশ্চিত করলো যে, তারা যেন আগের তুলনায় আরো বেশি পরিমাণে আমার পিছনে লেগে থাকে। হ্যাঁ, এ ঘটনার পর থেকেই লক্ষ্য করলাম, এলাকার হিন্দুরা আমার পিছনে আরো বেশি পরিমাণে লেগে আছে; তারা আগে থেকেই বিভিন্নভাবে আমাকে উত্ত্যক্ত-বিরক্ত করছে। সেগুলো সব উদাহরণ দিয়ে বুঝানো সম্ভব নয়।

তাই আমার প্রশ্ন হলো, এ দেশের হিন্দু ও মুসলিমেরা কবে একে-অপরকে কামড়াকামড়ি থামাবে? আরেকটা ব্যাপার হলো এই যে, এর আগের একটি আর্টিক্যালে আমি বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি জেলা ও থানা নিয়ে একটা সীমানা নির্ধারণ করে দিয়েছিলাম যে, ‘কুমিল্লার ইতর’ বলতে আসলে এদেরকে বুঝায়। এ জেলা ও থানাগুলো উত্তর কুমিল্লার কাছাকাছি। লক্ষ্যণীয় যে, এর মধ্যে সম্পূর্ণ নরসিংদী জেলা রয়েছে, আর এ প্রবন্ধের শুরুতে যে মোটা ও ফর্সা মহিলার কথা বলেছিলাম, তার বাড়িও খুব সম্ভবতঃ নরসিংদীতে। কারণ, তাদের কথাবার্তা, আঞ্চলিক টান ও বডি ল্যাঙ্গুয়েজে এটা স্পষ্ট ছিল যে, সে ও তার স্বামী ঢাকাতে তাদের মিশন শেষ করে বাড়ি ফিরছিল।



A few reasons why I let go Tabita as tuition student

Although I haven’t exactly left that tuition yet, but I plan to do that soon. That’s why I have chosen to compose this article before the actual thing happens. Well, dear reader, if you can read this one, just assume that I have already said ‘Goodbye’ to Tabita, or in other words, have made her say the same thing to me. The reasons behind this are as follows:

(1) Firstly, make no mistake about that I didn’t start that tuition because of money. Just that I would have an opportunity to ‘gobble’ a beautiful young girl’s face without someone else’s suspicion made me do that. Also I knew if I was lucky enough I would be able to make love to her, my female private student. But the thing is that the girl by name of Tabita is basically manner-less. She eats food like bread and banana in front of me, but doesn’t offer me any refreshment. If I would ask for a rag of tissue paper, she would simply reply, ‘Why can’t you bring this sort of thing from home?’ That means, she and her mother have assumed that I started teaching her just in order to earn money.

(2) Secondly, they made a chaos regarding the ‘salary thing’ a few days ago. When the tuition was fixed, Tabita’s mom told me, ‘Sir, I’ll have a bit of financial problem in the first two months. So during this time you’ll have to give ‘this amount’ of concession. After that I’ll be offering you the full salary.’ But she did not keep her word, on the contrary she thought me ‘helpless’, so she tried to pass 60% of the promised amount as monthly salary. But I created some pressure because of which she was obliged to offer me 80% of the original amount. Yet they have pretended like they’re being robbed by me, whereas they often go shopping and spend big amount of money each time.

(3) Thirdly, they are liars, which have been proved to me on several occasions. Tabita claims that her father is innocent and doesn’t adopt unfair means. That’s why they are poorer compared to other union members. But my question is, ‘What about the gambling sitting that takes place in front of Ripon Molla’s shop? Doesn’t Tabita’s father (Mohon member) get benefited from that? If he doesn’t, how on earth does that still continue in his ward?’

Well, I have no problem admitting that Mohon member is different from his colleagues, that’s why he has been able to retain his ‘member status’ for the last 13-14 years. Now my question is, ‘If he’s that much innocent and popular among people, why would he have to take special measures (according to an information provided by his daughter) in order to snatch victory in the polls?’ As far as I’m concerned, my ward’s member Mr. Anowar actually used money in order to be elected. Did Mohon member do the same thing? Or something else?

(4) Fourthly the hopes that made me start this tuition seem quite remote now. The girl is impudent; on top of that when I found out that she’s actually junior to most other girls in her class by one year, I realized it would take her a long time to become mature and positively intelligent. The thing is that there is hardly any chance for me to get physically intimate with her. I might get myself in harm’s way if I attempted that.

(5) Fifthly, it was a great mistake on Tabita’s mom’s part to send me to Mithu Molla’s home for tuition. Because of which they will have to pay the price now. I started the tuition in that political family because of the recommendations from Tabita’s mom and my nearby neighbor Kamal vai. But they have taken service from me for only 15 days and then let me go, this way they have insulted me a lot. This also caused a decline in my confidence. According to Mithu Molla and his daughter Maisha, I am good at Physics but not so good at Maths. And they have had this opportunity to insult me because of Tabita’s mom. So now both Tabita and her mom have to pay for it.

(6) Sixth, recently I have been in my main/original activities, so I don’t have much time to give to these impudent people that Tabita and her mother are. Still I would have considered them, if they were satisfied to have a ‘cornered schedule’, like 9PM/9:30PM or 7AM. But they already have allotted all the prime schedules for other coachings and are interested to have the most ‘prime time’ of the day from me, i.e. 4 in the afternoon. How could I possibly grant that now?

(7) A a few days ago Tabita’s mom scolded me literally for nothing. She made an ‘April fool’ out of me on 1st April, by scolding. The previous day Tabita had a very low voice while she was reading, nothing of her voice was understood. She was not raising her voice instead of being ordered multiple times to do that. So upon being irritated by her actions, I was concentrating on my mobile phone instead of her. But Tabita didn’t take this kindly, she complained to her mom, ‘Mom, Sir actually operates his phone instead of concentrating on me’.

Well, I got scolded for nothing, couldn’t tell Tabita’s mom why I had been operating on my phone instead. I realized that my degree of freedom in that tuition just lessened. Well, I accepted my fate at that point, just thought ‘It’s better to do something than to stay idle.’ But the situation is totally different now. In current situation, I surely can retaliate that insult imposed upon me.

