শিশুকে গলাকেটে হত্যা করতে গিয়ে মা আটক

নিজের শিশু সন্তানকে গলাকেটে হত্যা করতে গিয়ে দা-সহ আটক হয়েছেন এক মা। রবিবার রাত ৮টার দিকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্টে এই ঘটনা ঘটে।

ট্যুরিস্ট পুলিশের একটি দল মায়ের দা’য়ের নিচ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। এই ঘটনায় মাকে আটক করা হয়েছে এবং তার কাছ থেকে একটি দা উদ্ধার করা হয়।

আটক নারীর নাম জান্নাতুল ফেরদৌসী। তার বাড়ি কক্সবাজার শহরের পশ্চিম টেক পাড়ায়। তবে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছেন ওই নারী মানসিক ভারসাম্যহীন।

ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমী জানান, একটি শিশু বাচ্চাকে নিয়ে ওই নারীর আচরণ সন্দেহজনক হলে বিষয়টি ট্যুরিস্ট পুলিশের নজরে আসে। খবর পেয়ে রায়হান কাজেমী ঘটনাস্থলে যান। তার নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

ততক্ষণে ওই নারী শিশুটিকে গলাকেটে হত্যার জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলেন। সঙ্গে সