অপু বিশ্বাস সম্পর্কে কতটুকু জানেন? মিলিয়ে নিন তাহলে। (Did you know these info about Apu Biswas?)

অপু বিশ্বাস
ব্যক্তিগত জীবন

অপু বিশ্বাস জন্মগ্রহণ করেন ১৯৮৯ সালের ১০ অক্টোবর অর্থাৎ বর্তমানে তাঁর বয়স সাড়ে আঢাশ বছর। তাঁর পিতার নাম উপেন্দ্রনাথ বিশ্বাস এবং মাতার নাম শেফালি বিশ্বাস, অপু বগুড়ার মেয়ে। ছোটকাল থেকেই অপু অভিনয়ের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন এবং শিল্পকলা একাডেমি থেকে নাচের দীক্ষা নেন। মিডিয়াতে কাজ করার ব্যাপারে তাঁর পিতামাতা তাঁকে উৎসাহ জুগিয়েছেন।

২০০৮ সালে অপু বাংলাদেশি চলচ্চিত্র অভিনেতা শাকিব খানকে গোপনে বিয়ে করেন এবং নিজের নাম পরিবর্তন করে অপু ইসলাম খান রাখেন। এই জুটির একটি পুত্রসন্তান রয়েছে, নাম আব্রাম খান জয়। অনেকে বলে থাকেন, শাহরুখ খানের ছোট পুত্র আব্রামের সাথে মিলিয়ে এই নাম রাখা হয়েছে। জয়ের জন্ম হয় ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর, কোলকাতায়।

২০১৭ সালের ১০ই এপ্রিল পর্যন্ত অপু-শাকিবের বিয়ে এবং তাঁদের সন্তানের বিষয়টি জনগণের কাছ থেকে আড়াল করে রাখা হয়। কিন্তু ঐ বিশেষ দিনের অপু তাঁর সন্তান নিয়ে একটি বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেলের লাইভ অনুষ্ঠানে চলে আসেন এবং সব গোমর ফাঁস করে দেন। এতে শাকিব খান বিরক্ত হয়ে একই বছরের ২২শে নভেম্বর তারিখে বিবাহবিচ্ছেদের জন্য আবেদন করেন এবং অবশেষে ২০১৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী তারিখে তাঁরা অফিসিয়ালি আলাদা হয়ে যান, অর্থাৎ আদালতের তরফ থেকে তাঁদের বিচ্ছেদ মঞ্জুর করা হয়।



অপু বিশ্বাসের ক্যারিয়ার

ঢাকাই চলচ্চিত্র বা ঢালিউডে অপু বিশ্বাসের অভিষেক ঘটে ২০০৬ সালে, ‘কাল সকালে’ ছবির মাধ্যমে। পরে ‘কোটি টাকার কাবিন’ ছবিতে তাঁর অভিনয় প্রশংসিত হয় এবং এর মাধ্যমে ঢালিউডে তাঁর একটি পাকাপোক্ত স্থান হয়। তাঁর ফিল্মী ক্যারিয়ারের বেশিরভাগ ছবিতে তাঁর পুরুষ সহকর্মী বা নায়ক ছিলেন শাকিব খান। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে শাকিব-অপু সবচেয়ে সফলতম এবং জনপ্রিয় জুটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

‘দেবদাস’ চলচ্চিত্রের যে রিমেক বাংলাদেশে হয় তাতে অপু ‘পার্বতী’ চরিত্রে অভিনয় করেন। ২০১৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত অপুর আরেক ছবি ‘মাই ন্যাম ইজ খান’ও তুমুল ব্যবসা করে। এই ছবিতেও তাঁর নায়ক ছিলেন শাকিব খান। মূলতঃ এই ছবিটি শাকিবকে উপজীব্য করেই তৈরি। বাংলাদেশের যে সকল সেলিব্রিটি সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক পেয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অপু বিশ্বাস অন্যতম।

তালাকের আপোষপ্রচেষ্টায় অপু বিশ্বাস একাই গিয়েছিলেন

ঢালিউডে প্রতিষ্ঠা পাবার জন্যই হোক অথবা শাকিবকে ভালোবেসেই হোক, শাকিবের সাথে বেশ কিছু অন্তরঙ্গ মুহূর্ত কাটিয়েছেন অপু বিশ্বাস, তাঁর ক্যারিয়ারের শুরু হতেই। এক পর্যায়ে কী মনে করে তাঁরা বিবাহ করলেন, সেটা তাঁরাই ভালো বলতে পারবেন। তবে বিয়ের ব্যাপারটি চেপে থাকার বিষয়টি অপুর জন্য খুবই যন্ত্রণাকর ছিল এটা চোখ বুঝে বলে দেয়া যায়। বিশেষ করে ইচ্ছে বা অনিচ্ছেয় তাঁদের সন্তানটি জন্মলাভের পর অপু মনেপ্রাণে চাইছিলেন গোপন কথাগুলো সবাইকে বলে দিতে। কিন্তু শাকিব তাঁকে বরাবরই এ বিষয়ে মানা করছিলেন। অবশেষে ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙ্গে গেলে তিনি একটি টিভি চ্যানেলের লাইভে এসে সবকিছু ফ্ল্যাশ করে দেন। এটা শাকিবের অপ্রত্যাশিত ছিল এবং তিনি অপুর উপর বিশাল পরিমাণে রাগ বা অভিমান করেন।

উপরন্তু সে সময় শাকিবের সাথে নায়িকা বুবলীর প্রেম ছিল বলে কানাঘুষা চলছিল, অপু বিশ্বাস এ বিষয়ে অবগত ছিলেন। বিশেষ করে শাকিব যখন বুবলীর বাসায় গিয়ে তাঁর ও তাঁর পরিবারবর্গের সাথে ছবি তুলে সেটা ফেসবুকে আপলোড দেন এবং ক্যাপশন দেন ‘ফ্যামিলির সাথে কিছুটা সময়’, তখন সেটা মেনে নেয়া অপুর পক্ষে সম্ভব হয় নি। এ ঘটনার দু’-এক দিনের মধ্যেই অপু নিউজ ফ্ল্যাশটি করে দেন।




যাই হোক, অপু বিশ্বাস এত কিছুর পরেও তাঁর সংসার টিকিয়ে রাখার ব্যাপারে আশাবাদী ছিলেন, কিন্তু বেঁকে বসেন শাকিব। তিনি মোটামুটি ঠিক করে ফেলেন, এই সংসার তিনি রাখবেন না। তাই তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদের আপোষপ্রচেষ্টার দিন অপু উপস্থিত থাকলেও শাকিব অনুপস্থিত ছিলেন, এতে তাদের বিচ্ছেদ অবশ্যম্ভাবী হয়ে যায়।

অপু বিশ্বাস সম্পর্কে এই তথ্যগুলোর বেশির ভাগই উইকিপিডিয়া থেকে নেয়া।

নিচের লিংকে ক্লিক করে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।

https://www.youtube.com/channel/UC_ea40zKSAhep0MI23VQx0g

শবনম বুবলী সম্পর্কে জেনে নিন। (Come to know about Shobnom Bubly)

শবনম বুবলী সম্পর্কে জেনে নিন। (Come to know about Shobnom Bubly)

বুবলী

ঢাকাই চলচ্চিত্রের নায়িকা বুবলীকে সবাই শাকিব খানের প্রেমিকা হিসেবে চিনে। তবে এই বুবলী সম্পর্কে এমন অনেক অজানা তথ্য রয়েছে যা জানলে তাঁর সম্বন্ধে ধারণাই বদলে যাবে আপনার। তাহলে চলুন জেনে নেই, বুবলীর জানা-অজানা কথা।
(১) বুবলীর পুরো নাম হলো শবনম ইয়াসমিন বুবলী। শবনম কথার অর্থ শিশির, অর্থাৎ শীতের সকালে ঘাসের উপর যেটা জমে, সেটাই হলো শিশির। এরূপ নামকরণের কারণ সম্ভবতঃ এই যে, শৈশবে বুবলীর গায়ের রং অত্যধিক ফর্সা ও আকর্ষণীয় ছিল। আরেকটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারতো, যদি তিনি শীতকালে জন্মাতেন। কিন্তু জানা গেছে, তাঁর জন্মতারিখ ২৮ সেপ্টেম্বর যেটা শীতকাল নয়। তবে তিনি কখনোই তাঁর জন্মসাল জানান নি।
এছাড়া বুবলী কথাটা সম্ভবত ইংরেজি bubbly থেকে এসেছে যার মানে হলো হাসিখুশি এবং প্রাঞ্জল। নিশ্চয়ই ছেলেবেলায় তিনি ঐরূপই ছিলেন।




(২) বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে বুবলীর অভিষেক ঘটে ‘বসগিরি’ ছবির মাধ্যমে। এই ছবিতে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছেন শাকিব খান এবং ছবিটি মুক্তি পায় ২০১৬ সালের ১২ই সেপ্টেম্বর। ছবিটি মুক্তি পাওয়ার প্রাক্কালে এবং পরবর্তীতে শাকিব ও বুবলীর প্রেমের গুজব নিয়ে ব্যাপক ঝড় ওঠে যেখানে ঘি ঢালেন শাকিবের প্রাক্তন স্ত্রী অপু বিশ্বাস। তিনি বুবলীকে ফোনে এবং ফেইসবুকে যা-তা গালাগালি করেন এমনও অভিযোগ ওঠে।
যাই হোক, ‘বসগিরি’র মুক্তির পর বুবলী শাকিবের সাথে একটার একটা ছবিতে অভিনয় করতে থাকেন, এগুলোর নাম হলো শ্যুটার, মা, অহংকার, রংবাজ ইত্যাদি। বুবলী ইতিমধ্যে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে মেরিল-প্রথম আলো পুরষ্কার অর্জন করেছেন।
(৩) বুবলী ঢাকায় জন্মগ্রহণ করলেও পিতৃসূত্রে তিনি নোয়াখালীর মেয়ে বলে জানা যায়। এজন্য ‘চিটাগাইঙ্গা পোয়া নোয়াখাইল্লা মাইয়া’ ছবিতে হিরোইন হিসেবে তাঁর কাস্টিং যথোপযুক্ত হয়েছে বলে অনেকে মনে করেন।
অভিনয়ের পূর্বে তিনি মডেলিং এবং সংবাদ পাঠিকা হিসেবে কাজ করতেন। তাঁর আগে একটি বিয়ে হয়েছিল বলে জানা যায়, যা পরবর্তীতে ডিভোর্সে গড়ায়। বলতে গেলে, ২০১৬ সাল হতেই বুবলী দেশবাসীর কাছে একটি পরিচিত মুখ।
(৪) তাঁর উচ্চতা ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি এবং ওজন ৫০ কেজি। তাঁর গায়ের রং ফর্সা এবং চুলের রং কালো। তাঁর ব্যক্তিত্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ হলো তাঁর নজরকাড়া সুন্দর হাসি। বর্তমানে শাকিব খানই বুবলীর প্রেমিক বা বয়ফ্রেন্ড – এমন গুঞ্জন রয়েছে।




বুবলী সম্পর্কে এই তথ্যগুলো ইন্টারনেট এবং মিডিয়া থেকে পাওয়া।

নিচের লিংকে ক্লিক করে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।

https://www.youtube.com/channel/UC_ea40zKSAhep0MI23VQx0g

মৌসুমি সম্পর্কে এই তথ্যগুলো আগে থেকে জানতেন কি? (Interesting information about Moushumi)

মৌসুমি সম্পর্কে এই তথ্যগুলো আগে থেকে জানতেন কি? (Interesting information about Moushumi)

মৌসুমি

আপনি যদি নব্বইয়ের দশকে একজন শিশু বা প্রাপ্তবয়ষ্ক হয়ে থাকেন, তাহলে নিশ্চয়ই কেয়ামত থেকে কেয়ামত ছবিতে মৌসুমি এবং সালশান শাহ’র অভিনয় আপনাকে মুগ্ধ করেছে। সে সময় মৌসুমি বেশ স্লিম ছিলেন, পরবর্তীতে কীভাবে মোটা হয়ে গেলেন সেটা রহস্যের বিষয় বটে। মুটিয়ে গেলেও তাঁর মুখমন্ডলের সৌন্দর্য ও মায়া কোনো অংশে কমে নি, এটা সবাই স্বীকার করবে। যাই হোক, বাংলাদেশী চলচ্চিত্রের এই অভিনেত্রী সম্পর্কে নিম্নোক্ত তথ্যগুলো আপনি আগে থেকে জানতেন কি?
(১) তিনি খুলনার মেয়ে, অভিনেত্রী পপি তাঁর ফার্স্ট কাজিন অর্থাৎ সরাসরি খালাতো, মামাতো, চাচাতো বা ফুফাতো বোন। এছাড়া মৌসুমির ছোট বোন ইরিন জামানও বেশ কয়েকটি বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।





(২) মৌসুমির পুরো নাম আরিফা পারভিন মৌসুমি। তিনি একাধারে অভিনেত্রী, মডেল এবং পরিচালক। তিনি ১৯৯৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত অভিনয়ের জগতে বিচরণ করছেন।
(৩) তিনি তিনবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার অর্জন করেছেন, ছবিগুলো হলো মেঘলা আকাশ, দেবদাস এবং তাঁরকাটা। ‘মেঘলা আকাশ’ ছবিটিতে তিনি এইডস আক্রান্ত একজন পতিতার চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তিনি ১৫০ টিরও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন এবং ‘কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তাঁর পরিচালনা ক্যারিয়ার শুরু করেন।
(৪) মৌসুমি ছোটবেলা থেকেই অভিনয় এবং গান করতেন। তিনি আনন্দ বিচিত্রা ফটোসুন্দরী প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করেন, যার মাধ্যমে নব্বই-এর দশকে বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপনে কাজ করার সুযোগ লাভ করেন। চলচ্চিত্রে তাঁর অভিষেক ঘটে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবির মাধ্যমে, এটি মূলতঃ হিন্দী ‘কেয়ামত সে কেয়ামত’ ছবির রিমেক যেখানে আমির খান এবং জুহি চাওলা অভিনয় করেছিলেন। পুরোপুরি কপিক্যাট বা রিমেক হলেও বাংলাদেশে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবিটি বিশাল পরিমাণ ব্যবসা করে এবং তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে। একই ছবির মাধ্যমে সালমান শাহকে সবাই দর্শকপ্রিয় অভিনেতা হিসেবে মেনে নেয়, যা আজ পর্যন্ত অর্থাৎ সালমানের মৃত্যুর এতগুলো বছর পরেও পুরোপুরি অক্ষুণ্ণ। অনেকে তো সালমান শাহকে বাংলা চলচ্চিত্রের সর্বকালের সেরা অভিনেতা হিসেবে মেনে নেয়।
(৫) ১৯৯৬ সালে মৌসুমি ওমর সানিকে বিয়ে করেন এবং ছয় মাসের জন্য চলচ্চিত্র শিল্প হতে বিরতি নেন। এই জুটির দু’টি সন্তান রয়েছে। মজার ব্যাপার হলো, মৌসুমি প্রায় ২১/২২ বছর ধরে বরিশালে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে যান নি,তবে ২০১৮ সালে সম্প্রতি ওমর সানির গ্রামের বাড়ি ঘুরে আসেন।




(৬) ২০১৩ সালে মৌসুমিকে ইউনিসেফ-এর শুভেচ্ছাদূত হিসেবে ঘোষণা করা হয়। মৌসুমি একটি প্রোডাকশন হাউজ চালান, এর নাম হলো ‘কপোতাক্ষ চলচ্চিত্র’। ‘মৌসুমি ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান চালান তিনি।
(৭) যেমনটা আগে বলা হয়েছে, তিনি বেশ কয়েকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার জেতেন, এছাড়া বেশ কয়েকবার তিনি ঐ পুরষ্কারের জন্য মনোনীত হন। মেরিল-প্রথম আলো পুরষ্কারের বেলায়ও একই কথা প্রযোজ্য।

মৌসুমি সম্পর্কে এই তথ্যগুলোর বেশিরভাগই উইকিপিডিয়া থেকে নেয়া।

নিচের লিংকে ক্লিক করে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।

https://www.youtube.com/channel/UC_ea40zKSAhep0MI23VQx0g

শ্রাবন্তী সম্পর্কে এই তথ্যগুলো জানা আছে কি? (Interesting information about Shrabonti Chatterjee)

শ্রাবন্তী সম্পর্কে এই তথ্যগুলো জানা আছে কি? (Interesting information about Shrabonti Chatterjee)

শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি

কোলকাতার টলিউডের সুন্দরী ও আবেদনময়ী অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তাঁর সম্পর্কে নিম্নোক্ত তথ্যগুলো আপনার জানা আছে কি?
(১) শ্রাবন্তী জন্মগ্রহণ করেছেন ১৯৮৭ সালে অর্থাৎ বর্তমানে ওনার বয়স প্রায় ৩১ বছর। তাঁর জন্মতারিখ আগস্টের ১৩, এর মানে হলো তিনি সিংহ রাশির জাতিকা। তিনি কোলকাতায় জন্মগ্রহণ করেছেন।
(২) শ্রাবন্তীর উচ্চতা ১৬৩ সেমি বা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি।
(৩) শ্রাবন্তীর পিতার আদিবাড়ি বাংলাদেশের বরিশালে। তাই শাকিব খানের সাথে তাঁর চলচ্চিত্র ‘শিকারী’র প্রমোশনের সময় বাংলাদেশে এসে তিনি নিজেকে ‘বরিশাইল্লা’ মেয়ে হিসেবে পরিচয় দেন।
(৪) পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতা ভিত্তিক চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি যা টলিউড নামেও পরিচিত, সেখানে তিনি অভিনয়ের কাজ শুরু করেন। তাঁর প্রথম ছবি মুক্তি পায় ১৯৯৭ সালে, ছবিটির নাম ছিল ‘মায়ার বাঁধন’। তিনি ইটিভি বাংলার বেশ কয়েকটি টেলিফিল্মে অভিনয় করেন।



(৫) ২০০৩ সালের সুপারহিট ছবি ‘চ্যাম্পিয়ন’-এর মাধ্যমে তিনি লাইমলাইটে চলে আসেন। তবে এর পরেই তিনি পরিচালক রাজিব বিশ্বাসকে বিয়ে করে দীর্ঘ বিরতি নেন। পরে ২০০৮ সালের চলচ্চিত্র ‘ভালোবাসা ভালোবাসা’র মাধ্যমে তিনি পুনরায় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ফিরে আসেন। এরপর তিনি একের পর এক হিট ছবি উপহার দিতে থাকেন এবং বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি যৌথ প্রযোজনার ছবিতেও অভিনয় করেন। অপর্ণা সেনের চলচ্চিত্র ‘গয়নার বাক্স’তে তিনি অভিনয় করেন যা ২০১৩ সালে মুক্তি পায়।
(৬) রাজিব এবং শ্রাবন্তী জুটির একটি পুত্রসন্তান রয়েছে যার নাম অভিমানু চ্যাটার্জি। তাঁদের বৈবাহিক জীবন দীর্ঘায়িত হয় নি, বিয়ের কয়েক বছরের মাথায়ই শ্রাবন্তী রাজিবকে তালাক নোটিশ পাঠান।
(৭) এরপর ২০১৬ সালের জুলাইতে শ্রাবন্তী মডেল এবং ফোটোগ্রাফার কৃষাণ ভিরাজকে বিয়ে করেন। কিন্তু এই বিয়েও বেশিদিন টেকে নি, মোটামুটি এক বছর পার করেই ২০১৭ এর শেষের দিকে তাঁদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।
(৮) বাংলাদেশের শক্তিমান অভিনেতা শাকিব খানের বিপরীতে শ্রাবন্তী দু’টি ছবিতে অভিনয় করেছেনঃ শিকারী এবং ভাইজান এলো রে। জিৎ-এর বিপরীতে তাঁর ছবিগুলো হলো চ্যাম্পিয়ন, ওয়ান্টেড, জোশ, ফাইটার ও দিওয়ানা। দেব-এর বিপরীতে তাঁর ছবিগুলো হলো দুজনে, সেদিন দেখা হয়েছিল, বিন্দাস, বুনো হংস, শুধু তোমারই জন্য। সোহমের বিপরীতে শ্রাবন্তীর ছবিগুলো হলো অমানুষ, ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে, নবজীবন বীমা কোম্পানি, গুগলি এবং বন্দী। হিরনের বিপরীতে তাঁর ছবিগুলো হলো ভালোবাসা ভালোবাসা, মজনু।

শ্রাবন্তী সম্পর্কে এই তথ্যগুলো উইকিপিডিয়া থেকে নেয়া।




নিচের লিংকে ক্লিক করে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।

https://www.youtube.com/channel/UC_ea40zKSAhep0MI23VQx0g

কোয়েল মল্লিক সম্পর্কে এই তথ্যগুলো জানতেন কি? (Interesting Information about Koel Mallick)

কোয়েল মল্লিক সম্পর্কে এই তথ্যগুলো জানতেন কি? (Interesting Information about Koel Mallick)

কোয়েল মল্লিক

কোয়েল মল্লিকের রূপ এবং অভিনয় দক্ষতায় মুগ্ধ হন নি এমন বাঙালী পুরুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। মিলিয়ে নিন তো বাংলা চলচ্চিত্রের এই কালজয়ী অভিনেত্রী সম্পর্কে নিম্নোক্ত তথ্যগুলো আপনি আগে থেকেই জানতেন কিনা।
(১) কোয়েলের প্রকৃত নাম হলো রুকমিনি মল্লিক, তিনি ১৯৮২ সালে জন্মগ্রহণ করেছেন অর্থাৎ বর্তমানে তাঁর বয়স প্রায় ৩৬ বছর।
(২) তিনি কলকাতার ভবানীপুরের বিখ্যাত মল্লিক বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেছেন। তাঁর পিতা রঞ্জিত মল্লিক যিনি নিজেও পশ্চিবঙ্গের বাংলা চলচ্চিত্রের একজন শক্তিমান অভিনেতা। কোয়েলের মায়ের নাম দিপা মল্লিক।
(৩) কোয়েল মনোবিজ্ঞানে ব্যাচলের ডিগ্রী অর্জন করেছেন।
(৪) ‘নাটের গুরু’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে তাঁর যাত্রা শুরু। ছবিটি হিট হয়েছিল এবং এর জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরষ্কারও পেয়েছিলেন। ছবিটিতে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছেন জিৎ। ছবিটি মুক্তি পায় ২০০৩ সালে। এরপর প্রায় ১১/১২ টি ছবিতে এই জুটিকে একসাথে দেখা গেছে।
(৫) কোয়েল টিভিএস মটর্স, প্যানাসনিক এবং ভ্যাসলিনের বিজ্ঞাপনে মডেল হয়েছেন।
(৬) সুরিন্দর ফিল্মসের কর্ণধার নিসপাল সিং রানে’র সাথে কোয়েলের দীর্ঘদিনের (প্রায় সাত বছর) প্রণয় ছিল, যা পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারীতে পরিণয়ে (বিবাহ) রূপ নেয়।
(৭) কোয়েলের বেশিরভাগ চলচ্চিত্রে নায়ক ছিলেন জিৎ, দেব এবং সোহম।
(৮) কোয়েল যে সকল ছবির জন্য পুরষ্কার লাভ করেছেন সেগুলোর নাম হলো নাটের গুরু, বলো না তুমি আমার, দুই পৃথিবী এবং হেমলক সোসাইটি।



(৯) ছোট পর্দায় কোয়েলের অভিষেক হয় স্টার জলশার টক শো ‘কথা ও কাহিনী’র মাধ্যমে। এছাড়া ২০১৩ সালে ইটিভি বাংলার প্রোগ্রাম ‘ঝলক দেখলা জা’-তে তিনি সেলিব্রিটি বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এসময় তাঁকে বলিউডের বিখ্যাত কোরিওগ্রাফার রেমো ডি সুজার পাশে বসতে দেখা গেছে।
(১০) স্টার জলসার ডেইলি সোপ ‘বোঝে না সে বোঝে না’ তে কোয়েলকে সাময়িকভাবে অভিনয় করতে দেখা গেছে।
(১১) জিৎ-এর বিপরীতে তাঁর ব্যবসায়িক সফল ছবিগুলো হলো বেশ করেছি প্রেম করেছি, ১০০% লাভ, দুই পৃথিবী, সাত পাকে বাঁধা, নাটের গুরু, বন্ধন। দেবের বিপরীতে তাঁর হিট ছবিগুলো হলো পাগলু, পাগলু ২, বলো না তুমি আমার, হিরোগিরি, রংবাজ, মন মানে না, প্রেমের কাহিনী।
(১২) বাংলা চলচ্চিত্র ছাড়াও কোয়েল উড়িষ্যার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
এই আর্টিক্যালের তথ্যগুলো উইকিপিডিয়া থেকে নেয়া।

নিচের লিংকে ক্লিক করে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।

https://www.youtube.com/channel/UC_ea40zKSAhep0MI23VQx0g

মমতাজ সম্পর্কে এই তথ্যগুলো জানতেন কি? (Interesting Information about Momtaz)



পানিতে ভাসিয়ে দেয়া হচ্ছে হাজার হাজার লাউ!

