কৃতি স্যানন সম্পর্কে এই তথ্যগুলো জানতেন কি? (Did you know these info about Kriti Sanon?)

কৃতি ১৯৯০ সালের ২৭শে জানুয়ারী তারিখে জন্মগ্রহণ করেন অর্থাৎ বর্তমানে তাঁর বয়স প্রায় ২৮ বছর এবং তিনি সিংহ রাশির জাতিকা। তিনি দিল্লীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং বেড়ে ওঠেন। তাঁর বাবার নাম রাহুল যিনি একজন চার্টার্ড একাউন্টেন্ট এবং তাঁর মায়ের নাম গীতা যিনি দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা। কৃতির একজন ছোট বোন রয়েছে, তাঁর নাম নুপুর। কৃতি আরকে পুরামে অবস্থিত দিল্লী সরকারি বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেন।
তিনি উত্তরপ্রদেশের নয়ডায় অবস্থিত জয়পী ইন্সটিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজি থেকে ইলেকট্রনিক্স এবং কমিউনিকেশন্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে বি.টেক. ডিগ্রী অর্জন করেন। গ্র্যাজুয়েশনের পর তিনি কিছুকাল মডেলিং করেন। তিনি ক্লোজআপ, ভিভেল, আমুল, স্যামসাং, হিমালয়া এবং বাটা’র পণ্যের মডেল হন। কৃতি তাঁর অভিনয় জীবনের সূচনা করেন সুকুমার পরিচালিত তেলেগু ফিল্ম ‘নেনোক্কাদিনে’র মাধ্যমে, যা মুক্তি পায় ২০১৪ সালে। ছবিটিতে তিনি সামিরা নামের একটি মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেন, যে কিনা মহেশ বাবুর চরিত্রের প্রেমিকা। এ ছবিতে তাঁর অভিনয় মিশ্র প্রতিক্রিয়া অর্জন করেছে, তার মানে হলো – কিছু লোক (ফিল্ম ক্রিটিক বা সমালোচক) প্রশংসা করলেও অন্যরা তাঁর অভিনয়শৈলীকে গড়পড়তা বলে উল্লেখ করেছেন।




২০১৪-এর মাঝামাঝি সময়ে কৃতি স্যানন অভিনীত প্রথম হিন্দী ফিল্ম ‘হিরোপান্তি’ মুক্তি পায়। এতে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেন টাইগার শ্রফ এবং ছবিটি পরিচালনা করেন সাব্বির খান। এই ছবিতেও কৃতির অভিনয় মিশ্র প্রতিক্রিয়া অর্জন করে, তবে ছবিটি ব্যবসায়িক সফলতা অর্জন করে। এতে করে বলিউডে কৃতির কাটতি ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। তবে যে যাই বলুক না কেন, তাঁর প্রথম বলিউড ছবিতে অভিনয়ের জন্য কৃতি ‘অভিষেককৃত নায়িকা’ হিসেবে ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন।
শাহরুখের ‘দিলওয়ালে’ ছবিটি কৃতির অভিনয় ক্যারিয়ার জীবনের একটি বড় টার্ন পয়েন্ট। বলিউডের সর্বকালের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ব্যবসাসফল ছবির কাতারে ‘দিলওয়ালে’র অবস্থান। বিশ্বজুড়ে ছবিটির গ্রস আর্নিং বা অশোধিত উপার্জন ৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি। তবে ছবিটিতে শাহরুখ কৃতির বিপরীতে অভিনয় করেন নি, বরং কৃতির বিপরীতে ছিলেন ডেভিড ধাওয়ান এবং শাহরুখের বিপরীতে কাজল। উপরন্তু, অনুপমা চোপড়া যিনি কিনা বলিউডের একজন উল্লেখযোগ্য ফিল্ম সমালোচক (ক্রিটিক), তিনি ‘দিলওয়ালে’ ছবিটি পছন্দ করেন নি। তিনি লেখেন, ”ছবিতে কৃতি এবং ধাওয়ানকে টোপ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, ইয়াং জেনারেশনকে হলমুখী করার উদ্দেশ্যে”।



২০১৭ সালে কৃতির দু’টি ছবি মুক্তি পায়, প্রথমটি হলো ‘রাবতা’ যেখানে তিনি সুশান্ত সিং রাজপুতের বিপরীতে অভিনয় করেন। সুযোগ পেলেই কৃতি অভিনয়ের পাশাপাশি অন্যান্য কাজকর্ম যেমনঃ স্টেজ পারফর্ম করেন। ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে তিনি ঐ বছরের আইপিএলের সূচনা অনুষ্ঠানে (ওপেনিং সেরেমনি) পারফর্ম করেন।

নায়িকা শবনম সম্পর্কে এই তথ্যগুলো জানেন কি? (Interesting info about heroine Shabnam)

নায়িকা শবনম এমনকি শাবানারও সিনিয়র। তাঁর সম্পর্কে সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং তথ্যটি হলো – তিনি আসলে হিন্দু, যদিও হিন্দু রমণীর চরিত্রে তিনি অভিনয় করেন নি – বললেই চলে। এমনকি তাঁর কপালে কেউ সিদুঁর দেখেছে বা তাঁকে হিন্দু রমণীর সাজসজ্জায় দেখেছে – এমনটিও কেও বলতে পারবে না। শবনমের প্রকৃত নাম হলো ঝর্ণা বসাক। তিনি ১৯৪২ সালের ১৭ই আগস্ট ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেছেন, অর্থাৎ তাঁর বর্তমান বয়স ৭৫ বছর।
তাঁর বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান উভয় দেশের নাগরিকত্ব রয়েছে। ১৯৬১ সাল থেকে শুরু করে ১৯৯৯ পর্যন্ত প্রায় ৪০ বছর তিনি অভিনয় জগতে বিচরণ করেছেন। তাঁর স্বামীর নাম রবিন ঘোষ, যার সাথে ১৯৬৪ সালে ঝর্ণা বসাকের বিয়ে হয়। ২০১৬ সালে এই ভদ্রলোক মারা যান।

শবনম চলচ্চিত্র ছাড়াও মঞ্চে অভিনয় করেছেন। পাকিস্তানি অভিনেতা ওয়াহিদ মুরাদ ১৯৬৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘সমুন্দর’ ছবিতে তাঁকে প্রধান অভিনেত্রী বা নায়িকা হিসেবে অভিনয়ের সুযোগ করে দিয়ে পাকিস্তানী চলচ্চিত্র শিল্পে জায়গা করে দেন। পাকিস্তানের সিনেমা জগতকে ‘ললিউড’ বলা হয়। সেখানে প্রায় তিন দশক ধরে শবনম কাজ করেছেন। পাকিস্তানি যেকোনো অভিনেত্রীর জন্য ঐ দেশের সরকারের তরফ হতে সর্বোচ্চ সম্মানের পুরষ্কার হলো ‘নিগার’ অ্যাওয়ার্ড। এ পুরষ্কারটি শবনম ১৩বার লাভ করেন এবং আরো বেশ কয়েকবারের জন্য মনোনীত হন। প্রকৃতপক্ষে পাকিস্তানের ইতিহাসে শবনমই একজন অভিনেত্রী হিসেবে সবচেয়ে বেশি বার ‘নিগার’ পুরষ্কার লাভ করেন।



তিনি ১৮০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। প্রায় ২৮ বছর ধরে তিনি পাকিস্তানের চলচ্চিত্র জগতের এক নম্বর নায়িকা ছিলেন। তিনি ১৯৬৮ সালে পূর্ব পাকিস্তান ছেড়ে পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যান, স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য এবং নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করেন। এরপর তিনি পিতৃভূমি বাংলাদেশে চলে আসেন। এবার শবনমের বাল্যকাল সম্পর্কে বলা যাক। তাঁর পিতার নাম ‘নানি বসাক’ যিনি ঢাকার স্থানীয় এবং পেশায় একজন ফুটবল রেফারি ছিলেন। বাল্যকালে শবনম দূরন্ত স্বভাবের এবং কিছুটা ‘টমবয়’ প্রকৃতির ছিলেন – তাঁর বোনের সাথে তুলনায়, যে কিনা সঙ্গীতে আগ্রহী ছিল। তারপরেও ঝর্ণা বসাক নাচের দীক্ষা নিয়েছেন। সর্বপ্রথমে একটি ছবিতে তাঁকে পার্শ্বনর্তকীর চরিত্রে অভিনয়ের অফার দেয়া হয়, এভাবেই শিল্পকলার জগতে তাঁর বিচরণ শুরু হয়।

