কারিনা কাপুর সম্পর্কে এই তথ্যগুলো জানতেন কি? (Did you know these info about Kareena Kapoor?)

কারিনা কাপুর জন্মগ্রহণ করেন ১৯৮০ সালের ২১ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ তিনি তুলা রাশির জাতিকা এবং তাঁর বর্তমান বয়স প্রায় ৩৮ বছর। বিয়ের পর তিনি তাঁর স্বামী সাইফ আলী খানের পদবী গ্রহণ করে বর্তমানে কারিনা কাপুর খান নামে পরিচিত। তিনি বলিউডের অভিনেতা রন্ধীর কাপুর ও অভিনেত্রী ববিতার কন্যা এবং অভিনেত্রী কারিশমা কাপুরের ছোট বোন। কারিনা এখন পর্যন্ত ছয়টি ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডসহ বহু পুরষ্কার লাভ করেছেন।



তিনি বলিউডের চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন ২০০০ সালে ‘রিফিউজি’ ছবির মাধ্যমে। এটি খুব একটা জনপ্রিয় না হলে ২০০১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত অশোকা ছবিতে তাঁর অভিনয় প্রশংসিত হয় এবং একই সালে মুক্তি পাওয়া কাভি খুশি কাভি গম ছবিটি যথেষ্ট ব্যবসা করে। এতে করে কারিনা কাপুর লাইম লাইটে চলে আসেন। তাঁর ক্যারিয়ারের প্রথমদিকের চলচ্চিত্রগুলোয় তাঁর অভিনয় কিছুটা একঘেঁয়ে টাইপের ছিল। যেমনঃ মুঝে কুছ ক্যাহনা হ্যায় এবং কাভি খুশি কাভি গম ছবিদ্বয়ে তাঁকে ‘বাবলী’ ঘরানার কলেজছাত্রী হিসেবে দেখা গেছে। এই ধরনের ইমেজ ভাঙার জন্য কারিনা মরিয়া হয়ে উঠেন এবং ২০০৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘চামেলী’ ছবিতে এক পতিতার চরিত্রে অভিনয় করেন। তাঁর এই রোলটি কিছুটা বিতর্ক সৃষ্টি করলেও বেশিরভাগ সমালোচক তা প্রশংসা করেছে।

কারিনা তাঁর বর্তমান স্বামী সাইফকে পার্শ্বঅভিনেতা হিসেবে প্রথমবার পান ২০০৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ওমকারা’ ছবিতে। তাঁর দীর্ঘদিনের প্রেমিক ছিলেন শহিদ কাপুর। কারিনা শহিদকে নায়ক হিসেবে পান ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘জব উই মেট’ ছবিতে। এর পর থেকেই বেশ কয়েক বছর ধরে তাঁদের প্রেম চলতে থাকে। এ জুটির ভালোবাসা এক পর্যায়ে এতই গভীর হয়েছিল যে, কারিনা শহিদকে একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট উপহার দেন। কারিনা কাপুর অভিনীত ২০০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘থ্রি ইডিয়ট্স্’ এবং ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ ছবি দু’টি মোট আয়ের পরিমাণ বিবেচনায় বলিউডের বক্স অফিসের আগের সকল রেকর্ড ভেঙ্গে দেয়।

সাইফের সংসারে কারিনার একটি পুত্রসন্তান রয়েছে, নাম তৈমুর আলী খান। কারিনা তাঁর পুত্রকে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি স্নেহ করেন। তাঁর ও সাইফের সংসার নিয়ে মিডিয়াতে অহরহ খবর চাউর হয়। কারিনা একটু মুখর স্বভাবের, অর্থাৎ তিনি তাঁর মনের কথা কোনোরকম রাখঢাক না রেখে সরাসরি বলে দিতে পছন্দ করেন। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি প্রায়ই স্টেজ পারফর্ম করেন এবং এ পর্যন্ত তিনটি বই লিখেছেন। এর মধ্যে একটি হলো তাঁর আত্মজীবনীমূলক এবং বাকি দু’টি বই পুষ্টি নিয়ে।

কারিনা কাপুরের ডাকনাম হলো ‘বেবো’ এবং তাঁর বড়বোন কারিশমার ডাকনাম হলো ‘লোলো’। বলিউডের প্রবাদপ্রতীম অভিনেতা এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা রাজ কাপুরের ছেলের ঘরের নাতনী হলেন কারিনা। তিনি অভিনেতা রিশি কাপুরের ভাতিজি এবং রণবীর কাপুরের চাচাতো বোন। কারিনা যখন তাঁর মায়ের পেটে ছিলেন তখন তাঁর মা ববিতা ‘অ্যানা কারেনিনা’ নামক বিখ্যাত বইটি পড়েছিলেন। সেখান থেকেই ববিতা তাঁর দ্বিতীয় মেয়ের নামের আইডিয়াটা পান।

কারিনার আদি পূর্বপুরষের বাসস্থান ছিল পাকিস্তানে। নিকট অতীতের বিবেচনায় তাঁর দেহে পিতার দিক থেকে পাঞ্জাবী রক্ত এবং মায়ের দিক থেকে সিন্ধি ও ব্রিটিশ রক্ত রয়েছে। যদিও তিনি ছোটকাল থেকে হিন্দু ধর্ম পালন করেছেন, কিন্তু মায়ের সাহচর্যের দরুণ খ্রিস্টান ধর্মের কিছু রীতিনীতিও জানা আছে তাঁর।



আইয়ুব খান যে ক্ষতি করলেন বাংলাদেশী ও পাকিস্তানি পুরুষদের

ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান সম্পর্কে উচ্চ প্রশংসা প্রথম শুনেছিলাম স্কুলের এক ‘ফাতরা’ টিচারের কাছ থেকে। তাঁর নাম জলিল স্যার, ওনার বাড়ি ছিল বরিশালে আর তখন আমি ক্লাস সেভেনে পড়তাম। আমার কাছে তিনি আরো ‘ফাতরা’ ছিলেন বেশ কয়েকটা কারণেঃ (১) ক্লাসে প্রথম দিন এসেই তুচ্ছ কারণে আমার হাতের তালুতে বেত্রাঘাত করেন (২) দ্বিতীয়তঃ ক্লাস টেনের টেস্ট পরীক্ষায় আমি যখন অভূতপূর্ব রেজাল্ট করি, তখন হেডস্যারের আদেশ ছিল প্রতিটি টিচারের কাছে, যাতে আমাকে ফ্রি পড়াতে বাধ্য থাকেন। এই সুযোগে জলিল স্যারের বাসায়ও গিয়েছিলাম কয়েকদিন। এস.এস.সি.’র রেজাল্টের পর স্কুলে মিষ্টি নিয়ে গেলেও প্রতিটি স্যারের বাসায় আলাদাভাবে মিষ্টি নিয়ে যাই নি। আর তাতেই জলিল স্যারের বউ সুযোগ পেয়ে আমার মাকে একটি কটু কথা শোনায়, ‘হেলিগাই গরীব মানুষের পোলাপানরে পড়াইতে হয় না’।