বাংলাদেশের পরতে পরতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অপরূপ সৌন্দর্য। আর এই সৌন্দর্যের আঁধার হলো বাংলার নদী। এই সৌন্দর্যে বিমোহিত হয়ে কতো কবি রচনা করেছেন কতো শত গল্প, কবিতা আর গান। হাজার বছর আগে নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এই জনপদ। তাইতো বাংলাদেশকে বলা হয় নদীমাতৃক দেশ। এদেশের মানুষের সঙ্গে নদীর যেন নিবিড় সম্পর্ক।

 

ফেসবুক ঘাঁটতে ঘাঁটতে চোখে আটকে গেল একটি ছবিতে। দেখতে অনেকটা খালের মতো অথবা নদীর কোন শাখা হবে হয়তো। যেখানে ভাসতে দেখা যাচ্ছে শত শত লাউ। আর সেই লাউগুলো সংগ্রহ করছে কিশোর-কিশোরীরা। কৌতুহল নিয়ে তাকিয়ে থাকলাম। আর ভাবলাম কি অপূর্ব সুন্দর এই বাংলাদেশ। আরো অবাক হলাম, যখন জানলাম এই পানিপথে ইচ্ছে করেই ভাসিয়ে দেয়া হয়েছে লাউগুলো।



ছবিটি নিয়ে বেশ ঘাঁটাঘাঁটি করলাম সার্চ ইঞ্জিন গুগলও ব্যর্থ হলো। অনেক কষ্টে সেই ছবির গল্প পেলাম। এটি বাংলাদেশের বান্দরবানের ছবি। সেখানকার চাপাছড়ি নামক জায়গা থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দূরে লাউচাষীরা তাদের পরিবহন খরচ বাঁচাতে ব্যবহার করেছেন খালটি। তবে যেহেতু স্রোত আছে তাহলে শাখা নদী হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

বাগান থেকে লাউ সংগ্রহ করে সেগুলো ভাসিয়ে দেয়া হয় খালের পানিতে। এরপর দুই কিলোমিটার দূরে উজানের দিকে বাজারে সেই লাউগুলো সংগ্রহ করা হয়। কী চমৎকার সেই দৃশ্য!

অনুভ্রমণ নামের সেই ওয়েবসাইটে ছবিগুলো আপলোড দিয়ে লেখা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ যে গল্পের নেই শেষ। বান্দরবানের চাপাছড়িতে ২ কিমি দূরের খামার থেকে পাশের খালে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে হাজার হাজার লাউ। সেগুলো বাজারের কাছেই নদীতে পড়ার ঠিক আগেই সংগ্রহ করছে খামারের লোকেরা! নদী ভর্তি লাউ দেখা দূরে থাক, শুনিও নাই এর আগে!’

সত্যিই এমন ছবি আমাদের মন ভালো করে দেয়। মনের অজান্তেই বলে উঠি, কবি জীবনানন্দ দাসের কবিতা, “বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ / খুঁজিতে যাই না আর।”

মমতাজ সম্পর্কে এই তথ্যগুলো জানতেন কি? (Interesting Information about Momtaz)

মমতাজ

আপনি যদি বাঙালী হয়ে থাকেন, মমতাজের কোনো না কোনো গান অাপনার নিশ্চয়ই ভালো লেগে থাকবে। তাহলে মিলিয়ে নিন তো, মমতাজ সম্পর্কে এই তথ্যগুলো আপনার আগে থেকে জানা আছে কি না।
(১) মমতাজের জন্ম ১৯৭৪-এ অর্থাৎ ওনার বয়স বর্তমানে ৪৪ বছর।
(২) তিনি গান শিখেছেন মূলতঃ তাঁর পিতা মধু বয়াতির নিকট। এছাড়া তাঁর আরেকজন গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষক হলেন মাতাল রাজ্জাক দেওয়ান।
(৩) ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তিনি নিজ খরচে গানের অ্যালবাম প্রকাশ করতেন। মোটামুটি বিখ্যাত হবার পর তাঁকে বিভিন্ন প্রযোজক গান করতে ডাকতেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এসব গানের মজুরি ছিল নির্দিষ্ট এবং নিম্ন। অনেকসময় তাঁর সাথে প্রযোজকের চুক্তি এমন ছিল যে, গানের অ্যালবাম বাজারে না চললে বা সাড়া না জাগালে তাঁকে টাকা ফেরত দিতে হবে।গানপ্রতি স্বল্প উপার্জন হওয়ার কারণে তাঁকে অল্প সময়ে অনেক গানের রেকর্ডিং করতে হত। মাঝে মাঝে দিনে দু’টি গানের রেকর্ডিংও করা লাগতো।



(৪) ডেইলি স্টারের সাথে স্বাক্ষাৎকারে মমতাজ বলেছেন, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তাঁকে অনেক সময়ই গান রেকর্ডিং-এর মাত্র কয়েক মিনিট আগে গানের লিরিক্স বা কথা এবং সুর বুঝিয়ে দেয়া হতো, এতে তিনি গান রিহার্সেল করার সময় পেতেন না এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাঁকে এক শটে বা টেকে গান রেকর্ডিং করতে হতো।
(৫) মমতাজের গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরের জয়মন্টপে। সেখানে তিনি অরবিট ইন্টারন্যাশনালের সহায়তায় ৫০ শয্যাবিশিষ্ট একটি চক্ষু হাসপাতাল নির্মাণ করেছেন। এই হাসপাতালটি মমতাজ তাঁর প্রয়াত পিতা মধু বয়াতির নামে উৎসর্গ করেছেন যিনি বৃদ্ধ বয়সে অর্থাভাবে চোখের ক্যাটারাক্ট অপারেশন করাতে পারেন নি এবং অন্ধ অবস্থাতেই মারা গেছেন।
(৬) দুই দশকের ক্যারিয়ারে তিনি সাত শতাধিক গানের রেকর্ডিং করেছেন। তিনি ২০০৯ সালে বাংলাদেশ সংসদের সদস্য হয়েছেন। তিনি বহু দেশে গানের কনসার্ট করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ব্রিটেন এবং আমেরিকা।
(৭) তিনি মারফতি, বৈঠকি এবং মুর্শিদি গানের মাধ্যমে তাঁর ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন।
(৮) কথিত আছে যে, তিনি একাধিক বিবাহ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন তাঁর এক সময়কার গানের শিক্ষক আব্দুর রশিদ সরকার এবং একজন এমবিবিএস ডাক্তার।
(৯) তাঁর সবচেয়ে জনপ্রিয় গান হলো ‘খায়রুন লো’ এবং ‘বন্ধু যখন বউ লইয়া’।
(১০) মমতাজের পুরো নাম হলো মমতাজ বেগম।




