জোৎস্না আন্টি যে উদ্দেশ্যে আমার সাথে নির্জন রুমে সময় কাটিয়েছে

পাঠকগণ, এই ব্লগের আগের একটি আর্টিক্যালে আপনাদেরকে জানিয়েছিলাম, নরসিংদীর সেলিনা আন্টি কী কারণে আমার সাথে নির্জন বাসায় সময় কাটিয়েছিলেন। তবে তিনি কিন্তু একাই এভাবে সময় কাটান নি আমার সাথে, আরো বেশ কয়েকজন আন্টি আছে এ লিস্টে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো জামালপুরের জোৎস্না আন্টি আর আমার নিজের মেজো খালা (যিনি আমার মা’র ইমেডিয়েট ছোট)। যেহেতু নিজের খালার ব্যাপারে নোংরা চিন্তাভাবনা করা উচিত নয় (যদিও পরিস্থিতি আমাকে বাধ্য করেছে তার আসল উদ্দেশ্য নিয়ে ভাবতে), তাই তার কাহিনী পরে বলবো। আগে বলি জোৎস্নার কথা।




জোছনা খালা আমার মা’র বান্ধবী। ছোটকাল থেকেই দেখে আসছি, উনার সাথে আমার মা’র খুব ভালো সম্পর্ক। বেশ কয়েক বছর আগে আমার যখন টাইফয়েড হয়েছিলো, তখন তিনি খুব সাহায্য করেছিলেন; এমনকি আমাকে নিয়ে একদিন হাসপাতালে গিয়েছিলেন। হাসপাতাল থেকে আমরা দু’জন রিকশায় করে যখন ফিরছিলাম, তখন তিনি কথা প্রসঙ্গে একবার আমার উরুতে হাত রেখেছিলেন। তৎক্ষণাৎ আমার ‘ডাণ্ডা’ দাঁড়িয়ে গিয়েছিলো। তখনই প্রথমবারের মতো উনাকে লাগানোর চিন্তাটা আমার মাথায় আসে। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় উনাকে লাগানোর কথাটা ভুলে গিয়েছিলাম (অন্য মাগিদেরকে নিয়ে ব্যস্ত থাকায় উনার কথা বলতে গেলে ভুলেই গিয়েছিলাম)।

একদিন উনি আমাদের বাসায় একটা কাজে এসেছিলেন। ঐ সময় আমি বাসায় একা ছিলাম। আমি তখন ইউনিভার্সিটিতে ফোর্থ ইয়ারে পড়ি বলা যায় (যদিও ল্যাগ খেয়ে খেয়ে আমার জটিল অবস্থা তখন!)। ঐ সময়টায় আমি ধুমসে টিউশনি করাতাম। মিম নামে একটা মেয়েকে পড়ানো শুরু করেছিলাম। জোছনা খালা মিমের মা’কে অপছন্দ করতেন। বলতে গেলে, তারা একে অপরের অ্যান্টি-পার্টি ছিলেন। তাই জোছনা খালা আমার কাছে এসেছিলেন আরেকটা টিউশনির অফার নিয়ে, যাতে টিউটর হিসেবে আমাকে আরেকটু ব্যস্ত করা যায় এবং মিমকে আমি পূর্বের তুলনায় কম সময় দিই। কী হিংসা! চিন্তা করেন। যাই হোক, বাসায় কেউ না থাকায় জোছনা খালা আমার রুমে ঢুকে আমার বিছানায় বসলেন। আমি বিছানার পাশে একটা চেয়ারে বসলাম। উনি আমাকে টিউশনিটা অফার করলেন। আমার চরিত্রে একটু সমস্যা ছিল, তাই ছাত্রী পড়ানোর অফার পেলে তা কখনোই রিফিউজ করতাম না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হয় ছাত্রী অথবা ছাত্রীর মা’র সাথে ‘এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস’ করার একটা সুযোগ পেয়ে যেতাম!