আমি ঠিক গরীব ছিলাম না, আর টেস্ট পরীক্ষার পরে কোনো স্যারের কাছ থেকে কোনো ধরনের লেসন নেওয়ার দরকারও আমার ছিল না। শুধুমাত্র হেডস্যার আমাকে যে সুযোগ দিয়েছিলেন, সেটা ব্যবহার করে কয়েকজন স্যারের বাসায় গিয়ে তাঁদের জীবনযাপনের স্টাইল ও পড়ানোর ধরন সম্পর্কে জানার আগ্রহ ছিল। জলিল স্যারের বউ যে কটু কথাটা বলেছিলেন, তাতে স্যারের সমর্থন ছিল তো বটেই, নইলে তিনি এটা বলার সাহস কোত্থেকে পেলেন? যাই হোক, এইসব ‘ফাতরা’মির শাস্তি জলিল স্যার পেয়েছিলেন, স্কুল কর্তৃপক্ষ কোনো একটা কারণে তাঁকে চাকুরি থেকে বরখাস্ত করে এবং দীর্ঘদিন তিনি বেকার অবস্থায় ছিলেন। পরে শেষ পর্যন্ত তিনি আগের চাকুরিটা ফেরত পেয়েছিলেন কিনা কিংবা এখন কোথায় আছেন, কী করেন – সেসব জানি না।

যাই হোক, স্কুলের এক ফাতরা টিচারের কাছ থেকে প্রশংসা শুনেছিলাম এক ‘ফাতরা’ শাসকের, আর তাঁর নাম আইয়ুব খান। যদিও পাকিস্তান পিরিওডে তাঁর দশ বছরের শাসনামল সম্পর্কে বেশিরভাগ লোকজনই পজেটিভ কথাবার্তা বলে, এমনকি আমিও তাঁকে শ্রদ্ধার চোখেই দেখতাম, তবে সেটা গত পরশুদিনের আগ পর্যন্ত। সম্প্রতি তাঁর সম্পর্কে এমন একটি তথ্য জানতে পেরেছি যে, তাতে আমি বুঝতে পারলাম, আমার জীবনে যত অশান্তি গেছে, তার বেশিরভাগের ব্যবস্থা আইয়ুব খান করে রেখেছিলেন আজ হতে প্রায় পঞ্চাশ বছর আগেই।

ঠিক আছে, আর ভনিতা না করে এবার আসল কথাটা খুলে বলি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক মারফত জানতে পেরেছি যে, মুসলিম পুরুষেরা দ্বিতীয় বিবাহ করার পূর্বে যে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি লাগে, সেই প্রথা চালু করে গিয়েছিলেন আইয়ুব খানই। বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও ঐ স্বৈরাচারের আইন এখনো বদলায় নি। এই আইন না থাকলে আমি অনেক আগেই দ্বিতীয়, দরকার হলে তৃতীয় বিবাহ করতে পারতাম। অর্থাৎ আমার প্রথম স্ত্রী মুক্তা যেভাবে আমাকে বিভিন্ন কৌশলে নির্যাতন করেছে, সেটা করার সুযোগ সে তখন পেত না। আমাকে নির্যাতনে তার একটি কৌশল হলো – সে আমার সাথে শুতে চায় না, সে সম্ভবতঃ শংকিনী টাইপের মহিলা (কামসূত্র অনুসারে)। এ ধরনের মেয়ে বা মহিলাদের যৌন চাহিদা অত্যন্ত কম থাকে। অন্যদিকে আমি হলাম হস্তিনী’র পুরুষ ভার্সন, আমার সেক্স চাহিদা অত্যন্ত বেশি – যদিও দু’একটি অসুখের কারণে তা দিনদিন কমে যাচ্ছে।

এখন অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন, ‘দুইটা বউ খাওয়ানোর মতো সামর্থ্য কি আপনার আছে?’ উত্তরে বলবো, ‘হ্যাঁ, সেটা আমার প্রায় সবসময়ই ছিল।’ তাছাড়া আমি উচুঁ ক্লাসের ফ্যামিলির মেয়ে বিয়ে করতে কম আগ্রহী। আমি মূলত মধ্যবিত্ত এমনকি নিম্নবিত্তদের প্রতি বেশি আগ্রহী। উদাহরণস্বরূপঃ আমার বউ মুক্তাও মধ্যবিত্ত টাইপের ফ্যামিলির মেয়ে ছিল, কিন্তু সম্প্রতি তার এক ভাই ডাক্তারি পাশ করে বড় মাপের ডাক্তার হওয়ার পথে যাত্রা করেছে বলে তাদের ধারণা, তারা এখন এলিট ক্লাসের পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। তাই তো আমার সাথে যাচ্ছে-তাই ব্যবহার করছে গত দু’তিন বছর ধরে – আমার বাচ্চা জন্মের পর হতেই। বাচ্চা জন্ম দিলে তারা যে আমার সাথে এমন ব্যবহার করতে পারে, সেটাও আগেই আন্দাজ করতে পেরেছিলাম। তাই তো ২০০৬ সালে বিয়ে করে বাচ্চা জন্ম দিয়েছি ২০১৬ সালে, দশ বছর পর। কেউ কি কখনো শুনেছেন, সন্তান উৎপাদনে সক্ষম এমন কোনো বাঙালী দম্পতি বিয়ের দশ বছর পর বাচ্চা নেয়? আমি নিয়েছিলাম, কারণ বিয়ের পরপরই বুঝতে পেরেছিলাম যে, এক ‘ইতর’ ফ্যামিলির পাল্লায় পড়েছি।

ডায়াবেটিসের কারণে আর কতদিন বাঁচবো সেটা জানি না। আসলে ডাক্তারদের চিকিৎসাকে আমি ভয় পাই, তাই অন্যান্য ডায়াবেটিক রোগী গড়ে যতদিন বাঁচে, আমি সম্ভবতঃ তার চেয়ে কম বাঁচবো। এগুলো বলছি, কারণ অলরেডি আমার কিডনী এরিয়াতে ও বাম পায়ে সমস্যা দেখা দিয়েছে। যাই হোক, মেইন পয়েন্ট হলো, মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হলেও আরেকটা বিয়ে করার খায়েশ আমার এখনো যায় নি। আমার অনেক দিনের স্বপ্ন, আমি আমার এক ছাত্রীকে বিয়ে করবো। আমি যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলাম এবং ধুমসে টিউশনি করাতাম, তখন আমার ফেবারিট ছাত্রীদের মধ্যে কয়েকজন ছিল মুন্নি, শশী, তাজরী প্রমুখ। এদের কাউকে হারিয়েছি মাথা গরম করে, কাউকে হারিয়েছি ভাগ্যদোষে, আবার কাউকে হারিয়েছি ভুল বোঝাবুঝিতে। শেষে এমন একজনকে বিয়ে করলাম যে কমার্স ব্যাকগ্রাউন্ডের, যার সাথে আমার মানসিকতায় কোনো মিলই নেই। এমনিতে সে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী টাইপের, কিন্তু আমাকে কীভাবে সাফার করাতে হয় সেটা সে ও তার পরিবারের লোকজন, বিশেষ করে আমার শ্বাশুড়ি ভালো করেই জানে।