(8) Just a few days ago I saw Tabita on a photograph to get intimate with an old Hindu person who happens to be the dad of a popular coaching teacher in my locality. Well, I don’t take kindly to Hindu people. On top of that Tabita is purely a stupid girl, so even if that old guy has been molesting her physically for quite a long time now, she may not have shared this with anybody, even her parents. And I don’t want to use a female body that already has been used by a Hindu guy. Actually, once I saw that photo, my love and liking for Tabita started to diminish very quickly.

(9) Ninth, She has indirectly cost me financially. She said something with so much confidence that I actually believed it and hence got caught. She basically hasn’t learnt to speak standard Bangla yet, so she doesn’t know how to use diplomatic versions of language. Like: when someone uses ‘He seems to be bad to me’ instead of ‘He is bad’, it actually sounds better. This is a perfect example of diplomatic language.

When you’re about to say something and can use phrases like ‘probably’, ‘it seems to me’ etc. you’re actually lowering down the risk level and also the amount of confusion to be risen. Since Tabita is an inhabitant of ‘indecent locality’, she hasn’t learned to use these yet. I, for one, have been using these for quite a long time now, probably since I was a class six or seven student. But when I was in Notre Dame College, our bengali teacher Marlin Clara Pinheiro formally taught us the use and significance of these phrases.

Well, I have incurred 10,000 BDT of losses just because of Tabita. Had I earned this money otherwise, I would have been able to build a separate kitchen for a gas cylinder and the associated stove. This way I could have saved my wife and child from any possible cylinder explosion accident. Or I could have bought a new smartphone with IPS display with that money. I don’t know why it felt to me that Tabita would cause me even more losses if I continue tutoring her.

(10) Last but not the least, recently Tabita’s family actually planned to get rid of me. It was the end of a month and I wasn’t sure whether my services were any longer required, so I decided to remain silent. Also Tabita was supposed to call me the following day, but she forgot to do that. So I thought I was no longer necessary to them. That’s when Tabita’s mom called me and threateningly said, ‘Sir, are you planning to tutor my daughter further or not?’ Well, I tapped out since I was absent in that tuition the previous day because of some important business in Dhaka city.

Later I came to know that Tabita’s cousin Sadi was contacted by them with a view to changing her private tutor. He said he was capable of managing a qualified teacher from Dhaka anytime. So now I really am interested to see what kind of qualified teacher he brings from Dhaka for his cousin sister, Tabita. Also how that teacher teaches, I surely would get updates from distance.

Lastly, let me tell you who I think are the ‘indecent people of Comilla’. Well then, be prepared for a big shock. You may like it or not to hear, but my personal opinion is that a few Northern Thanas of Comilla like Daudkandi, Homna, Muradnagar, Meghna, Titas, ‘Matlab’ thana of Chandpur district, the whole of Narshingdi district, the whole of Brahmanbaria district and the original inhabitants of Narayanganj district are all ‘indecent people’. According to my experiences, they can’t speak proper forms of language, they misbehave with others for reasons and without reasons. Tabita and her family are included here because they are original inhabitants of Rupganj Thana of Narayanganj.

Well, just because they are poor in manners doesn’t mean that they are poor at everything. For example, people of Narshingdi are very much talented and education loving. The people of Brahmanbaria have very sharp brains. The people of Comilla and Chandpur districts are actually generous from a few points, like when they chose to do favour to someone they won’t consider where that guy is from. And as of the original people of Narayanganj, I would like to say, they are very brave and aggressive, after all they’re successors of Isha Khan.

রোজি আফসারীর পদাঙ্ক অনুসরণ করতে চেয়েছিলেন নোয়াখালীর নাসিমা আন্টি

মিষ্টি হাসির অভিনেত্রী রোজী আফসারির কথা মনে আছে? সিনেমায় কখনো দাপুটে নায়িকা, কখনো বা প্রতিনিধি, কখনো মা, বড় ভাবী, সংসারের বড় বৌ, এক বিধবা, মহিয়সী নারী চরিত্র, বাদশাহ মহলের নির্বাসিত বেগম কিংবা পরম শ্রদ্ধেয় বড় বোনের চরিত্রে দেখা মিলেছে তার । এমন নানা চরিত্রে অভিনয় করে সবার মন জয় করেছিলেন রোজী।




রোজি ছিলেন লক্ষীপুরের তথা বৃহত্তর নোয়াখালীর মেয়ে

সেই জনপ্রিয় নায়িকা রোজী আফসারীর ৭৩তম জন্মদিন ছিল কয়েকদিন আগে। ১৯৪৯ সালের ২৩ এপ্রিল লক্ষ্মীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ফেসবুকে অনেকেই জন্মদিন উপলক্ষ্যে স্মরণ করছেন তাকে। এ দিকে বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রোজী আফসারীকে সম্মান জানিয়ে তার জন্মদিন উপলক্ষ্যে গুগল ডুডল প্রকাশ করেছে সার্চজায়ান্ট গুগল।

বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালি যুগের অভিনেত্রী রোজী ১৯৬২ সালে আব্দুল জব্বার খান পরিচালিত ‘জোয়ার এলো’ ছবির মাধ্যমে অভিনয় জীবন শুরু করেন। তবে তিনি জনপ্রিয়তা পান নারায়ণ ঘোষ মিতা পরিচালিত ‘আলোর মিছিল’ ছবিতে অভিনয় করে।

রোজী আফসারী অভিনয়জীবনে ৪ দশক ধরে ৩৫০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এর মধ্যে পাকিস্তানের ‘জাগো হুয়া সাবেরা’, ‘পুনম কি রাত’সহ ২৫টি উর্দু ছবিতে অভিনয় করেছেন। তার সেরা চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘সূর্য গ্রহণ’, ‘সূর্য সংগ্রাম’, ‘জীবন থেকে নেয়া’, ‘তিতাস একটি নদীর নাম’।

এছাড়া অন্যান্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘ওরা ১১ জন’, ‘লাঠিয়াল’, ‘এতটুকু আশা’, ‘নীল আকাশের নীচে’, ‘অশিক্ষিত’, ‘প্রতিকার’ ইত্যাদি। তার সর্বশেষ অভিনীত ছবি ‘পরম প্রিয়’ ২০০৫ সালে মুক্তি পায়। মৃত্যুকালে প্রখ্যাত অভিনেত্রী রোজি আফসারী স্বামী মালেক আফসারী এবং এক মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন।

