নাসিমা আন্টির জ্বর এলো যে কারণে

নাসিমা আন্টির বয়স তখন ছিল ৩৬/৩৭ বছর, আর আমার বয়স ছিল ২৪ বছর। পরস্পরের যৌনসঙ্গী বা স্বামী-স্ত্রী হওয়ার জন্য খুব একটা খারাপ কম্বিনেশন নয়। কারণ আমাদের নবী তো ২৫ বছর বয়সে ৪০ বছরের মহিলাকে (বিবি খাদিজা) বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু আমি কিছুটা সময় নিতে চেয়েছিলাম পরিস্থিতি বুঝতে, নাসিমার মনের আসল ইচ্ছে বুঝতে; যেটা ওদের সহ্য হয় নি। ওদের বলতে নাসিমা আর তার স্বামীর কথা বলছি।




হ্যাঁ, আজব শোনালেও সত্য এই যে, নাসিমার স্বামীও চাচ্ছিলো তার স্ত্রীর জন্য একজন নতুন যৌনসঙ্গী বা বেডপার্টনার খুঁজে দিতে। আমি ছিলাম তাদের বড় পুত্র আসিফের প্রাইভেট টিউটর। সে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে ক্লাস নাইনে পড়তো। তখন ২০০৪ সালের কথা। যে মহিলার ছেলে এত ভালো স্কুলে পড়ে সে যে আমার সাথে এমন একটা অনৈতিক সম্পর্কে জড়াতে চাইবে, সেটা আমি ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারি নি আগে থেকে।

তাজরীর মা অবশ্য টিউশনিটা নিতে আমাকে মানা করেছিল, বলেছিল, ‘ঐ মহিলা ভালো নয়’। কিন্তু কী অর্থে খারাপ সেটা তিনি খুলে বলেন নি, আর আমিও আন্দাজ করতে পারি নি। তবে আমি যে ধোয়া তুলসিপাতা ছিলাম তা নয়, শুধু পরিস্থিতি বুঝে আগাতে চেয়েছিলাম, যাতে কোনো ভুল বোঝাবুঝি না হয়, অর্থাৎ বলতে না পারে যে, আমি নাসিমাকে ধর্ষণ করতে বা সেক্সুয়ালি হ্যারেস করতে চেয়েছি।

আমার সাথে অন্তরঙ্গ হওয়ার জন্য আসিফকে পড়ানো শেষে নাসিমা আমার কাছে ক্লাস ফোরের পড়া শিখতে আসতো, তার ছোট ছেলেকে পড়াবে বলে। পড়া বুঝে নেওয়ার সময়কালে রুমে উনি আর আমি ছাড়া আর কেউ থাকতো না, এসময় দরজা ভেড়ানো থাকতো। উনি এতো সাজগোজ করে আমার সামনে আসতেন যে, আমার লিঙ্গ তাতে দাঁড়িয়ে যেতো। আর ব্লাউজ বা নাইটিগুলো পরতেন কীভাবে! এমনভাবে যে, উনার ক্লিভেজ বা বক্ষবিভাজিকা স্পষ্ট বোঝা যেতো। আমি বুঝতাম, উনি আমাকে উত্তেজিত করতে চাইছেন। কিন্তু কী কারণে, বা আমার সাথে সেক্স করে উনার কী লাভ হবে – সেটা তখন বুঝতে পারতাম না।



একদিন আসিফের আব্বা আসিফকে পড়াশুনা নিয়ে ইনিয়েবিনিয়ে একগাদা লেকচার দিয়ে আমাকে পরোক্ষভাবে বুঝিয়ে দিলেন যে, উনারা আসিফের মা’র জন্য একটা ব্যাকআপ স্বামী খুঁজছিলেন। যেমন – ‘আমি মরে গেলে তোগো দেখাশুনা করবো কে?’ – এই টাইপের কথাবার্তা। আমিও মনে মনে নাসিমাকে (আসিফের আম্মু) আমার স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করলাম। তবে ওনার দেহের দিকে আদৌ হাত বাড়াব কিনা তা নিয়ে কিছুটা দ্বিধান্বিত ছিলাম।

একদিন রাতে তিনি চেহারায় মেকআপ আর লিপস্টিক লাগিয়ে একটা ডিপনেক নাইটি পড়ে আমার কাছে আসলেন পড়া বুঝতে (ভেতরে কোনো ব্রা ছিল না)। হাতটা আমার হাতের খুব কাছে রাখলেন, যাতে চাইলেই আমি তা স্পর্শ করতে পারি। তবে আমার ইচ্ছে করছিল, হাতটা তার ক্লিভেজ বরাবর ম্যাক্সির ভেতর ঢুকিয়ে স্তনগুলো আচ্ছামতো টিপে দিতে। এছাড়া তার ঈষৎ লিপস্টিক লাগানো ঠোটেও চুমু খেতে ইচ্ছে করছিল। কিন্তু দ্বিধা আর সাহসের অভাবের কারণে এর কোনোটাই করতে পারলাম না। কারণ দরজা ভেড়ানো থাকলেও অন্য রুমে আর সবাই ছিল।

আমার আসলে উচিত ছিল দিনের বেলা তার বাসায় যাওয়া, আর গিয়ে বলা, ‘আন্টি এদিকে এসেছিলাম একটা প্রয়োজনে, তাই ভাবলাম আপনাকে একটু দেখে যাই’। দিনের বেলায় তার ছেলেরা স্কুলে থাকে আর স্বামী থাকে কর্মস্থলে। তবে ১২ বছর বয়সের কাজের ছেলেটা থাকলেও সে খুব একটা সমস্যার কারণ হতো বলে মনে করি না।

যাই হোক, বেশ কয়েকটি দিন সুবর্ণ সুযোগ দেওয়ার পরও আমি তা কাজে না লাগানোয় তারা ভাবলেন যে, আমি হয়তো আন্টির প্রতি আকর্ষণ অনুভব করি না। আমি জানতাম, কিছুদিনের মধ্যেই আমাকে ছাড়িয়ে দেয়া হবে, হলোও তাই। জানি না, নাসিমা শেষ পর্যন্ত নিজের জন্য ‘সুইটেবল’ বেডপার্টনার খুঁজে পেয়েছিল কিনা।

ওহ, বলতে ভুলে গেলাম যে, আল্টিমেট সুযোগ দেয়ার পরও আমি সেটা ব্যবহার না করায় নাসিমা আন্টি খুব হতাশ হয়েছিলেন, আর তাই হয়তো পরের দিন গিয়ে দেখলাম, তার প্রচণ্ড জ্বর, বেচারি!



