ছাত্রের বোনের প্রতি মনোযোগ না দেয়ায় টিউশনি চলে গেল

আমি জীবনে বহুত টিউশনি করিয়েছি। এর ৯৫% ক্ষেত্রেই আমাকে ‘টিচার হিসেবে’ রিক্রুট করাটা মনে হয় সংশ্লিষ্ট পরিবারের মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল না, ছিল অন্য কিছুঃ হয় ছাত্রের বড় বোন অথবা তার ফুপুর জন্য জামাই ম্যানেজ করা, অথবা ছাত্রের মা নিজেই আমার সাথে শুতে চেয়েছিল। নিম্নে এ সংক্রান্ত কিছু অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হলোঃ

শান্তিনগরের সিয়ামের পরিবার

শান্তিনগরে পীর সাহেবের গলিতে সিয়ামরা থাকতো, বর্তমানে ওরা সম্ভবতঃ উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরে ওদের আগে থেকেই কিনে রাখা জমিতে বাড়ি করে সেখানে থিতু হয়েছে। তবে যেহেতু সিলেটি (হবিগঞ্জ) মাল, তাই সিয়াম আর তার বোনেরা দেশে আছে কিনা, সে নিয়ে আমার সংশয় আছে। সিয়ামের টিচার হিসেবে আমাকে রাখার পেছনে কারণ ছিল, তার সিলেট মেডিকেল পড়ুয়া বড় বোন মোনা’র সাথে আমার সেটিং করিয়ে দেয়া।

কিন্তু ঐ সময় আমি একটু বোকাচন্দ টাইপের ছিলাম, কী করে একটা মেয়েমানুষের সাথে আলাপ শুরু করতে হয়, সেটা জানতাম না। প্লাস, আমি আসলে মোনার ইমেডিয়েট ছোট বোন লিসা’র ব্যাপারে আগ্রহী ছিলাম, সে তুলনামূলক কচি মাল ছিল, ইন্টারমিডিয়েটে পড়তো তখন।




মোনা ছুটিতে বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল, আমি তার সাথে আলাপের কোনো উদ্যোগ না নেয়ায় তারা মনোক্ষুণ্ণ হলো এবং তাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজে মনে হলো, আমি আর না আসলেই তারা খুশি হয়। মানে, এরপর তারা আন্তরিকতাশূন্য ব্যবহার শুরু করলো। তবে আমাকে বাদ দেয়ার কোনো লেগ্যাল কারণ খুঁজে পাচ্ছিল না তারা। তখন আমি তাদেরকে সাহায্য করি তাদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে, টিউশনিতে একদিন যাই তো আরেক দিন যাই না। এর ফলে সিয়ামের মা একদিন আমাকে ‘না’ করে দিল।

নাসিমা আন্টির পরিবার

নাসিমা আন্টির বড় ছেলে আসিফকে আমি পড়িয়েছিলাম প্রায় এক বছর সময়কাল ধরে। তবে কী কারণে জানি না, নাসিমা আন্টির একটা উদ্দেশ্য ছিল আমার সাথে শোয়া। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, তার স্বামীর কথাবার্তাতে স্পষ্ট ছিল যে, এ ব্যাপারে তার সম্মতি আছে। হয়তো সে যৌনমিলনে অক্ষম ছিল, অথবা তারা ভাবতো, ‘কোনো কারণে যদি আসিফের বাবা মারা যায়, তাহলে ওদেরকে দেখবে কে?’ তাই আগেভাগেই নাসিমা’র জন্য একটা ব্যাকআপ স্বামীর ব্যবস্থা করা! তো, এই উদ্দেশ্যে (আমি যাতে নাসিমার দেহের দিকে হাত বাড়াই) সে বেশ কয়েকদিন বেশ সাজুগুজু এবং প্রভোকেটিভ (যৌন উত্তেজনা জাগাবে এমন) ড্রেসআপ করে আমার কাছে তার ছোট ছেলের জন্য পড়া বুঝতে আসতো। তার ছোট ছেলে ক্লাস ফোরে পড়তো এবং তাকে নাসিমা নিজেই পড়াতো।

নাসিমা দেখতে অনেকটা এরকম ছিল

একদিন তো চূড়ান্ত রকম উত্তেজক সাজে আসলো, ক্লিভেজ দেখা যাচ্ছিল, ভেতরে ব্রা পড়ে নি এবং চেহারায় মেকআপ করে ও ঠোটে লিপস্টিক লাগিয়ে আসলো, আর দরজা ছিল ভেড়ানো। কিন্তু এরপরও বোকাচন্দ আমি তার দিকে হাত না বাড়ানোয় সে চরম হতাশ হলো, এমনকি তার জ্বরও চলে আসলো। আমি বুঝতে পারলাম, এখানে আমার ‘আয়ু’ আর বেশিদিন নেই। এর কিছুদিন পরেই আসিফের আম্মু আমাকে না করে দিল, আমাকে দিয়ে নাকি তার ছেলের ইদানিং খুব একটা উন্নতি হচ্ছে না। (নাসিমা ও তার স্বামীর বাড়ি ছিল বৃহত্তর নোয়াখালীতে)



কাশফিয়াদের পরিবার

আমার এক ছাত্র তুর্যের বড় বোন ছিল কাশফিয়া, সে তখন উচ্চ মাধ্যমিকে পড়তো। মধ্যবিত্ত ফ্যামিলি হলেও বেশ মার্জিত ও ছিমছাম; কিন্তু তুর্যকে যেদিন প্রথম পড়াতে গেলাম, সেদিন তাদের বাসায় নক করাতে দরজা খুলে তুর্যের বাবা একটি বিশ্রী মুখভঙ্গি করেছিল, যেন আমি একটা ভিখেরি। সত্যি বলতে কী, গ্ল্যামার আমার কোনোকালেই ছিল না, তাই হয়তো জীবনে শাইন করতে পারলাম না। আবার, আমার একটা বদঅভ্যাস হলো, কেউ আমার সাথে খারাপ আচরণ করলে সেটার বদলা আমি একদিন না একদিন নেই-ই।

তুর্যের বাবাও কেমন যেন ছিল, আমার সাথে কোনোদিন যেচে আলাপ করতে আসে নি, আমার বা আমার পরিবারের খোঁজখবর নেয় নি। তাই তুর্যের মা যখন তুর্যের সেই বোনকে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষ্যে কিছুদিন পড়াতে বললো, আমি সেই প্রস্তাব না করে দিলাম। কারণ আমি বুঝতে পারছিলাম, এবার ওদের টার্গেট হলো কাশফিয়ার সাথে আমার ঘনিষ্ঠতা ঘটানো। কিন্তু কাশফিয়ার মতো অন্ততঃ চার-পাঁচ জন মেয়ে তখন আমার লাইনে থাকায় ওর সাথে জড়াতে চাইলাম না। আফটার অল, জামাই-শ্বশুরের বিবাদ অনেক পুরনো ঘটনা, জেনেশুনে সে দিকে পা বাড়াতে চাইলাম না। (কাশফিয়াদের দেশের বাড়ি ছিল নেত্রকোণায়)।

শহীদ আনোয়ার গার্লস কলেজের দুই ছাত্রী

এদের একজনের বাসা ছিল উত্তরায় রাজলক্ষী মার্কেটের নিকট, তবে মেইন রোড থেকে অনেক ভেতরে। তাদের দেশের বাড়ি চট্টগ্রামের পটিয়ায়, মেয়েটির নাম ভুলে গেছি, সে বেশ সুন্দরী ছিল। পড়াতে যাওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই বুঝতে পারলাম, তাদের আসল উদ্দেশ্য। কিন্তু আমি তখন অলরেডি সদ্যবিবাহিত, তবে এ পরিচয়টা সর্বত্র দিতাম না। তাই ঐ মেয়েটার দিকে হাতও বাড়াতে পারলাম না, আবার ওদেরকে বলতেও পারলাম না খুলে (অনেক সময়, বিবাহিত বললে টিউশনিতে ঢোকাই কষ্টকর হয়ে যেত)।

ঐ মেয়ের এক সহপাঠী যাত্রাবাড়িতে থাকতো, তাকেও পড়াতে গিয়েছিলাম, সেখানেও দেখলাম একই কাহিনী। ঐ বাড়ির লোকজন চাচ্ছিলো, আমি যাতে ছাত্রীর অবিবাহিতা ফুপুর সাথে ঘনিষ্ঠ হই। সেটা হলে খুব একটা মন্দ হতো না, কিন্তু আমি যে বিবাহিত রে ভাই! কী যে করি! তাই ওখানেও টাল্টু-বাল্টু করে টিউশনি ছেড়ে চলে আসলাম।