যৌন সম্ভোগের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করা হলো আমাকে শাস্তি প্রদানের একটি কৌশল, আর তাই আমি দ্বিতীয় বিবাহ করতে আগ্রহী। যেহেতু জীবনের বিনিময়ে বুঝতে পেরেছি যে, শ্বশুরবাড়ির ধনসম্পদ আসলে কোনো কাজে লাগে না, তাই এখন আমি একটি দরিদ্র তবে পরিচ্ছন্ন ফ্যামিলির মেয়ে বিবাহ করতে আগ্রহী। আর যদি ‘ছাত্রী’ বিবেচনায় নেই, তাহলে সম্ভাব্য প্রার্থী হতে পারে রূপা ও তাবিতা। তবে তাবিতার টিউশনিটা যেহেতু ছেড়ে দিতেই যাচ্ছি, তাই ওদের পরিবারের সাথে আমার আর কোনো বনিবনা হবে বলে মনে হয় না। প্লাস, মেয়েটা বেয়াদব টাইপের এবং সেক্স চাহিদার দিক থেকে ‘শংকিনী’ হতে পারে বলে আমার ধারণা; সুতরাং আরেকটা ‘মুক্তা’কে জীবনে জড়িয়ে তো লাভ নেই, তাই না? এছাড়া, তাবিতারা যতটা না ধনী, তার চেয়ে বেশি ধনী মনে করে নিজেদেরকে। সুতরাং তাদের এই একচুয়াল ও কাল্পনিক ‘ধনসম্পদের ঝাল’ তো আমার উপর এমনিতেই মেটাতে চাইবে, তাই তাবিতার চিন্তা মাথা থেকে বাদ দিতে চাচ্ছি।

তাহলে আপাততঃ বাকি থাকলো রূপা, কিন্তু ওরা একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে আমাকে দাওয়াত দেয় নি, আর সেটা হলো ওর ছোট বোনের আকিকার সময়। এমনিতে ওরা আমার প্রতিবেশী, তার উপর সে সময় রূপাকে প্রাইভেট পড়াতাম। তাই আমাকে দাওয়াত না দিয়ে অন্যান্য লোকজন, যেমনঃ জঙ্গী আনিস হুজুর, মিঠু মোল্লা ও তাঁর ফ্যামিলিকে কীভাবে দাওয়াত দিলো, বুঝতে পারলাম না। রূপার ছোট বোনের নাম ‘রাইসা ইসলাম’ নাকি আনিস রেখেছে, অথচ এর আগের দিন আমিই ইন্টারনেট ঘেঁটে রূপাকে ‘রাইসা’ নামটা বেছে দেই। এই ঘটনার পর থেকে এবং আরো কয়েকটি কারণে রূপাদের মনমানসিকতা নিয়ে আমি সন্দীহান। এমনিতে রূপগঞ্জে দীর্ঘদিন বসবাস করলেও তাদের অরিজিনাল হোম ডিস্ট্রিক্ট বরিশাল বিভাগের ‘ভোলা’য়। তাই ভাবছি, ‘বরিশালের কালিমা’ তারা এখনো সারপাস করতে পেরেছে কিনা; এক বরিশালনিকে নিয়েই তো জীবন তছনছ, আরেক বরিশালনিকে জীবনে ইনক্লুড করবো কিনা। এসব সাত-পাঁচ ভাবি, আর আইয়ুব খানকে মনে মনে গালি দেই, দ্বিতীয় বিবাহের পথটা কণ্টকে পরিপূর্ণ করার জন্য।



তাবিতার টিউশনিটা যে কারণে ছেড়ে দিলাম। (‘কুমিল্লার ইতর’ আসলে কারা?)

তাবিতার টিউশনিটা অবশ্য এখন পর্যন্ত ছেড়ে দেই নি, তবে খুব সম্ভবতঃ অতি শীঘ্রই ছেড়ে দিব, তাই আগে থেকেই এই প্রবন্ধটা কম্পোজ করে রাখছি। পাঠক আপনি যদি এই আর্টিক্যালটা পড়তে পারেন তবে ধরে নেবেন যে, আমার ‘ডিয়ার’ ছাত্রী তাবিতাকে আমি বিদায় জানিয়েছি, অথবা তাকে আমায় বিদায় জানাতে বাধ্য করেছি। এর পেছনের কারণগুলো নিম্নরূপঃ




(১) প্রথমতঃ বলে রাখি, টাকার প্রয়োজনে তাবিতাকে পড়াতে যাই নি। তখন অনেকটা বেকার ছিলাম, তাই ভাবলাম কিছু একটা করি। এ কারণে গিয়েছিলাম তাদের বাসায়। কিন্তু মেয়েটা খুবই বেয়াদব। আধাঘণ্টা পড়লেই তার চান্দি গরম হয়ে যায়। আমার সামনে কলা-রুটি এসব খায়, অথচ আমাকে নাশতা দেয় না। একটু টিস্যু পেপার চাইলে বলে, ‘বাসা থেকে নিয়ে আসতে পারেন না?’ এছাড়া, তাদের বাসার টয়লেট ব্যবহার করতে দেয় না। বাইরে নাকি আরেকটা টয়লেট আছে, সেটাও দেখিয়ে দেয় না; বলে, ‘লাইট নষ্ট’। অর্থাৎ তার ও তার মা’র আচরণে মনে হয়, আমি নিতান্ত অভাবের তাড়নায় সেখানে টিউশনি করতে গিয়েছি।

(২) দ্বিতীয়তঃ বেতন নিয়ে কিছুদিন আগেই ‘কাহিনী’ করেছে। টিউশনি ফিক্স হবার সময় তাবিতার মা আমাকে বলেছিল, ‘স্যার, এই দুই মাস একটু সমস্যা। তাই ‘এই পরিমাণ’ টাকা কম দিমু। এর পর থেইক্কা পুরাডাই দিমু’। সেই কথা তো রাখেই নাই, উল্টা আমাকে অসহায় ভেবে প্রতিশ্রুত অর্থের মাত্র ৬০% দিতে চেয়েছিল মাসিক বেতন হিসেবে। পরে আমি প্রেশার ক্রিয়েট করে সেটাকে অরিজিনাল অ্যামাউন্টের ৮০%-এ উঠিয়ে এনেছি। তাতেই ওদের ‘ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি’ অবস্থা। অথচ কিছুদিন পরপরই শপিং লেগে আছে।

(৩) তৃতীয়তঃ ওরা মিথ্যেবাদী, যেটার বেশ কয়েকটি নমুনা ইতিমধ্যে পেয়ে গেছি। তাবিতা দাবী করে, ওর পিতা (মোহন মেম্বার) কোনো দুই নম্বরী করেন না, তাই তারা অপেক্ষাকৃত গরীব। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, ওদের ওয়ার্ডের মধ্যে রিপন মোল্লার দোকানের সামনে যে জুয়ার আড্ডা বসে সেটার ‘উপরি’র ভাগ কি মোহন মেম্বার পান না? না পেলে দিনদুপুরে জুয়ার আড্ডা চলে কীভাবে?