টিউশনিটার অফারটা আমি গ্রহণ করার পরও দেখতে পেলাম, কী কারণে জানি জোছনা খালা যাচ্ছেন না। আমার মনে খারাপ চিন্তা ঘুরপাক খেতে শুরু করলো। উনি বোরকা পড়ে এসেছিলেন। কিন্তু বোরকাটা সেক্সি টাইপের ছিলো, অর্থাৎ উনার শরীরের ভাঁজগুলো বোরকার উপর দিয়ে বোঝা যাচ্ছিলো। আমার ‘ছোট বাবাজি’ আস্তে আস্তে দাঁড়াতে  শুরু করলো। উনারও চোখমুখের ভাষা বেশি সুবিধার মনে হচ্ছিলো না, মনে হচ্ছে আমাকে দিয়ে কী যেন করাতে চান। আমি টেবিল থেকে নেইলকাটারটা নিয়ে আমার নিজের গলায় পোঁচ দেয়ার মতো একটা ভঙ্গি করলাম। উনি তাতে মনে হলো বেশ মজা পেলেন। মানে, উনার চোখমুখের ভাষা দেখে মনে হলো, এতে উনার সেক্স বেড়ে গেলো। আমার সেই পুরান দিনের কথা মনে পড়ে গেলো, একবার যে উনি আমার উরুতে হাত রেখেছিলেন। হঠাৎ আমার মাথায় আসলো, আজকে উনাকে লাগালে কেমন হয়! আমি তখনকার দিনে বাসায় লুঙ্গির বদলে শর্টস বা বক্সার্স (হাফপ্যান্ট) পরতাম। বক্সার্সের উপর দিয়ে আমার খাড়া হওয়া ডাণ্ডাটা বোঝা যাচ্ছিলো। উনি একবার দেখলাম, আমার লিঙ্গের দিকে তাকাচ্ছেন। বুঝলাম, মাগি গাদন খেতে চায়।

তারপরও দুঃখজনকভাবে সাহসের অভাবে কিছুই করতে পারলাম না, এরপর এক পর্যায়ে সে চলে গেল। জোৎস্না আসলে এসেছিল আমার সাথে ঘনিষ্ঠ হতে, তার একমাত্র ছোট বোন সাথীর সাথে আমার সেটিং করিয়ে দিতে। জোৎস্না আন্টিকে লাগালে সে তার মনের কথাটা আমাকে বলতে পারবে, ‘আমার বোন সাথীকে বিয়ে করলে আজীবন আমাকে লাগাতে দিব, যদি তুমি চাও।’ এ বিষয়টি অবশ্য আমি পরে উপলব্ধি করেছি, তবে সাথী আমার সমবয়সী হলেও সে দেখতে কুৎসিত ছিল, তাই তাকে বিয়ে করার প্রশ্নই আসে না।



শালীর সাথে যেসব কর্মকাণ্ড করলে সে হারিয়ে যেত না

আমার একমাত্র শালী মাহমুদা আক্তার, সে ২০১৭ সালের ৩রা জুন হতে নিখোঁজ। তাঁকে সম্ভবতঃ হিন্দুরা ফুসলিয়ে ইন্ডিয়ায় পাচার করে দিয়েছে। জানতে পেরেছি, সে শেষের দিকে হিন্দুধর্মে দীক্ষিত হয়েছিল এবং ভার্সিটিতে যাবার নাম করে মন্দিরে মন্দিরে ঘুরে বেড়াত।