বকরিওয়ালি খালা আমার ‘মোতা’ দেখে যে আচরণটা করলো

বকরিওয়ালি খালার বয়স ৫৬ হলেও গায়েগতরে এখনো যুবতী। এমনকি ওনাকে ওনার স্বামীর সাথে সেক্সও করতে দেখেছে আমার বউ। একটু আগে উনি যে আচরণটা করলেন আমার সাথে, তাতে স্পষ্ট যে, উনি আজ ভোরে আমার ‘দাঁড়িয়ে মোতা’ দেখেছে, হয়তো লিঙ্গটাও দেখেছে।




প্রতিদিনের মতো আজও আমি সকালে হোটেলে নাস্তা খেয়ে বউয়ের জন্য নাস্তা নিয়ে বাড়ি ফিরছিলাম। তখন দূর থেকেই গলা খাকড়ানির আওয়াজ শুনলাম। এগুলো সাধারণত পুরুষেরা করে, গলায় কফ জমে গেলে, বা অপছন্দের কাউকে দেখলে।

এসময় যে ব্যক্তি এমনটা করছে, তার দিকে তাকালে সেও রসিয়ে রসিয়ে কফটা ফালায়, নোংরা অঙ্গভঙ্গি করে। তাই এ সমস্ত ক্ষেত্রে আমি উক্ত ব্যক্তির দিকে তাকাই না। কিন্তু বকরিওয়ালনি’র বাড়ির কাছে গিয়ে দেখলাম, আশেপাশে কোনো পুরুষ নেই। তার মানে সে নিজেই এ কাজটা করেছে। আমি জানি, তার বাড়ির পাশ দিয়ে আমার যাওয়া-আসাটা সে ভালো চোখে দেখে না।

গরু-ছাগল না পাললে বকরিওয়ালনির চেহারা-সুরত হয়তো এমন হতো

তবে এমনটা এর আগে কখনো করে নি। তার মানে, আমার সাম্প্রতিক কোনো আচরণে সে ক্ষুব্ধ হয়েছে। আর সেটা হতে পারে, আজ সকালে যখন ঝড়বৃষ্টি হচ্ছিল, তখন আমি বাথরুমে না গিয়ে বারান্দার গ্রিল দিয়ে শর্টকাটে দাঁড়িয়ে মুতে দিয়েছিলাম, বেশ খানিকটা সময় নিয়ে। জিনিসটা বকরিওয়ালনি বোধ হয় দেখেছে।

তবে সে নিজেও ধোয়া তুলসিপাতা নয়, তাকে ভুলে খালা না ডাকলে তার সাথে সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে অনেক কিছুই করতে পারতাম। এমনকি সে টাকার এত বড় কাঙাল যে, বাইরে থেকে মেয়ে/পতিতা এনে তাকে কিছু টাকা দিলেই সে তার একটি রুমে ‘কাজ চালাতে’ দিত।

প্রথম প্রথম যখন তার সাথে পরিচয়, তখন তাকে খালা/ভাবী কোনো কিছুই ডাকতাম না। তখন তার বুকের আঁচল কারণে-অকারণে পড়ে যেত এবং দুধের বেশিরভাগ অংশই দেখা যেত। বুঝতাম, সে ওগুলো ইচ্ছে করেই দেখাচ্ছে। তখনই বুঝলাম, একে টাকার বিনিময়ে বিছানায় নেয়া যাবে। তবে একদিন একটা ভুল করে বসলাম; তাকে বললাম, ‘খালা, আমার বউ বরিশালনি, আর আপনিও বরিশালনি, তাই আমার বউ আপনাকে খালা বলেই ডাকবে –  আমি জানি। একারণে আজ হতে আমিও আপনাকে খালা বলে ডাকব।’ এ গাধামিটা করেই তার সাথে দূরত্ব বাড়িয়ে দিলাম নিজের। তবে ভবিষ্যতে তার সাথে আবারো ফ্রি হয়ে কিছু একটা করার চেষ্টা করবো।



মায়মুনা আপার ইতিবৃত্তান্ত – পর্ব ৪

(পূর্বে প্রকাশের পর) এর পরদিন বিকালে যখন হলে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, তখন মায়মুনা একটা টাইট টপ পরে আমার সামনে হাজির হলো। প্রথমে সে ড্রয়িং রুমে আমার পাশে বসলো; যখন তাকে কাঁধ বরাবর বন্ধুত্বসুলভভাবে জড়িয়ে ধরলাম ডান হাত ও বাহু দিয়ে, তখন সে বললো, ‘এই দিকে আয়’। এটা বলে সে আমাকে তার রুমে নিয়ে গেল যেখানে কেউ ছিল না।

বোকাচন্দ আমি তাকে শারীরিকভাবে কিছুই করলাম না, শুধু বললাম, ‘আবার সামনের সপ্তাহে আসব।’ তখন তিনি বললেন, ‘সামনের বার প্রস্তুতি নিয়া আসিস।’ এর মানে হলো, তার ধারণা এবার কনডম না থাকায় তাকে ঢুকাই নি, যদিও ব্যাপারটা তা ছিল না।




এরপর তার পরের সপ্তাহে না হলেও তার পরের সপ্তাহে গিয়েছিলাম তাকে পুরোপুরি লাগাতে, কিন্তু বিধিবাম। আমার মা কোত্থেকে যেন ব্যাপারটা টের পেয়েছিল, অথবা র‍্যান্ডম সফরে সেখানে গিয়েছিল বেড়াতে। আমাকে দেখে খুব দুঃখ পেলেন বলে মনে হলো, নিশ্চয়ই ভাবলেন, ‘ছেলেটা ভার্সিটির হলে থেকে থেকে নষ্টামি শিখে গেছে। এখানে এই পতিতাদের কাছে এসেছে লাগাতে!’

যাওয়ার সময় তিনি মায়মুনা আপাকে বলে গেলেন, ‘ও এখানে থাকুক, আমার আপত্তি নেই তাতে। তবে দেখিস, কোনো সমস্যা যাতে না হয়।’ অর্থাৎ যৌনঘটিত কোনো কেলেংকারী হলেও সেটার বিচার নিয়ে যাতে আমার মা’র কাছে ওরা না যায়। এটা শুনে মায়মুনা যে খুব রেগে গিয়েছিল সেটা টের পেয়েছিলাম পরে।

সেদিন রাতে যথারীতি শুয়েছিলাম মায়মুনা আপার রুমে, খাটে – তার বাচ্চা দু’টির পাশে। আর তিনি একাই শুয়েছিলেন নিচে, ফ্লোরে (অর্থাৎ আকলিমা সেদিন ফ্লোরে তার পাশে শোয় নি, অন্য রুমে শুয়েছিল)। আমি মধ্যরাতে সন্তর্পণে আপার পাশে গিয়ে শুলাম, কামিজের নিচে হাত দিয়ে দেখলাম, ভেতরে ব্রা। ব্যাপারটাতে বেশ বিরক্ত হলাম আমি, তবে কিছুক্ষণ হাতাহাতির পর বুঝতে পারলাম, অন্ততঃ প্যান্টি পরেন নাই তিনি।

তখন কী মনে করে জানি, তার ইলাস্টিকের পাজামাটা হঠাৎ টান দিয়ে নিচে নামিয়ে দিতে চাইলাম। সে উদ্দেশ্যে হ্যাঁচকা টান দিতেই তিনি পাজামার ইলাস্টিক সজোরে ধরে বসলেন, অর্থাৎ আমার কাজে বাধা দিলেন। আর বলে বসলেন, ‘লুচ্চা কোথাকার! নাক দিয়া পানি পরে, আবার আইছে আমার লগে শুইতে! কত বড় বড় ব্যাডারা বইয়া রইছে, হ্যাগোরেই দেই নাই। আর ওয় আইছে হেইদিনকার পোলা!’