মানলাম, মোহন মেম্বার ইউনিয়নের অন্য মেম্বারদের চেয়ে আলাদা, তাই বিগত ১৩-১৪ বছর ধরেই তিনি মেম্বার। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, এতই যদি জনপ্রিয় হন তিনি, তাহলে (তাবিতার দেয়া তথ্য মোতাবেক) ভোটের আগে বিশেষ কৌশল কেন নিতে হয় তাদের? যতদূর জানতে পেরেছি, আমার ওয়ার্ডের আনোয়ার মেম্বার টাকা ঢেলে ভোট কিনেছিলেন। তাহলে মোহন মেম্বারও কি সেটাই করে আসছেন? নাকি অন্য কিছু?

(৪) চতুর্থতঃ মিঠু মোল্লার বাসায় টিউশনিতে পাঠিয়ে তাবিতার মা অনেক বড় একটি ভুল করেছে আমার সাথে, যে ভুলের মাশুল এখন তাদেরকে দিতে হবে। তাবিতার মা এবং আমার অদূর প্রতিবেশী কামাল ভাইয়ের সুপারিশে ঐ রাজনৈতিক ফ্যামিলিতে আমি যাই টিউশনি করাতে। কিন্তু তারা মাত্র ১৫ দিন আমার সার্ভিস নিয়ে আমাকে বিদায় জানিয়ে আমাকে ব্যাপক অপমান করেছে, আমার আত্মবিশ্বাসের হানি ঘটিয়েছে। মিঠু মোল্লা ও তার কন্যা মায়শার বক্তব্য হচ্ছে, আমি ফিজিক্স ভালো পারলেও ম্যাথ ভালো পারি না। আমাকে এভাবে অপমানের সুযোগ ওরা পেয়েছে মূলতঃ তাবিতার মা’র কারণে। তাই এজন্য তাকে ও তার কন্যা তাবিতাকে মাশুল দিতে হবে।

(৫) পঞ্চমতঃ আমি আমার মূল কাজ বা পেশায় আবার ব্যস্ত হয়ে গিয়েছি, এই ইতর পরিবারকে দেয়ার মতো সময় আমার কাছে নেই। তাও দিতাম যদি ‘চিপা-চাপা’র টাইম নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতো, যেমনঃ রাত নয়-সাড়ে নয়, অথবা একেবারে সকালে (৭টা)। কিন্তু সবগুলো সুইটেবল টাইম অন্য কোচিংগুলোতে দিয়ে আমার কাছে ‘প্রাইম’ টাইম চায়, যেমনঃ বিকেল বেলা। সেটা এখন আর কী করে দেই?!

(৬) ষষ্ঠতঃ কিছুদিন আগে ছোটখাট একটা বিষয় নিয়ে আমাকে তিরষ্কার করেছে তাবিতার মা। ১লা এপ্রিল তারিখে তিনি আমাকে ‘এপ্রিল ফুল’ বানিয়েছেন, তিরষ্কার করে। এর আগের দিন (পড়ার সময়) তাবিতার গলার স্বর ছিল অত্যন্ত নিচু, কিছুই বোঝা যাচ্ছিল না। বারবার বলা সত্ত্বেও সে গলার স্বর উঁচু করছিল না, তাই বিরক্ত হয়ে মোবাইল টিপাটিপি করছিলাম। এটা নিয়ে আবার তাবিতা তার মাকে বিচার দিয়েছে, ‘মা, স্যার পড়ানোর সময় মোবাইল টেপাটিপি করে।’

আমি তো শুধু ঝাড়ি খেলাম; কী কারণে মোবাইল টিপছিলাম, সেটা বলতে পারলাম না। বুঝলাম, ঐ টিউশনিতে আমার ফ্রিডম আরেক ডিগ্রী কমে গেল। সেটা তখন মেনে নিয়েছিলাম, কারণ ভেবেছিলাম ‘বেকার থাকার চেয়ে কিছু একটা করা ভালো’। কিন্তু এখনকার ব্যাপারটা আলাদা, এখন যে পরিস্থিতি তাতে আমি উক্ত অপমানের প্রতিশোধ নিতেই পারি।

(৭) সপ্তমতঃ সম্প্রতি তাবিতা পরোক্ষভাবে আমার আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়েছে। সে একটা কথা এমন কনফিডেন্সের সাথে বলে যে, সেটা আমি বিশ্বাস করে নিয়ে ধরা খাই। আসলে সে এখন পর্যন্ত শুদ্ধ ও প্রমিত বাংলা ভাষা শিখতে পারে নি, তাই ডিপ্লোম্যাটিক ভাষায় কীভাবে কথা বলতে হয় জানে না। যেমনঃ ‘সে খারাপ’ এটা সরাসরি না বলে ‘তাকে আমার কাছে খারাপ মনে হয়’ – এটা হলো ডিপ্ল্যোম্যটিক ল্যাঙ্গুয়েজের একটি উদাহরণ।

কিছু একটা বলার সময় ‘সম্ভবতঃ’, ‘আমার মনে হয়’ – এ ধরনের কিছু বলতে পারলে রিস্ক কমে এবং কনফিউশনের পরিমাণও হ্রাস পায়। ‘ইতর’ এলাকার অরিজিনাল বাসিন্দা হওয়ার কারণে তাবিতা এগুলো এখনো শিখতে পারে নি। আমি নিজে বহুকাল আগে থেকেই এ ধরনের ডিপ্লোম্যাটিক ভাষায় এক্সপার্ট (যখন আমি ক্লাস সিক্স বা সেভেনে পড়ি)। তবে নটর ডেমে পড়াকালীন সময়ে বাংলা ম্যাডাম মারলিন ক্লারা পিনেরো আমাদেরকে এ ধরনের ‘ডিপ্লোম্যাটিক ভাষা’র গুরুত্ব চোখে আঙ্গুল দিয়ে বুঝিয়ে দেন।

তাবিতার কারণে আমার প্রায় দশ হাজার টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এই টাকাটা আমার পকেটে আসলে সিলিন্ডারসমেত চুলার জন্য আলাদা একটা রান্নাঘর বানাতে পারতাম আমার বাড়িতে, যাতে করে বিস্ফোরণ টাইপের দুর্ঘটনা থেকে আমার বউ-বাচ্চা রেহাই পায়। নতুবা, ঐ অর্থ দিয়ে মোটামুটি বাজেটের এবং আইপিএস ডিসপ্লে’র একটা ফোন কিনতে পারতাম। আমার কেন জানি মনে হলো, তাবিতাকে পড়াতে থাকলে আরো আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে আমাকে।