শবনমের পিতা তাঁকে বুলবুল ললিতকলা একাডেমীতে ভর্তি করিয়ে দেন, এর কিছুদিনের মধ্যেই তাঁর পিতার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু তাঁকে ‘এই দেশ তোমার আমার’ ছবিতে একটি নাচের দৃশ্যে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন। তাঁর পরবর্তী ছবি হলো ‘রাজধানীর বুকে’, সেখানে একজন নর্তকীর চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। গানটা যখন হিট হলো, তখন দর্শকেরা সবাই চাইলো শবনমকে যাতে শীর্ষ অভিনেত্রী বা নায়িকা হিসেবে ছবিতে নেয়া হয়।




এরপর তিনি তাঁর অভিষেক বাংলা ছবি ‘হারানো দিন’-এ অভিনয় করেন। বিখ্যাত পরিচালক এহতেশাম তাঁর ‘চান্দা’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য শবনমকে মনোনীত করলে তিনি পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যান। ঐ সময়টায় শবনম উর্দুতে খুব একটা পারদর্শী ছিলেন না, তাই তাঁর রিহার্সেলের স্ক্রিপ্ট বাংলায় লেখা হতো। ছবিটির সঙ্গীত পরিচালনা করেন শবনমের স্বামী রবিন ঘোষ। ছবিটি দারুণ ব্যবসাসফল হয়, এরপরই কিছুদিনের মধ্যে পাকিস্তানের চলচ্চিত্র শিল্পে শবনম শীর্ষ পর্যায়ে চলে যান।

নায়িকা ববিতা সম্পর্কে এই তথ্যগুলো জানেন কি? (Interesting info about Actress Bobita)

কারিশমা ও কারিনা কাপুরের মা ববিতা নন, আমরা এখানে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের প্রবাদপ্রতীম নায়িকা ববিতার কথা বলছি। বিনোদনজগতে তাঁর নাম ববিতা হলেও তাঁর প্রকৃত নাম ফরিদা আক্তার পপি। তাঁর জন্মতারিখ ৩০শে জুলাই। তাঁর জন্মসাল পুরোপুরি জানা না গেলেও বয়স মোটামুটি ৬৫ এর কাছাকাছি। তিনি যশোরের মেয়ে। জানা গেছে, বর্তমানে ববিতা তাঁর একমাত্র ছেলে অনিককে নিয়ে বনানীর বাড়িতে থাকেন। তাঁর স্বামীর নাম ইফতেখার। তিনি চট্টগ্রামের ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ছিলেন। তাঁদের ছেলের বয়স যখন মাত্র তিন বছর তখনই ঐ ভদ্রলোক মারা যান। চিত্রনায়িকা সুচন্দা ববিতার আপন বড়বোন, প্রয়াত লেখক ও চিত্রনির্মাতা জহির রায়হান তাঁর দুলাভাই অর্থাৎ সুচন্দার স্বামী। চিত্রনায়িকা চম্পা ববিতার আপন ছোট বোন। চিত্রনায়ক রিয়াজ ববিতার আপন কাজিন এবং ওমর সানি দূরসম্পর্কের ভাইপো হন।