ড. কামাল হায়দার খানের পরিবার

দক্ষিণ শাহজাহানপুরের স্থায়ী বাসিন্দা ড. কামাল হায়দার খান এখনো বেঁচে আছেন কিনা জানি না, ওনাকে কখনো দেখিও নি। খালি জানতাম উনি চোখের ডাক্তার এবং নিচ তলায় ওনার চেম্বারেও কয়েকবার চোখ গিয়েছিল – এই যা। ওনার একমাত্র পুত্র ফাহিম হায়দার খানকে আমি দু’মাস পড়িয়েছিলাম। ড. কামালের দেশের বাড়ি ছিল নরসিংদীর বেলাব-তে এবং তাঁর স্ত্রীর দেশের বাড়ি ছিল চাঁদপুরের মতলবে। ওনার বউ অনেক সুন্দরী ছিলেন, ৩৭/৩৮ বছর বয়সেও অনেক পুরুষের লিঙ্গ দাঁড় করানোর জন্য যথেষ্ট ছিলেন।

সেই আন্টি আমাকে জোগাড় করেছিলেন তাদের ভাড়াটিয়া রণদের বাসা থেকে। রণের মাও আমাকে রিক্রুট করেছিল রণের এক খালাতো বোনের সাথে আমাকে সেটিং করিয়ে দেয়ার জন্য, যাদের বাড়ি ছিল টাঙ্গাইলে। আর মতলবের এই আন্টি’র (ড. কামালের স্ত্রী) মতলব ছিল আমাকে তার মেয়ের সাথে সেটিং করিয়ে দেয়া, যার বয়স আমার চেয়ে ৪ বছরের কম ছিল। মেয়েটা মারাত্মক সুন্দরী ছিল, এতোটাই সুন্দরী যে যখন আমার সাথে আলাপের উদ্দেশ্যে আমার সামনে এসে সোফায় বসেছিল, তখন বোকাচন্দ আমি তার রূপের আগুনের দিকে তাকাতে সাহস করলাম না।

আর পরবর্তীতে তার সাথে কোনো আলাপের উদ্যোগও নিলাম না, কারণ তখনকার দিনে আমি উত্তর শাহজাহানপুরের মুন্নি আর তান্নিদের (ক্লাস টেন ও নাইনে পড়ুয়া দুই বোন) প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছিলাম। একারণে মতলবের ঐ আন্টিও দুই মাস যেতে না যেতেই আমার চাকুরি নট করে দিলেন।



এ বছর ভ্যালেনটাইনের মাসে যে দু’জন নারী আমাকে ব্লক মেরে সুখ নিয়েছিল

Looks a little like Nasrin Madam

নাসরিন ম্যাডাম আর শাহিনূরকে অনেক দিন থেকেই চিনি (প্রায় ৫-৭ বছর)। তাদের সাথে পরিচয় হয়েছে ‘প’ আদ্যাক্ষরের একটি গাইডবুক প্রতিষ্ঠানে লেখক হিসেবে কাজ করতে গিয়ে। এর মধ্যে নাসরিন আমার চেয়ে মাত্র এক বছরের ছোট আর শাহিনূর পাঁচ বছরের। নাসরিন দেখতে ভালো হলেও শাহিনূর আসলে ‘বিলো এভারেজ’ চেহারার একটি খাটো মেয়ে।

এটা ঠিক যে, তাদের অশ্লীল প্রস্তাব দিয়েছিলাম বা আপত্তিকর ও অপ্রাসঙ্গিক কথা বলেছিলাম। তবে এক্ষেত্রে তারাও কম-বেশি দায়ী। নাসরিন এক সময় বিথী ম্যাডামের সাথে উঠাবসা করতো, যে কিনা স্পষ্টদৃষ্টিতে ত্রুটিপূর্ণ যৌন চরিত্রের অধিকারী ছিল। এই বিথী প্রথমে আমার সাথে শুতে চেয়েছিল, কিন্তু সে দেখতে অনাকর্ষণীয়, হিন্দু এবং বরিশালনি হওয়ায় তার ব্যাপারে আগ্রহ দেখাই নি। পরবর্তীতে সে নাকি আরএন্ডডি’র হেড সুনীলদা’র ভাইয়ের সাথে লিভ টুগেদার করেছে (উক্ত পাবলিকেশনের পিএমডি’র সদস্য সাঈদ ভাইয়ের দেয়া তথ্য মতে)।




আর নাসরিন নিজেও ধোয়া তুলসি পাতা নয়। আমার ‘এস্টিমেট’ মোতাবেক, সে যখন প্রথম এই প্রতিষ্ঠানে চাকুরিতে জয়েন করেছিল, তখন সে চাকুরি বাঁচানোর জন্য এবং হয়তো মিথ্যে আশ্বাস ও প্রলোভনে পড়ে সাঈদ ভাইয়ের শয্যাসঙ্গী হয়েছিল। আমার হিসেব মতে, শুধুমাত্র নাসরিনের সাথে অবৈধ সেক্স করার জন্য সাঈদ অফিসের কাছে একটি সাবলেট রুম ভাড়া নিয়েছিল, কারণ সাঈদের পরিবার মুন্সিগঞ্জে থাকতো এবং মুন্সিগঞ্জ হতেই ঢাকায় যাওয়া-আসা করে অফিস করতো সে।

এসব বলার পেছনে আমার পয়েন্ট হলো – নাসরিনকে দুশ্চরিত্রের মহিলা ভাবার অনেকগুলো কারণ আমার ছিল। একে তো সাঈদ ভাইয়ের সাথে তার ফিঁসফাঁস ও পারস্পরিক (মিউচুয়াল) বডি ল্যাঙ্গুয়েজ বেশি সুবিধার ছিল না, যা আমি তখন সাঈদ ভাইয়ের তত্ত্বাবধানে কাজ করায় খুব কাছ থেকে দেখতে পেয়েছিলাম। দ্বিতীয়ত নাসরিন চলতো দুশ্চরিত্রের মহিলাদের সাথে (তৎকালীন কেমিস্ট্রি ডিপার্টমেন্টের হেড বিথী ম্যাডাম)।

আর যতদূর জানি, নাসরিনের নিজেরও এক বোন (বড় বোন) যুবতী ও বিধবা ছিল; তাই সব মিলিয়ে ধরে নিলাম, পরকীয়া সেক্স করতে আগ্রহী এরকম মহিলার সন্ধান তার কাছে থাকবে। প্লাস, সে নিজেও তো ‘সাধু’ নয়, সাঈদের মতো একটা অশিক্ষিত ও মূর্খের সাথে শুতে পারলে আমার সাথে শুতে সমস্যা কোথায়?! এসব ভেবেই তাকে ফেসবুকে মেসেজ দিয়েছিলাম, ‘ম্যাডাম, একটি মেয়ে বা মহিলার সন্ধান দিন তো, সেক্স করার জন্য (চাইলে আপনি নিজেও করতে পারেন।)’ ব্যস্, হয়ে গেল কাম! দিল আমায় ব্লক করে। এটা আমি মোটেও আশা করি নি, কারণ নাসরিন ছিল আমার হোম ডিসট্রিক্ট-এর অন্য এক উপজেলার মেয়ে। দেশি মানুষ হিসেবে সে আমাকে কিছুটা কনসিডার করবে, সেটাই আশা করেছিলাম। কমপক্ষে সে বলতে পারতো, ‘আপনার কাছ থেকে এমন ব্যবহার আশা করি নি কখনো, ফ্রেন্ডলিস্টে থাকতে চাইলে আর কখনো এ ধরনের মেসেজ পাঠাবেন না।’



আসলে সে একটা আস্ত বর্ণবাদী ও টাকার কাঙাল। সে আসলে আমার বাহ্যিক চেহারা ও ফ্যামিলি স্ট্যাটাস – এইসব বিবেচনায় নিয়েছে। সে ভেবেছে, তার পরিবার মোহাম্মদপুরে অ্যাপার্টমেন্টে থাকে, তার স্বামী বাংলালিংকে কাস্টমার রিলেশন ম্যানেজার, তারা প্রায়ই বিদেশে ঘুরতে যায়, আবার প্রাইভেট কারে চলাফেরা করে – এইসব আর কি। নাসরিন আমার ইন্টেলেকচুয়াল লেভেলটা বিবেচনা করে নি; সে চিন্তা করে দেখে নি যে, আমার মতো ইন্টেলেকচুয়াল লোক তার চৌদ্দ গোষ্ঠীর মধ্যে নেই (তাই তো ফাঁপড়বাজ, অশিক্ষিত, মূর্খ সাঈদ তাকে বিছানায় নিতে পেরেছে)। আর আমি কোন জায়গা থেকে পড়াশুনা করেছি আর সে কোন জায়গার স্টুডেন্ট ছিল, সেটাও বোধ হয় ভুলে গেছে। যাই হোক, ‘নাসরিনের কাজ নাসরিন করেছে, কামড় দিয়েছে পায়, তাই বলে তাকে কামড়ান কি আমার শোভা পায়?!’