(৮) অষ্টমতঃ কিছুদিন আগে তাবিতারা আমাকে টিউশনি থেকে বাদ দেয়ার একটি প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়েছিল। আসলে মাস শেষ হয়েছে এমন একটা সময়ে আমি কনফিউজড ছিলাম তারা আর আমাকে চায় কিনা। না চাইলে তো শুধু শুধু সেখানে গিয়ে লাভ নেই, সেক্ষেত্রে দু’চারদিন পরেই হয়তো বলবে, ‘স্যার, আপনে আর আইসেন না। বিভিন্ন কোচিং করে ওর আর সময় হইতেছে না।’ আর তখন তাবিতাও বলেছিল, ‘স্যার, আমি আপনেরে ফোন দিমু নে।’ তাই আমি ধরে নিলাম, ফোন দিলে বুঝতে হবে আমাকে তাদের দরকার আছে। আর ফোন না দিলে ধরে নিতে হবে, আমি তাদের কাছে অপাংক্তেয়, সেক্ষেত্রে জোর করে তাদের সাথে ঘেঁষাঘেঁষি করে লাভ নেই, শুধু শুধু অপমানের শিকার হতে হবে।

যাই হোক, তাবিতা আমাকে ফোন দিতে ভুলে গেল, তাই আমিও ধরে নিলাম, আমার প্রয়োজন সেখানে ফুরিয়ে গেছে, ফলে আমি আর ‘রেসপন্ড ব্যাক’ করলাম না। অথচ তখন তাবিতার মা আমাকে ফোন করে মোটামুটি ঝাঁড়ি মেরে জিজ্ঞেস করলো, ‘স্যার, আপনে কি পড়াইবেন, নাকি পড়াইবেন না?’ আমি নতি স্বীকার করলাম, আফটার অল এর আগের দিনও ঢাকায় অবস্থান করায় টিউশনিটা মিস দিয়েছিলাম। পরে জানতে পারলাম যে, আমাকে বাদ দেয়া হবে ভেবে তারা বিকল্প টিচারের খোঁজও করেছিল তাবিতার কাজিন সাদি’র কাছে, সে নাকি যেকোনো সময় ঢাকা থেকে কোয়ালিফাইড টিচার এনে দিতে সক্ষম! তাই আমিও এখন দেখতে চাই, আমি চলে যাওয়ার পর কী ধরনের কোয়ালিফাইড টিচার তারা ম্যানেজ করে এবং সে কী রকম পড়ায়। খোঁজখবর তো অবশ্যই পাব দূর হতে।

সবশেষে বলে দিই, আমার চোখে কারা আসলে ‘কুমিল্লার ইতর’। তাহলে প্রস্তুত হন ‘বিগ শক’-এর জন্য। শুনতে আপনার ভালো লাগুক আর না লাগুক, এটা আমার নিজস্ব মতামত যে, কুমিল্লার উত্তর দিকের কয়েকটি থানাঃ দাউদকান্দি, হোমনা, মুরাদনগর, মেঘনা, তিতাস, চাঁদপুরের কেবল মতলব, সম্পূর্ণ নরসিংদী, সম্পূর্ণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া আর নারায়ণগঞ্জ জেলার অরিজিনাল অধিবাসীদের সবাই আসলে ‘ইতর’ বা অভদ্র। আমার অভিজ্ঞতা অনুসারে, এদের কথাবার্তার ‘ডাইস’ ভালো না, লোকজনের সাথে কারণে-অকারণে খারাপ ব্যবহার করে। তাবিতা ও তার ফ্যামিলিও এর মধ্যে পড়ে, কারণ তারা নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের অরিজিনাল বাসিন্দা।

তবে আচরণ খারাপ বলে অন্যান্য দিক থেকেও যে খারাপ তা কিন্তু নয়। যেমনঃ নরসিংদীর লোকজন খুবই শিক্ষানুরাগী ও মেধাবী, এছাড়া নরসিংদীর মেয়েদের মাঝে একটা অন্য ধরনের সৌন্দর্য আছে বলে আমি মনে করি। তারা বেশ রোমান্টিকও বটে। বি.বাড়িয়ার লোকজনের মস্তিষ্ক অত্যন্ত শার্প। কুমিল্লা ও চাঁদপুরের লোকজন কিছু কিছু দিক থেকে বেশ উদার, যেমনঃ কারো উপকার করার বেলায় খুঁজে দেখে না যে, লোকটির হোম ডিস্ট্রিক্ট কোথায়, তাকে উপকার করা ঠিক হবে কি হবে না – এসব। আর নারায়ণগঞ্জের অরিজিনাল বাসিন্দাদের ব্যাপারে বলতে চাই, এরা বেশ সাহসী ও অ্যাগ্রেসিভ; আফটার অল, এরা ঈশা খাঁ এবং তাঁর সহযোগীদের বংশধর।



The huge body of Shahnaz aunty from ‘Shahnaz Manzil’

There’s a six storied building by name of ‘Shahnaz Manzil’ near Kuril Biswa Road, Dhaka. The owner of that land was a 42 years old lady who was known as Shahnaz. She was still young which was evident and obvious from her body structure and expressions. She had a really big pair of globes as boobs and a huge ass. I lived in a building adjacent to hers. And I used to think to myself, ‘If only I could be intimate with her!’




Well, she too lusted after me, which I realized when I first got to her home to meet her. Actually I was in the need of a new rented home, so I went there to see their apartments to be rented. After choosing one, we were having a casual conversation in their drawing room. That lady’s husband seemed to have been vanished after having a little talk with me. But she was still there, sitting in the couch opposite to mine and having a big evil smile on her mouth. There she was showing me the shape and outline of her big tits without a scarf (orna).

I rented an apartment on the third floor of her building. The locks on the doors were modern, so I requested her to show me how to lock and unlock them. But she thought I actually wanted to take advantage of the empty apartment in order to get intimate with her. She must have thought to herself, ‘Sex, that too on the very first day!’ She was wearing a lustful smile on her face and tried to read my mind. I also got sexually aroused upon seeing her inviting smile. But it wasn’t a right time to get physical, ’cause my FIL was inside. Had he not been there at that time, I would certainly get this woman inside my apartment and just spring on her.

Another day, I was getting downstairs while Shahnaz was putting up a ‘To-let’ sign. The moment she felt my presence she simply pushed her ass cheeks backwards and made them look protruding. This way she gave me a hint of their size, which would be at least 42 inches. But my baby boy was in my arms at that time and I was taking him out for a troll. If I was alone, I would certainly dare to touch her ass and say a few complementing words about it, like ‘Aunty, you really have a gorgeous backside.’ I’m sure she would not mind it because she had shown this body language intentionally.