এই রচনার বেশিরভাগ তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে নেয়া।

নিচের লিংকে ক্লিক করে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।

https://www.youtube.com/channel/UC_ea40zKSAhep0MI23VQx0g

কোয়েল মল্লিক সম্পর্কে এই তথ্যগুলো জানতেন কি? (Interesting Information about Koel Mallick)

 

যে ১০টি কাজ সকালে করবেন না – পর্ব ১

অাপনি যদি এই আর্টিকেলটি সকালে পড়ে থাকেন, তাহলে নিশ্চয়ই ভাবছেন কীভাবে দিনটি শুরু করবেন। আর যদি রাতে পড়ে থাকেন তাহলে হয়তো ভাবছেন, কোন জিনিসগুলো কাল সকালে করবেন না। সেক্ষেত্রে এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন এবং জানতে পারবেন, কোন ১০টি কাজ সকালে করা ঠিক নয়। এই কাজগুলো পরিহার করলে আপনার দিনটি সঠিকভাবে শুরু হবে এবং দিনভর বেশি পরিমাণ শক্তি এবং আনন্দ লাভ করবেন, এমনকি স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটবে।

গরম পানিতে গোসল

একটি জরিপে দেখা গেছে যে, ৯০ শতাংশ লোক সকালে গরম পানিতে গোসল করে। এধরনের গোসল আপনার দেহে একটি শিথিলায়ন বা রিলাক্সিং অবস্থা তৈরি করে, এতে করে আপনি আবার বিছানায় শুয়ে ঘুমিয়ে পড়তে চাইবেন।

আরেকটা কারণ হলো, গরম পানির গোসল আপনার দেহত্বককে অতিমাত্রায় শুষ্ক করে তোলে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন, আপনার ত্বক যদি শক্ত বা খসখসে টাইপের হয়, তাহলে এর পেছনে একটি সম্ভাব্য কারণ হলো – গরম পানিতে গোসলে অভ্যাসটি।

ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করলে শুধু যে এই বিষয়গুলো আপনি এড়াতে পারবেন, তা নয়; বরং বাড়তি কিছু সুবিধাও পাবেন। ঠাণ্ডা পানিতে গোসলের ফলে সকালে আপনি খুব ফ্রেশ অনুভব করবেন। এটি অাপনার মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে এবং আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এর মানে হলো, এরূপ গোসলের পর আপনি স্কুল বা কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত হবেন এবং অাপনার ঠাণ্ডা বা সর্দিও কম লাগবে। যেসকল লোকজন গণপরিবহনে করে যাতায়াত করেন, তাদের জন্য এটা খুবই ভালো হয়।

ঠাণ্ডা পানিতে গোসলের ফলে আপনার ত্বক শুষ্ক বা খসখসে হয়ে যায় না। সুতরাং শিশুদের মতো মোলায়েম ত্বক পেতে চাইলে সর্বদা ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করুন। উপরন্তু, গবেষকদের মতে, এরূপ গোসলের ফলে আপনার ওজন বছরে ৯ পাউন্ডের মতো কমতে পারে; এর কারণ হলো ঠাণ্ডা পানিতে গোসল আপনার দেহের বিপাক কার্যক্রম ত্বরাণ্বিত করে। অতএব, আপনি যদি ভারী ব্রেকফাস্ট গ্রহণ করতে চান, তাহলে এর আগে ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করে নিবেন, এতে করে ঐ খাবার খুব সহজেই হজম হয়ে যাবে।



কালো কফি সেবন

সকাল সকাল কালো কফি সেবনের ফলে আপনার মধ্যে উদ্বিগ্নতা বাড়তে পারে। যদি আপনার মিটিং বা প্রেজেন্টেশন থাকে, তাহলে অবশ্য এটা সেবন করতে পারেন, ফলে আপনি চট করে চাঙা হয়ে যাবেন। তবে এটি সেবনের ফলে প্রেজেন্টেশনের সময় আপনি বেশ নার্ভাসবোধও করতে পারেন।

এছাড়া খালি পেটে কালো কফি সেবনের ফলে আপনার পেটে প্রচুর গ্যাস জমা হতে পারে। তাই অফিসে লজ্জাকর পরিস্থিতি তৈরি করতে না চাইলে, এটি পরিহার করুন। আর একান্তই কফি পান করতে হলে এর সাথে কিছু দুধ বা ক্রিম মিশিয়ে নিন। ডেইরি খাবার আপনাকে রিলাক্স বা শিথিলায়ন করতে সহায়তা করে, তাই কালো কফি সেবনের ফলে যে উদ্বিগ্নতা সৃষ্টির আশংকা থাকে, সেটিকে পাশ কাটানো যায়। সকালে কফি সেবনের সবচেয়ে ভালো সময় হলো, ঘুম থেকে ওঠার ৩-৪ ঘণ্টা পর।

‘সিরিয়াল’ খাওয়া

এক জরিপে দেখা গেছে, জনগণের মাঝে সবচেয়ে জনপ্রিয় সকালের নাশতা হলো সিরিয়াল। কিন্তু সিরিয়ালের সমস্যা হলো, এতে প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে। অতিরিক্ত চিনি আপনাকে সহজেই ক্লান্ত করে দিবে, কারণ অতিরিক্ত চিনির কারণে রক্তে অত্যধিক পরিমাণে ইনসুলিন যায়। এই প্রভাব কেটে যাওয়ার পরও দেহ বেশ ক্লান্তবোধ করে। একই কারণে সকালে বেশি ডেইরি পণ্য (যেমনঃ দুধ, দই, আইসক্রিম) এবং তাজা ফল খাবেন না।

অনেক স্বাস্থ্যবিদের মতে, সকালে সিরিয়াল খাওয়ার চেয়ে বরং একখণ্ড পিজা খাওয়া উত্তম। কারণে পিজায় থাকে চর্বি, প্রোটিন এবং শর্করা, ফলে একে মোটামুটি সুষম খাদ্য বলা যেতে পারে। শুধু মনে রাখবেন, এক খণ্ডের চেয়ে বেশি পিজা খাবেন না। এর কারণ হলো, পিজা অতটা স্বাস্থ্যকর খাবার নয়। প্রকৃতপক্ষে, স্বাস্থ্যকর সকালের নাশতা হলো ডিম সিদ্ধ/ভাজি, পনির এবং সামান্য ভেজিটাবল।

ইমেইল চেক করা

সকালে ইমেইল চেক করা শুরু করলে কীভাবে আপনার সময় চলে যাবে, সেটা আপনি টেরই পাবেন না। শুধু তাই নয়, এটা আপনার কর্মদিবসকে দীর্ঘায়িত করে তোলে। আসলে কর্মস্থলে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত মনটাকে ফ্রেশ রাখা জরুরী। তাই ঘুম থেকে ওঠার কয়েক ঘণ্টা পর ইমেইল চেক করুন। এতে করে কোন জিনিসটা আগে করতে হবে, আর কোনটা পরে – সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে সুবিধা হবে।