চার দশকের বেশি সময় ধরে চলচ্চিত্রে দাপটের সঙ্গে দ্যুতি ছড়ানো এ অভিনেত্রী ১৯৮৫ সালে বিয়ে করেন চলচ্চিত্র নির্মাতা মালেক আফসারীকে। বয়সে মালেক আফসারী তার ২০ বছরের ছোট হলেও দীর্ঘ ২২ বছর সংসার করেন তারা। ২০০৭ সালের ৯ মার্চ কিডনিজনিত রোগে মাত্র ৫৭ বছর বয়সে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন রোজী আফসারী।

বেগমগঞ্জের নাসিমা আন্টি

এই ব্লগে ‘নাসিমা আন্টির জ্বর এলো যে কারণে’ নামে একটি প্রবন্ধ রয়েছে, সেটি পড়লে জানতে পারবেন নাসিমা আন্টি কে। তিনি ছিলেন আমার এক প্রাক্তন ছাত্রের মা, তাঁর ছেলের নাম ছিল আসিফ। এই ছেলেটি ২০০৪ সালে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে ক্লাস নাইনে পড়তো, সায়েন্সে। নাসিমার পৈতৃক বাড়ি ছিল নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে, কিন্তু তার স্বামীর বাড়ি ছিল লক্ষীপুরে (যা বৃহত্তর নোয়াখালীর অংশ); আর নায়িকা রোজি আফসারীর বাড়িও ছিল লক্ষীপুরে। তাই নাসিমা আন্টি রোজিকে নিজের দেশি লোক (নোয়াখাইল্লা) মনে করে তাঁর পদাঙ্ক অনুসরণ করতে চেয়েছিলেন। অর্থাৎ নিজের চেয়ে বহু বছরের ছোট ছেলেকে (আমাকে) শয্যাসঙ্গী করতে চেয়েছিলেন।

জানতে পেরেছি, বিবাহের পূর্বে রোজি মালেক আফসারীর সাথে দীর্ঘদিন বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িত ছিলেন, অর্থাৎ লিভ টুগেদার করেছিলেন। তখনকার দিনে সেটা তিনি কেমন করে পারলেন, তা তিনি ও তাঁর খোদাই ভালো বলতে পারবেন। রোজি নাকি এ ধরনের সম্পর্ক কন্টিনিউ করার ব্যাপারেই আগ্রহী ছিলেন, কিন্তু মালেক আফসারীই তাঁকে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে বাধ্য করেন।

যাই হোক, তিনি যেহেতু একজন সেলিব্রেটি, তাই এই জিনিসটা তাঁর মাথায় রাখা উচিত ছিল যে, তাঁর দেখাদেখি আরো অনেকেই লিভ টুগেদারের বিষয়ে আগ্রহী হতে পারে। আমার তো মনে হয়, বাংলাদেশে বর্তমানে মিডিয়া জগতে এতো যে লিভ টুগেদার ও পরকীয়া হয়, সে প্রথা চালু করে গিয়েছিলেন রোজি আফসারীর মতো কয়েকজন মহিলা। অর্থাৎ এসব আকাম-কুকামের পুরোধা তাঁরা।

ব্যাপারটা আরো বেশি নোংরা শোনায় যখন দেখি বয়সে বহু বছরের ছোট ছেলের সাথে লিভ টুগেদার বা অবৈধ সেক্স করেছেন তাঁরা। তাই তো রোজি আফসারীর দেখাদেখি নাসিমা আন্টিও আমার সাথে শোয়ার জন্য অস্থির হয়ে গেলেন, তাঁর স্বামী বেঁচে থাকতেই। অবশ্য তাঁর সাথে শুতে আমার কোনো আপত্তি ছিল না, তবে আমি আসলে এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে চাইছিলাম; যাতে তিনি কখনো বলতে না পারেন যে, আমি তাঁকে জোরপূর্বক যৌন হয়রানি করেছি, বা আমাদের দু’জনের মাঝে কোনো মিস আন্ডারস্ট্যান্ডিং যাতে না হয়।

তবে আন্টির প্রত্যাশার তুলনায় অনেক বেশি সময় নিয়ে ফেলছিলাম বোধ হয়, তাই বিরক্ত হয়ে আমাকে টিউশনি থেকে ছাড়িয়ে দিলেন। আশা করি, পরবর্তীতে তিনি সুইটেবল বেড পার্টনার বা সেক্স পার্টনার খুঁজে পেয়েছিলেন। সেক্ষেত্রে তাঁর স্বামী অর্থাৎ আসিফের আব্বার ভূমিকা কী ছিল সেটাই ভাবছি। তিনিই বা কী ধরনের মানুষ, এসব অনাচার শুধু মেনেই নেন নি, বরং এ বিষয়ে তাঁর সরাসরি সমর্থন ছিল।

উল্লেখ্য যে, চেহারা, গলার স্বর, কথা বলার ভংগি, উচ্চতা, শারীরিক গঠন, গায়ের রঙ প্রায় সব দিক থেকে নাসিমা আন্টি রোজি আফসারীর মতো ছিলেন। তাঁকে কাছ থেকে যে-ই প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পাবে, সে-ই তাঁকে রোজি আফসারীর স্বজন ভেবে ভুল করবে। নাসিমা আন্টি অবশ্য রোজির দূরের কেউ নন, কারণ তারা উভয়ে গ্রেটার নোয়াখালীর মেয়ে। প্লাস, চিত্রজগতের কেউ নাসিমা আন্টির রিলেটিভ হয় কিনা, সে ব্যাপারে কোনোদিন তাঁকে জিগ্যেস করা হয় নি। হয়তো খোঁজ নিলে দেখা যাবে, রোজি আফসারী সত্যিই তাঁর রিলেটিভ হন। উদাহরণস্বরূপঃ কে বলবে যে, সুবর্ণা মুস্তফার মতো একজন তারকা আমার রিলেটিভ হবেন, অথচ আদতে তিনি আমার শ্বাশুড়ির আপন কাজিন।