She often invited me to have a cup of tea with her. But I preferred not to get inside because I thought her hubby was there. Actually I should’ve got inside her apartment even in his presence. That way I could have been free with her to achieve anytime access into her household in order to accompany her (and you know what). But during those days I was terribly disturbed with a severe eye problem, so I was not much interested in something unethical. Had I stayed there (in the rented apartment of her building) for a few more months, I would have managed to sleep with her for sure. But in the meantime a ‘Noakhailla bachelor’ family rented the apartment right above ours. They purposely started to make such huge thudding sounds with a view to annoying us that one day I got really pissed off and declared to leave that apartment.

Shahnaz did not solve the issue. The most probable reason behind this is that there was a six feet tall and handsome man among those bachelors. Aunty probably had decided to get laid with him.



নববর্ষের দিন মাদ্রাসা চালু কেন? (তীব্র হিন্দু বিদ্বেষ ও মুসলিম বিদ্বেষ)

আমার বাড়ির পাশে যে মসজিদ আছে সেটির ইমামের নাম আনিস হুজুর, তার বয়স ২৬-২৭ এর কাছাকাছি। মসজিদটি যে জায়গায় হয়েছে তা পূর্বে তার পিতার ছিল, বর্তমানে এটি ওয়াকফ সম্পত্তি। মসজিদের পাশে তারা আবার একটি মাদ্রাসাও স্থাপন করেছে, যা তাদের ব্যক্তি মালিকানাধীন। আমি এ বিষয়ে আপত্তি করতে চাই যে, আজকে নববর্ষের দিনেও মাদ্রাসাটি খোলা বা চালু কেন? কেন মাদ্রাসার স্টুডেন্টরা নববর্ষের আনন্দের বদলে আজও আলিফ-বাতাসা শিখছে?




আনিসের পূর্বপুরুষেরা কুমিল্লা হতে এসেছে। পরবর্তীতে তারা চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে আস্তানা গেঁড়েছিল। আনিসের মা ও দাদী সম্ভবতঃ অরিজিনালি চাঁদপুরের মেয়ে ছিল, তাতে কী? তার দেহে এখনো কুমিল্লার রক্তই বিদ্যমান, তাই না? এক জেলার লোক অন্য জেলায় গিয়ে বাড়ি করলেই সেখানকার অধিবাসী হয়ে যায় না। বংশপরম্পায় তাদের রক্তে অরিজিনাল ডিস্ট্রিক্টের বদঅভ্যাস থেকে যায়।

আনিসের পিতা নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের কোনো এক মসজিদে দীর্ঘদিন ইমাম ছিল, সেখান থেকে সে বিপুল পরিমাণ টাকা-পয়সা অবৈধভাবে কামিয়েছে। পরে রূপগঞ্জেরই এক স্থানে ২০-২৫ শতাংশ জমি কিনে সেখানে থিতু হয়েছে। সে জায়গাটি আমার বাড়ির পাশে। সত্যি বলতে, তারা এখানে বসতি গড়ার প্রায় ২০ বছর পর অর্থাৎ গতবছর এখানে আমি বাড়ি করেছি। তার মানে এই না যে, আনিসেরা বা আমি এখানকার অরিজিনাল বাসিন্দা হয়ে গেলাম। আমাদের যার যার রক্তে নিজ নিজ জেলার লোকদের কমন বদঅভ্যাসগুলো ঠিকই রয়ে গেছে।

কুমিল্লার লোকদের একটি বদঅভ্যাস হলো, তারা ধার্মিক (বিশেষ করে মুসলিম) হলে কট্টরপন্থী টাইপের ধার্মিক হয়। অর্থাৎ এরা অন্যের ধর্ম সহ্য করতে পারে না। তাই এদেরকে কাঠমোল্লা বলা হয় এবং বাংলাদেশের অন্য যেকোনো জেলার তুলনায় কুমিল্লায় জঙ্গীদের সংখ্যা বেশি হওয়ার কথা। এরা মনমানসিকতায় অনেকটা মৌলবাদী হওয়ার কারণেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যায় এরাই প্রথমে এগিয়ে এসেছিল। ভুলে গেলে চলবে না, শেখ মুজিবের সাথে বেঈমানী করা খন্দকার মোশতাকের বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দিতে এবং বঙ্গবন্ধুর বেশিরভাগ খুনীদের বাড়ি কুমিল্লাতে।

হঠাৎ করে কুমিল্লার লোকদের বদনাম শুরু করলাম এই কারণে যে, জঙ্গী আনিস আজ তার মাদ্রাসা চালু রেখেছে; সেটা তার আপন ভাগ্নিকে দেখে বুঝেছি। বাচ্চা মেয়েটি আজও হিজাব পরে মলিন চেহারা নিয়ে মাদ্রাসা ছুটি শেষে বাড়ি ফিরছিল। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে আজকে অন্ততঃ মাদ্রাসাটা বন্ধ রাখলে কী এমন ক্ষতি হতো? বিকেলে আরেক মাদ্রাসার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। সেখানেও একজন প্রাপ্তবয়ষ্ক ব্যক্তিকে শুনলাম একটি বাচ্চা ছেলেকে বলছে, ‘নববর্ষের দিন মাদ্রাসা বন্ধ রাখলে লোকজন কী বলবে?’ অর্থাৎ নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ মনে হয় মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার শত্রু! সম্ভবতঃ সকল মাদ্রাসাতে এই শিক্ষা দেয়া হয় যে, ‘নববর্ষ হলো হিন্দু ও বিধর্মীদের সংস্কৃতি’। তাই এ বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, আগামী বছরের নববর্ষে যাতে আর একটিও মাদ্রাসা চালু না থাকে।

আর আনিসদের কথা কী বলবো?! তার পিতা বুইড়া হুজুর যে কথাটি আমাকে বলেছিল কয়েক মাস আগে, সেটা মনে করলে এখনো গায়ে কাঁটা দেয়! তার দেয়া তথ্য মোতাবেক – শেরে বাংলা যখন অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, তখন তাঁর নির্দেশে নাকি এক রাতের মধ্যে হাজার-হাজার হিন্দু ব্যক্তিকে কতল করা হয়! ঠিক যেমনটা হেফাজত দাবী করে ৫ই মে’র ঘটনায়। পাঠকবৃন্দ আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন হচ্ছে, শেরে বাংলা সম্পর্কে এ ধরনের কথা আর কোথাও কি শুনেছেন? অন্ততঃ আমি তো শুনি নি। এটা তীব্র হিন্দু বিদ্বেষের নমুনা।