পোশাক নির্বাচন করা

সকালে যদি আপনি পোশাক নির্বাচন করতে শুরু করেন, তাহলে বেশ কিছু সময়ের অপচয় হবে, তাই সেটা আগের রাতেই করে রাখুন। সফল লোকেরা তো একই ডিজাইন ও রঙের একাধিক পোশাক ব্যবহার করে থাকেন, যাতে করে পোশাক নির্বাচনে ভুলেও সময়ের অপচয় না হয়। এর মধ্যে রয়েছেন মার্ক জাকারবার্গ ও আলবার্ট আইনস্টাইন।

তবে আপনি যদি এঁদের মতো হতে না চান, তাহলে সেটারও একটা উপায় আছে। আপনার ওয়ারড্রোবে কতসংখ্যক জামাকাপড় রাখুন, যেগুলো আপনি পছন্দ করেন। বহুসংখ্যক র্যান্ডম জামাকাপড় কেনা থেকে বিরত থাকুন। এতে করে শুধু আপনার সময় নয়, বরং আপনার অর্থেরও সাশ্রয় হবে।

ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে ধরা সাব-রেজিস্ট্রার

ঘুষের টাকাসহ পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার ইশরাত জাহানকে (৩১) হাতেনাতে আটক করেছে পাবনা দুদক সমন্বিত কার্যালয়ের কর্মকর্তারা। এ সময় দলিল লেখক আশরাফুল আলমকেও (৩২) আটক করা হয়।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে আটঘরিয়া অফিস থেকে তাদের আটক করা হয়। আটক সাব-রেজিস্ট্রার ইশরাত জাহান শেরপুরের কোটেরচর গ্রামের আবুল বাশারের মেয়ে। আশরাফুল আলমের বাড়ি পাবনার চাটমোহর উপজেলায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদক পাবনা সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক গোলাম মওলা বলেন, আটঘরিয়া উপজেলার ৪টি দলিল অবৈধভাবে রেজিস্ট্রির জন্য সাব-রেজিস্ট্রার ইশরাত জাহান দলিল লেখক আশরাফুল আলমের মাধ্যমে ১৪ হাজার টাকা ঘুষ নেয়। দলিল গ্রহীতারা ঘুষ না দেয়ায় ইতোপূর্বে তাদের দলিল রেজিস্ট্রি করে দেয়া হয়নি। এ নিয়ে দুদকের কাছে অভিযোগ দেয় ভুক্তভোগীরা।

দুদকের সহকারী পরিচালক গোলাম মওলা আরও বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর দুদক কর্মকর্তারা মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে আটঘরিয়া অফিসে অভিযান চালায়। এ সময় দুদকের টিম ঘুষের ১৪ হাজার টাকাসহ সাব-রেজিস্ট্রারকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাবনার কার্যালয়ে নিয়ে আসেন। এ সময় দলিল লেখক আশরাফুল আলমকে দৈনিক দলিল রেজিস্ট্রির অতিরিক্ত টাকাসহ আটক করা হয়।

সাব-রেজিস্ট্রার ইশরাত জাহান এবং দলিল লেখক আশরাফুল আলমকে দুদক কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ ঘটনায় পাবনার আটঘরিয়া থানায় মামলার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানান দুদকের এই কর্মকর্তা।



‘অপরাধী’র ভিউ ১০ কোটি হলেও আমার আয় ৫০ হাজার : আরমান আলিফ

গানের আঙিনায় এই মুহূর্তে সবচেয়ে আলোচিত গান ‘অপরাধী’। এই গান পৌঁছে গেছে দেশের আনাচে কানাচে। গানটি ইউটিউবে অর্জন করেছে ১০ কোটি দর্শকের মাইলফলক। গত ২৬ এপ্রিল ঈগল মিউজিক প্রকাশ করেছে আরমান আলিফের ‘অপরাধী’ গানটি। এরপর থেকে যতই দিন যাচ্ছে ততই ভিউ বাড়ছে।

এমন জনপ্রিয়তা পাওয়া গানটি নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে শ্রোতাদের মাথায়। ভাবনার বিষয় হলো, গানটি অনেক বেশি জনপ্রিয়তা পেলেও তেমন পরিচিতি পাননি গানটির শিল্পী আরমান আলী। তাকে নিয়ে আলোচনাও কম। তার গান কাভার করে অন্যরা এসেছে আলোচনায়।

আলোচনা হচ্ছে, ইউটিউব থেকে গানটি প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ব্যবসা হতে পারে। কিন্তু গানটির শিল্পী কতো পেলেন? কতো ছিল তার পারিশ্রমিক? আরমান আলিফ, ‘অপরাধী’ গানের শিল্পী, গীতিকার ও সুরকার; তিনি আমাদের প্রতিনিধির সাথে গত মঙ্গলবার দুপুরে কথা বলেন এসব নিয়ে। তুলে ধরা হলো আলাপের চুম্বুক অংশ।




আমাদের প্রতিনিধিঃ আপনার কথা ও সুরে আপনারই গাওয়া ‘অপরাধী’ গানটি ভিউয়ের দিক থেকে এখন মাইলফলক। কেমন লাগছে?
আরমান আলিফ : ভালো লাগাটা আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। এটা এমন রেকর্ড, ভালো লাগারই কথা। শ্রোতারা আমার গান এরই মধ্যে ১০ কোটিবারের বেশি শুনেছেন, দেখেছেন। এটা একেবারেই ধারণার বাইরে। কীভাবে যেন হয়ে গেল! তবে এটা আমার পরের কাজের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে, দায়িত্বও বেড়েছে। একই সঙ্গে মানসিক চাপও অনুভব করছি।

আমাদের প্রতিনিধিঃ মানসিক চাপ কেন?
আরমান আলিফ : ওই যে, পরের গানগুলোতে এই সাফল্য ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ। দর্শক-শ্রোতা চাইবেই আমার পরের গানটিও যেন ‘অপরাধী’র মতো সুন্দর হয়।