সে আসলে প্রথমে চিটাগাং ভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছিল ‘ল’-তে। পরে কোনো হিন্দু বন্ধু-বান্ধবের পাল্লায় পরে মন্দিরের কর্মকাণ্ডের দিকে আসক্ত হয়, এমনকি সেখানে রাতও কাটাতে থাকে। এমনি কোনো এক রাতে এক দুশ্চরিত্রের পুরোহিত তাকে জোরপূর্বক সিঁদুর পরিয়ে দেয়, হয়তো তার সাথে যৌনসঙ্গমও করেছে। তখন থেকে সে পুরোহিত নিজেকে মাহমুদার স্বামী হিসেবে দাবী করতে থাকে তার কাছে। মাহমুদা প্রথমে তার সাথে কিছুটা সময় কাটালেও পরবর্তীতে কোনো কারণে তাকে ঘৃণা করতে থাকে এবং তার থেকে দূরে চলে আসার চেষ্টা করে।




তখন সে পুরোহিত তাকে ব্ল্যাক ম্যাজিক করে। এরপর থেকেই মাহমুদা (ডাক্তারদের ভাষ্যমতে) সিজোফ্রেনিয়া রোগে আক্রান্ত হয় এবং চিটাগাং ভার্সিটির পড়াশুনা সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হওয়ায় ঢাকায় বাবা-মা’র (আমার শ্বশুর-শ্বাশুড়ি) কাছে ফিরে আসে। এখানে কিছুদিন সে বেকার অবস্থায় বসে থাকার পর উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ল’-তে ভর্তি হয়। কিন্তু পুরনো অভ্যাস তাকে ছাড়লো না, এখানেও সজীব নামে এক হিন্দু বন্ধুর সাথে পরিচয়ের সূত্র ধরে সে পুনরায় মন্দিরে মন্দিরে ঘুরতে থাকে।

আসলে আমার শালী মাহমুদা ছোটকাল থেকেই একটু অতিরিক্ত সহজ-সরল টাইপের, দুনিয়ার প্যাঁচ-গোচ সে বুঝতো না। এর প্রধান কারণ হলো, সে তার মা’র পেটে থাকাকালে আমার দাদীশ্বাশুড়ি আমার শ্বাশুড়িকে বেশ মানসিক যন্ত্রণা দিয়েছে। আর দ্বিতীয় কারণ হলো, আমার শ্বশুর-শ্বাশুড়ি তাকে মাত্রাতিরিক্ত রক্ষণশীল পরিবেশে বড় করেছে। বেশিরভাগ বাংলাদেশি কিশোরী-তরুণীর মতো সে ধরে নিয়েছিল যে, সেক্স খুব খারাপ একটা বিষয়, এটা কখনোই ট্রাই করতে নেই। সেক্স যে আসলে মজা করার বিশাল একটা সোর্স, সেটা সে জানতো না বোধ হয়। আর সে কালো ছিল বলে তার পিছনে অপেক্ষাকৃত কমসংখ্যক পুরুষই ঘুরতো।

এমন একটা সময়ে আমিই হতে পারতাম তার মেন্টর এবং যৌনশিক্ষক তথা যৌনসঙ্গী। কিন্তু আমার শ্বশুর-শ্বাশুড়ি সেটা অ্যালাও করলেন না, সবসময় আমাকে আর তাকে চোখে চোখে রাখতেন। তবে সত্যি বলতে কী, আমি যে তার সাথে কিছু একটা করার কোনো সুযোগই পাই নি – ব্যাপারটা তা নয়, তবে সে সুযোগগুলো বোকাচন্দমি করার ফলে হারিয়েছি।