যাই হোক, নাসিমা আন্টি দেখতে রোজির মতো হওয়ায় জীবনটাও হয়তো সাজাতে চেয়েছিলেন রোজির মতো করেই, আর তাইতো আমার মতো একটা ইয়াং ছেলের পিছে লাগলেন তাঁর জীবনের ‘মালেক আফসারী’ মনে করে।



নিজের মেয়ে, বোন আর ভাগ্নি বিয়ে দেয়া ছাড়া বাঙালীরা আর কিছুই বোঝে না

এই আর্টিক্যালটির বেশিরভাগ অংশ লিখেছিলাম আজ (২৪ মে ২০২০) হতে প্রায় এক বছর আগে, ২০১৯ সালের মে মাসে। সেখানে আমার বড় শ্যালক ড. মামুনের কথা উল্লেখ রয়েছে। সম্প্রতি সে ৩৯তম বিসিএস এর ওয়েটিং লিস্ট থেকে সহকারী সার্জন হিসেবে নিয়োগ পেয়েছে। এ মাসের ১২ তারিখে জয়েন করেছে ঝালকাঠি সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে সংযুক্ত থেকে। তার হোম ডিসট্রিক্ট ঝালকাঠি (বৃহত্তর বরিশালে)। জয়েনের পর তার পুলিশ ভেরিফিকিশেন হয়। ওখানকার পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের হেড বা প্রধান যে ব্যক্তি, সে মামুনের বিষয়ে খোঁজখবর লাগাতে বলে। পুলিশ ভেরিফিকিশেন শেষ হবার আগেই সে একটি অদ্ভূত প্রস্তাব দিয়ে বসে মামুনকে, অন্য এক ব্যক্তির মাধ্যমে। তার ভাই নাকি উপসচিব বা অতিরিক্ত সচিব, অরিজিনাল বাড়ি ঝালকাঠিতেই। সে উপসচিবের একটি মেয়ে আছে যে বরিশাল মেডিকেলে সেকেন্ড ইয়ারে পড়ে। মেয়েটি সুন্দরী ও কুরআনের হাফেজ (মামুনও কুরআনের হাফেজ)। মেয়েটির সাথে মামুনের বিয়ের প্রস্তাব পাঠায় ঐ লোক। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, ছেলেটি তার ক্যারিয়ার শুরু করতে না করতেই তার বিয়ে নিয়ে টানাহেঁচড়া কেন? বাংলাদেশে সব ধরনের লোক নতুন কোনো অবিবাহিত ব্যক্তির সাথে পরিচিত হতে না হতেই কেন তাকে বিয়ে দিয়ে ফাঁসানোর ফন্দিফিকির করে? এটা কি ঠিক?




আগেরবার যা লিখেছিলাম

গত পরশুদিন অনেক দিন পর ছেলেটাকে নিয়ে একটু ঘুরতে বের হলাম। বাচ্চাকে নিয়ে ঘোরাঘুরি প্রায় ৬০% শেষ করে দীঘির পাড়ে বসে বাতাস খাচ্ছিলাম। (উল্লেখ করা যেতে পারে, আমি বর্তমানে গ্রামাঞ্চলে থাকি; শহুরে বিষাক্ত পরিবেশ বসবাসের অনুপযোগী বলে আমার ধারণা, বিশেষ করে ঢাকা শহর।) তো, এক পর্যায়ে, জমির দালাল সৈয়দ ভাই আমার পাশে এসে বসলেন, তিনি খালি গাঁয়ে ছিলেন; সম্ভবতঃ কিছুক্ষণ পরেই গোসল করবেন। আমি তাঁর গলার কাছাকাছি একটা চর্মরোগ দেখে তাকে সে ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি প্রথমে সেটার উত্তর দিয়ে পরে আমার শ্বশুরবাড়ির চৌদ্দগুষ্ঠির খোঁজ নেয়া শুরু করলেন। প্রথমে জিজ্ঞেস করলেন আমার বড় শ্যালক মামুনের বিষয়ে। বললাম, সে দু’-তিন বছর আগে ডাক্তারি পাস করেছে। আগে খুলনা আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছিল; বর্তমানে ঢাকায় একটা প্রাইভেট মেডিকেলে পার্টটাইম জব করে, প্লাস, বাকিটা সময় নিজের চেম্বারে অবস্থান করে।

সৈয়দ আদতে সৈয়দ বংশের কোনো লোক নয়, তার বাবা-মা শখ করে ছোটবেলায় তার নাম রেখেছিল মোঃ সৈয়দ হোসেন। এমনিতে ছেলেবেলায় তার বাবা মারা যাওয়াতে তার মা অনেক কষ্ট করে তাদের চার ভাইকে বড় করেছেন, এমন কি সেটা করতে গিয়ে বাসায় বাসায় কাজের বুয়ার কাজও করতে হয়েছে ঐ মহিলাকে, যাকে আমি সম্মান করে ‘খালা’ বলে ডাকি। তবে, তারা আসলে এতটা সম্মান পাবার যোগ্য নয়, একেবারে ‘লো-ক্লাস’ ফ্যামিলি বলতে যা বুঝায়, তা-ই তারা। শুধু স্ট্যাটাসের দিক থেকে নিচু হলে সেটা উল্লেখ করতাম না; কর্মকাণ্ডের দিক থেকেও যে নিচু, সেটা পদে পদে টের পাওয়া যাচ্ছে।

যেমনঃ সৈয়দ বড় বড় দুইটা ছেলেমেয়ে থাকা সত্ত্বেও সম্প্রতি আরেকটি বিয়ে করেছে; অথবা বিয়ে করেছিল অনেক আগেই (একজনের ভাষ্যমতে, দশ বছর আগে), সেটা এখন প্রকাশ পেয়েছে। এটা নিয়ে ঝামেলায় সৈয়দকে নাকি এলাকার পোলাপানকে ৪০ হাজার টাকা ‘ঘুষ’ দিতে হয়েছে, ওদেরকে শান্ত করার জন্য। যাই হোক, সৈয়দের বড় সন্তান অর্থাৎ মেয়েটাকে সেদিন প্রথম দেখলাম, এরপর আরো কয়েকবার দেখেছি, সে নরসিংদীর আব্দুল কাদের মোল্লা সিটি কলেজে পড়ে। এমনিতে মেয়েটি খুব কালো, তবে মেধাবী যে, সেটা তার চোখমুখ দেখেই বলে দেয়া যায়।

ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হলো, এই মেয়েটি যখন সবেমাত্র মেট্রিক পরীক্ষা দিয়েছিল, তখন সৈয়দ আমার কাছে বিশেষ আব্দার ধরেছিল যে, তার মেয়েকে কম্পিউটার শেখাতে হবে। সেটা করতে আমার কোনো সমস্যা ছিল না, তবে আমি কেমনে জানি টের পেলাম, সৈয়দ তার মেয়ের সাথে আমাকে ‘ফিটিং’ করিয়ে দিতে চায়। যেমনঃ বাসায় যখন আমার বউ বা অন্য কেউ নেই, তখনও মেয়েটিকে আমার কাছে রেখে যেতে চায় সৈয়দ। আমি ভালো করেই জানি, সৈয়দ যে ধরনের লোক, তাতে তার মেয়ের সাথে একা বাসায় সময় কাটালে সে নির্ঘাৎ আমাকে তার মেয়ের সাথে ফাঁসিয়ে দিবে। যে শিয়ালের লেজ কাটা গেছে, সে চায় যাতে সকল শিয়ালের লেজ কাটা যাক। সৈয়দ নিজে যেহেতু দ্বিতীয় বিবাহ করেছে, তাই সে আমাকেও একই অবস্থায় দেখতে চাইবে – এইটা খুব স্বাভাবিক। এটাই হলো বেঙ্গলী সাইকোলজি বা মেন্টালিটি।

যাই হোক, পুরনো প্রসঙ্গ অর্থাৎ শালার কথায় ফিরে আসি। আমার ডাক্তার শ্যালক যেমন-তেমন কোনো ডাক্তার নয়, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই সে বাংলাদেশের সেরা কয়েকজন ডাক্তারের কাতারে চলে আসবে, সে মেধা তার আছে। আমার মতো ‘সুপার লেভেলের বিদ্বান’ লোকও শ্যালককে নিজের চেয়ে বেশি বিদ্বান ও মেধাবী মনে করি; তাহলে বুঝতে হবে, সে কেমন! তার ব্রিলিয়ান্সের দু’একটা উদাহরণ দেই তাহলে।

২০১২ সালে কমনওয়েলথ দিবসে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ নিজ হস্তে আমার শ্যালক মামুনের গায়ে বাংলাদেশের পতাকা জড়িয়ে দিয়েছেন; বলেছেন, ‘তোমার যে কোনো প্রয়োজনে আমার কাছে আসবা, তোমার জন্য আমার বাড়ির তথা সংসদের দরজা সবসময় খোলা’। শ্যালকের কৃতিত্ত্ব হলো, সে বহির্বিশ্বের সংষ্কৃতি বা ‘ওভারসিস কালচার’ এর উপর উন্মুক্ত রচনা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করে কমনওয়েলথের ৩৫টা দেশের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হয়ে বাংলাদেশকে বিশেষ গৌরব এনে দিয়েছে।

তাহলে বুঝতেই পারছেন, আমার ডাক্তার শ্যালক হলো সেই লেভেলের মেধাবী! (আর সে দেখতেও খারাপ নয়) এতো মেধাবী ছেলেটি নিশ্চয়ই সৈয়দের মতো জমির দালালের মেয়েকে বিয়ে করবে না! এ কথাটা বলার কারণ হলো, আমি একজন বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ‘সুপার এক্সপার্ট’। সৈয়দ কী কারণে আমার শ্যালকদের খোঁজ নিচ্ছে সেটা বুঝতে আমার আর বাকি নেই; সৈয়দ তো আমার বড় শ্যালকের বয়সের ব্যাপারেও খোঁজ নিয়েছিল।

পরে সে আমার ছোট শ্যালক মিরাজ-এর ব্যাপারে জানতে চায়। বললাম, সে ঢাকা ভার্সিটিতে ‘ল’-তে পড়ে। সৈয়দ যেহেতু অশিক্ষিত, তাই সে বুঝতে পারছিল না, এই সাবজেক্টে পড়ে ভবিষ্যতে কী হবে মিরাজ। আমি বললাম, অনেক কিছুই হতে পারে; যেমনঃ উকিল, ব্যারিস্টার, জজ, বিসিএস ক্যাডার, সেটা সময়ই বলে দিবে। বিষয়টির মাহাত্ম বুঝাতে অন্য একটি উদাহরণও দিলাম, বললাম, ‘জানেন নিশ্চয়ই বঙ্গবন্ধু নিজে ‘ল’-এর স্টুডেন্ট ছিলেন? তিনি যে জায়গা থেকে ‘ল’ পড়েছেন (ঢাকা ভার্সিটি), সেখানে ‘ল’ পড়ছে আমার ছোট শ্যালক; বাংলাদেশে ‘ল’ পড়ার জন্য বেস্ট জায়গা বটে এটা’।

যাই হোক, আমার সাথে এসব আলাপচারিতা করতে করতে বেশ কিছু সময় কেটে গেল সৈয়দের। তখন তাকে পরিচিত একজন দূর হতে ডাক দিল এবং সে উক্ত ব্যক্তির সাথে আলাপের উছিলায় আমার পাশ হতে উঠে গেল। আর আমি কেবল মনে মনে ভাবি, ‘নিজের মেয়ে, বোন আর ভাগ্নি বিয়ে দেয়া ছাড়া বাঙালীরা আর কিছুই বোঝে না!’