ববিতা একটি শিক্ষিত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর তিনজন ভাই রয়েছে। তাঁর মা কলকাতার লেডি ব্রাবোর্ন কলেজে অধ্যয়ন করেছিলেন। ববিতা নিজেও একজন ডাক্তার হতে চেয়েছিলেন, কিন্তু ভাগ্যের পরিক্রমায় হয়ে গেলেন চিত্রশিল্পী। ২০০৪ সালে ইন্ডিপেন্ডেন্ট পত্রিকার সাথে এক সাক্ষাৎকারে ববিতা জানিয়েছেন, আফজাল চৌধুরি নামে এক ব্যক্তি প্রথম তাঁর ‘পর্দা নাম’ হিসেবে ‘ববিতা’ নামটি প্রস্তাব করেন। ২০০৫ সালে ডেইলি স্টারের সাথে এক সাক্ষাৎকারে ববিতা জানিয়েছেন, তাঁর দুলাভাই জহির রায়হান ‘সংসার’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য প্রথমে তাঁকে প্রস্তাব দেন। আবার, অন্য এক সূত্রে জানা যায়, এহতেশামের ‘পিচ ঢালা পথ’ ছবিতে অভিনয়ের পর তিনি ‘ববিতা’ নামটি ধারণ করেন।
অবশ্য জহির রায়হান সর্বপ্রথমে যে ছবির জন্য ববিতাকে প্রস্তাব দেন তার নাম হলো ‘জলতে সুরজ কা নিচে’। যদিও ছবিটি মুক্তি পায় নি, কিন্তু এটিই তাঁকে ঢাকাই চলচ্চিত্র শিল্পে জায়গা করে দেয়।

ববিতার প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত ছবির নাম ‘শেষ পর্যন্ত’। তাঁর উল্লেখযোগ্য ছবিগুলো হলো সুখে থাকো, টাকা আনা পাই, স্বরলিপি, মানুষের মন, পিচ ঢালা পথ, নয়ন মনি, জন্ম থেকে জ্বলছি এবং আনারকলি। তাঁর অভিনয়শৈলি ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায়-এর দৃষ্টি আকর্ষণ করে। সত্যজিৎ তাঁর ‘অশনি সংকেত’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ববিতাকে নেন, ১৯৭৩ সালে। ছবিটির মূল কাহিনী ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষকে কেন্দ্র করে। ববিতা তাঁর ক্যারিয়ারে বেশ কয়েকটি যৌথ প্রযোজনার ছবিতে অভিনয় করেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হলো ‘গেহরি চোট’ বা ‘দূর দেশ’ নামক চলচ্চিত্রটি। এটি কানাডা-বলিউড-বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনা। ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৮৩ সালে, এতে ববিতার বিপরীতে অভিনয় করেন নাদিম বেগ। এছাড়া বাংলাদেশ-পাকিস্তান যৌথ প্রযোজনার ছবি ‘মিস লংকা’ও উল্লেখযোগ্য। ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৮৫ সালে, এটি উর্দুতে ‘নাদানি’ নামে পরিচিত। ববিতা অভিনীত ‘অশনি সংকেত’ ছবিটি ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবে ‘গোল্ডেন বিয়ার’ পুরষ্কার জিতে নেয়। উক্ত ছবিতে ববিতা কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন।




আনুশকা শর্মা সম্পর্কে এই তথ্যগুলো জানেন কি? (Did you know these info about Anushka Sharma?)

আনুশকা

বলিউডে আনুশকার অভিষেক ঘটে ২০০৮ সালে শাহরুখ খানের ছবি ‘রব নে বানা দি জোড়ি’র মাধ্যমে। এর পরে তাঁর ছবিগুলোর কোনো কোনোটি হিট হলেও অনেকগুলোই তাঁকে ভুগিয়েছে। আনুশকা যদিও কখনোই বলিউডে নারীদের মধ্যে শীর্ষস্থান পান নি, তবু বলা যায় বলিউডে বর্তমানে তাঁর অবস্থান বেশ পাকাপোক্ত। সম্প্রতি বিয়ের পিঁড়িতে বসলেও অনায়াসে আরো দীর্ঘ সময় উচ্চ পারিশ্রমিকে কাজ করতে পারবেন, এমনটি আশা করা যায়।