অর্থাৎ এগুলো হলো আমার মা যা বলে গিয়েছিলেন, তার পরিপ্রেক্ষিতে মায়মুনার ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। আসলে তার প্ল্যান ছিল, আমার সাথে সেক্স করে পরে আমাকেই বিয়ে করবে, কিন্তু তাতে বাধ সাধলেন আমার মা। তিনি আগেই তার অবস্থান জানিয়ে দিয়েছিলেন। ফলে এখন আমার সাথে সেক্স করলেও বিয়ের দাবী নিয়ে আমার বাবা-মা’র সামনে যাওয়ার মুখ মায়মুনার ছিল না।

পরে আমি সেখান থেকে চলে আসি, এর পরে প্রায় ছয় মাস বা এক বছর তাদের বাসায় যাই নি আমি। এরপর এক রাতে কী মনে করে জানি, আবার মায়মুনার কাছে যাওয়া ধরলাম। রাত প্রায় ১১টার দিকে খালার বাসায় পৌঁছে জানতে পারলাম, মায়মুনা তার ছেলে-মেয়েকে নিয়ে আলাদা থাকে এখন। তখন আপাকে ফোন দিয়ে তার বাসায় পৌঁছালাম ঠিকই, তবে গিয়ে দেখলাম বিপু সেখানে বসে আছে। বিপু ভাই আমার চেয়ে পাঁচ বছরের বড় আর মায়মুনার চেয়ে পাঁচ বছরের ছোট।

আমি মায়মুনা তথা ঐ খালার বাসায় যাওয়া বন্ধ করার পরেই মুনা বিপু ভাইয়ের সাথে ‘লটরপটর’ অর্থাৎ সেক্স শুরু করে। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে প্রেম হয় এবং তারা কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে করে, এ বিয়েতে বিপুর বাবা-মা’র সমর্থন ছিল না, এমনকি তাঁরা এক পর্যায়ে বিপু আর মায়মুনার নামে পুলিশ কেস করে দেয়, তাঁদের বিপুল গয়না-অলংকার নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার কারণে। আন্দাজ করি, অভিযোগটা সত্য, কারণ আমার কাজিন সিস্টার মায়মুনাকে তো আমি ভালো করেই চিনি।

যাই হোক, বিপু আর মায়মুনাকে একসাথে এক বাসায় দেখে আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম, জানতে পারলাম তারা সম্প্রতি বিয়ে করেছেন। তাই তখন কোনোমতে একা রাত গুজার করে হলে ফিরে যাওয়া ছাড়া আর কোনো গত্যন্তর ছিল না। এরপর প্রায় দুই বছর তাদের সাথে কোনো যোগাযোগ রাখি নি। কেবল মাঝে একবার মায়মুনার ফাঁদে পরে আমার ৩৮০০টাকা গায়েব হয়েছিল।

বিপু ছিল যোগ্যতাহীন এক যুবক, কোনো চাকুরি-বাকুরি পাচ্ছিলো না সে। তাই তখন ‘বিজনাস্’ নামে (তথাকথিত) দুবাইভিত্তিক এক এমএলএম প্রতিষ্ঠানে সদস্য হয়েছিল সে, নিজের ‘আন্ডারে’ সদস্যসংখ্যা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে সে তার ওয়াইফ মায়মুনাকে ব্যবহার করতে লাগলো।

একদিন মায়মুনা আমাকে ফোন দিয়ে বললো, ‘ভাই, আয়। তোর সাথে অনেকদিন দেখা-সাক্ষাৎ হয় না।’ আমিও সরল বিশ্বাসে সেখানে গেলাম, তারপর তিনি বিপু আর আমাকে নিয়ে ‘বিজনাস্’-এর পান্থপথস্থ অফিসে গেলেন; বললেন, ‘তোকে এক জায়গায় নিয়ে যাব’। এক সময় রহস্য করে বললেন, ‘তোরে বেইচ্চা দিমু!’ আমি অবশ্য এতে ঘাবড়ালাম না। পান্থপথে যাওয়ার আগে মিরপুরের এক মেসবাড়িতে কোনো কারণে গিয়েছিলেন আমাকে আর বিপুকে নিয়ে। সেখানে একটা চিপার কক্ষে মায়মুনা আমার সাথে বেশ কিছুটা সময় অতিবাহিত করলো। ঠোটে লিপস্টিক, মুখে মেকআপ, তাকে লাস্যময়ী দেখাচ্ছিল।

হয়তো তাকে ইউজ করার একটা সুযোগ আমাকে দিচ্ছিল তখন, কিন্তু বোকাচন্দ আমি ইতস্ততঃ করতে করতে শেষ পর্যন্ত আর কিছু করলাম না। আমার উচিত ছিল তখন তাকে চেপে ধরা, যেটা অবশ্য প্রায় দুই বছর পরে ২০০৬ সালে করেছিলাম, কিন্তু সে কাহিনী আরেকদিন বলবো। আমার একটা অ্যাজাম্পশন হলো এই যে, এমএলএমে সদস্যসংখ্যা বাড়ানোর জন্য নারী সদস্যদেরকে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে নারীরা দরকার হলে দেহদান করে হলেও নিজের আন্ডারে সদস্য ভর্তি করে থাকে। (চলবে)



মায়মুনা আপার ইতিবৃত্তান্ত – পর্ব ৩

লুঙ্গি না আনলেও আমি লুঙ্গির চেয়ে ভালো কিছু নিয়ে এসেছিলাম। আমি তখনকার দিনে লুঙ্গির বদলে বক্সার্স (হাফপ্যান্ট) পরতাম, তাও আবার পাতলা কাপড়ের বক্সার্স। ভাত খাওয়া শেষে আমি বাথরুমে গিয়ে প্যান্ট খুলে বক্সার্সটা পরে নিলাম।



তারপর বাথরুম থেকে বেরিয়ে মায়মুনা আপুর বেডরুমে ঢুকতে না ঢুকতেই কী একটা কথা প্রসঙ্গে জানি, আমার সামনে মায়মুনা আপা তার পায়জামার ইলাস্টিকের ভেতর হাত ঢুকিয়ে একটা টান দিয়ে পাজামাটা খানিকটা আলগা করে ধরে আমাকে তার গোপনাঙ্গের বাল দেখিয়ে খানকিদের মতো খিলখিল করে হেসে উঠলো, আর আমাকে বুঝিয়ে দিলো যে, পাজামাটায় কোনো ফিতা বা হুক নেই (ইলাস্টিক সিস্টেম) এবং পাজামার ভেতরে উনি আজ কোনো প্যান্টি পরেন নাই। আমি আন্দাজ করতে পারলাম, “আজকে একে লাগিয়ে বেশ মজা পাওয়া যাবে।”

ঐ সময় আমার সোনাটা বেশ খানিকটা দাঁড়িয়ে গিয়েছিলো। মায়মুনা আপা পাকা মাগিদের মতো আমার চেহারার এক্সপ্রেশন আর অনুভূতি পর্যবেক্ষণ করতে লাগলেন। বোধ হয়, আন্দাজ করার চেষ্টা করলেন, আমাকে দিয়ে লাগানো উনার উচিত হবে কিনা। তবে আমার অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, ছেলেরা লাগাতে চাইলে মহিলারা ছেলেদের বয়স বা বয়সের পার্থক্য বিবেচনা করে না, অনায়াসে লাগিয়ে নেয়!