এবার আসি শাহিনূরের কথায়। শাহিনূর দুশ্চরিত্রের মেয়ে নয় – এতটুকু আন্দাজ করি, আর তাকে কোনো খারাপ প্রস্তাব দেইও নি। শুধু তার কাছে মোবাইল নাম্বারটা চেয়েছিলাম, সেটা না দেয়ায় তাকে মেসেঞ্জারে বললাম, ‘শোনো, মোবাইল নাম্বার যখন দিবাই না, তখন একটা কথা বলেই দেই। তোমাকে কিন্তু আমার অনেকদিন ধরে ভালো লাগে। তবে আমি যেহেতু বিবাহিত তাই কথাটা তোমাকে বলার সুযোগ পাই নি।’ এতে সেও ব্লক মেরে দিল আমায়। অথচ এই শাহিনূর একসময় আমাকে ‘ভাইয়া ভাইয়া’ করতে করতে গলে গলে পড়তো।

একবার সে আমাকে বলেছিল, ‘ভাইয়া, আপনার সাথে কফি খেতে যাব।’ সে যদি আমাকে নিছক ভাইয়া হিসেবে ভেবে থাকে, তাহলে আমার কিছু বলার নেই। কিন্তু তার বলার ভঙ্গিতে এমন কিছু একটা ছিল যেটাতে আমি নিশ্চিত ছিলাম যে, সে আসলে আমার সাথে লাইন মারতে চায়, যদিও তখন আমি বিবাহিত ছিলাম। আমাকে তার ভালোলাগা সে বুঝিয়েছিল চোখের ইশারায়, আর আমি সেটা বুঝিয়ে দিলাম মুখে বলে (মেসেঞ্জারে লিখে), এতে দোষটা কোথায় বুঝতে পারলাম না!

সে হয়তো অতীতের কথা বেমালুম ভুলে গেছে, নিজে বিয়ে বসে হিজাব চাপিয়ে সতীপনা করতে শিখেছে। সে যদি ভদ্র হতো, তাহলে আমাকে বলতে পারতো, ‘এ ধরনের কথা আর বলবেন না, প্লিজ। আমি এখন বিবাহিতা (বা আমার পক্ষে এটা সম্ভব নয়)’। আফটার অল, আমি তাকে কোনো অশালীন প্রস্তাব দেই নি; বলি নি যে, আমার সাথে শুতে আসো।

আর নাসরিনের মতো মহিলারা যারা বহুগামী এবং ক্যারিয়ারে উন্নতির জন্য যার-তার সাথে শোয়, তাদেরকে শোয়ার বা সেক্স করার প্রস্তাব দিলে সেটা অশালীন হয় না, কারণ এমনটা তো তারা অহরহ করছে।



এক ঘরের পরকীয়া দেখে অন্য ঘরের লোকজন উৎসাহিত হয়

এখানে ‘ঘর’ বলতে ফ্যামিলি বা পরিবার বুঝাচ্ছি। এক ফ্যামিলির লোকজন যখন নিজেদের মধ্যে পরকীয়া সম্পর্ক (যেমনঃ দেবর-ভাবীর প্রেম) করে, তখন সেটা দেখে অন্য ফ্যামিলির লোকজন অনুরূপ কর্মকাণ্ড করতে উৎসাহিত হতে পারে। এ নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে, তাই বিষয়টি উপস্থাপন করতে বাধ্য হলাম।

আমি আগে বউ নিয়ে বাবা-মা’র সাথে থাকতাম। সেখানে আমাদের সাথে আমার অন্য দুই ভাইও ছিল, যাদের মধ্যে একজন বিবাহিত এবং অপরজন অবিবাহিত। তারা এখনো বাবা-মায়ের সাথে বহাল তবিয়তে আছে, তবে আমি আর থাকতে পারলাম না। এমন একটা প্যাঁচে পড়ে গেলাম, যে প্যাঁচের উৎপত্তি হয়েছিল আমাদের পাশের ফ্ল্যাট বা পরিবার থেকে, যেখানে সেতুরা বাস করতো। জায়গাটি ছিল রামপুরার কোনো একটি এলাকায়। উল্লেখ করা যেতে পারে, সেতুদের দেশের বাড়ি মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে। বর্তমানে তারা কেরানীগঞ্জে নিজেদের কেনা জায়গায় তৈরি একতলা বাড়িতে বসবাস করে।




তাদের ছোট পরিবার। আগে যখন তারা আমাদের পাশের ফ্ল্যাটে থাকতো, তখন প্রায় সময়ই তারা এক রুম সাবলেট দিয়ে সেখানে বসবাস করতো। সেতু আর শুভ দুই ভাই, তারা বয়সে আমার চেয়ে অনেক ছোট। তাদের মা’র নাম সেলিনা এবং ছোট কাকার নাম কাইয়ুম। এই কাইয়ুম এবং সেলিনার মাঝে একটি পরকীয়া বা অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক ছিল, যা ঐ বিল্ডিং-এর অনেকেই জানতো, আবার জেনেও না জানার ভান করতো। এর মধ্যে বিশেষ করে উল্লেখযোগ্য ছিল আমার মা এবং বাড়িওয়ালনি শবনম আন্টি। তাদের কাছে এমনকি সেলিনার স্বামীর কাছেও ব্যাপারটা ছিল নিতান্ত সাদামাটা, অত্যন্ত স্বাভাবিক, যেন এমনটা হতেই পারে।আমারও তাতে কোনো আপত্তি থাকতো না, যদি না তাদের পরকীয়া সম্পর্কের কালো ছায়া আমার জীবনে না আসতো। সেতুর বাপ অর্থাৎ সেলিনার স্বামীকে যদি জিজ্ঞেস করা হতো, ‘আপনি এই সম্পর্ক মেনে নিচ্ছেন কেন?’ তাহলে নিশ্চয়ই উত্তর আসবে, ‘আমি কবে মরে যাই, তার ঠিক আছে? আমি মারা গেলে আমার বাচ্চাগুলাকে দেখবে কে?’

তার কথায় একটা যুক্তি আছে বৈকি। তবে এ ধরনের সম্পর্ককে কি ইসলাম বৈধতা দেয়? মনে হয় না। অনুশোচনার ব্যাপার হলো, যারা কিনা দেশে এসব অনিয়ম ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড করে যাচ্ছে, তারাই আবার ধর্মকর্মের নাম মুখে বেশি বেশি নেয়। বিশেষ করে আমাদের দেশে মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে এ ধরনের প্রবণতা বেশি। আর হিন্দুদের কথা না হয় নাই বললাম, তাদের ধর্মে নাকি নগ্নতা ও অবাধ যৌনাচারের বৈধতা আছে!