যেমনঃ একবার তাকে এবং তার ছোট ভাইকে (আমার ছোট শালা) নিয়ে বসুন্ধরা ব্লকবাস্টারে গিয়েছিলাম ‘কেলোর কীর্তি’ ছবিটি দেখতে। তখন বোকামি করে তাদের দুজনের মাঝে না বসে এক প্রান্তে বসেছিলাম, শালাকে মাঝখানে বসতে দিয়ে। সেদিন শালীর পাশে বসলে প্রথমে হাত ধরাধরি, পরে টেপাটিপি করে তাকে বুঝিয়ে দিতে পারতাম যে, তাকে দৈহিকভাবে চাই আমি। এছাড়া একদিন তাকে তাদের বাসায় একাও পেয়েছিলাম এবং তার বডি ল্যাঙ্গুয়েজে এটা স্পষ্ট ছিল যে, সে আমার সাথে কিছু একটা করতে চায়। কারণ যখন তাকে ডাক দিলাম দরজা লাগানোর জন্য, তখন সে ওরনা ছাড়া এসেছিল আমার সামনে, উন্নত স্তন দু’টি মেলে ধরে। তবে সেদিন তাকে কোনো কিছু করি নি আমার বাচ্চাটি হাসপাতালে ছিল বলে, আর তখন তাকে দেখতে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়েছিলাম।

তবে ভুল করেছিলাম সেদিন, শালীকে চেপে না ধরে। তাকে সেদিন চেপে ধরলে সবকিছুই করতে পারতাম নিশ্চয়ই। কনডমবিহীন সেক্সও করতে পারতাম, খালি পরে তাকে একটা কন্ট্রাসেপটিভ পিল এনে দিলেই হতো। ঐ দিনের পর থেকে কেবলই দেখতাম, শালী তার গোপনাঙ্গগুলো আমার সামনে মেলে ধরতে অতিশয় তৎপর। আমার সামনেই ওপাশ ফিরে স্যালোয়ারের ফিতা বাঁধতো, ভেতরে ব্রা পরিধান না করে বিশাল স্তন দু’টোর নাচন দেখিয়ে দেখিয়ে চলাফেরা করতো- এইসব আর কি।

যৌনসঙ্গমের মজা পেয়ে গেলে তার মাথা খুলতো নিশ্চয়ই, তখন তাকে ফুসলিয়ে নিয়ে গিয়ে ইন্ডিয়ায় বেচে দেয়া কষ্টকর হতো।



বিক্রমপুইরা ফ্যামিলির মোনা আর চায়না আন্টি – পর্ব ২

এছাড়া মোনা আন্টিও একদিন যে আচরণ করেছিল, সেটা উল্লেখ করা আবশ্যক বলে মনে করি। ১৯৯৬ সাল, আমি ক্লাস টেনে পড়ি। আমাদের টেলিভিশনটা সদ্য ভেঙ্গে গিয়েছে, তাই প্রতিবেশী মোনা আন্টিদের বাসাতেই বিশ্বকাপ ক্রিকেট দেখতে গেলাম। তাদের বাসায় তখন মোনা আন্টি আর তার দ্বিতীয় লম্বু বোন ছাড়া আর কেউ ছিল বলে মনে হয় না।

লম্বুটা এক পর্যায়ে এসে বলে গেল, টিভির রিমোটটা যাতে যথাযথভাবে ব্যবহার করি, সেটাও হাস্যজ্জ্বোল মুখে। আসলে তারা সবাই কমবেশি আমাকে পছন্দ করতো আমি ব্রিলিয়্যান্ট স্টুডেন্ট ছিলাম বলে। এক পর্যায়ে মোনা আন্টি এসে কিছুটা দূরত্ব বজায় রেখে সোফায় বসলো। তার মুখেও একটা লোচ্চা বা রোমান্টিক হাসি ছিল সবসময়। মোস্ট ইম্পোর্টেন্টলি, সে একটা টিশার্ট পড়ে বসেছিল, কোনো ওরনার বালাই ছিল না। আমি খেলা দেখার ফাঁকে ফাঁকে তাকে দেখছিলাম, অর্থাৎ তার উন্নত স্তন আর মুখের মিচকা হাসি দেখতেছিলাম। মনে হয়, সেদিন তার গাঁ ঘেঁষে গিয়ে বসলে খুব একটা মাইন্ড করতেন না তিনি। আসলে তখন তিনি আমার ‘ডান্ডা খাড়া’ করানোর গেইম খেলছিলেন আমার সাথে।