বিষয়টি এভাবে উপস্থাপন করতে বাধ্য হলাম এই কারণে যে, এ সংক্রান্ত বেশ কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা আমার রয়েছে। যেমনঃ একবার যখন বাংলালিংকে আমার একটা টেকনিক্যাল জব হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তখন যে লিংকের মাধ্যমে অনুরোধ বা সুপারিশ পাঠিয়েছিলাম, সে লিংকের একজন যে কিনা আমার ইউনিভার্সিটিতে ডিপার্টমেন্ট-ওয়াইজ এক বছরের সিনিয়র বড় ভাইও বটে, তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আমি বিয়ে করেছি কিনা’। বিয়ে আমি করেছি সাড়ে পচিঁশ বছর বয়সেই, আর ঘটনাটি হলো যখন আমার বয়স ত্রিশ। সত্যি বলার পর ঐ ভাইটি বোধ হয় নিরাশ হলেন, তিনি শেষ পর্যন্ত ঐ জবের ব্যাপারে আর কোনো হেল্প করলেন না আমাকে। হয়তো ভাবলেন, কোনো অবিবাহিত যুবককে ঐ চাকুরিটা দিয়ে নিজের নিকটাত্মীয়া কোনো মেয়ের বিয়ে দেবেন তার কাছে।

এছাড়া নিজের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে যে কয়টি টিউশনি করিয়েছি, প্রায় সবকয়টিতেই অনুভব করেছি যে, ছাত্রী বা ছাত্রীর কোনো নিকটাত্মীয়া’র (যেমনঃ বড় বোন/খালা/ফুপু) সাথে বিয়েতে ফাঁসিয়ে দেয়ার জন্যই আমাকে রিক্রুট করা হয়েছে। বুয়েটের বেশিরভাগ ছেলেপুলের অভিজ্ঞতা এমনই। উদাহরণ হিসেবে রয়েছেঃ ২০০২ সালের শুরুতে নাখালপাড়ায় এক নোয়াখাইল্লা পরিবারে ‘চামেলী’ নামক এক মেয়ের টিউশনি, আমার দূর সম্পর্কের আত্মীয়া সোনিয়া আর শশির পরিবারবৃন্দ। এই মেয়ে দুটি আমার চেয়ে যথাক্রমে ৯ ও ৭ বছরের ছোট ছিল। ড. মেহজুবে তাজরী মাহমুদ নামক এক ডাক্তার রয়েছে, তার অরিজিনাল বাড়ি ফেনী। তার পিতামাতাও চেয়েছিল তার সাথে আমার সেটিং করিয়ে দিতে। তবে তাদের সে অভিপ্রায় প্রথমে আমি বুঝিনি। যখন বুঝেছিলাম, তখন তাদের অতীত খারাপ আচরণের কথা স্মরণ করে সেদিকে আর পা বাড়াই নি। তাজরী আমার চেয়ে ছয় বছরের ছোট ছিল।

এছাড়া শামীম শাহেদ নামক যে মিডিয়া ব্যক্তিত্ব রয়েছেন, তার বউয়ের নাম হলো শাহরিন ইকরাম জাহান মুন্নী আর শ্যালিকার নাম তান্নি। শাহেদ ও মুন্নী তাদের তিন সন্তান নিয়ে বর্তমানে আমেরিকা প্রবাসী। এই মুন্নী আর তান্নিও ছিল আমার ছাত্রী। তারা বয়সে আমার চেয়ে যথাক্রমে ৭ ও ৮ বছরের ছোট ছিল। তাদের টিচার হিসেবে আমাকে নিয়োগ দেয়ার পিছনেও ছিল একই কারণ। তারা বগুড়ার বাসিন্দা ছিল এবং ঐ সময় মুন্নী-তান্নির পিতা ট্রাফিক সার্জেন্ট হিসেবে বি.বাড়িয়ায় কর্মরত ছিলেন। মুন্নী-তান্নি বেশ সুন্দরী ছিল এবং তাদেরকে অপছন্দ করার মতো কোনো কারণ ছিল না। কিন্তু আমাকে টিউটর হিসেবে নিয়োগ দেয়ার পেছনে তাদের অভিপ্রায় আমি প্রথমে বুঝতে পারিনি। তারা পড়াশুনায় খুব ফাঁকিবাজি করতো। বিশেষ করে, তারা যখন বুঝতে পারলো যে, আমি তাদেরকে কেবল পড়ানোর ব্যাপারেই আগ্রহী, তখন তারা আমার সাথে বিশাল লুকোচুরি শুরু করলো। মানে, বড় বোন যেদিন আমার কাছে পড়বে, ছোট বোন সেদিন পড়বে না, সে নাকি অসুস্থ! এই নাটক পালাক্রমে চলতে লাগলো প্রায় প্রতিদিনই। মতিঝিল আইডিয়ালের মতো স্কুলে পড়া সত্ত্বেও তাদের এহেন মানসিকতা আমার সহ্য হয়নি। তাই এক পর্যায়ে সকল প্রকার ‘ভালো লাগা’ বিসর্জন দিয়ে তাদেরকে পরিত্যাগ করে চলে আসি আমি।



সাফা কবির সম্পর্কে এ তথ্যগুলো জানতেন কি?

সাফা কবিরের ডাকনাম হলো সাফা, তিনি ১৯৯৪ সালের ২৯ আগস্ট তারিখে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। সে হিসেবে তিনি কন্যা রাশির জাতিকা, আর তাঁর ধর্মের বিষয়ে পরে বলবো। তাঁর উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি। তিনি একজন মডেল ও অভিনেত্রী এবং ২০১৩ সাল হতে কর্মরত আছেন।প্রাণ’ পণ্যের মডেলিং করে সাফা তারকাখ্যাতি অর্জন করেন। কিছুদিন আগ পর্যন্ত তিনি দেশের ইয়াংস্টারদের মাঝে ‘সেলফি কুইন’ নামে খ্যাত ছিলেন।




সাফা কবিরের জন্মের সময় তাঁর পিতা হুমায়ূন কবির ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে রাশিয়ায় ছিলেন। তাঁর দাদা বা নানা – এ দু’জনের মাঝে কেউ একজন তাঁকে ‘অ্যানাটমি কেলি’ নামকরণ করেন, তবে তিনি মিডিয়া জগতে ‘সাফা কবির’ নামে বেশি পরিচিত। তিনি বর্তমানে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ বা এআইইউবি’তে (যা একসময় ‘অ্যামা’ নামে সুপরিচিত ছিল) বিবিএ পড়ছেন। তিনি তাঁর মা’র সাথে ঢাকার নাখালপাড়ায় থাকেন এবং তাঁর পিতা জার্মান থাকেন।