সেলিনা আর তার দেবরের মাঝে কী দেখেছি, সেটা একটু খুলে বলি। ঐ বাসার সাবলেটদের সাথে যদি দেখা করতে যেতাম, তখন প্রায়ই দেখতাম, কাইয়ুম আর সেলিনা এক রুমে দরজা বন্ধ করে কী যেন করছে! তখন সেলিনার ছেলে দু’টো স্কুলে এবং তার স্বামী অফিসে। আমি এমনও দেখেছি যে, সেলিনার কামিজ প্রায় বুক পর্যন্ত উঠানো এবং সেখানে কাইয়ুম কিছু একটা করছিলো। হয়তো কামিজটা আসলে গলা পর্যন্ত উঠানো ছিল এবং কাইয়ুম তার ‘কাম’ চালিয়ে যাচ্ছিলো, আমাকে দেখে তাড়াতাড়ি সে কামিজ নামিয়ে দেয়। তবে তাড়াহুড়ার ফলে সেলিনার ফর্সা পেট আর কোমর অবাধে দেখতে পাই।

যাই হোক, যেটা বলছিলাম – আমাকে দেখে সেলিনা তার দেবরের সাথে কপট রাগ দেখায়, এমন ভান করে যেন, এসব কিছু কাইয়ুম জোর করে করেছে এবং সে সতী-সাবিত্রী। তবে মেয়ে ও মহিলাদের এ ধরনের অভিনয় সম্পর্কে আমি আগে থেকেই অভিহিত ছিলাম।

এবার আসল কথায় আসি, কীভাবে তাদের পরকীয়া সম্পর্কের কালো ছায়া আমার জীবনে নেমে এসেছিল। আসলে আমার ছোট ভাই ইকবালও সেলিনা ও তার দেবর কাইয়ুমের অবৈধ সম্পর্কের বিষয়ে ওয়াকিবহাল ছিল, এ নিয়ে প্রায়ই সে আমার সাথে আলাপ করতো। আমিও সে আলাপ পাশ কাটিয়ে যেতে পারতাম না, কারণ এসব বিষয় বাবা বা মা’র সাথে সে শেয়ার করতে পারতো না। বিশেষ করে, মা’র কাছে তো এ বিষয়ে মুখই খোলা যেত না, তিনি প্রচণ্ড মাইন্ড করতেন, কখনো অস্বীকার করতেন, আবার কখনো স্বীকার করলেও বিষয়টি সেলিনাদের পরিবারের একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার বলে দাবী করতেন।

আমার মা যেহেতু আমাদের পরিবারের ‘প্রাইম মিনিস্টার’ ছিলেন, তাই তার কথার উপর কথা বলতে পারতাম না। যাই হোক, ঘটনা হলো এই যে, একদিন বাসায় একা পেয়ে আমার বউকে আমার সেই ছোট ভাই যৌন হেনস্থা করার চেষ্টা করে, আমার বউ তাতে সাড়া না দেয়ায় এবং বাধা দেয়ায় তাকে বেদম প্রহার করে আমার সেই ‘মানসিকভাবে অসুস্থ’ ভাই। তাকে অসুস্থ বললাম এই কারণে যে, আশেপাশে এত অনিয়ম দেখে সে সুস্থ মানসিকতাসম্পন্ন থাকতে পারে নি নিশ্চয়ই। এজন্য সেলিনাদের পরিবারকে দায়ী না করে পারছি না। পরবর্তীতে আমার বউ এবং ছোট ভাইয়ের দ্বন্দ্ব এত প্রকট আকার ধারণ করলো যে, বউ নিয়ে আলাদা হয়ে যেতে বাধ্য হলাম। আফটার অল, নীতিগতভাবে বলেন আর ঘটনাগতভাবেই বলেন, এখানে আমার ছোট ভাইও কম দায়ী নয়। প্রবাদ আছে, ‘আপনি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?’



স্কুলের নার্গিস ম্যাডামকে ‘অন্যরকম’ ভালো লাগতো, কামনাও করতাম

আমার জীবনে যে সকল সেক্সি ও কামুকি নারী এসেছে, তার বেশিরভাগই নরসিংদীর শিবপুর থেকে। যেমনঃ আমার প্রাক্তন এক ছাত্রী জেনি, তার মা শবনম, ছোটকালের প্রাইভেট টিউটর সেলিনা খালামণি, তার মেয়েরা (পপি ও মিতা) আর যে হাইস্কুলে পড়তাম সেখানকার বায়োলজি ম্যাডাম যার নাম ছিল নার্গিস সুলতানা।

নার্গিস ম্যাডামের স্বামী ছিল রাজ্জাক স্যার যিনি ঢাকার একটি বিখ্যাত গার্লস স্কুলের আজিমপুর শাখার হেডমাস্টার ছিলেন একসময়, এখন কোথায় আছেন জানি না। তবে আমি যখন ক্লাস এইট থেকে মেট্রিক পর্যন্ত ছিলাম, তখন ঐ স্যার আর ম্যাডাম আমাদের অখ্যাত স্কুলেই পড়াতেন। পরবর্তীতে স্যার তার মেধা আর ব্যক্তিত্বের জোরে উক্ত গার্লস স্কুলে চাকুরি পেয়ে গেলেও ম্যাডাম আমাদের স্কুলেই পরে ছিলেন।



ম্যাডাম যে চরিত্রহীন ছিলেন বা তিনি যে আমাকে কোনো বিশেষ চান্স দিয়েছিলেন, সেটা আমি বলবো না, এই আর্টিক্যালের উদ্দেশ্যও সেটা নয়। শুধু বলতে চাই তিনি আমার খালার বয়সী হলেও আমার এক সময়কার ক্রাশ ছিলেন। তিনি যে মারাত্মক সুন্দরী ছিলেন তা নয়। তবে আমার কাছে তাকে আকর্ষণীয় লাগতো, বিশেষ করে তার হাসিটা ও মমতাময়ী আচরণটা। এটা ঠিক যে, তিনি অত্যধিক মেকআপ করতেন। তবে তিনি যখন মেকআপ করে থাকতেন না, তখনও প্রায়শই তাকে দেখতাম এবং মনে মনে ভালোবাসতাম।

দু’একবার স্যারের বাসায় যেয়ে ম্যাডামকে একা পেয়েছিলাম, তখন স্বাভাবিকভাবেই আমার মনে কুচিন্তা ভর করেছিল। তবে ম্যাডাম আমাকে অনেকটা ‘ছেলের মতো’ দেখতেন, তাই উল্টাপাল্টা কিছু করলে তার চোখে, স্যারের চোখে, এমনকি স্কুলের অন্য সকল টিচার ও স্টুডেন্টদের চোখে চিরকালের মতো কালার হয়ে যেতাম।

তবে সাধের এই ম্যাডামের সাথে সম্পর্ক রাখতে পারি নি আপন ছোট ভাইয়ের কারণে; সে যখন ঐ স্যারের বাসায় পড়তে যেত তখন নাকি স্যার ও ম্যাডাম তার সাথে পার্শ্বিয়াল্টি ও বর্ণবাদী আচরণ করতো। অর্থাৎ অভিষেক নামে একটি হিন্দু ধনী পরিবারের ছেলে সেই প্রাইভেটে আমার ছোট ভাইকে উত্ত্যক্ত করতো এবং স্যার ও ম্যাডাম সেটা ওভারলুক করতেন। আমি জানি, অভিযোগটা সত্যি; বড়লোক বা ধনীদের প্রতি তাদের যে একটি দূর্বলতা ছিল, সেটা আমার অজানা ছিল না। যাই হোক, তাদের এই আচরণ শিক্ষকসুলভ ও ন্যায়পরায়ণ ছিল না, তাই তাদের সাথে আর কখনো যোগাযোগ করি নি, বা রাখি নি, কারণ ততদিনে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফোর্থ ইয়ারের স্টুডেন্ট।



আইডিয়ালের ছাত্র সুমনের বড় বোন শাপলা ও রিনার কাহিনী

তখন ইউনিভার্সিটিতে মাত্র ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি, অন্যান্য সহপাঠীদের মতো আমিও একটা টিউশনি ধরলাম। ছাত্রের নাম সুমন, সে ক্লাস এইটের স্টুডেন্ট, মতিঝিল আইডিয়ালে। পড়াতে যাওয়ার প্রথম দিনই একটি মশলাদার অভিজ্ঞতা হলো, ছাত্রের মেঝো বোন যে কিনা আমার চেয়ে মাত্র এক বছরের ছোট ছিল বয়সে, সে এসে সোফার নিচে কী যেন একটা খুঁজছিল। খোঁজার অজুহাতে সে যখন উপুড় হয়েছিল, তখন সে আসলে ডগি পজিশনে গিয়ে তার বিশাল পাছাটা দেখিয়ে আমাকে উত্তেজিত করতে চাইলো, তার প্রতি আকৃষ্ট করতে চাইলো।

এমনকি একদিন নাস্তা দিতে এসে আমার উরুতে তার উরু ঘষে দিল, বেশ নরম-গরম অনুভূতি ছিল সেটা, স্বীকার করতেই হয়। আবার মাঝে মাঝে বলতো, ‘ভাইয়া, আপনাদের বাসায় যাব একদিন। কখন নিবেন, আন্টি থাকলে নাকি বাসায় কেউ না থাকলে?’ স্পষ্টতঃ এগুলো খারাপ কিছুর ঈঙ্গিত। তবে আমি সতীপনা করতে গিয়ে মজা নিতে পারলাম না। আমার মতে, যৌবন বা সেক্সের মজা সকল নারী-পুরষের নেয়া উচিত, বয়স থাকতে থাকতেই। যথেষ্ট বয়স হয়ে গেলে অপরচুনিটিগুলো আর আগের মতো দরজায় কড়া নাড়ে না। বেশি বয়সে ‘সেক্স মিশন’ করতে গেলে ইয়াং মেয়েরা ভাববে, ‘বুড়ো বয়সে ভীমরতি!’।