তারপর ২০০৪ বা ০৫ সালের ঘটনা, তখন তাঁরা ছয় তলার বাসা ছেড়ে একই বিল্ডিং-এর তিন তলায় থাকতেন। একদিন সিঁড়িতে আমার সাথে দেখা, যদিও মোনা আন্টির সাথে তার ছোট বোন লুনাও ছিল। মোনা হঠাৎ আমাকে বলে বসলো, ‘তোর বাসায় যাব কম্পিউটার শিখতে।’ আমি হাঁ করে চেয়ে থাকলাম, সম্মতি বা অসম্মতি কোনোটাই জানাতে পারলাম না। আসলে তখন চট করে স্মার্ট ছেলেদের মতো বলা উচিত ছিল, ‘অবশ্যই’। আর পরে না আসলে তার সাথে দেখা হওয়া মাত্রই কম্পিউটার শেখার ব্যাপারটা মনে করিয়ে দিতে হতো।


আর পরে একসময় বাসায় কেউ না থাকলে তাকে সন্তর্পণে ডেকে আনা দরকার ছিল, এই বলে যে, ‘আসেন আন্টি, আজকে আমার হাতে যথেষ্ট সময় আছে।’ বাসায় আনার পর যখন দেখতো কেউ নেই, তখন একটু শক্ড হওয়ার অভিনয় করলেও ঠিকই আমার পাশে বসতো। তখন কিছুক্ষণের মধ্যেই তার গাঁ ঘেঁষে বসে শরীর গরম (উত্তেজিত) করে ফেলার দরকার ছিল। আমি বাসায় একা জেনেও যে মহিলা আমার সাথে সময় কাটাবে, তাকে তো আমি বিছানায় চেপে ধরতেই পারি, এ বিষয়ে জানাজানি হলে লোকে তাকেই খারাপ বলবে, সুতরাং ব্যাপারটা সে ফ্ল্যাশ করবে না। আর লাগানোর সময় খালি বলা দরকার, ‘আন্টি, আপনাকে আমি ভালবাসি!’ বা ‘আপনাকে আমার খুব ভালো লাগে!’

মোনা আন্টি আমার এক দূরসম্পর্কের মামা কামরুল সাহেবের সাথেও একা ফ্ল্যাটে সময় কাটিয়েছেন (তাদের বাসায়)।

তবে আমার ঐ মামাটা প্রাপ্তবয়ষ্ক হলেও হয়তো একটু লাজুক ছিল, তাই তাকে চেপে ধরে নি, যেটা আশা করেছিল মোনা। চেপে ধরলে ‘প্রাপ্তবয়ষ্ক যুবক-যুবতীর এক ফ্ল্যাটে সময় কাটানোর’ ব্যাপারটি কেউ জানতে পারতো না। কিন্তু কোনো অঘটন হয় নি বলেই মোনা আন্টি মনের ক্ষোভে বিষয়টি তার পরিবারের লোকজনকে জানিয়ে দিয়েছিলেন, আর এমনভাবে ব্যাপারটি সাজিয়েছেন, যেন কামরুল মামা তার অমতে দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকেছেন।



বিক্রমপুইরা ফ্যামিলির মোনা আর চায়না আন্টি – পর্ব ১

আমি জীবনের দীর্ঘতম সময় যে বিল্ডিংয়ে ভাড়া বাসায় কাটিয়েছি (আমার বাবা, মা, ভাইদের সাথে), সেখানে (ছয় তলায়) আমাদের প্রতিবেশী ছিল একটি বিক্রমপুইরা পরিবার (প্রায় ৫/৬ বছর ধরে)। সে পরিবারের ইয়াঙ্গেস্ট সদস্যরাও আমার চেয়ে পাঁচ-সাত বছরের বড় ছিল। এর মধ্যে ছিল চায়না আন্টি যিনি আমার চেয়ে প্রায় ১০ বছরের বড়, মোনা আন্টি আমার চেয়ে পাঁচ বছরের বড় আর লুনা আমার চেয়ে দুই-এক বছরের বড় হলেও আমার সাথে একই ক্লাসে পড়তো (একই সাথে মেট্রিক পাশ করেছিল)।