আজকেই সেই মহামূল্যবান রাত – বুঝতে পারলাম। আজকের রাতের সুযোগটা হাতছাড়া করা যাবে না, তাহলে সারাজীবন পস্তাতে হবে। আমি বিছানায় ওঠার পর আপা লাইটটা নিভিয়ে দিলেন। মায়মুনা আপা আমার সাথে দু’একটা ক্যাজুয়াল আলাপ করার পরই আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, আমাদের মা-খালাদের মধ্যে কার ফিগারটা সবচেয়ে আকর্ষণীয়। আমি বললাম, “মিন্টু খালার” (আমার মা’র আপন তৃতীয় বোন)। তবে মায়মুনা আপা বললেন,“ না, রাহিমা খালা (আমার মা’র ইমেডিয়েট আপন ছোট বোন, মাথায় একটু সমস্যা ছিলো উনার!)।


আসলে ফিগার কী জিনিস, তখন বুঝতাম না আমি। আমার ধারণা ছিলো, যে সমস্ত মহিলাদের দুধ-পাছা বড় বড়, তারাই সুন্দর ফিগারের অধিকারী। মায়মুনা আপার মতে, যারা স্লিম, তারাই সুন্দর ফিগারের অধিকারী। উনাকে দেখেই বুঝেছিলাম যে, উনি ইদানিং স্লিমিং বা ডায়েটিং করেন। কারণ আট বছর আগের সেই ডবকা ফিগার এখন আর তার নেই। তবে মাগিবাজি করতে করতে চেহারায় অসংখ্য ব্রন উঠে আর ফ্যাসিয়াল ক্রিম মাখতে মাখতে উনার চেহারাটা প্রায় জ্বলে গিয়েছিলো।

তবে ফিগারখানা তখনো আকর্ষণীয় ছিলো উনার, এতে কোনো সন্দেহ নেই। দেখলেই লাগাতে মন চায়। যাই হোক, শুয়ে শুয়ে আলাপের কিছুক্ষণের মধ্যেই আপা এক পর্যায়ে আমার নাম ধরে ডেকে বললেন, “এদিকে আয়, তোকে দিয়ে একটা কাজ করাই।” আমি বোকার মতো বলে বসলাম, “কী কাজ?”

আসলে বুঝতে পারলেও একটু ভং ধরেছিলাম আর কি! এটা করে মস্ত একটা ভুল করলাম, আপা একেবারে চুপ করে গেলেন। আমিও আর কথা না বলে ঘুমিয়ে পরার চেষ্টা করলাম। ঐদিন তার কাছে গেলে তিনি নিশ্চয়ই তার খোলা পিঠ চুলকে দিতে বলতেন। এ কাজের বাহানায় আমি তার স্তনের সাইডে হাত গলানোর সুযোগ পেতাম এবং অবশেষে চূড়ান্ত ‘কাজ’-এর দিকে ধাবিত হতে পারতাম নিশ্চিতভাবে।

তবে ঐ রাতে অথবা পরবর্তী এক রাতে কিছু একটা করেছিলাম তো অবশ্যই, আর সেটা হলো মাঝরাতে চুপিসারে বিছানা থেকে নেমে তার পাশে শুয়ে প্রথমে তার পেটে, পরে কামিজের নিচ দিয়ে আস্তে আস্তে স্তনের দিকে হাত বাড়িয়েছিলাম।

তিনি বুঝতে পেরেছিলেন ব্যাপারটা, যখনই আমার বাম হাত তার ডান স্তন মুচড়ে ধরলো, তখনই তিনি আমাকে জড়িয়ে ধরে তার দেহের উপরে নিয়ে গেলেন। তখন আমি সম্ভবতঃ কামিজ থেকে হাত বের করে তাকেও জড়িয়ে ধরেছিলাম। তিনি আমার মাথার পেছনের চুলের মুঠি ধরে আমার ঠোটজোড়া তার ঠোটজোড়ার দিকে নিয়ে গেলেন, তীব্রভাবে চুমু খাওয়ার উদ্দেশ্যে। কিন্তু বোকাচন্দ আমি সে ব্যাপারটি না বোঝায় তার ঠোটের দিকে অগ্রসর হলাম না।

তিনি যৌন উত্তেজনায় জ্বলছিলেন, আমার উত্থিত লিঙ্গ লক্ষ্য করে তলঠাপ মারছিলেন। আমি তখন খুব সম্ভবত কোমরের নিচের অংশে উলঙ্গ ছিলাম, অর্থাৎ আগেই বক্সার্স খুলে রেখে এই মিশনে নেমেছিলাম। তাই আমিও তার স্যালোয়ারের উপর দিয়ে তার কুঁচকি টার্গেট করে তাকে ‘শুকনোভাবে’ ঠাপিয়ে যাচ্ছিলাম। এভাবে দু’-তিন মিনিট করার পরেই আমার অনুভূতি হলো যে, বীর্য বোধ হয় বেরিয়ে যাবে। তাই চট করে তার দেহ ছেড়ে নেমে পাশে শুয়ে পড়লাম।

এ কাজটা করে আরো একটা বিশাল বোকামি করলাম, বীর্য কোনো নোংরা জিনিস নয়। পুরুষসঙ্গীর বীর্য ভালোবাসে তার নারীসঙ্গী, তাই বীর্য দিয়ে তার স্যালোয়ার ভরিয়ে দেয়া উচিত ছিল সে রাতে। তাহলে তার সাথে ফ্রি হতে পারতাম এবং যৌনক্রিয়ার বাকি কাজগুলো সে রাতেই সারতে পারতাম তার সাথে।

তার উপর হতে নেমে আসা মাত্রই তিনি আস্তে করে বললেন, ‘এ কারণেই তাহলে ফোনে আমার সাথে এত আলাপ?’ আমি না বোঝার ভান করে একটু উচ্চস্বরে বলে উঠলাম, ‘কী’? তিনি আবারো চুপ করে গেলেন। এরপর আমি সরাসরি বিছানায় ফিরে এসেছিলাম, না বাথরুমে গিয়ে হস্তমৈথুন করেছিলাম, সেটা মনে নেই এখন।



বাংলাদেশে পতিতা ‘লাগানো’র সমস্যাসমূহ

অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের মতো সেক্স আসলে মানুষের একটি মৌলিক অধিকার। কিন্তু ইসলামসহ কয়েকটি ধর্ম মানুষের এই মৌলিক অধিকারকে কঠিন করে দিয়েছে। যদিও এরূপ কড়কড়ির ফলে কিছু সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে, যেমন এইডস ও অন্যান্য যৌনরোগের হার কমে গেছে। তবে ঠিকমতো সেক্স করতে না পারার কারণে এ দেশের পুরুষদের মাথা সবসময় গরম থাকে, এতে করে উৎপাদনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ কমে গেছে।



এজন্য অবাধ সেক্স দরকার এদেশে। এর মানে হলো, গার্লফ্রেন্ড বা পছন্দের কোনো মেয়ে বা মহিলাকে নিয়ে যেকোনো হোটেলে বা বাসায় গিয়ে সেক্স করা যাবে, এতে কোনো বিধিনিষেধ থাকবে না। আর পরকীয়াকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা যাবে না, ঠিক যেমনটি আমেরিকা আর ইন্ডিয়াতে চলে।

তবে এগুলো সবই কল্পনা, বাংলাদেশের মতো কট্টরপন্থী মোল্লাদের দেশে এগুলো বাস্তবায়িত হতে অনেক সময় লাগবে। সে পর্যন্ত গোপনে পরকীয়া আর পতিতাই ভরসা এদেশের যুবকদের। কিন্তু পতিতাদের সাথে সেক্স করতে গেলে বেশ কয়েকটি সমস্যা রয়েছে, তা নিচে উল্লেখ করা হলো।

(১) পতিতারা তাড়াহুড়া করে। আমি এখন পর্যন্ত যে তিনজন পতিতার কাছে গিয়েছি, তারা সবাই তাড়াহুড়ো করেছে, তাদের পরবর্তী কাস্টমারের জন্য। একজন তো বীর্যপাত না করেই উঠে যাওয়ার চেষ্টা করছিল।

(২) পতিতাদেরকে করতে হলে কনডম দিয়ে করতে হয়। কনডম দিয়ে করলে সেক্সের সত্যিকার মজা পাওয়া যায় না।