সাফা মিডিয়া জগতে তাঁর বিচরণ শুরু করেন টেলিকম কোম্পানী এয়াটেলের একটি বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করার মধ্যদিয়ে, যা পরিচালনা করেন আশফাক বিপুল। এরপর তিনি ‘প্রাণ পিনাট বার’ এবং প্যারাশুট তেল-এর বিজ্ঞাপনদ্বয়ে অভিনয় করেন। তিনি এনটিভিতে ‘স্টাইল এন্ড ট্রেন্ড’ নামে একটি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করতেন। তিনি ‘এট ১৮, অলটাইম দৌঁড়ের উপর’ নামক একটি জনপ্রিয় টেলিফিল্মে অভিনয় করেন। এই টেলিফিল্মটি তাঁর নাম মিডিয়া জগতে প্রতিষ্ঠা করেছে। এই নাটকটিতে অভিনয়ের মাধ্যমেই তিনি লাইমলাইটে চলে আসেন এবং দর্শকদের নজর কাঁড়তে সক্ষম হন।

এরপর ‘একা মেয়ে’ নামে একটি নাটকে তিনি অভিনয় করেন। ২০১৪ সালে তিনি ‘ভালোবাসা ১০১’ নামের নাটকটিতে অভিনয় করেন। এই অভিনেত্রী ইতিমধ্যে বহুসংখ্যক ব্যবসাসফল ও জনপ্রিয় নাটকে অভিনয় করেছেন, যার মধ্যে কয়েকটি হলো ‘ইউনিভার্সিটি’, ‘ব্ল্যাক ম্যাজিক’ এবং ‘জোনাক পোকা’।

তিনি কিছুদিন আগ পর্যন্ত ‘এবিসি’ রেডিওতে একটি শো উপস্থাপনা করতেন, সেটি এখনো করেন কিনা তা জানা যায় নি। ঐ শো’তে শ্রোতাদের প্রশ্নের লাইভ উত্তর দিচ্ছিলেন তিনি একদিন। তখন এক দর্শক তাঁকে প্রশ্ন করেন, তিনি পরকালে বিশ্বাস করেন কিনা। এর উত্তরে সাফা কী মনে করে জানি বলেন, ‘অবশ্যই না, যেটা দেখি না, সেটা বিশ্বাস করি না’। এই উক্তির পরেই তাঁকে নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয় এবং তাঁর জনপ্রিয়তার পারদ দ্রুতগতিতে নামতে থাকে। পরবর্তীতে সাফা অবশ্য তাঁর ফেসবুক পেজে ‘তাঁর ভুল হয়েছে’ বলে স্বীকার করেন এবং আল্লাহ’র কাছে মাফ চান। তাঁর ভাষ্যমতে, আল্লাহ অনেক দয়ালু, আল্লাহ তাঁকে অবশ্যই ক্ষমা করবেন, তাহলে দর্শক ও শ্রোতা বন্ধুগণও যাতে তাঁকে অকপটে ক্ষমা করে দেন।

দর্শকেরা তাঁকে পুরোপরি ক্ষমা করেছেন কিনা সেটা এখনো পরিষ্কার নয়, তাঁকে নিয়ে বহুদিন পর্যন্ত ফেসবুকে ট্রল চলেছে। এসময়টায় এটাও চাউর হয় যে, শাহরিয়ার কবির এবং খুশী কবির নাকি সাফা কবিরের বাবা-মা, যেটা আদতে সত্য নয়। তবে জন কবিরকে তাঁর ভাই হিসেবে আখ্যায়িত করা হলেও তিনি সাফা কবিরের সাথে কোনোভাবে সম্পর্কিত কিনা সেটা জানা যায় নি। এ প্রবন্ধে আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, সাফা তাঁর মা’র সাথে নাখালপাড়ায় বসবাস করেন এবং তাঁর পিতা জার্মান প্রবাসী। প্লাস, তাঁর জন্মের সময়ও নাকি তাঁর পিতা প্রবাসে ছিলেন – এ সকল তথ্য থেকে এটা অনুমান করা যায় যে, সাফা কবির খুব সম্ভবতঃ একজন ব্রোকেন ফ্যামিলির সন্তান। অর্থাৎ তাঁর পিতামাতার মাঝে হয়তো অনেক আগেই ডিভোর্স হয়ে গেছে।



সাবিলা নূর সম্পর্কে এ তথ্যগুলো জানতেন কি?

সাবিলা নূরের ডাকনাম হলো সাবিলা, তিনি ১৯৯৫ সালের ৫ই মে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন, সে হিসেবে তিনি মিথুন রাশির জাতিকা। তাঁর উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি, তিনি পেশায় একটি অভিনেত্রী ও মডেল। তিনি ২০১৪ হতে শুরু করে এখন পর্যন্ত কর্মরত আছেন। তিনি অবিবাহিত, ধর্মের দিক থেকে তাঁকে ইসলামের অনুসারী বলা যেতে পারে। ‘ইউ টার্ন’ নামক এক টেলিফিল্মে অভিনয়ের মাধ্যমে শো-বিজে তিনি তাঁর যাত্রা শুরু করেন। তিনি বাংলাদেশের মার্কেটে প্রচলিত বেশ কয়েকটি নামী পণ্য ও সার্ভিসের মডেল ও ব্র্যান্ড অ্যাম্বাস্যাডর।




সাবিলা ছোটপর্দার একটি সুপরিচিত মুখ। যে সকল তারকা বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন, সাবিলা তাঁদের মধ্যে অন্যতম। ছোটকাল থেকে তিনি নাচের একনিষ্ঠ ভক্ত ছিলেন। তিনি বুলবুল ললিতকলা একাডেমী থেকে নাচের দীক্ষা নেন এবং নৃত্যে ১ম শ্রেণি অর্জন করেন এবং পদ্মকুঁড়িতে চ্যাম্পিয়ন হন। তিনি নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ’র স্টুডেন্ট।

দেশের বৃহত্তম টেলিকম কোম্পানী গ্রামীণফোনের একটি বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করে তিনি মিডিয়া জগতে তাঁর বিচরণ শুরু করেন। এরপর তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয় নি, একের পর এক টিভি বিজ্ঞাপন ও নাটকে কাজ পেতে থাকেন তিনি। ‘ইউ টার্ন’ নাটকটিতে তিনি এক নেশাসক্ত যুবতী নারীর ভূমিকায় অভিনয় করেন, তাঁর এ কাজ সমালোচক ও ভক্তদের মাঝে দারুণ সাড়া তৈরি করে। এরপর ‘টিন টিন’ এবং ‘কেমিস্ট্রি’ নাটকদ্বয়েও সাবিলা দুর্দান্ত পারফর্ম করেন।

‘মানকি বিজনেস’ নাটকটিতে তিনি সুন্দর একটি চরিত্রে অভিনয় করেন। নাটকটি দেশে ব্যাপক বাণিজ্যিক সফলতা অর্জন করে। তিনি বাংলাদেশের সেই সকল সুপরিচিত ও জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম যারা ক্যারিয়ারের শুরু হতে বিনোদন দিয়ে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের ইয়াং জেনারেশনের মধ্যে তিনি খুবই জনপ্রিয়। স্পষ্টতঃ তিনি বাংলাদেশের সবচেয়ে মেধাবী মডেলদের মধ্যে অন্যতম।



জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ সম্পর্কে এই তথ্যগুলো জানতেন কি?

