আমি তো ভালা না – লিরিক্স

আমি তো ভালা না

(অতীতের কথাগুলো পুরনো স্মৃতিগুলো)*২
মনে মনে রাইখো
(আমি তো ভালা না, ভালা লইয়াই থাইকো)*২

(তুমি আমার স্বপ্ন-আশা, তুমি ভালোবাসা
তোমারে না পাইলে এই জীবন বৃথা
বন্ধু এই জীবন বৃথা)*২
(অন্তরে না রাখিলেও)*২
মুখে মুখে রাইখো
(আমি তো ভালা না, ভালা লইয়াই থাইকো)*২

(পথে আমি পড়েছিলাম, বুকে টেনে নিলে
বুকে টেনে নিয়ে কেন এত ব্যথা দিলে
বন্ধু এত ব্যথা দিলে?)*২
(জিন্দা থাকতে না ডাকিলেও)*২
মইরা গেলে ডাইকো
(আমি তো ভালা না, ভালা লইয়াই থাইকো)*২

মাহাবুব ভেবে বলে মায়ের কোলই ভালা
মায়ের কোল ছেড়ে দেখি সংসারেতে জ্বালা
বন্ধু সংসারেতে জ্বালা
মাহাবুব ভেবে বলে মায়ের কোলই ভালা
মায়ের কোল ছেড়ে দেখি সংসারেতে জ্বালা
দয়াল সংসারেতে জ্বালা
দুনিয়ার সবাই ভালা, জগতের সবাই ভালা
তাগোই বুকে রাইখো
(আমি তো ভালা না, ভালা লইয়াই থাইকো)*২

অতীতের কথাগুলো পুরনো স্মৃতিগুলো
অতীতের কথাগুলো ও পুরনো স্মৃতিগুলো
মনে মনে রাইখো
(আমি তো ভালা না, ভালা লইয়াই থাইকো)*৫



গানটির ইউটিউব লিংক নিচে দেয়া হলোঃ

যে কারণে সি দিয়ে শুরু হয় কম্পিউটার ড্রাইভের নাম

কম্পিউটার যখন প্রথম দিকে বাজারে আসে তখন তাতে ইন্টারনাল স্টোরেজ ছিল না। যে কারণে এতে স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহার হতো ফ্লপি ডিস্ক। অর্থাৎ কম্পিউটারের নিজস্ব স্টোরেজ না থাকায় ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভকে স্টোরেজ সিস্টেম হিসেবে ব্যবহার করা হতো। এই ডিস্কের নাম ছিল A ড্রাইভ।

তখন ফ্লপি ডিস্ক দুই ধরনের ছিল। মূলত আকারের দিক থেকে এর দুটি ধরন আলাদা করা হতো। একটি ধরনের আকার ছিল ৫ দশমিক ২৫ ইঞ্চি এবং অন্যটির ছিল ৩ দশমিক ৫ ইঞ্চি। কম্পিউটারে যখন উভয় ফ্লপি ডিস্ক ব্যবহার করা হতো, তখন একটি A এবং অন্যটি B ড্রাইভ হিসেবে পরিচিত হতে শুরু করে।
১৯৮০-এর দশকে যখন কম্পিউটারের ইন্টারনাল স্টোরেজ হিসেবে হার্ডডিস্ক আসে, তখন ধারাবাহিকতা অনুসারে সেটি সি ড্রাইভ নামে ব্যবহার হতে থাকে। কারণ তখনও কম্পিউটারে এক্সটারনাল স্টোরেজ হিসেবে এ ও বি ড্রাইভ ছিল। তখন ফ্লপি ডিস্কের প্রচলন ছিল বলে হার্ডডিস্ক আসার পর বর্ণমালার ধারাবাহিকতা অনুযায়ী সেটার নাম হয় সি।
ধীরে ধীরে ফ্লপি ডিস্ক বাজার থেকে উঠে যায়। বিদায় নেয় এ ও বি নাম দুটি। কিন্তু হার্ডডিস্ক থেকে যাওয়ায় মূল ড্রাইভ হিসেবে হার্ডডিস্ক সি নামেই রয়ে গেছে। তবে আপনি চাইলে কম্পিউটারের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অপশন থেকে সি ড্রাইভের নাম এ করতে নিতে পারবেন।



আ.লীগের ১০ তলা নতুন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যা থাকছে

ভবনটির বাইরে দু’পাশ কাচ দিয়ে ঘেরা। সামনের দেয়ালজুড়ে দলীয় স্লোগান ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ লেখা। একপাশে দলীয় প্রতীক নৌকা। এর সামান্য ওপরে বড় করে লেখা ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।’ চতুর্থ তলার সামনে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের নিদর্শন। পঞ্চম তলায় গেলে চোখে পড়বে মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রতিকৃতি। আর ষষ্ঠ তলায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের টেরাকোটা।
রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে নবনির্মিত ১০ তলা এই ভবনই আওয়ামী লীগের নতুন কেন্দ্রীয় কার্যালয়। দলের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শনিবার (২৩ জুন) সকাল ১০টায় নবনির্মিত ভবনটি উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুই বছর আগে তিনিই এর নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেন।
দেশের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের পথচলা দীর্ঘ সাত দশকের। ঢাকার গোপীবাগে রোজ গার্ডেনে ছিল এর প্রথম কেন্দ্রীয় কার্যালয়। ৭০ বছরে এসে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে নবনির্মিত ১০ তলা অত্যাধুনিক ভবনে নতুনভাবে যাত্রা শুরু হচ্ছে দলটির।




জানা যায়, দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের জন্য সুপরিসর কক্ষ রেখেই সাজানো হয়েছে এই নতুন কার্যালয়। নবম তলায় দলের সভাপতির কক্ষের সঙ্গে রয়েছে বিশ্রামাগার ও নামাজের জায়গা। এছাড়া অন্যান্য ফ্লোরে থাকছে ডিজিটাল লাইব্রেরি, ভিআইপি লাউঞ্জ, সাংবাদিক লাউঞ্জ ও ক্যাফেটেরিয়া। বিভিন্ন তলায় থাকবে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ সহযোগী সংগঠনগুলোর কার্যালয়।

বৃহস্পতিবার (২১ জুন) সরেজমিন কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘুরে দেখা গেছে, ভেতরে চলছে শেষ মুহূর্তের কাজ। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে আরও জানা যায়, দোতলা ও তৃতীয় তলায় দুটি বড় আধুনিক সম্মেলন কক্ষ রয়েছে। সেখানে একসঙ্গে বসতে পারবেন পাঁচশ’র বেশি মানুষ।

শুক্রবার (২২ জুন) ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তার ভাষ্য, ‘২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ১০ তলা নতুন ভবনটি আগামীকাল উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দলের তহবিলের টাকা দিয়েই ডিজিটাল বাংলাদেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। এর আগে বিভিন্ন জায়গায় কার্যালয় থাকলেও এবার একই ভবনে দলের সব নেতাকর্মী একত্রিত হতে পারবেন। এখানে কোথায় কোন কক্ষ থাকবে তা নিজে নকশা করেছেন শেখ হাসিনা।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জানিয়েছেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান শুরু হবে সকাল ৯টায়। শনিবার ভোরে ঢাকায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। সেখানকার আনুষ্ঠানিকতা শেষে নতুন কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভবন উদ্বোধন করবেন দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা। এরপর ভবনের অভ্যন্তরে সভাপতিমণ্ডলীসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের জায়গা নির্ধারণ করে দেবেন তিনি।



জানা গেছে, আওয়ামী লীগের এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মূল আকর্ষণ দলের এই নতুন কার্যালয়। অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসবেন কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা নেতাসহ ৪ হাজার ১৫৭ জন। তাদের অংশগ্রহণে শনিবার রয়েছে আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা।