(২) পতিতারা বহুল ব্যবহৃত, তাই তাদের যৌনরোগ বেশি থাকে। এদেরকে কনডম ছাড়া করলে এইডস হবার ঝুঁকি অনেক বেশি (হাই ক্লাস পতিতাদের ক্ষেত্রে অবশ্য এটা প্রযোজ্য নয়)।

(৩) পতিতাকে নিজের বাসায় নিয়ে গিয়ে করলে আরামসে করা যায়। কিন্তু ‘কাজ’ শেষে ওরা অতিরিক্ত টাকার জন্য ব্ল্যাকমেইল ও মানহানি করতে পারে।

(৪) ভাসমান পতিতারা অনেক সময় ছিনতাইকারী ও বাটপারদের সাথে জড়িত থাকে।

আরো কোনো সমস্যার কথা যদি আপনার মাথায় থাকে, তাহলে সেটা কমেন্টে জানান। আর এ সমস্যাগুলো সমাধানের কোনো উপায় যদি বাতলাতে পারেন, তবে সেটাও কমেন্ট বক্সে জানাতে পারেন।



মায়মুনা আপার ইতিবৃত্তান্ত – পর্ব ২

(পূর্বে প্রকাশের পর) এভাবে প্রায় ৭/৮ বছর কেটে গেলো। মায়মুনা আপা আর তার বোনদের মাগীবাজির খবর আমার কানে প্রায়ই আসতো। শুনতাম ওরা নাকি টাকার বিনিময়ে হোটেলেও লাগাতে যায়। আর অহরহ ছেলেদের সাথে প্রেমপ্রেম খেলা তো আছেই। এছাড়া ওরা বোনেরা বোনেরা মিলে দেশের বিভিন্ন জায়গায় যেতো সেক্স পার্টি করতে। একবার সিলেটে বেড়াতে গিয়ে মায়মুনার ছোট বোন আকলিমা নাকি গণধর্ষণের শিকার হয়।




তবে এসব আমার সেই খালা কোনোদিন স্বীকার করবে না। উনি উনার মেয়েদের নিয়ে রীতিমতো গর্বিত। আর উনি নিজেও ছিলেন বিশাল একটা মাগী। লোকমুখে শোনা যায় যে, উনি উনার আপন ভাই ওমর আলীর সাথে সেক্স করতেন (উনার স্বামী দুবাই প্রবাসী ছিলেন)। একবার এলাকাবাসীর কাছে আপত্তিকর অবস্থায় উনারা দুই ভাই-বোন ধরা পড়েন। তখন এলাকাবাসীর চাপে পরে সাভারের সেই বাড়িটা বিক্রি করে চলে আসতে বাধ্য হন। 

যাই হোক, উনারা পুরো ফ্যামিলি মিলে এবার টঙ্গীর পরিবেশটাকে নোংরা করতে শুরু করলেন। আমার সেই ওমর আলী মামা দীর্ঘদিন আমার ঐ খালার বাসায় ছিলেন (উনারা দু’জন মিলে কী করতেন, এটা বোঝাই যায়!)। তো, আমি তখন ইউনিভার্সিটিতে সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। একটা মেয়ের সাথে প্রেম ঠিকমতো শুরু করার আগেই ছ্যাঁকা খেয়ে গেলাম। ভাবলাম, “নাহ্ আর প্রেমটেম করবো না, একেবারে সেক্স করবো।” সেক্স করতে চাইলে একটা অপশন ছিলো হোটেলে যাওয়া। কিন্তু হোটেলে যাওয়ার মতো সাহস তখনো আমার হয় নি। তাই সহজ উপায়টা বেছে নিলাম। ঠিক করলাম, টঙ্গীতে ঐ খানকি খালার বাসাতেই যাবো। দেখি ওখানে কাকে লাগানো যায়!

ওদের ফোন নাম্বার যোগাড় করে ইউনিভার্সিটির হলের কার্ডফোনে ঐ খালাতো বোনগুলোর সাথে আলাপ করা শুরু করলাম। প্রেম করার ক্ষেত্রে আমার টার্গেট ছিলো আকলিমা (আমার চেয়ে ৫-৬ বছরের ছোট, তখন তার বয়স ১৭)। কিন্তু যেহেতু ওদের নিজস্ব টেলিফোন ছিলো না (২০০২ সালের কথা), অর্থাৎ আমার কাছে এগুলো ছিলো রিকোয়েস্টের কল, তাই (ওদের বাসার নিচ তলার গার্ড ব্যাটাকে) সরাসরি এটা বলতে আমার লজ্জা করতো যে, “আকলিমাকে একটু ডেকে দেন।” কারণ তাহলে এই গার্ড ব্যাটা আর আমার খালাসহ অন্যান্যরা আমার মনের কথা জেনে যাবে। তাই যে ফোন রিসিভ করতো তাকে বলতাম, “আকলিমাদের (বা মায়মুনা আপাদের) বাসার কাউকে ডেকে দেন।” সেক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময়ই মায়মুনা আপা এসে ফোন রিসিভ করতেন। কারণ হাবিব ততদিনে কর্ম উপলক্ষ্যে দুবাইয়ে চলে গিয়েছে।

এভাবে বেশ কয়েকদিন মায়মুনা আপার সাথে আলাপ করার পর উনার প্রতি আমি একটু দুর্বল হয়ে পড়লাম। ভাবলাম, “বেচারীর স্বামী বিদেশ থাকে। নিশ্চয়ই ঠিকমতো সেক্স করতে পারে না। উনার সাথেই আমি সেক্স করবো।” মাঝে অবশ্য আকলিমার সাথে দু’-একদিন আলাপ করেছিলাম। মায়মুনা আপাকে দিয়েই আকলিমাকে ডাকাতাম। ওরা দু’জনেই (সম্ভবত ওদের বাসার সবাই) বুঝতে পেরেছিলো যে, আমার মতলব বেশি সুবিধার নয়। আমি হয় প্রেম করতে চাই অথবা সেক্স। এতে অবশ্য ওদের আপত্তি থাকার কথা নয়। কারণ ওরা ছিলো একটা মাগীবাজ ফ্যামিলি। তদুপরি আমি একটা পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে ভালো একটা সাবজেক্টে পড়তাম। সুতরাং প্রেম বা সেক্স করে পেটে বাচ্চা হয়ে গেলেও এতে ওদের আপত্তির তেমন কিইবা আছে! আমার বাবা-মা’র ঠিকানা থেকে শুরু করে সব নাড়ি-নক্ষত্র তো ওদের জানাই ছিলো!