ওদের আরো তিন বোন ছিল যাদের মধ্যে দু’জন ছিল বিবাহিতা (প্রথমটা আর চার নম্বরটা)। কিন্তু দ্বিতীয় ছয় ফুটিয়া বোনটা (তার নাম ভুলে গেছি), চায়না, মোনা –  এদের কারোরই বিয়ে হচ্ছিলো না। লুনার কথা না হয় বাদ দিলাম, তখন তার বয়স বিশ এর কম ছিল। বিয়ে না হওয়ার কারণ হলো – কারো হাইটে সমস্যা (খুব বেশি লম্বা না হয় খাঁটো), কারো চেহারায় সমস্যা (যেমনঃ নাক বোঁচা বা চাকমা টাইপের চেহারা), কারো আবার গায়ের রং কালো।



তাদের (যৌন) চরিত্র খুব একটা খারাপ ছিল না, আবার খুব একটা ভালোও ছিল না। তবে ‘চায়না’ নামক মহিলাটির চরিত্র চিরকালই খারাপ ছিল, সে সম্ভবতঃ হোটেলে গিয়ে ভাড়া খাঁটতো, অনেকের রক্ষিতা ও শয্যাসঙ্গী ছিল। একবার আমার সাথেও চান্স নিতে এসেছিল, যে ঘটনা তোমাদেরকে বলতে যাচ্ছি।

আমি তখন সম্ভবতঃ ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। বাসায় একা ছিলাম, পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। হঠাৎ দরজায় নক, দরজা খুলতেই চায়না আন্টি হুড়মুড়িয়ে ভিতরে ঢুকে গেল এবং আমার রুমে গিয়ে রিডিং টেবিলের সামনে অবস্থান নিলো। সে সম্ভবতঃ আগে থেকেই জানতো যে, আমার বাসায় তখন আমি ছাড়া আর কেউ ছিল না।

আমি তার পাশে দাঁড়ালাম, সে সলজ্জ ভঙ্গিতে জিজ্ঞেস করলো, আমি ত্রিভুজ-চতুর্ভুজ বুঝি কিনা, সে নাকি একটা ডিপ্লোমা কোর্স করছে। ত্রিভুজ-চতুর্ভুজের কোন জিনিসটা সে বুঝতে চাচ্ছে, সেটা খোলসা করে বলছে না, শুধু সলজ্জ ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে ছিল, আমার দিকে না তাকিয়ে, মুখে একটা ঈষৎ হাসি নিয়ে।


আমি বুঝলাম তার মতলব ভালো না, তবে আগে কখনো এ ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখীন হই নি বলে বুঝতে পারছিলাম না যে, কী করা উচিত। বিছানা পাশেই ছিল, আমি নিজে তখন প্রাপ্তবয়ষ্ক শক্তিশালী যুবক হলে তাকে বিছানায় ফেলে কিছু একটা করার চেষ্টা করতাম। কিন্তু একে তো ছিলাম হেংলা, দ্বিতীয়ত সে ছিল আমার চেয়ে আট-দশ বছরের বড়। তাই ভাবছিলাম, সে নিজে আমাকে জড়িয়ে ধরে কিনা, বা অন্ততঃ আমার হাত স্পর্শ করে কিনা। আসলে মেয়েরা এমনই, তারা নিজ থেকে কিছু করতে চায় না। ওরা চায়, ছেলেরাই প্রথমে হাত বাড়াক, বা মুখ খুলুক। কিছুক্ষণ পর সে চলে গেল। বুঝলাম, শীতের দিনে শরীর গরম করার একটা মোক্ষম সুযোগ মিস করলাম আমি। (চলবে)