শুধু যে শাপলাই আমাকে কামনা করতো তা-ই নয়, তার দুই বছরের ছোট বোন রিনাও আমাকে চাইতো। একদিন সুমন আর শাপলা যখন বাসায় ছিল না, তখন রিনা এসে আমার পাশে গা ঘেঁষে বসেছিল, আমি কিছু করতে গিয়েও করি নি, কারণ দরজার পর্দার ফাঁক দিয়ে ওপাশে দূরে তার মা’র উপস্থিতি টের পাচ্ছিলাম। জানতাম যদিও, হালকা-পাতলা নষ্টামি যেমনঃ টেপাটিপি বা চুমু খেলে তাতে তিনি হুংকার ছেড়ে আসবেন না। আসলে ওদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট না হওয়ার মেইন কারণ হলো, তারা ঠিক পারফেক্ট সুন্দরী ছিল না। শাপলা ফর্সা আর তার ফিগার সুন্দর হলেও নাকটা বোঁচা ছিল, আর রিনার স্কিনে সমস্যা ছিল।

পরে একদিন ইউনিভার্সিটির হলে সিট নিয়ে চলে যাই, তাই এলাকার টিউশনি আর করাতে পারলাম না। তবে আমার এখনো মনে হয়, শাপলা আর রিনার সাথে আমার চান্স নেয়া উচিত ছিল। কারণ শুধু আমি না, আরো বেশ কয়েকজন ছেলের সাথে ওরা ঘেঁষাঘেষি করতো। যেসব মেয়েরা বহুগামী, তারা অনেক ছেলের সাথে মিশলেও কাউকে শেষ পর্যন্ত বিয়ের জন্য চেপে ধরে না – আমার অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি।



নরসিংদীর শিবপুরের মিতা ও সেলিনার কাহিনী

একদিন যখন আমি ইউনিভার্সিটিতে থার্ড বা ফোর্থ ইয়ারে পড়ি, তখন কী মনে করে জানি পপি-মিতাদের বাসায় গিয়েছিলাম, সেটা ছিল হাতিরঝিলের কাছাকাছি কোনো একটা জায়গায়। তারা আমাদের মতোই ভাড়া থাকতো, তবে অবশ্যই অনেক বেশি গরীবি হালের বাসায় (টিনের বাড়িতে)।

তখন মিতা আমাকে দেখে যেন চাঁদ পেল, ওদের বাসার সবাই খুব খুশি হলো। ব্যাপারটা তাদের কাছে অনেকটা অপ্রত্যাশিত ছিল, কারণ মাস্টরনি খালা অনেক বার বলা সত্ত্বেও এর আগে কখনো ওদের বাসায় বেড়াতে যাই নি। সেলিনা কেন বারবার আমাকে তাদের বাসায় বেড়াতে যেতে বলতো, সেটাও আমার জানা ছিল – তার কোনো একটা মেয়ের সাথে আমার সেটিং করিয়ে দেয়া।




যাই হোক, মিতা আমার চেয়ে এক বছরের বড় হলেও সে নিজেকে আমার চেয়ে জুনিয়র প্রমাণ করতে চাইলো, সে আমাকে ‘আপনি আপনি’ সম্বোধন করা শুরু করলো। আমি তো টাস্কি খেয়ে গেলাম। ভাবলাম, গরীব ঘরের চরিত্রহীন মেয়েরা বিয়ে বসার জন্য কত কিছুই না করে। ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হলো, মিতা তখন বিছানায় শুয়ে ছিল এবং তার পরিবারের সদস্যরা (তার ছোট ভাই নাদিম এবং মা সেলিনা) আমাকে বিছানায় মিতার পাশে বসতে বাধ্য করলো। নাদিম তো বলেই বসলো, ‘আসেন বসেন বসেন, মেয়েদের পাশে বসলে কোনো সমস্যা হয় না।’ বুঝেন অবস্থা!

সুতরাং একটা ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলাম যে, ওদের বাসায় গিয়ে যেকোনো সময় মিতা বা পপির সাথে আকাম চালানোর সুযোগ আমার ছিল। কিন্তু আমি ‘মাছি মেরে হাত নোংরা’ করতে চাই নি, তাই আর ওদের বাসায় যাই নি।

শেষ চেষ্টা করতে সেলিনা আমার সাথে এক রুমে সময় কাটিয়েছে

তবে এই ঘটনার কিছুদিন পর সেলিনা নিজেই আমার বাসায় এসেছিল, সে সাধারণত তখন আমাদের বাসায় কদাচিৎ আসতো (ছয় মাস বা বছরে একবার)। কিন্তু এমন একটা সময় আসলো যখন আমি ছাড়া আর কেউ বাসায় ছিল না, আবার বেছে বেছে আমার রুমেই অবস্থান নিলো। তখন সেলিনার যৌবনকালের শেষ সময় (বয়স ৪৫ এর কাছাকাছি), তাই আমি যদি তখন তাকে বিছানায় চেপে ধরে লাগাতাম বা ধর্ষণ করতাম, তাহলে তার কিছুই করার থাকতো না।



কারণ একেতো ঐ সময় আমি শক্তসমর্থ ছিলাম (আগের মতো হ্যাংলা ছিলাম না), তার উপর ঘটনা শুনলে সবাই বলবে, একটা যৌবনবতী মহিলা এক অবিবাহিত যুবকের ঘরে কী করে?! তারপরও সেই রিস্ক নিয়েই সেলিনা এসেছিল আমার কাছে, মনে হয় অনেকটা খোঁজখবর নিয়েই (কখন আমি বাসায় একা থাকবো)। আবার হয়তো রিস্কও নেয় নি, হয়তো স্বেচ্ছায় লাগাতে এসেছে। মানে, তাকে যদি চেপে ধরে লাগাই, তাহলে সে আমাকে মনের কথাটা বলতে পারবে। বলতে পারবে যে, ‘তুই যদি আমার কোনো মেয়েকে বিয়ে করিস, তাহলে তুই আজীবন লাগাতে পারবি আমাকে, যদি চাস!’। সত্যিই সেলুকাস এ দেশ!

তবে আমি তাকে কিছুই করি নি, আর কখনো তাদের বাসায় যাই নি, আর তাদের বাসার কেউ আর কখনো আমাদের বাসায় আসে নি। এর দু’-এক বছর পর আমি বিয়ে করে ফেলি, তারা হয়তো মর্মাহত হয়েছিল। কিন্তু তারাও আর কালক্ষেপণ না করে ঘটা করে একই দিনে মিতা আর পপিকে বিয়ে দিয়েছিল, তাদের দেশি (নরসিংদী) ছেলেদের সাথে।



উচ্চশিক্ষিত মেয়েরাও ভালোই ছিনালি করতে পারে

উচ্চশিক্ষিত মেয়েরাও ভালোই ছিনালি করতে পারে – এটা অনেক আগের কথা। আসলে এই আর্টিক্যালটির শিরোনাম হওয়া উচিত ছিল, ‘দুনিয়াতে কেউই নিরীহ বা নিষ্পাপ নয়’। যার কথা বলছি তার নাম ফারহানাহ চৌধুরি। সে কি আদৌ সত্যিকার চৌধুরি নাকি ‘ফটকা চৌধুরি’ (যেমনঃ পাটওয়ারি থেকে চৌধুরি) বংশের লোক – সে নিয়ে আমার সংশয় আছে। তবে পড়াশুনা করেছে সে ভালো জায়গা থেকেঃ বুয়েট ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স ডিপার্টমেন্ট থেকে গ্র্যাজুয়েট ও মাস্টার্স।

দেখতেও সে বেশ নিরীহ ও মায়াবী চেহারার। এমন একটি চেহারার মেয়ে আমার সাথে শুধু ছিনালি নয়, বরং ক্ষতিও যে করবে – সেটা ঘুণাক্ষরে ভাবতে পারি নি আমি। ছিনালিটা হলো এইরূপঃ সে আমাকে প্রেম ও পরকীয়ার লোভ দেখিয়ে পরবর্তীতে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছে। এ রকম পরিস্থিতির স্বীকার হলে অন্য আট-দশ জন ছেলে যা করে, আমিও তা করেছিলাম – তাকে গালাগালি করেছিলাম মেসেঞ্জারে। প্রতিশোধস্বরূপ সে আমার অন্য একটি ব্লগ গুগল থেকে ডিইনডেক্স করে দিলো।