যাই হোক, এক পর্যায়ে লক্ষ্য করলাম, আকলিমার সাথে ফোনে কথা বলতে আমার আর ভালো লাগছে না, মায়মুনা আপার সাথে কথা বলতে ভালো লাগছে। ঠিক করলাম, প্রথমে মায়মুনা আপাকেই লাগানোর টার্গেট নিবো। এরপর আর কাউকে যদি লাগানো যায়, তাহলে সেটা হলো বোনাস। আপাকে জানালাম, উনাদের বাসায় খুব শীঘ্রই বেড়াতে আসছি। ওদের বাসায় যাওয়ার ব্যাপারে এটা আমার জন্য একটা পারফেক্ট সময় ছিলো, কারণ আমার বড় ভাইয়ের সাথে ওদের ভুল বোঝাবুঝির কারণে সম্পর্কচ্ছেদ ঘটেছিলো, তদুপরি ঐ বাসায় বড় ভাইয়ের (আপাতদৃষ্টিতে) মূল ফ্রেন্ড হাবিব তখন দেশের বাইরে। এছাড়া আমি ইউনিভার্সিটি হলে থাকতাম বলে যেকোনো সময় যেকোনো জায়গায় রাত কাটানো ছিলো আমার কাছে খুবই সম্ভব একটা ব্যাপার। আমার মা ভুলেও সেটা টের পাবে না, যদি আপাদের বাসার কেউ আমার মা’কে ব্যাপারটা বলে না দেয়। 

এভাবে এক সময় আমার যৌবনজ্বালা যখন তুঙ্গে তখন একদিন টঙ্গীর পথে যাত্রা করলাম। সাথে কনডম নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছে ছিলো। কিন্তু ফার্মাসিতে গিয়ে কনডম কেনার সাহস আমার হলো না। তাই কনডম ছাড়াই লাগানোর সিদ্ধান্ত নিলাম। রাত প্রায় দশটায় ওদের বাসায় গিয়ে উপস্থিত হলাম। আমার অভিজ্ঞ খালা আর ওদের বাসার অন্য সবাই আমাকে দেখেই বুঝতে পারলো যে, আমি সেক্স করার উদ্দেশ্যেই এখানে এসেছি। উনাদের সাথে একসাথে বসে রাতের খাবার (ভাত) খেলাম। খালা জিজ্ঞেস করলেন, বাসা থেকে, না হল থেকে এসেছি। আমি মিথ্যে করে বললাম, বাসা থেকে। উনি আরো জিজ্ঞেস করলেন, সাথে লুঙ্গি এনেছি কিনা। আমি বললাম, “না।” ভাবলাম, মহিলা কী খারাপ! উনার মেয়েদেরকে ঠিকমতো লাগাতে পারবো কিনা, সেটা এখন থেকেই চিন্তা করা শুরু করে দিয়েছে।

খাওয়ার সময় আমি খালাতো বোনদের (বিশেষ করে আকলিমা আর মায়মুনার) সাথে সামান্য আলাপচারিতা করলাম। এসময় খালা বলে উঠলেন, “এহন ঠিকমতো খা, সারা রাইত আলাপ করিস্ ।” চিন্তা করেন, চাইতে না চাইতেই লাগানোর অনুমতি দিয়ে দিলো। এসব দেখে-শুনে আমি তো মনে মনে প্রচন্ড খুশি। ঠিক হলো আপার ছেলেমেয়ে দুইটার সাথে আমি বিছানায় শোবো। আর উনারা দুই বোন (আকলিমা আর মায়মুনা আপা) ফ্লোরে শোবেন। অন্য বেড রুমটাতে খালা তার ছোট মেয়েটাকে নিয়ে শুয়েছে। এছাড়া মায়মুনার ইমেডিয়েট ছোট বোনটা (মাসুমা) স্বামীর সাথে আলাদা বাসায় থাকতো, আর আকলিমার ইমেডিয়েট বড় বোন নাসিমা বিদেশে কী যেন একটা কাজ করতো (মনে হয়, দেহব্যবসা!)। (চলবে)



মায়মুনা আপার ইতিবৃত্তান্ত – পর্ব ১

মায়মুনা আপা আমার দূর সম্পর্কের খালাতো বোন। উনি আমার মা’র সৎ বোনের প্রথম কন্যা। তিনি বহুকাল আগে থেকেই ছিনাল টাইপের। উনার উল্টাপাল্টা কর্মকাণ্ডের কথা আমরা সেই ছোটকাল থেকেই শুনে আসছি। বিশেষ করে উনার স্বামী যখন উনাকে আর উনার ছেলেমেয়ে দু’টাকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিলেন, তখন থেকেই উনার মাগীবাজি চরম হারে বেড়ে গেলো। উনি আমার চেয়ে কমপক্ষে ১০ বছরের বড়। উনারা মোট ৫ বোন, সবগুলোই ছিনাল টাইপের। আমার বড় ভাই সবকয়টাকে লাগিয়েছে। তবে আমি ২২/২৩ বছর বয়সের আগে কোনোটাকেই লাগাতে পারিনি, কারণ আমি ছিলাম একটু গাধা টাইপের। একটু চালাক-চতুর হলে ১৩/১৪ বছর বয়সেই মায়মুনা আপাকে লাগাতে পারতাম বলে আমার ধারণা।




উনার রূপ-যৌবন আমার চোখে প্রথম ধরা দেয় ঐ বয়সেই। উনারা উনাদের সাভারের বাড়ি বিক্রি করে যখন আমাদের বাসার কাছে বাসা ভাড়া নেন, তখন প্রায়ই বিকেল বেলা উনাদের বাসায় বেড়াতে যেতাম। এক বাসায় এতগুলো মেয়ে, স্বাভাবিকভাবে লোভ সামলে রাখা মুশকিল ছিলো। তবে আমার বড় ভাইয়ের দাপটে তেমন সুবিধা করতে পারতাম না। একদিন বিকেলে মায়মুনা আপা, আমি, খালা এবং আরো কয়েকজন মিলে উনাদের বাসায় টিভি দেখছিলাম। হঠাৎ কী কারণে জানি মায়মুনা আপা প্রচন্ড শব্দে খিলখিল করে হাসতে লাগলেন।

ঐ সময় উনি স্লিমিং বা ডায়েট কন্ট্রোল করতেন না বলে গায়ে-গতরে বেশ ছিলেন। ওরনা পরে ছিলেন না ঐ বিশেষ মুহূর্তে। তাই হাসির দমকে উনার কামিজের ভিতরে উনার দুধদু’টো যে তীব্র বেগে আন্দোলিত হচ্ছিলো, সেটা সাথে সাথে আমার নজরে পড়ে। আমি লজ্জা-বিবেক ভুলে সেদিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকলাম। উনি ব্যাপারটা বুঝতে পেরে হাসির মাঝেই উনার হাতদু’টো দিয়ে উনার দুধদু’টো ঢাকার চেষ্টা করলেন। আমি ঐ দৃশ্যটা প্রচন্ডভাবে উপভোগ করলাম। উনার বাসার লোকজন বেশ ফ্রি মাইন্ডেড ছিলেন, বিশেষ করে আমার খালা। তাই আমার এই লুচ্চামি কেউ সিরিয়াসলি বা খারাপভাবে নিলো না।



ঐ দিনই প্রথম মায়মুনা আপাকে লাগানোর ইচ্ছে আমার মনে আসে। কিছুদিনের মধ্যে উনি আর উনার ছেলেমেয়ে দু’টা যখন আমাদের বাসায় প্রথমবারের মতো বেড়াতে এলো, তখন আমিই ওদেরকে পথ দেখিয়ে নিয়ে আসি। এসময় মনে মনে আমি ভাবলাম, “আপা, তোমাকে যদি একদিন একা আমাদের বাসায় আনতে পারতাম (যখন বাসায় কেউ নেই) তাহলে কী যে করতাম!”