প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে এই বিশেষ সভা। এতে আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে সারাদেশ থেকে আসা নেতাদের নির্দেশনা দেবেন শেখ হাসিনা। নেতাদের মানুষের দুয়ারে গিয়ে সরকারের উন্নয়নের কথা প্রচারেরও নির্দেশ দেবেন তিনি।

কিছুদিন পর অনুষ্ঠিত হবে আওয়ামী লীগের আরেকটি বর্ধিত সভা। এতে অংশ নেবেন সারাদেশের ১৩ থেকে ১৪ হাজার ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার ও চেয়ারম্যান। ওই সভায় আগামী সংসদ নির্বাচন ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন শেখ হাসিনা।

রবিবার থেকে রাস্তায় গাড়ি চালাবেন সৌদি নারীরা

পূর্ব ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আগামীকাল (রবিবার) থেকে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে ও আনুষ্ঠানিকভাবে সৌদি আরবের নারীদের গাড়ি চালাতে দেখা যাবে। শুক্রবার (২২ জুন) ফরাসি বার্তাসংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে নারীদের গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সৌদি যুবরাজ সালমান বিন মোহাম্মদের কথিত সংস্কার উদ্যোগের অংশ হিসেবে গত বছর এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়া হয়।

বিশ্বে সৌদি আরব হলো একমাত্র দেশ, যেখানে নারীদের গাড়ি চালানোর ওপর আজ পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রয়েছে। তরুণ সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সম্প্রতি তার দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করতে নানামুখী সংস্কার-কার্যক্রম হাতে নেন। এই সংস্কার কার্যক্রমের মধ্যে নারীদের গাড়ি চালানোর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়টিও অন্তর্ভূক্ত ছিল। গত বছর সেপ্টেম্বরে সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ এক ডিক্রিতে নারীদের রাস্তায় গাড়ি চালানোর অনুমতি দেন। তিনি ঘোষণা দেন ২০১৮ সালের ২৪ জুন থেকে নারীরা রাস্তায় গাড়ি চালাতে পারবে। প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে  জুন মাসে নারীদের ড্রাইভিং লাইসেন্স দিতে শুরু করে সৌদি কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সম্ভাব্য হাজারো সৌদি নারী চালকেরা রোববার গাড়ি চালাতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।



সৌদিতে নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দেওয়ার পদক্ষেপটি দেশটিতে সামাজিক গতিশীলতা আনার ক্ষেত্রে নতুন যুগের সূচনা করতে পারে বলে অনেক পর্যবেক্ষক মন্তব্য করেছেন। সৌদিপন্থী চিন্তন-প্রতিষ্ঠান অ্যারাবিয়া ফাউন্ডেশনের নাজাহ আল-ওতাইবি বলেন, এটা একটা স্বস্তি। সৌদি নারীরা সুবিচার পাওয়ার বিষয়টি অনুভব করছেন।’

ইফফাত বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান হাইফা জালালালি ১৭ বছর বয়সী মেয়েকে হারিয়েছেন সড়ক দুর্ঘটনায়। তিনি বলেন, ‘সৌদি আরব বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ সড়ক দুর্ঘটনাকবলিত দেশ। তাই নিরাপদে গাড়ি চালানোটা খুব জরুরি এখানে। পরিসংখ্যান সাক্ষ্য দেয়, পুরুষের তুলনায় নারীরা গাড়িচালক হিসেবে বেশি সতর্ক’।

নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতিসহ কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে সৌদি সরকার উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনা ঘোষণা করলেও এখনও দেশটিতে নারীদের জন্য অন্যতম বড় বড় কয়েকটি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। দেশটির ৩২ বছর বয়সী যুবরাজ সালমানকে ওই পরিকল্পনার নেপথ্য ব্যক্তি বলে মনে করা হয়। ২০৩০ সাল নাগাদ তেল নির্ভরতা কমিয়ে দেশের অর্থনীতি বহুমুখী করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।
নারীদের পুরুষ অভিভাবকত্ব ব্যবস্থা প্রচলিত। আইন অনুযায়ী নারীদের পড়াশুনা, ভ্রমণ বা অন্য কোনও কাজের জন্য বাবা, স্বামী বা ভাইয়ের অনুমতির দরকার পড়ে। সৌদি অ্যাকটিভিস্টদের দাবি নারী অধিকারের লড়াইয়ের জন্য এই অভিভাবকত্ব একটি বড় ইস্যু। ২০১১ সাল থেকে প্রায় ৩০ জন অ্যাকটিভিস্ট ও বিদ্রোহীর বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে সৌদি আদালত। এইচআরডব্লিউ এর মতে এদের অনেককেই ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এই কয়েকদিন আগেও যুবরাজের সংস্কার নিয়ে সংশয়ী বেশ কয়েকজন নারী অধিকারকর্মীকে আটক করা হয়।



যাত্রী কম অজুহাতে বাসে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ

স্বজনদের সঙ্গে ঈদ কাটিয়ে ফেরার পথে সমস্যায় পড়েছেন বগুড়ার লোকজন। ঈদের কারণে যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না- এমন অজুহাত দেখিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী বাসে ১০০-৫০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। বাড়তি ভাড়া আদায় বন্ধে জেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ২০ হাজার টাকা জরিমানাও করেছেন।

বগুড়া শহরের সাতমাথাঠনঠনিয়াসহ বিভিন্ন স্থানে কাউন্টারে গিয়ে জানা গেছেবগুড়া থেকে ঢাকা রুটের নন-এসি কোচের ভাড়া ১০০-২০০ টাকা ও এসির ৫০০-৮০০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বগুড়া থেকে ঢাকার বাস ভাড়া ৩৫০ টাকা। ঈদের সময় নেওয়া হয়েছে ৪৫০ টাকা।



যাত্রীদের অভিযোগটিকিটের গায়ে কম লেখা থাকলেও কাউন্টার থেকে ৫০০-৬০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এসি কোচের ভাড়া ঈদের আগে ৭০০ টাকা ছিল। তবে ঈদের সময় নেওয়া হয়েছে এক হাজার থেকে ১২০০ টাকা।  হুন্দাই কোচের ভাড়া ১ হাজার টাকার পরিবর্তে নেওয়া হয়েছে দেড় হাজার টাকা। এরপরও টিকিট না পাওয়ায় ঢাকায় কর্মস্থলে ফেরা জনগণকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

এদিকে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পেয়ে জেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘন করায় শাহ্ ফতেহ আলী পরিবহনকে ১০ হাজার ও হানিফ এন্টারপ্রাইজকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া পরিবহন ভাড়ার তালিকা টানাতে প্রতিটি কাউন্টার কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জহুরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানানকোনও অজুহাতেই অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা যাবে না।

শাহ্ ফতেহ আলী  পরিবহনের মালিক আমিনুল ইসলামের দাবিঢাকা থেকে ফেরার সময় কোনও যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না। তাই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সামান্য কিছু ভাড়া বাড়ানো হয়েছে।

জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল লতিফ মণ্ডল জানানকোচে ভাড়া কত আদায় করবে সেটি মালিকের বিষয়। পরিবহন শ্রমিকরা যেন তাদের পাওনা ঠিকভাবে পায় সে বিষয়ে দেখা হবে।

মেসির জার্সি নিতেও ‘রুচি’ হয়নি রেবিচের!

‘হাতি গর্তে পড়লে নাকি চামচিকাও লাথি মারে!’

এ প্রবাদ মেসির জেনে থাকার কথা নয়। কিন্তু ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার হারের পর যা চলছে, মেসি হয়তো ব্যাপারটি এমনিতেই বুঝে নেবেন। তাঁর উদ্দেশে আন্তে রেবিচ যা বলছেন, তাতে এমনটা মনে না হয়ে উপায় নেই!