পিতৃসূত্রে জ্যাকলিন শ্রীলংকার নাগরিক হলেও তিনি জন্মগ্রহণ করেন বাহরাইনের মানামা নগরীতে। তাঁর মা মালেশিয়ান এবং তাঁর নানী ক্যানাডিয়ান। জ্যাক-এর পিতা একজন গীতিকার ছিলেন, তিনি ১৯৮০ সালে শ্রীলংকা ছেড়ে বাহরাইনে চলে যান। এর পেছনে উদ্দেশ্য ছিলঃ তৎকালীন সময়ে চলা সিংহলিজ ও তামিল টাইগারদের মধ্যকার গৃহযুদ্ধ এড়িয়ে যাওয়া।




জ্যাকলিনের মাতা ছিলেন এয়ার হোস্টেস। জ্যাক তাঁর পিতামাতার চার সন্তানের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ। তাঁর এক বোন এবং দুই ভাই রয়েছে। জ্যাক ১৪ বছর বয়সেই বাহরাইনে একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করতেন। বাহরাইনে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষা অর্জন শেষে তিনি অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে যান গণযোগাযোগ বিষয়ে ডিগ্রী অর্জনের উদ্দেশ্যে। গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পর তিনি শ্রীলংকায় গিয়ে টেলিভিশন সাংবাদিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। জ্যাক বার্লিজ্ট-এর ভাষাশিক্ষার স্কুলেও পাঠ নেন, সেখানে তিনি স্প্যানিশ ভাষা শিখেন এবং ফ্রেঞ্চ ও আরবি ভাষার দক্ষতা বৃদ্ধি করেন।

তাঁর ভাষ্যমতে, ছোটকাল থেকেই তাঁর অভিনেত্রী হওয়ার প্রবল ইচ্ছে ছিল, বিশেষ করে তিনি হলিউডের চলচ্চিত্র তারকা হওয়ার আকাঙ্খা পোষণ করতেন। তিনি ‘জন স্কুল অফ অ্যাক্টিং’-এ অভিনয়ের উপর কিছু ট্রেনিং অর্জন করেন। টিভি রিপোর্টার হিসেবে কাজ করার সময় তিনি মডেলিং-এর অফার পান, এই সুযোগ এসেছিল সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের পর ভালো ফলাফল আসায়। জ্যাকলিন ২০০৬ সালের মিস ইউনিভার্স শ্রীলংকা প্রতিযোগিতায় শীর্ষস্থান লাভ করেন এবং একই সালে লস এঞ্জেলসে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় শ্রীলংকাকে প্রতিনিধিত্ব করেন।

২০১৫ সালে একটি সাক্ষাৎকারে জ্যাক মডেলিং ইন্ডাস্ট্রিকে ট্রেনিং-এর একটি ভালো ক্ষেত্র বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘এটি এমন একটি ইন্ডাস্ট্রি যেখানে আপনি আপনার সংকোচ ঝেড়ে ফেলতে পারবেন, নিজের দেহ সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং আত্মবিশ্বাস অর্জন করতে পারবেন’। ২০০৯ সালে জ্যাকলিন একটি মডেলিং অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে ইন্ডিয়াতে যান। সেখানে তিনি নাট্য পরিচালক ব্যারি জন-এর দেখভালে (সুপারভিশনে) অভিনয় সম্পর্কে অধ্যয়ন করেন। এতে তিনি ২০০৯ সালের বলিউড চলচ্চিত্র আলাদিন-এর জন্য যে অডিশন দেন তা সফলকাম হয়।

নিজ পরিবারের সদস্যদের সাথে ফার্নান্দেজ-এর সাথে বন্ধন অটুট এবং তিনি স্বীকার করেছেন যে, বলিউডে কাজ করার দরুণ তিনি তাঁদেরকে খুব মিস করেন। তাঁর ভাষায়, ‘আমি তাঁদেরকে প্রায় প্রতিদিনই মিস করি। বাড়ি থেকে দূরে থাকলে কতটা যে খারাপ লাগে সেটা তো বোঝেনই। তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের থেকে দূরে থাকায় আমার দায়িত্বশীলতাও বেড়েছে। এটা আমাকে নিজের সম্পর্কে অনেক কিছু শিখিয়েছেঃ কোন জিনিসগুলোকে প্রাধান্য দিতে হবে এবং কীভাবে সময় ম্যানেজ করতে হবে।’

বাহরাইনি রাজপুত্র হাসান বিন রশিদ বিন আল খলিফা’র সাথে ২০০৮ সালে জ্যাকলিন প্রেম শুরু করেন। তাঁর সাথে জ্যাকের দেখা হয়েছিল তাঁর আরেক বন্ধুর পার্টিতে। ২০১১ সালে এই প্রেমিক জুটি পরস্পর হতে আলাদা হয়ে যান। একই বছর ‘হাউজফুল ২’ ছবির শুটিং-এর সময় পরিচালক সাজিদ খান-এর সাথে একটি রোমান্টিক সম্পর্কে জড়িয়ে যান জ্যাকলিন। তাঁদের এই সম্পর্ক মিডিয়ায় প্রচুর আলোচনা সৃষ্টি করে, এক পর্যায়ে মনে করা হয়েছিল, তাঁরা বিয়ে করতে যাচ্ছেন। কিন্তু সম্পর্কটি ২০১৩ সালে ভেঙ্গে যায়।