যাই হোক, আমার ওদের বাসায় যাওয়াটা আমার মা পছন্দ করতেন না, এছাড়া বড় ভাইয়ের মাদবরি তো ছিলোই। তাছাড়া তখন আমি ছিলাম মাত্র ১৪ বছরের একজন কিশোর। তাই মায়মুনা আপার মতো একটা ধুমসি মহিলাকে ঐ সময় আমার পক্ষে জোর করে ধর্ষণ করা সম্ভব ছিলো না। তদুপরি, উনার ছোট বোনগুলো আমার বড় আর ইমেডিয়েট ছোট ভাই সহ আরো বেশ কিছু ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে যাওয়ায় ওদের আশা আমি বাদ দিলাম এবং এক সময় ওদের বাসায় যাওয়া ছেড়ে দিলাম।

তাছাড়া ওরাও দু’-এক বছরের মধ্যে বাসা বদলে অনেক দূরে টঙ্গী চলে গেলো। মায়মুনা আপার একমাত্র ভাই হাবিব ছোটকাল থেকে সন্ত্রাসী টাইপের। ও আমার চেয়ে বয়সে সামান্য বড় হলেও এই কারণে ওর সাথে আমি কখনোই মিশতে পারতাম না, তবে আমার বড় ভাই ওর সাথে ঘনিষ্ঠভাবে মেশা শুরু করলো। বড় ভাইয়ের টার্গেট ছিলো মূলতঃ লাইন ধরে হাবিবের বোনগুলোকে লাগানো। যাই হোক, আমার মূল বক্তব্য হলো, হাবিবের সাথে আমার খুব একটা বনিবনা না থাকায় ওদের টঙ্গীর বাসায় আমি দীর্ঘদিন যাই নি। (চলবে)



সজীবের বিধবা মাকে নিয়ে যে প্ল্যান ছিল

২০১৩ ও ‘১৪ সালে আমি বেশ কয়েক মাস যাবৎ ভেবেছিলাম, সজীব নামে সুদর্শন ছেলেটিকে জন্ম দিয়েছিল যে মহিলা সে না জানি কত সুন্দর! অবশেষে সে মহিলাকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার, ফটোগ্রাফের মাধ্যমে। মধ্যবয়সেও মহিলা বেশ সুন্দরী ও স্বাস্থ্যবতী, বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে যথেষ্ট পর্দা করে (মাথায় ঘোমটা দিয়ে) সে ফটো তুলেছিল।




জানতাম সে মহিলা বিধবা, বিশেষ করে তার গোপনাঙ্গ হতে প্রায়ই রক্তক্ষরণ হয় – এ ব্যাপারটি যখন জানতে পারলাম, তখন তাকে বিয়ে করার বিষয়টি আমার মাথায় আসে। ভাবলাম, তাদের অভাবের সংসার, যদি আমি মহিলাকে বিয়ে করে তাদেরকে মাসে মাসে অন্ততঃ দশ হাজার টাকা করেও ভরণপোষণের খরচ দেই, তবুও তো ওদের অনেকখানি উপকার হবে। প্লাস, নিজের যৌবনজ্বালা মেটানোর জন্যও আরেকটা নারীদেহের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছিলাম তখন, শুধু বউকে ‘করে’ আর চলছিল না।

মহিলার গোপনাঙ্গের ময়লাগুলো যদি সহবাসের মাধ্যমে নিয়মিত তুলে আনতে পারতাম, তাহলে হয়তো স্বাস্থ্যসম্পর্কিত এতটা জটিলতায় ভুগতো না সে। আর সজীবের সাথেও তখন ভালো সম্পর্ক ছিল আমার। কিন্তু সজীব পরবর্তীতে সাঈদের সাথে ফিঁসফাঁস শুরু করে ও তাকে দুই নম্বরী উপায়ে অর্থ উপার্জনের সুযোগ করে দেয়, তাই সজীবকে আর আগের মতো সহ্য করতে পারতাম না আমি।

সজীবের মা দেখতে অনেকটা এমনই ছিল

প্লাস, বিয়ের বিষয়টি তারা আদৌ গোপন রাখবে কিনা সে বিষয়েও যথেষ্ট সন্দিহান ছিলাম, আমার প্রথম বউ যদি ব্যাপারটা জানতে পারে, তাহলে তুলকালাম কাণ্ড ঘটাবে; মামলা-মোকদ্দমা তো করবেই আমার নামে। সজীবের মা’র মতো একজন ‘ব্যবহৃত’ মধ্যবয়ষ্কা মহিলাকে বিয়ে করাই তো অনেক বড় স্যাক্রিফাইস, তাকে নিয়ে প্রকাশ্যে সংসার করার কোনো প্রশ্নই আসে না। কেবল মাসে দু’-তিন বার গিয়ে তার দেহ ভোগ করে আসা আর মাস শেষে একটা অ্যামাউন্ট হাতে ধরিয়ে দেয়া – এটাই ছিল আমার প্ল্যান। কিন্তু সজীব সাঈদের সাথে হাত মিলিয়ে দু’ নম্বরী উপায়ে যখন ইনকাম শুরু করলো, তখন আমার ‘১০ হাজার’-এর প্রস্তাব যে তার কাছে নস্যি মনে হবে, সেটা বুঝতে আমার সময় লাগে নি। তাই তার মা’র চিন্তা মাথা থেকে বাদ দিলাম।

কে এই সজীব হাশিম খান?

এই সজীবের সাথে আমার পরিচয় ২০১৩ সালে একটি গাইডবুক পাবলিকেশন্স প্রতিষ্ঠানে। তার বাড়ি বি.বাড়িয়ার বিজয়নগরে। আচরণগত সমস্যা তার খুব একটা ছিল না, তবে সে ছিল পল্টিবাজ। সে যখন প্রুফরিডার হিসেবে কাজ পাচ্ছিল না এবং ২ টাকা পকেটে নিয়ে ১৭ দিন কাটিয়েছে, এমন একটা সময়ে আমিই তাকে ব্রেকথ্রু এনে দেই; ফারহানাহ এবং সাঈদ ভাইয়ের কাছে তার নামে সুপারিশ করি, যাতে তাকে বেশি করে কাজ দেয়। আফটার অল তার পিতা দু’-তিন বছর আগে মারা গেছেন এবং তার পড়াশুনার খরচ তথা তার মা-বোনের সংসারের খরচ দেয়ার মতো কেউ ছিল না।

কিন্তু সজীব সাঈদের সাথে মেশার সুযোগ পেয়ে তার ফাঁদে পা দেয়, দু’জনে মিলে কোম্পানীর টাকা লোটপাট শুরু করে। অবশ্য এক্ষেত্রে সাঈদকেও সরাসরি দোষ দিয়ে লাভ নেই, কারণ আমাকে জব্দ করার জন্য সুনীল ও বীথি মিলে একটি কাল্পনিক অভিযোগ তোলে – আমি আর সাঈদ মিলে নাকি কোম্পানীর টাকা লোটপাট করছি। দোষ না করেই যেহেতু ব্লেইম নিতে হচ্ছে, তাই তখন সাঈদ দুর্নীতিটা করার সিদ্ধান্ত নেয়।

যত যাই হোক, সজীবকে আমার কাছে পল্টিবাজ মনে হয়েছে। বিশেষ করে সে একবার যখন আমার ফোন রিসিভ করছিল না, তখন তার উপর আমার ব্যাপক রাগ হয়, যেটা এখন পর্যন্ত মন থেকে সরিয়ে ফেলতে পারি নি। আফটার অল, আমি তো একজন সাধারণ মানুষ – যেটা আমি আগেই ডিক্লেয়ার করেছি।

এবার সজীবকে মন্দ বলার কারণ একটু অন্যভাবে ব্যাখ্যা করি। ধরুন, যে পাপে আমি পাপী সে পাপে সে নিজেও পাপী। শুধু পার্থক্য এই যে, আমার পাপের কথা অনেকেই জানতো, আর তার পাপের কথা কেউ জানতো না (হয়তো শুধু সাঈদ ও সজীবের ঘনিষ্ঠ জনেরা জানতো, কারণ একই পাপে তারাও পাপী ছিল)। এই সুযোগে সে ‘পাট’ নিয়েছে ও ফেসবুকে আমার বিরূদ্ধে পরোক্ষ স্ট্যাটাস দিয়েছে। আমার সাথে এ ধরনের আচরণ সে না করলেও পারতো, কারণ আমি ছিলাম তার এক সময়কার ত্রাণকর্তা।