বাড়ির পাশের মসজিদটিতে জুমার দিন যেসব আজেবাজে খুতবা দেয়া হয়, তাতে আমার মাঝেমাঝে বমি আসে। এমনটি শুনেছি যে, ‘মানুষের জন্ম নাকি এক ফোঁটা নাপাক পানি থেকে’! আমি মনে মনে হুজুরকে বলি, ‘তোরটা নাপাক হতে পারে, আমারটা নয়’। এই কথাটা নাকি কুরআনে উল্লেখ আছে, তবে আমি এটি মেনে নিতে রাজি নই। আমি মনে করি, মানুষের জন্ম কোনো নাপাক জিনিস থেকে হয়েছে – এরকম চিন্তা করাটাই অনেক বড় অপরাধ। হুজুরদের মতে, শুধু ‘আল্লাহ’র ইবাদতকারীরা’ বেহেশতে যাবে। আমি বলতে চাই, ‘আমি আমার আইডলদের (যেমনঃ নিকোলা টেসলা) না নিয়ে বেহেশতে যাব না, এমনকি যদি ফ্রিতেও দেয়া হয়। টেসলাসহ আমার অন্যান্য আইডলরা মানব সভ্যতার জন্য যা করেছেন, তাতে তাদেরকে এমনিতেই বেহেশত দেয়া উচিত, হোক তারা ক্রিশ্চিয়ান বা বিধর্মী’।

এবার মুসলিম বিদ্বেষের বিষয়েও কিছু বলতে চাই। আমি মনে করি, এদেশের বেশিরভাগ হিন্দুরা মুসলমানদেরকে মনে-প্রাণে ঘৃণা করে। সেটা যে একবারে বিনা কারণে তাও না, কারণ তারা অনেক পরিমাণে ‘সংখ্যালঘু নির্যাতন’-এর শিকার হয়েছে। তবে মুসলিমদের প্রতি তাদের ঘৃণার মাত্রাটা একটু বাড়াবাড়ি টাইপের। হিন্দুরা সুযোগ পেলেই মুসলমানদের সাথে নিষ্ঠুর, নির্মম ও অমানবিক আচরণ করে; এ কারণে এ ধরনের আচরণকে অনেক সময় ‘চাড়াল’ টাইপের বলে উল্লেখ করা হয়। এমনকি কোনো মুসলিম ব্যক্তিও এ ধরনের আচরণ করলে তাকে ‘চাড়াল’ বলে উল্লেখ করা হয়।

আমি চাই, এদেশের সাধারণ অধিবাসী হিসেবে মুসলিম ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা পরস্পরকে শ্রদ্ধার চোখে দেখবে, একে অপরকে ঘৃণা করবে না। এ কারণে হিন্দুদের প্রতি বলতে চাই, ‘নিজেদেরকে কেবল বাংলাদেশের অধিবাসী হিসেবে মনে করুন, সংখ্যালঘু বা স্পেশাল মনে করবেন না। আর নিজেদেরকে স্পেশাল প্রমাণ করার জন্য দেহে বা পোশাক-আশাকে কোনো বিশেষ কিছু ইউজ করবেন না, যেমনঃ তীলক বা বিশাল আকারের টিপ। এ ধরনের ড্রেসআপ ও মানসিকতা আপনাদেরকে আরো বেশি একঘরে ও জেদি করে তুলবে।’



Female student Jenny’s mom’s dreams were not fulfilled

One of my female students Jenny’s mom looked like this woman in the picture, in her young age. She had a big dream to get laid with me, but that dream was never fulfilled. At that time I was thirty and she was forty years old. Literally, she was in the last stage of her youth. And you know how hot women’s hidden organs get at such stage of their lives!


The same thing happened with Shobnom aunty too. She was from Narshingdi Shibpur. You might know that women from greater Mymensingh and Narsingdi have a bigger sex drive than those from rest of the country. On top of that, Shobnom’s husband Jewel uncle was a skinny man. Shobnom didn’t get enough pleasure while having sex with him and she confessed this to my mom which I overheard. So I knew it won’t be long before she shows her sexual interest towards me.

But I had my eyes set on her young daughter Jenny. And I have taken as much advantage of this young girl’s body as possible. Although Shobnom pretended to be unaware of what was going on, she was certainly burning on the inside due to anger and jealousy. After all, she had hired me as her daughter’s private tutor in order to serve an evil purpose (to avail me as her sex partner).

Nevertheless one last day she decided to give me an ultimate opportunity to have her on bed. All I needed to do was push her main door a little bit and get inside to accompany her; she had indirectly hinted me that she would do the rest. But in those days I was ‘pretty busy’ in doing phone sex with a 22/23 years old girl named Fariza Bintu. That’s why I was hardly interested in getting laid with Shobnom, a middle aged lady. But now there’s no denying that I regret neglecting her to this day. Had I chosen to capitalize that opportunity, I could’ve tasted ‘raw female meat’ indeed!



S নামের মানুষেরা এমন কেন? -পর্ব ১

আমার এস্টিমেট মোতাবেক, যে সকল ব্যক্তির নাম S অক্ষর দিয়ে শুরু হয় তাদের আচরণগত ও মনমানসিকতায় সমস্যা অন্য আট-দশজনের চেয়ে বেশি। এটা কী কারণে হয়, সেটা এক্সাক্টলি বুঝে উঠতে পারি নি। হয়তো S নামের লোকদের সংখ্যা বাংলাদেশের সমাজে সবচেয়ে বেশি, তাই তারা সংখ্যাগুরু হওয়ার বিষয়টিকে ‘অপরাধ’ করার মধ্যদিয়ে সেলিব্রেট করে। এখানে অপরাধ বলতে ছোট-খাট ও বড় সব ধরনের অপরাধই বুঝাচ্ছি। যেমনঃ কেউ যদি অফিসিয়াল ভদ্র পরিবেশে ‘বাল-ছাল, চ্যাট’ এসব স্ল্যাং ল্যাঙ্গুয়েজ ইউজ করে, তবে সেটা যেমন একটি অপরাধ; তেমনি কোনো মেয়েকে শ্লীলতাহানি করে মামলার হাত হতে বাঁচতে তাকে আগুনে পুড়িয়ে মারা একটি বিশাল অপরাধ তো বটেই।



ফেনীর যে মাদ্রাসা-অধ্যক্ষ ছাত্রীকে দৈহিকভাবে লাঞ্ছিত করে পরে মামলা হতে রেহাই পেতে লোক ভাড়া করে তাকে পুড়িয়ে মারে, তার নাম ‘সিরাজ’। আমি নিজে দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আলোকে বুঝতে পেরেছি, S নামের লোকদের সাথে বন্ধুত্ত্ব, লেনদেন ও অন্যান্য যেকোনো কিছু করার ক্ষেত্রে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। আপনার নামের প্রথম অক্ষর যদি S না হয়, তাহলে যে ব্যক্তির (পুরুষ বা নারী) নামের আদ্যাক্ষর S তার সাথে যেকোনো ধরনের সম্পর্ক ও আলাপচারিতার ক্ষেত্রে একটু সতর্ক থাকবেন – নয়তো তারা কখন যে পল্টি নিবে তার কোনো ইয়ত্তা পাবেন না।