অপরাধী গানের লিরিক্স

(একটা সময় তোরে আমার সবই ভাবিতাম
তোরে মন পিঞ্জরে যতন করে আগলাইয়া রাখতাম
তোর হাসিমুখের ছবি দেইখা দুঃখ পোষাইতাম
তুই কানলে পরে কেমন করে হারাইয়া যাইতাম)*২

ওরে মনের খাঁচায় যতন কইরা দিলাম তোরে ঠাই
এখন তোর মনেতেই আমার জন্য কোনো জায়গা নাই
ওরে আদর কইরা পিঞ্জরাতে পুষলাম পাখি রে
তুই যারে যা উইড়া যারে অন্য খাঁচাতে
ও মাইয়া রে মাইয়া রে তুই অপরাধী রে
আমার যত্নে গড়া ভালোবাসা দে ফিরায়া দে
আমার অনুভূতির সাথে খেলার অধিকার দিল কে?
মাইয়া তুই বড় অপরাধী, তোর ক্ষমা নাই রে




(তোরে স্কুল পলাইয়া একটা নজর দেখিতে যাইতাম
আমি টিফিনের সব টাকা জমাই আবেগ কিনিতাম
হায়রে রাইতের পর রাইত জাগিয়া গান লিখিতাম
আমার সেই গানেরো সুরে তোরে খুঁজিয়া লইতাম)*২
এখন একলা একা সময়গুলো কাটাই কেমনে?
এত ভালোবাসার পরেও আমার কম কী ছিল রে?
রোজ রাইতে আমায় জোনাক পোঁকা কানে কানে কয়
তুই দেইখা ল রে, ‘ত্রিভুবনে কেউ তো কারো নয়!’

ও মাইয়া রে মাইয়া রে তুই অপরাধী রে
আমার যত্নে গড়া ভালোবাসা দে ফিরায়া দে
আমার অনুভূতির সাথে খেলার অধিকার দিল কে?
মাইয়া তুই বড় অপরাধী, তোর ক্ষমা নাই রে
(রে রে রে..রারি. রে.. রে রে রে
রে রে রে..রে..রে রে.. রে…রে রে)*২

(তোর নামের পাশে সবুজ বাতি আর তো জ্বলে না
এখন রাত্রি জুইড়া কেউ তো আর মায়া লাগায় না
কারো হাসিমুখের ছবি দেইখা ঘুম আর ভাঙে না
কেউ আর ফ্লেক্সিলোডের দোকানটাতেও ভিড় জমায় না)*২
এখন তারার মতো জ্বলে-নেভে কষ্টগুলারে
আমি গিটারের সুর সাথে লইয়া ভালোই আছি রে
রোজ রাইতে আমায় জোনাক পোঁকা কানে কানে কয়
তুই দেইখা ল রে, ‘ত্রিভুবনে কেউ তো কারো নয়!’

(ও মাইয়া রে মাইয়া রে তুই অপরাধী রে
আমার যত্নে গড়া ভালোবাসা দে ফিরায়া দে
আমার অনুভূতির সাথে খেলার অধিকার দিল কে?
মাইয়া তুই বড় অপরাধী, তোর ক্ষমা নাই রে)*২

আওয়ামী লীগ সরকার যে সকল দুর্নীতি ও কারচুপি করে আবার ক্ষমতায় এসেছে

আওয়ামী লীগ সরকার প্রশাসনকে ও পাবলিক স্টাফ সম্প্রদায়কে টাকা দিয়ে (বেতন বহুগুণ বাড়িয়ে) কিনে ফেলেছে অনেক আগেই। কয়েক মাস আগে দুই নম্বরী চরিত্রের আজিজ আহমেদকে সেনাপ্রধান বানিয়ে নির্বাচনে কারচুপি করার বন্দোবস্ত করে রেখেছিল, তাকে বহুত টাকা দিয়েছে নিশ্চয়ই। এছাড়া পুলিশপ্রধান ও র‍্যাবপ্রধানও নিরপেক্ষ নয়, তারাও আওয়ামী ‘পা-চাটা’ কুত্তা।