যাই হোক, এই নায়িকা সম্পর্কে নিম্নোক্ত তথ্যগুলো জানতেন কি? একটু মিলিয়ে নিন তো।
(১) সবার ধারণা আনুশকা ব্যাঙ্গালুরুর মেয়ে। সত্য হলো এই যে, ব্যাঙ্গালুরুতে তিনি বেড়ে উঠলেও পিতৃসূত্রে তিনি উত্তর প্রদেশের মেয়ে। এমনকি তাঁর জন্মও হয়েছিল উত্তর প্রদেশে, রামায়ণের বিখ্যাত অযোধ্যা নগরীতে। অমিতাভ বচ্চনসহ বলিউডের অনেক শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি উত্তর প্রদেশ থেকে উঠে এসেছেন। এছাড়া, ভারতের কেন্দ্রীয় রাজনীতির অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিও উত্তর প্রদেশ থেকে এসেছেন, যেমনঃ প্রয়াত রাজিব গান্ধীর পরিবার।




(২) আনুশকার উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি। এত উচ্চতা তিনি কার কাছ থেকে পেয়েছেন? অবশ্যই তাঁর পিতার কাছ থেকে। শর্মার পিতা ইন্ডিয়ান আর্মির অফিসার ছিলেন। এ বিষয়ে আনুশকা এতটাই গর্ববোধ করেন যে একবার তো বলেই বসলেন, ‘আমি বলিউডের প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী, এর চেয়ে বেশি গর্ব অনুভব করি নিজেকে ইন্ডিয়ান আর্মির একজন অফিসারের কন্যা হিসেবে।’

(৩) শর্মা জন্মগ্রহণ করেন ১৯৮৮ সালের ১ মে, অর্থাৎ বর্তমানে তাঁর বয়স ৩০ বছর। বর্তমানে ভারতের সেরা ক্রিকেটার বিরাট কোহলীর সাথে দীর্ঘদিনের প্রেমের পর ২০১৭ সালে তাঁরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। মজার ব্যাপার হলো এই, তাঁদের প্রেম জীবনের এক পর্যায়ে ৪০ কোটি রূপি নিয়ে তাঁদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝি হয়। এই টাকা আনুশকা বিরাটের কাছ থেকে ধার নিয়েছিলেন। সবাই ভেবেছিল, যেহেতু টাকার ব্যাপার, সুতরাং এই দু’জনের সম্পর্ক নিশ্চয়ই চিরদিনের মত শেষ। কিন্তু নিন্দুকদের চিন্তাভাবনাকে ভুল প্রমাণিত করে তাঁরা পুনরায় একত্রিত হন এবং সম্পর্কটিকে অফিসিয়াল রূপ দেন (বিয়ে করেন)।



(৪) প্রথম ছবি ‘রব নে বানা দি জোড়ি’ ছাড়াও শর্মার ক্যারিয়ারে অন্যান্য উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হলো বদমাশ কোম্পানি, ব্যান্ড বাজা বারাত, পাতিওয়ালা হাউজ, জব তক হ্যায় জান, পিকে, সুলতান, অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল, যব হ্যারি মেট সাজাল, পরি, সাঞ্জু। এর মধ্যে পিকে ছবিটি বলিউডের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা ব্যবসাসফল ছবি, যদিও এর কৃতিত্ত্ব মূলত আমির খানের। ‘সুলতান’ ছবিটিও তুমুল ব্যবসা করে। তবে ‘পরি’ ছবিটি করে আনুশকা সমালোচনার মুখে পড়েন। মনে করা হয়, এই ছবির কাহিনীর আইডিয়া হলিউডের অ্যানিমেটেড ফিল্ম ‘কর্পস্ ব্রাইড’ থেকে নেয়া।

আনুশকা শর্মা সম্পর্কে এই তথ্যগুলোর বেশিরভাগই সংবাদপত্র, টিভি চ্যানেল এবং ইন্টারনেট থেকে পাওয়া।

নিচের লিংকে ক্লিক করে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।

https://www.youtube.com/channel/UC_ea40zKSAhep0MI23VQx0g

Things you didn’t know about Alia Bhatt