সে নিজে হয়তো করে নি, কারণ এ ব্যাপারে সে এক্সপার্ট হওয়ার কথা নয়। তবে তার স্বামী বা অন্য কোনো পরকীয়া প্রেমিক দ্বারা এটি করিয়েছে। সে-ই যে করিয়েছে, এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত। কারণ যখন (৩ মার্চ এ বছর) থেকে আমার সেই ব্লগের ভিউসংখ্যা ব্যাপকহারে কমতে থাকে, তার ছয়মাস আগে বা পরে কারো সাথে আমার কোনো বিবাদ হয় নি, শুধু সে ছাড়া।

সে আসলে আমার ইন্টেলেকচুয়াল লেভেল নিয়ে ঈর্ষাণ্বিত ছিল; ভাবতো, সেও কেন আমার মতো কোনো এক্সট্রা-অর্ডিনারী কিছু করতে পারে নি। আমার সেই ব্লগের আর্টিক্যালগুলো বিভিন্ন দেশের ইংরেজি জানা লোকেরা পড়তো, যে কারণে নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে আমি নিজেকে ‘ইন্টারন্যাশনাল ব্লগার’ হিসেবে দাবী করতাম।

ফারহানাহ’র সাথে ঘটনাসমূহের পরম্পরা

ফারহানাহ আসলে ইউনিভার্সিটিতে আমার ডিপার্টমেন্টাল জুনিয়র, ৬ বছরের। আমি ছিলাম একজন ল্যাগার। ল্যাগার হলো সেই সকল স্টুডেন্ট যারা নিজের ব্যাচের ছাত্রছাত্রীদের সাথে পাশ করতে ব্যর্থ হয় এবং জুনিয়র ব্যাচের স্টুডেন্টদের সাথে পড়াশুনা করে পাশ করে বা পাশ করার চেষ্টা করে। ফারহানাহদের সাথে আমার একাধিক কোর্স ছিল। সে মারাত্মক সুন্দরী না হলেও আকর্ষণীয় ও মায়াবী চেহারার অধিকারী ছিল, যে কারণে তাকে ‘লক্ষী মেয়ে’ বলে ভ্রম হয়েছিল।

আমি আগে থেকে বিয়ে না করে থাকলে তাকে অবশ্যই প্রেম বা বিয়ের অফার দিতাম। কিন্তু যেহেতু আমি আগে থেকেই বিবাহিত, তাই দূর থেকে শুধু তাকে দেখে দেখে ‘ঢোক’ গিলতাম, ঠিক যেমনটি গরীবের শিশু দোকানের দামী খাবার দেখে করে থাকে। ২০১১ সালের শুরুর দিকে তাদের ব্যাচের সাথে আমি পাশ করে যাই, পরে তাকে প্রায় এক বছর ধরে দেখি নি।

এরপর ২০১২ এর শুরুতে শান্তিনগরে অবস্থিত একটি গাইডবুক পাবলিকেশন্স-এর আরএন্ডডি ডিপার্টমেন্টে জয়েনের উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত একটি ইন্টারভিউতে তার সাথে দেখা হয় আমার। ঐ সময় তার সাথে সামান্য আলাপ হয়, তবে লিখিত পরীক্ষার সময় আমার পাশে বসে আমারটা দেখে কপি করে। তাতে করে আমার বদলে চাকুরি হয় তার, আর আমি হয়ে যাই ‘ফ্রিল্যান্সার রাইটার’। তাও তার প্রতি আমার কোনো ক্ষোভ থাকতো না, যদি সে আমার ‘ইন্টেলেকচুয়াল সুপেরিয়রিটি’ মেনে নিত এবং আমাকে কাজ না দিয়ে একঘরে করে রাখার নীতি গ্রহণ না করতো।



সে আমার সাথে অফিস পলিটিক্স করলেও এ নিয়ে সরাসরি কোনো বিবাদে যাই নি তার সাথে, আফটার অল তাকে কম-বেশি ভালো লাগতো আমার। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের মার্চে সে তার এক ক্লাসমেটকে বিয়ে করে এবং আগস্ট মাসে ঐ পাবলিকেশন্স ছেড়ে চলে গিয়ে তার স্বামীর বদৌলতে একটি ইলেকট্রনিক্স ডিজাইনিং কোম্পানীতে যোগ দেয়।

এরপর থেকে পাঁচ বছর ধরে সে মোটামুটি নিখোঁজ ছিল, মানে হলো সে আমার সাথে যোগাযোগ রাখে নি, আর আমিও রাখি নি। আর মাগি ব্যাপক অহংকারী ছিল, ফেসবুকে আমার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট কখনোই এক্সেপ্ট করে নি। তবে এই ব্লগে আমার লেখালেখি পড়ে হয়তো সামান্য চমৎকৃত হয়েছিল, তাই মেসেঞ্জারে আমার সাথে যেচে এসে সামান্য আলাপ শুরু করেছিল। কিন্তু রিপ্লাই দেয়ার ব্যাপারে এত কিপটেমি বা গেইম শুরু করলো যে, তার সাথে ‘মেসেঞ্জার চ্যাট’ বন্ধ করে দিলাম।

তবে এ বছরের শুরুতে আমার মাথায় মনে হয় পোকা ভর করেছিল, তাই তাকে মেসেঞ্জারে সরাসরি বলে বসলাম, ‘তোমাকে আমার ভালো লাগে, নায়িকা কোয়েল আর রাকুল প্রীত সিং কে দেখলে তোমার কথা মনে পড়ে।’ সে জিজ্ঞেস করলো, ‘এসব কথা এখন বলছেন কেন?’ আমি বললাম, ‘জানি না, মনে হলো, তোমাকে এসব কথা জানানো দরকার, তাই জানিয়ে দিলাম।’

মেয়েটা সুবিবেচক হলে তখনই বলতে পারতো, ‘আমি তো বিবাহিতা, আমাকে এখন আর এসব কথা বলে লাভ নেই’। তার বদলে সে বললো, ‘যেকোনো সম্পর্ক গড়তে হলে আগে তো জানাশোনা থাকতে হয়, তাই না? আপনার সম্পর্কে আমাকে ব্যাপকভাবে জানান।’ এ উত্তরের মানে কী, আপনারাই বলেন। এর মানে এই নয় কি, ‘আগে আপনার সম্পর্কে জেনে নিই। পরে জানাব, আপনার সাথে কোনো প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্কে যাওয়া যায় কিনা’? অন্ততঃ আমি তা-ই বুঝলাম। আমি আমার সম্পর্কে সবকিছু মেসেঞ্জারে লিখে লিখে জানালাম।

আমার দু’-একটা ফ্র্যাংক উত্তরে সে বেশি খুশি হতে পারলো না। যেমনঃ যখন আমি উল্লেখ করলাম, ‘অমুক দিন তুমি খুব সেক্সি একটা ড্রেস পড়ে এসেছিলে, তোমাকে ইচ্ছে করছিলো চুমু খেতে বা জড়িয়ে ধরতে।’ একথা শুনার পর সে একগাদা লেকচার দিল মেসেঞ্জারে। যেমনঃ ‘সে চৌধুরি বংশের মেয়ে, সে অনেক ভালো পরিবেশে বড় হয়েছে, এ ধরনের চিন্তা একজন মানুষ কী করে করতে পারে, সেটাই সে ভেবে পায় না’ – ইত্যাদি ইত্যাদি।

এরপরেই সে ধীরে ধীরে শীতল আচরণ করতে শুরু করে। পরে যখন আমি তার সম্পর্কে জানতে চাইলাম, তখন সে কোনো কিছুই জানালো না। এমনকি অনেক অনুরোধ করে বললাম, আসো দুজনে একদিন দেখা করি, কিছুক্ষণ সময় কাটাই (সামনাসামনি আলাপ করি)। তাতেও সে রাজি হলো না, বুঝলাম সে শুধু আমার সাথে একটু টাইমপাস করেছে। তখন তাকে গালাগালি না করে পারলাম না। কিছুদিনের মধ্যেই সে আমার অপর ব্লগের ডিইনডেক্স ঘটায়, যা আমাকে অনেক আশাহত করেছে। তাই পাঠক বন্ধুদের কাছে আমার পরামর্শ, দুনিয়াতে কাউকে নিরীহ বা নিরাপদ মনে করবেন না, সবসময় বুঝেশুনে চলবেন, আগেই সব বিলিয়ে দিবেন না।