কী এমন সে কথা? বৃহস্পতিবার নাকি আর্জেন্টিনা এতটাই বাজে খেলেছিল যে মেসির সঙ্গে জার্সি বদল করতেও নাকি মন চায়নি ক্রোয়েশিয়ার উইঙ্গারের! কাবায়েরোর জঘন্য এক ভুলে ম্যাচের প্রথম গোল করা রেবিচের দাবি, ‘সত্যি বলছি, আমার বন্ধুর জন্য মেসির জার্সিটা পেতে চেয়েছিলাম। আমার বন্ধু লিওর খুব বড় ভক্ত। কিন্তু আর্জেন্টিনা দল এতটাই বাজে খেলেছে যে মেসির কাছে জার্সি চাওয়ার কথা আর মাথাতেই আনিনি।’

চলতি বিশ্বকাপে এখনো জ্বলতে উঠতে পারেননি মেসি, আর আর্জেন্টিনাও এখনো জয়ের মুখ দেখেনি। প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের এমন কথা তাই আপাতত গিলতে হচ্ছে আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে।




মাঠে একেবারেই অসহায় আত্মসমর্পণ বলতে যা বোঝায়, ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার অবস্থা হয়েছিল তাই। সেদিন যে আর্জেন্টিনা এত বাজে খেলবে, তা নাকি ভাবনাতেই ছিল না রেবিচের, ‘সত্যিকার অর্থে আমি আরও ভালো কিছু আশা করেছিলাম। অন্তত যারা ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলে, তারা তো দ্রুতগতির শারীরিক ফুটবলের সঙ্গে পরিচিত। কিন্তু নিকোলাস ওটামেন্ডিকে দেখুন, মাত্র চতুর্থ মিনিটে মানজুকিচ তাঁকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেলে সে মাটিতে গড়াগড়ির ভান করছিল।’

আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা ব্যবহার জানেন না বলেও অভিযোগ রেবিচের, ‘ওদের ব্যবহারেও আমি খুব হতাশ। পরিচ্ছন্ন ফুটবলের অভাব দেখেও হতাশ হয়েছি। ওরা যেভাবে আমাদের খেপানোর চেষ্টা করছিল, সে কথা নাই-বা বলি। একজন ক্রীড়াবিদের জানা উচিত, কীভাবে পরাজয় মেনে নিতে হয়।’

শুধু মেসি ও আর্জেন্টিনাকে নিয়েই সমালোচনা করে থামেননি রেবিচ। রেফারিকেও দু-কথা শুনিয়ে দিয়েছেন। উজবেকিস্তানের রেফারির বিপক্ষে তাঁর অভিযোগ, ‘আমাদের মনে হয়েছে অনেক সিদ্ধান্তই আর্জেন্টিনার পক্ষে যাচ্ছে। তাই আমি অনেকটা নিশ্চিত ছিলাম, আমাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখাতে পারবে না সে। আরে, এ রেফারির তো ফুটবল বুটই ছিল না পায়ে!’

গাছের সঙ্গে ধাক্কায় চুরমার বাস, নিহত ১৬

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় আজ শনিবার ভোরে গাছের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কা লাগার ঘটনায় ১৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত অন্তত ৪০ জন। চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে উপজেলার ব্র্যাক মোড়ের অদূরে বাঁশকাটা (গরুর হাট) এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

খবর পেয়ে পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন লাশ উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে থানায় নিয়ে গেছেন। আহত ব্যক্তিদের পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং রংপুর ও বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

হতাহত ব্যক্তিদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।




গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকতারুজ্জামান জানান, ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলের উদ্দেশে ছেড়ে আসা আলম এন্টারপ্রাইজ নামক যাত্রীবাহী নৈশ কোচের চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি সড়কের বাঁ পাশে এক বিশাল রেইনট্রিগাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। এতে বাসটি দুমড়েমুচড়ে যায়। কিছু অংশ চুরমার হয়। ঘটনাস্থলে মারা যান সাতজন। পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মারা যান নয়জন।

ওসি জানান, পলাশবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বেশির ভাগের অবস্থা আশঙ্কাজনক।