আমাদের প্রতিনিধিঃ ভাইরালের এই যুগে কিছু একটা করেই আজকাল হিট হয়ে যাচ্ছেন যে কেউ। পেয়ে যাচ্ছেন তারকা খ্যাতি। সেখানে দেশের প্রথম ১০ কোটি দর্শক পাওয়া গানের শিল্পী হিসেবে আপনাকে নিয়ে মাতামাতি কম। কোনো কষ্টবোধ কাজ করছে না?
আরমান আলিফ : আসলে গানটিতো একটি কোম্পানি থেকে প্রকাশ হয়েছে। তারা যেটা ভালো মনে করেছে সেটা করেছে। আর মিডিয়াও আমার কাছে নতুন। খুব বেশি কাউকে চিনি না। আমি এ কয়দিনে যত জায়গা থেকে ডাক পেয়েছি, যাওয়ার চেষ্টা করেছি। অনেকে শুধু অডিও গান শুনেছেন এমনটাও হয়েছে।

আমাদের প্রতিনিধিঃ গানটির প্রচারে আপনাকে খুব একটা দেখা যায় না। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কী আপনার কোনো দূরত্ব তৈরি হয়েছে?
আরমান আলিফ : না। আমাকে নিয়ে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের প্রচারণা কম ছিল। কারণ, গানটি এভাবে সফল হবে হয়তো কেউ ভাবেননি। আমি এসব নিয়ে ভাবছি না। কারণ, আমার গাওয়া গান। সেটা কেউ বললেও আমার, না বললেও শ্রোতা-দর্শক আমারই জানবেন। এই নানা প্রশ্ন উঠে আসছে, সেগুলোই তার প্রমাণ।

আমাদের প্রতিনিধিঃ আপনার গান গেয়ে আরও অনেকেই জনপ্রিয় হচ্ছেন। কেউ কেউ আপনার চেয়েও বেশি আলোচনায় চলে এসেছেন। বিষয়টি কেমন লাগছে?
আরমান আলিফ : গানটি ভালোবেসে নিজে থেকেই অনেকে গেয়েছেন। এই গানটি শুধু আমাকেই না আরও অনেককে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। এটাও আমার বড় একটা পাওয়া। এখানে কোনো প্রতিযোগিতা নেই। কে আমাকে আলোচনায় ছাড়িয়ে গেল তাতে আমার কিছুই যায় আসে না। আমি আগামীতে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করে গান করে যেতে চাই।



আমাদের প্রতিনিধিঃ শোনা যাচ্ছে, গানটি দিয়ে এর প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ঈগল মিউজিক ইউটিউব থেকে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা আয় করেছে। আর্থিকভাবে আপনি কতটা লাভবান হয়েছেন?
আরমান আলিফ : যদিও এটা পার্সোনাল ইস্যু, তবুও বলছি, আয় অনুযায়ী তেমন কোনো লাভ আসলে আর্থিকভাবে আমার হয়নি। শুনছি গানটি দশ কোটি ভিউ হওয়ায় অর্ধ কোটি টাকার কাছাকাছি আয় হবে প্রতিষ্ঠানের। কিন্তু আমি দুই কিস্তিতি ৫০ হাজার টাকা পেয়েছি। গানটি ঈগল মিউজিকে জমা দেয়ার সময় কোনো টাকার কথা উল্লেখ ছিল না। একজন নতুন হিসেবে আমি তাদের কাছে গিয়েছিলাম। তারা গানটি প্রকাশ করবেন বলে রাজি হয়েছিলেন। গানের চুক্তির সময় আমাকে বলা হয়েছিল আমার যখন টাকার প্রয়োজন হবে তখন চাইলে সেটা আমাকে দেওয়ার চেষ্টা করবেন তারা। তাদের আশ্বাসে একরকম ভালোবেসেই গানটি দিয়েছি এখানে। পরে দুই কিস্তিতে ৫০ হাজার টাকা আমি পেয়েছি। আর কোনো টাকা পাইনি।

আমাদের প্রতিনিধিঃ কেন? আপনি কি এককালীন চুক্তিতে গান বিক্রি করে দিয়েছেন?
আরমান আলিফ : না, এককালীন নাকি রয়্যালিটি এ বিষয়ে কোনো কথা হয়নি আগে। তবে এখন তাদের কথায় বোঝা যাচ্ছে গানটি নাকি আমি বিক্রি করে দিয়েছি। যদিও এর কোনো মানে আমি খুঁজে পাই না। আসলে এতকিছু তো বুঝিনি আগে। আমি তিনটা কাগজে স্বাক্ষর করেছিলাম। ওখানে কোনো টাকার অ্যামাউন্ট লেখা ছিল না। আমি একজন নতুন শিল্পীর মতোই অতো কিছু না ভেবে বিশ্বাস করে স্বাক্ষর করে দিয়েছিলাম। হয়তো এটাই আমার ভুল ছিল। এসব নিয়ে আমার মনে কোনো কষ্ট নাই। কথাও বাড়াতে চাই না। শিল্পী হিসেবে নিজের সম্মানের প্রতি বেশি আস্থাশীল আমি। মানুষ গানটিকে ভালোবাসলো, আমাকে ভালোবাসলো এটাই আমার জন্য অনেক কিছু। টাকা-পয়সা তো জীবনে বহু আসবে যাবে।

আমাদের প্রতিনিধিঃ নতুন কী গান আসছে?
আরমান আলিফ : কোরবানি ঈদে আসছেে আমার নতুন গান। গানের নাম ‘নেশা’। আমার একটি ব্যান্ড আছে। ব্যান্ডের নাম ‘চন্দ্রবিন্দু বিডি’। এই ব্যান্ডের ইউটিউব চ্যানেল থেকেই প্রকাশ করা হবে গানটি। এখান থেকে আমার প্রথম প্রকাশিত গান ‘নিকোটিন’ (২০১৭)। এরপর প্রকাশিত হয় ‘নেশা’ (২০১৭) গানটি। এই ‘নেশা’ গানটি নতুন করে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করব।

আমাদের প্রতিনিধিঃ গান নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ ভাবনা কী?
আরমান আলিফ : আমাদের ব্যান্ডের চ্যানেলে নিয়মিত গান প্রকাশ করবো। আর অন্য কোম্পানির জন্যও গান করবো। অনেকেই যোগাযোগ করছেন।

আমাদের প্রতিনিধিঃ কথা শেষ করার আগে আপনার ব্যক্তি জীবন সম্পর্কে জানতে চাই….
আরমান আলিফ : নেত্রকোনায় আমার জন্ম। ছোটবেলা কেটেছে সেখানেই। স্কুল-কলেজের গণ্ডি পেরিয়ে এখন পড়ছি ঢাকা কমার্স কলেজে। মন দিয়ে পড়ালেখা করছি, পাশাপাশি চলবে গানও। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।