পরকীয়ার আশ্বাস দিয়েছিল কিনা, নিজেই দেখে নিন।

নরসিংদীর শিবপুরের পপি ও মিতার কাহিনী

ছোটকালে ক্লাস ফোর থেকে এইট পর্যন্ত এক মহিলা টিচারের কাছে পড়েছিলাম, তার নাম ছিল সেলিনা। তার ও তার স্বামীর বাড়ি ছিল নরসিংদীর শিবপুরে। তাদের দুই মেয়ে ছিল, নাম মিতা ও পপি। মিতা আমার চেয়ে এক বছরের বড় ছিল এবং পপি আমার চেয়ে দুই বছরের ছোট ছিল। তাদের চরিত্র যে খারাপ ছিল –  সেটা সরাসরি বলতে পারবো না। শুধু এতটুকু দেখেছি যে, পপির বয়স যখন ২০-২২ বছর তখন দিনের পর দিন সে রাস্তার চিপায় দাঁড়িয়ে ছেলেদের সাথে আলাপ করেছে। সেটা যে প্রেমালাপ এতে কোনো সন্দেহ নেই, তাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ থেকে এটা স্পষ্ট। আর দু’দিন পরপর ছেলে পাল্টাতো, আজকে এই ছেলে তো কালকে আরেক ছেলে। পাশ দিয়ে কে গেল, সেটা পরিচিত নাকি অপরিচিত, সেটার তোয়াক্কা করতো না পপি। এমনকি তাকে এভাবে আলাপ করতে আমার মাও দেখেছে। তার এই আচরণ থেকে স্পষ্ট যে, ঐ সময় যৌবনের উত্তাপের চোটে সে হিতাহিত জ্ঞান ভুলে গিয়েছিল।

মজার ব্যাপার হলো এই পপিকেই আমি একদিন রাতে (যখন আমার বয়স ১১ আর তার বয়স ৯) ভালোবাসায় জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়েছিলাম (সে রাতে কোনো একটা কারণে পপি আমাদের বাসায় ছিল, প্লাস আমার সাথে একই বিছানায় শুয়েছিল)। সেই গল্প সে নিশ্চয়ই তার মাকে মানে আমার মহিলা টিচার সেলিনাকে শুনিয়েছে। ওহ, বলতে ভুলে গেলাম যে, সেলিনা আসলে আমাকে বাসায় এসে পড়াতেন।




তাদের আর্থিক অবস্থা বাড়াবাড়ি রকম খারাপ ছিল। তার স্বামী রাজমিস্ত্রী হলেও বেশিরভাগ সময় শুয়ে-বসে কাটাতো। আর সেলিনা একগাদা ছেলে-মেয়ে পড়িয়ে সংসারটা কোনোমতে টেনে নিচ্ছিলো। যাই হোক, এখানে আপনারা নিশ্চয়ই সেলিনার দুঃখের কাহিনী শুনতে আসেন নি, এসেছেন পপি আর মিতার কাহিনী শুনতে; সেটাই বলতে যাচ্ছি।

মেট্রিক পরীক্ষা দেয়ার পর পপির সাথে একা এক রুমে, তবে..

মেট্রিক পরীক্ষা দেয়ার পরপরই সেই ‘মাস্টরনি’ খালাম্মা তার ছোট মেয়ে পপিকে আমার কাছে পাঠিয়ে দিলেন দু’-চার দিন ফ্রি ফ্রি পড়ানোর জন্য, আফটার অল উনি দীর্ঘ একটা সময় আমার প্রাইভেট টিউটর ছিলেন। আসলে সেলিনার ইচ্ছে ছিল, তার ছোট বা বড় – কোনো একটা মেয়ের সাথে আমার সেটিং করিয়ে দেয়া। পপিকে ঠিকমতো পড়াতে পারলাম না, কারণ আমি পুরান সিলেবাসের স্টুডেন্ট ছিলাম আর সে ছিল নতুন সিলেবাসের। আর দরজা চাপানো থাকলেও বন্ধ ছিল না, অর্থাৎ যে কেউ ঢুকে পড়তে পারতো যে কোনো সময়। বিশেষ করে, আমার মা’র এক দূরসম্পর্কের কাজিন কামরুল মামা তখন আমাদের বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন। তিনি কিছুক্ষণ পরপরই রুমে ঢুকে পড়ছিলেন, আবার বেরিয়েও যাচ্ছিলেন। দরজাটা পুরোপুরি আটকানোর সুযোগ থাকলে পপির সাথে কিছু একটা করতাম তো অবশ্যই, পাশে খাট ছিল। আর পপির সলজ্জ হাসি বলে দিচ্ছিলো সে তাতে রাজি।

মিতা আমাকে আগে ‘তুই’ সম্বোধন করলেও পরে ‘আপনি’ করে ডেকেছিল

ক্লাস ফাইভের বৃত্তি পরীক্ষা দিতে নরসিংদী শিবপুরে গিয়েছিলাম, পপি ও মিতাদের বাড়িতে। সেখানে শিবপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে আমার সিট পড়েছিল। তখন সে স্কুলের হেডমাস্টার ছিল সেলিনার ভাসুর, তাই কৌশলে আমার রোল নং ১ বানিয়েছিল পরীক্ষায়, যদিও সে বৃত্তি আমি সাধারণ গ্রেডেও পাই নি। আসলে ক্লাস ফাইভে আমি এভারেজ টাইপের ছাত্র ছিলাম।



সেলিনাদের বাড়িতে অবস্থানকালীন সময়ে বেশ কয়েকটি অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিলাম। একটি হলো – সেখানে এক রিকশায় পাঁচ-ছয় জন নেয়ার চেষ্টা করছিল কিপটা সেলিনা ও তার পরিবার। তাই ঠেলাঠেলিতে আমি রিকশা থেকে পড়ে যাই এবং কোমরে মারাত্মক ব্যথা পাই। তখন পাশ দিয়ে কোনো বাস গেলে হয়তো মারাও যেতে পারতাম। আরেকটা ব্যাপার হলো, সেলিনাদের বাড়িওয়ালার ছেলেও বৃত্তি দিতে গিয়েছিল, তার সাথে তার মা গিয়েছিল, কিন্তু আমার সাথে আমার পরিবারের কেউ যায় নি।

চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছিলাম, বিদ্যুৎ-এর মা তার কত যত্ন-আত্তি করছে আর আমার দিকে তাকানোর মতো কেউ নেই। এর পেছনে আরেকটি কারণ ছিল – আমার বরাবরের বদ চেহারা, যার কারণে মানুষের সিমপ্যাথি স্বাভাবিকের তুলনায় সবসময়ই অনেক কম পাই।

সেলিনাদের বাসায় থাকাকালীন সময়টাতে শীতকাল ছিল এবং সেখানে আমার ঘুমের ভালো ব্যবস্থা করা হয় নি। প্লাস, বৃত্তি পরীক্ষার সময়কালে পরপর দুই পরীক্ষার মাঝে আমাকে শুধু শুকনো পরোটা আর ডাল খেতে দেয়া হয়েছিল। এ ধরনের গরীবি খাবার খেয়ে আমি অভ্যস্ত ছিলাম না, এর সবই হয়েছিল সেলিনার নিচু মানসিকতার ছোটলোক ফ্যামিলির কারণে।

তবে সবচেয়ে সারপ্রাইজিং ব্যাপার ছিল এই যে, বিদ্যুৎ ও আমি সমবয়সী হওয়া সত্ত্বেও মিতা আমাকে ‘তুই’ সম্বোধন করে ডাকছিল, যেখানে বিদ্যুৎকে ডাকছিল ‘তুমি’ করে। আমার চেয়ে এক বছরের বড় এই মিতাই কোন পরিপ্রেক্ষিতে আমাকে ‘আপনি’ সম্বোধন করেছিল, সেটা দ্বিতীয় পর্বে বলবো।