ফোন রিসিভ না করার ঘটনার পর থেকে সজীবের সাথে আমার যোগাযোগ টোটালি বন্ধ, আর এখন দেখাও হয় না বললেই চলে – বছরে একবার বা দুইবার রাস্তাঘাটে দেখা হওয়াটাকে ‘দেখা হওয়া’ বলে না। গত বছর তার সাথে দেখা হয়েছিল মালিবাগে আর ২০১৭ এর ফেব্রুয়ারী মাসে দেখা হয়েছিল মহাখালীতে। ঐ সময় আমার ছেলে অসুস্থ হয়ে কুর্মিটোলা হাসপাতালে ভর্তি ছিল, আর মহাখালীতে গিয়েছিলাম ছেলের জন্য ওষুধ বা পথ্য আনতে। তাই তখন ব্যস্ত থাকায় সজীবের সাথে বেশিক্ষণ কথা বলতে পারি নি।

এটা আবার সে সাঈদকে বলেছে, তাই সাঈদের সাথে যখন শান্তিনগর ফুটপাতে দেখা হয় কয়েক মাস আগে, সেও অনুরূপ ভাব নেয় আমার সাথে। আমি মনে মনে বলি, ‘ফকিন্নির পোলা, পলিটিক্স করে চাকুরিটা টিকিয়ে রেখেছিস্ কোনো মতে! আর আমিও একসময় তোকে টিকে থাকতে সাহায্য করেছিলাম, যখন তোর চাকুরির সুতা ছিঁড়ে যায় যায় এমন অবস্থা। আর এখন আমার লগেই ভাব লস্! তুই তো মনে হয় তোর জন্মদাতা পিতার সাথেও পল্টি নিতে পারবি।’



নানার নাতনী রূপা বনাম দারোগা আলীর কন্যা

নানার নাতনী রূপা বেশ রূপবতী, তাকে মনেপ্রাণে বহুদিন থেকেই কামনা করি। একবার প্রায় সিস্টেম করে ফেলেছিলাম তাকে, শুধু বউ ঢাকায় যাওয়ার অপেক্ষায়। এমন সময়ই সে ক্যাঁচাল লাগিয়ে দিল, রূপার টিউশনিটা ছুটে গেল আমার, তাকে আর ‘লাগাতে’ পারলাম না।

এই নানা হলো আমার একজন প্রতিবেশী, নানার একটা বিবাহিতা কন্যা থাকলেও তার পেটে কোনো নাতিপুতি হয় নি, তাই সবাই তাকে আদর করে নানা বলে ডাকে, অনেকটা খ্রিস্টানদের ফাদারদের মতো। আমি অবশ্য তাকে কখনো নানা ডাকি নি, সবসময়ই ‘আজিজ কাকা’ বলে ডেকেছি।




নানার মেয়েটি গর্ভবতী হয় নি তার স্বামীর অক্ষমতার কারণে, একারণে একবার ভেবেছিলাম মাগিকে আমি নিজেই প্রেগন্যান্ট করে দেই। তার হাবভাবেও মনে হয়েছিল, এতে তার আপত্তি নেই, শুধু একবার শুলেই চলবে। একবার মানে বারবার, অবৈধ সন্তানের আসল বাবাকে অবৈধভাবে দেহদান করতে থাকবে – এটা খুবই স্বাভাবিক।

যাই হোক, পরবর্তীতে আমার নজর গিয়ে পড়ে নানার সুন্দরী নাতনী রূপার ওপর যে ক্লাস টেনের ছাত্রী। রূপার পেছনে লাগায় ওর ফুপু মানে নানার মেয়ে খুব হতাশ হয়, বুঝতে পারে আমার কাছ থেকে ‘বীর্য’ পাবে না সম্ভবতঃ। তবে আমি যেমন তাকে না করে দেই নি, তেমনি তার প্রতি আগ্রহও দেখাই নি [নানার মেয়েটি বেশ পেশিবহুল, তার সাথে ঐ কাজ করতে গেলে আমার ‘ডাণ্ডা’ ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল]। এরপর নানার মেয়ে কুলসুম আমার পেছনে লাগে, নানার বাড়ি থেকে সাইড লাইন পাওয়ার যে কথা ছিল সেটা নাকচ করিয়ে দেয়। দুই তিন মাস তাদের সাথে আলাপ বন্ধ রাখলেও সম্প্রতি আবার সেটা শুরু করেছি। এখন নতুন করে আবার রূপার পিছনে লেগেছি, তাকে এবার শয্যাসঙ্গী করেই ছাড়বো।

সেক্স করতে গিয়ে ধরা খেলে দরকার হলে তাকে বিয়ে করবো। আমার এই মনের কথা নানা আর তার বউও বুঝতে পেরেছে, তারাও আমাকে নাতনী-জামাই হিসেবে পেতে অনাগ্রহী নয়। তবে সমস্যা একটাই, রূপার সাথে আমার বয়সের ব্যবধান অনেক, আমি সম্ভবতঃ রূপার বাপের বয়সী অথবা তার চেয়েও দু’-তিন বছরের বড়। প্লাস, ডায়াবেটিস থাকায় খুব বেশিদিন বাঁচবো না, সেটাও জানি আমি। তারপরও জেনেশুনে রূপার ক্ষতি না করে পারছি না, আমি যে তাকে খুব ভালোবাসি – ব্যাপারটা তা নয়। জাস্ট মৃত্যুর আগে একটা ইয়াং ও মেধাবী মেয়ের সাথে কয়েক বছর সংসার করতে চাই, এ সংসারে বাচ্চার দরকার নেই আমার।

তবে সম্প্রতি পাশের জমিনদার দারোগা আলীও আমাকে কোনো কারণে পছন্দ করেছে, তার বাসায় যেতে বলেছে লাকড়ি আনার জন্য (টাকার বিনিময়ে)। কেন জানি মনে হচ্ছে, দারোগা’র অবিবাহিতা কোনো মেয়ে আছে, তার বাসায় গেলে তার সাথে শুভ দৃষ্টি বিনিময় হয়ে যেতে পারে। তখন দারোগা আলী অথবা তার বউ যদি আমাকে পুনরায় তাদের বাসায় বেড়াতে যেতে বলে, তবে সেখানে বারবার যেতে থাকবো, ‘মধু’ খাবার আশায়। মধু খেতে গিয়ে যদি ‘কট’ খাই, তাতেও সমস্যা নেই, দারোগা বেশ বড়লোক।

তবে আমার মনের এ ইচ্ছে বোধ হয় নানা বুঝতে পেরেছে, সে দারোগা’র বাসায় যেতে আমাকে নিরুৎসাহিত করছে; বলছে, লাকড়ি নাকি বাজারে পাওয়া যায়। আর দারোগা নাকি বেশ খারাপ লোক, সে অযাচিতভাবে ও অনধিকারবলে এখানে-সেখানে জমিন কোপায়, আবার তার মা নাকি সিটি কর্পোরেশনের সুইপার ছিল। তবে এই নানাই কিছুদিন আগে আমাকে বলেছে, দারোগার সাথে তার নাকি ব্যাপক খ্যাতির; এমনকি দারোগার জমি থেকে মাটি কেটে নিয়ে গেলেও সে নাকি কিছু মনে করবে না। কী আর করা, দেখি কোথাকার পানি কোথায় গড়ায়!