আমি নিজ জীবনের অভিজ্ঞতাসমূহ নিয়ে যে আর্টিক্যালগুলো লিখতে শুরু করেছিলাম, তার প্রথম দু’টিতে যে দু’জন নারীর কথা উল্লেখ আছে, তাদের নামের আদ্যাক্ষরও S। এর মধ্যে শবনমের যৌন খায়েশ এত বেশি ছিল যে, সে তার চেয়ে ১২-১৩ বছরের ছোট এক ছেলের সাথে যৌন অভিজ্ঞতা নিয়েছে। ঐ যুবকটি আমার চেয়ে ২-৩ বছরের ছোট, তার দেশের বাড়ি কুমিল্লা, সে শবনমের বড় কন্যা হামজানা জেনি’র প্রাইভেট টিউটর ছিল এবং সবচেয়ে ইম্পোর্টটেন্ট কথা হলো – তার নামও S দিয়ে শুরু (সাইফুল)। শবনমের গোপনাঙ্গে চুলকানি এত বেশি ছিল যে, সে তার দেবরের গাড়ির ড্রাইভারের ‘সার্ভিস’-ও গ্রহণ করেছে। এই ড্রাইভার ছিল বরিশালের লোক।

শবনম মাগিটা জোশ ছিল, তার সাথে শুলেই পারতাম…

আর সাইফুল ছেলেটিও একটু অন্য ধরনের ছিল; এই কারণে যে, মা’র সাথে শুয়ে পরে আবার মেয়ের দিকে নজর দিয়েছে। আমি হলে এমনটা করতে পারতাম না। আমি কেবল জেনিকে নিয়েই ব্যস্ত ছিলাম, তার মা শবনম আমার প্রতি আগ্রহী হলেও তাকে কখনো পাত্তা দেই নি। যদি শবনমের সাথে যৌন সম্পর্কে জড়াতাম, তাহলে তার কন্যাদের দিকে হাত বাড়াতাম না (সম্ভবতঃ)। সাইফুলের পক্ষে এ ধরনের কর্মকাণ্ড সম্ভব হয়েছে, কারণ তার নাম S অক্ষর দিয়ে শুরু।

আর শাহনাজের কথা কী বলবো, তার ব্যবহার ছিল অত্যন্ত খারাপ। যদিও বাসা ছেড়ে দেবার ঘোষণা দেয়ার আগ পর্যন্ত সে নরমাল ব্যবহারই করেছে এবং আমার সাথে একসময় শোবে এরকম আশা নিয়েই ছিল। কিন্তু উপরের তলার ব্যাচেলর ভাড়াটিয়ারা যখন অতিমাত্রায় ডিস্টার্ব শুরু করলো, তখন শাহনাজের কাছে বিচার দেওয়া সত্ত্বেও সে ‘নিরপেক্ষ’ ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে চাইলো, যেটা মেনে নেয়া আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না। এর কারণও সংশ্লিষ্ট আর্টিক্যালে উল্লেখ করেছি আমি – খুব সম্ভবতঃ সেই ব্যাচেলরদের মধ্যে একজন শাহনাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছিল। সে ছয় ফুটিয়া ও হ্যান্ডসাম ছিল, শাহনাজের পাঁচ ফুট ছয় ইঞ্চি কামুকী নারীদেহকে ঠাণ্ডা করার জন্য এমন একটা পুরুষ দেহ-ই দরকার ছিল।

এবার ফেনীর সিরাজের কথায় ফিরে আসি। সে সম্ভবতঃ ঐ ছাত্রীকে ধর্ষণের প্রচেষ্টা নিয়েছিল, ব্যর্থ হওয়ার পর তার ক্রোধ চেপে গিয়েছিল এবং মেয়েটিকে সে হুমকি-ধমকিও দেয় সম্ভবতঃ। এতেই মেয়েটি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং তার নামে মামলা দেয়। ভেজাল এড়াতে সিরাজ যেটা করতে পারতো, সেটা হলো এই যে, ধর্ষণ প্রচেষ্টা সফলকাম না হওয়ার অব্যবহিত পরেই মেয়েটির কাছে ক্ষমা চাইতো পারতো; বলতে পারতো, ‘আমার মাথা ঠিক ছিল না’। তাহলেই মামলার দিকে ব্যাপারটা গড়াতো না। বিষয়টি এভাবে বললাম, কারণ এ সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা আমার রয়েছে – দু’-একটি ইয়াং মেয়েকে আমিও যৌন হেনস্থা করেছি।

এর মধ্যে একজন হলো কিছুক্ষণ পূর্বে উল্লেখিত জেনি নামের মেয়েটি, সে আমার ছাত্রী ছিল (প্রাইভেট টিউশনি)। তার মা শবনম শিকদার আমাকে ভাড়া করেছিল, নিজে আমার সাথে শোবে সে আশায়; অথচ আমি হাত বাড়ালাম তার ইয়াং মেয়ের দিকে। জেনি’র সাথে আমি অনেক কিছুই করেছি, শুধু সরাসরি আমার লিঙ্গ তার মধ্যে প্রবেশ করাতে পারি নি। সেটাও পারতাম যদি না তাদের স্কুলের একটি মেয়েকে (যে কিনা জেনির চেয়ে এক বছরের বড় ছিল) পরিমল ধর্ষণ করে লাইমলাইটে আসতো। এ ঘটনার পর থেকে জেনি সতর্ক হয়ে যায় এবং আমার সাথে দৈহিক সংশ্রব অনেকখানি কমিয়ে দেয়। তার সাথে আমার বাদানুবাদ বা ছোটখাট ঝগড়া যাই হোক না কেন, তার গায়ে কখনো হাত তুলি নি বা কখনো তাকে হুমকি দেই নি। তার সাথে যা করেছিলাম সেটার বেশিরভাগই ছিল পটিয়ে বা ‘পাম্প’ দিয়ে, তবে একটু জবরদস্তিও করা লেগেছে।

কিন্তু অধ্যক্ষ সিরাজ বোধ হয় নুসরাত মেয়েটির সাথে পুরোপুরি জবরদস্তি করেছে, তাই তো মেয়েটি মামলা করতে বাধ্য হয়েছিল। অর্ধবুড়ো বা বুড়ো যারা আছেন, তারা যদি কখনো কোনো মেয়েকে পছন্দ করেন বা তাদেরকে দৈহিকভাবে ব্যবহার করতে চান, তাহলে অবশ্যই প্রথমে তাকে ভালো করে পামপট্টি দিয়ে নিবেন, যেমনঃ তার রূপের প্রশংসা করবেন। সেক্ষেত্রে মেয়েটি প্রথমে আপনাকে ‘বুড়ো’ বলে অবজ্ঞা করবে বটে, তবে একসময় না একসময় ঠিকই আপনার ফাঁদে পা দেবে। তখন সে ঈষৎ রাজি হলে তাকে একটু টেপাটিপি করতে পারেন, প্রথমেই টেনে স্যালোয়ার খুলে ফেলার চেষ্টা করবেন না। আপনার ভাগ্য ভালো হলে সেটা সে নিজেই করতে দেবে, আর যদি খারাপ হয় তবে জোর-জবরদস্তি করে কাজ হবে না – বাড়াবাড়ি করলে শেষ পর্যন্ত জেলের ঘানি টানা লাগতে পারে।