আপনি ইউজ না করলেও কেউ না কেউ ইউজ করবেই

এখানে আমি মেয়েমানুষের কথা বলছি। যেসব মেয়েমানুষ আপনার আশেপাশে ঘোরাফেরা করে, একটু ঘেঁষা পাবার আশায়, তাদেরকে আপনি ভালোমানুষি করে ব্যবহার না করলেও কেউ না কেউ ঠিকই ব্যবহার করবে। এটা বলছি আমার অভিজ্ঞতা থেকে। এ সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি এক্সপেরিয়েন্স আছে আমার। এখানে শুধু স্কুল লেভেলের বন্ধু মেহেদী হাসান চৌধুরি রাজিবের একমাত্র বোন বুবলির কথা বলছি। ওদের দেশের বাড়ি মুন্সিগঞ্জে, আর বুবলির পুরো নাম হলো নাহিদা চৌধুরি বুবলি। সে ঢাকা ভার্সিটির আই আর ডিপার্টমেন্ট থেকে অনার্স করার পর বিয়ে করে অস্ট্রেলিয়াতে পাড়ি জমিয়েছিল। সে আমার চেয়ে অ্যাকাডেমিকালি দুই বছরের ছোট ছিল, অর্থাৎ ২০০১ সালে ইন্টার পাশ করেছিল।




আসলে তার বাবা-মা-ভাইদের ইচ্ছে ছিল আমার সাথে তার বিয়ে দেয়া। কিন্তু তাকে বিয়ে করবো কিনা সে ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলাম না, কারণ তার ফিগার সুন্দর হলেও সে দেখতে ঠিক কিউট ছিল না। আর ঐ সময় তার চেয়ে বেশি রূপসী আর পয়সাওয়ালা বহুত মেয়েই আমার পেছনে ঘুরছিল। যেহেতু তার ভাই রাজিবের সাথে আমার সুসম্পর্ক ছিল, তাই সে ছিল আমার ‘বিবেচনার আওতায়’। তার সাথে দৈহিক সম্পর্কে জড়ানোর বেশ কয়েকটি সুযোগ সে নিজেই এবং তার পরিবারও আমাকে দিয়েছিল, কিন্তু আমি সেদিকে হাত বাড়াই নি অন্য এক স্কুল ফ্রেন্ড বিদ্যুৎ-এর সতর্কবাণী শুনে। তার মতে, বুবলীর সাথে দৈহিক সম্পর্কে জড়ালে তার পিতা বাদল চৌধুরি যে কিনা জাতীয় পার্টির রাজনীতি করতো, সে তার রাজনৈতিক প্রভাব খাঁটিয়ে আমাকে ‘জাল’-এ আটকিয়ে ফেলবে, তখন বুবলীকে বিয়ে করতে বাধ্য হব আমি।

তবে আমার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার আলোকে বলছি, ইদানিং শুধুমাত্র শারীরিক সম্পর্কের দাবি তুলে কোনো ছেলে বা মেয়েকে আটকানো অত সহজ ব্যাপার নয়, তাই বুবলীর সেক্সি দেহের দিকে হাত বাড়ানো উচিত ছিল আমার, তাহলে বেশ কয়েক বছর ধরে ভালোবাসা ও দৈহিক তৃপ্তি পেতে পারতাম ফ্রি ফ্রি।

আমি তাকে ইউজ করি নি – তার মানে এই নয় যে, সে বিয়ের আগে সেক্স করে নি। বিয়ের আগে সেটা সে ঠিকই করেছে – তার গানের টিচারের সাথে, যে কিনা যুবক বয়সী ছিল এবং শারীরিক দিক থেকেও বেশ শক্তসমর্থ ছিল। আবার একদিন সেটা করেছে আমার চোখের সামনেই। একজোড়া যুবক-যুবতী যখন দরজা আটকিয়ে বেশ কিছুক্ষণ চুপচাপ থাকে, তখন তারা কী করছে, সেটা বুঝতে আর বাকি থাকে না। বুবলীর মা আর বুবলী নিজেই আমার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল যেন, ‘দেখ, তুমি আমার সাথে না শুলেও আমাদের শয্যাসঙ্গীর অভাব হয় না।’



শাহনাজ মঞ্জিলের শাহনাজ আন্টির বিশাল গতর

কুড়িল বিশ্বরোডের কাছে ‘শাহনাজ মঞ্জিল’ নামে একটি ছয়তলা বিল্ডিং রয়েছে। সে জমির প্রকৃত মালিক শাহনাজ নামের এক ৪২-৪৩ বছরের মহিলা। যৌবন এখনো ফুরায় নি মহিলার, তার শরীরের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। কারণ যেমন তার টসটসা দুধ, তেমন তার পাছা। আমি আসলে তার পাশের বিল্ডিং এ ভাড়া থাকতাম; আর মনে মনে ভাবতাম, ইস, এই মহিলার সাথে যদি ঘনিষ্ঠ হওয়া যেত!

মহিলাও মনে মনে আমাকে কামনা করতো, যেটা আমি তার সাথে প্রথম দিন দেখা করতে গিয়ে বুঝেছিলাম। আসলে নতুন বাসা দরকার ছিল, তাই তাদের সাথে দেখা করতে গেছিলাম। মহিলার স্বামীর সাথে কিছুক্ষণ কথা বলার পর দেখলাম, সে যেন কোথায় চলে গেল। এদিকে ওরনা ছাড়াই বিশাল বিশাল দুধ দু’টো দেখিয়ে ঠোটে একটা মিচকি শয়তানি হাসি ধরে রেখে আমার সাথে আলাপ চালিয়ে যাচ্ছিল মহিলা।

ওদের বাড়িতে চার তলায় ভাড়া উঠেছিলাম। তাদের দরজার লকগুলো আধুনিক ছিল, সেটা কীভাবে ব্যবহার করতে হয় তা ঐ মহিলাকে শিখিয়ে দিতে অনুরোধ করলাম। কিন্তু মহিলা মনে করলো, তাকে ফাঁকা বাসায় আটকিয়ে লাগাতে চাই আমি। মনে মনে সে ভাবলো, প্রথম দিন এসেই পরকীয়া সেক্স! সে মুখে একটা লোচ্চা মার্কা হাসি ধরে রেখে আমার মনের ইচ্ছা বুঝতে চেষ্টা করলো। আমিও তার আমন্ত্রণসুলভ হাসি দেখে যৌনউত্তেজিত হয়ে পড়লাম, ডান্ডা দাঁড়িয়ে গেল আমার। কিন্তু কিছুই করার নেই, ভেতরে শ্বশুর ছিল আমার। সে না থাকলে ওখানেই বিছানায় ফেলে মাগিকে…!

আরেক দিন সিঁড়ি দিয়ে নামছিলাম, আর শাহনাজ টুলেট লাগাচ্ছিল। আমার উপস্থিতি টের পেয়ে সে পাছাটা পেছনের দিকে ঠেলে আমাকে বুঝিয়ে দিল ওটার সাইজ, কমপক্ষে ৪২ ইঞ্চি তো হবেই! কিন্তু আমি তখন বাচ্চা কোলে নিয়ে নিচে নামছিলাম ওকে ঘুরানোর উদ্দেশ্যে। বাচ্চা কোলে না থাকলে, অর্থাৎ আমি একা থাকলে অবশ্যই তার পাছায় হাত বুলিয়ে বলতাম, ‘আন্টি, আপনার পাছাটা কিন্তু হেব্বি’। এতে অবশ্য খুব একটা কিছু মনে করতো না সে, কারণ এগুলো সে ইচ্ছে করেই করছিলো।

আবার মাঝে মাঝে সে চা খাওয়ার জন্য ডাকতো, আমি ভিতরে যেতাম না এটা ভেবে যে, তার স্বামী হয়তো ভিতরে আছে। আসলে তার স্বামী থাকলেও আমার ভিতরে ঢোকা উচিত ছিল। প্রথম প্রথম স্বামী থাকা অবস্থায় আমার সাথে ফ্রি হয়ে পরবর্তীতে সে না থাকলে আমাকে ডাকতো। আসলে, ঐ সময়টায় চোখের একটা সমস্যা নিয়ে খুবই বিব্রত ছিলাম, তাই ‘কাঁচা পরকীয়া সেক্স’-এর ব্যাপারে খুব একটা আগ্রহ দেখাই নি। তবে আরো কিছুদিন সে বাসায় থাকলে হয়তো ঐ মহিলার সাথে শুতে পারতাম। কিন্তু মাঝখানে উপরের তলায় এক নোয়াখাইল্লা ব্যাচেলর ফ্যামিলি এসে এত ধুপধাপ আর ডিস্টার্ব করতে শুরু করলো যে, বাসা ছেড়ে দিতে বাধ্য হলাম।

শাহনাজ সমস্যাটির কোনো সমাধান করতে পারলো না। এর সম্ভাব্য কারণ এই যে, ঐ ব্যাচেলরদের মধ্যে একজন সুদর্শন ছয় ফুটিয়া ইয়াং যুবক ছিল, আন্টি সম্ভবতঃ তার সাথে শোয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।