বিরোধী দলকে (বিএনপি) এবার মাঠেই নামতে দেয় নি লীগাররা। বিএনপি’র লোকজন কোনো সভা-সমাবেশ করার সুযোগ পায় নি, লিফলেট বিতরণ ও মাইকিং করতে পারে নি। বিএনপি’র বেশিরভাগ নেতা-কর্মীকে জেলে পুরে রেখেছে, অধিকাংশ কেন্দ্রে বিএনপি’র পোলিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করার জন্য কাউকে পাওয়া যায় নি।

জালিম লীগ সর্বস্তরের মানুষের মনে ভীতির সঞ্চার করতে সক্ষম হয়েছে। মানুষের মনে এই ধারণা জন্মেছে যে, এবার ছলে, বলে, কৌশলে নৌকাই আবার ক্ষমতায় আসবে; সুতরাং ধানের শীষ বা অন্য কোনো প্রতীকে ভোট দেওয়া অর্থহীন। আর বিএনপি প্রার্থীরা জনগণের কাছে পৌঁছাতে না পারার কারণে তাদের পক্ষে ভোটের হারও অনেক কমে গেছে।

কীভাবে বিজয়ী হয়েছেন, সেটা সবাই জানে

তবে প্রধান পয়েন্ট হলো, লীগাররা ভোটের আগের দিন রাতে এবং ভোট শুরু হওয়ার আগে সকালে বিপুল পরিমাণ জাল ও ভুয়া ভোট ব্যালটবাক্সে বন্দী করেছে। তাছাড়া ভোট চলাকালীন সময়েও অনেক কেন্দ্রে লাঞ্চ ব্রেক ও ব্যালট পেপার শেষ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি অজুহাত দেখিয়ে সাধারণ জনগণের ভোট তারা নিজেরাই নৌকায় দিয়ে দিয়েছে।

কোনো ভোট কেন্দ্রে সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশের উপস্থিতি দেখেছেন? হাতে গোণা দু’-একটি কেন্দ্রে পুলিশ বাহিনী দেখা গেলেও বেশিরভাগ কেন্দ্র পাহারা দিয়েছে আওয়ামী লীগাররা নিজেরাই, যাতে পরিস্থিতি তাদের পক্ষে যায়। হিরো আলমের মতো নিরীহ স্বতন্ত্র প্রার্থীও তাদের মারধরের হাত হতে রেহাই পায় নি।



বেশির ভাগ (যদি সবগুলো না হয়) টিভি চ্যানেলকে হাসিনার দল ভয় দেখিয়ে ও টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছিল। একাত্তর চ্যানেল ও এটিএন নিউজের উপস্থাপনার ধরন দেখলেই সেটা বোঝা যায়। তাছাড়া চিন্তা করে দেখুন, ভোটের দু’দিন আগে হাসিনার ছেলে সজীব আহমেদ জয় কেন সময় নিউজের চ্যানেল অফিস ভিজিট করবেন, কী উদ্দেশ্য তার সেখানে?

তাই অনুমান করা যায় যে, টিভি চ্যানেলগুলোতে লীগারদের মনগড়া খবর ও ভোটের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। আর ভারত ও নেপালসহ যেসব বিদেশি পর্যবেক্ষক আনা হয়েছে, তাদের সবাইকে উচ্চ অংকের ঘুষ দেয়া হয়েছে। পর্যবেক্ষকগণ নেগেটিভ কোনো কমেন্ট মিডিয়ার সামনে করতে পারে নি। সবশেষে নির্বাচন কমিশন হাসিনার তৈরি করে দেয়া ফলাফল প্রকাশ করেছে। পুরোটাই সলিড প্রহসন বা নাটক!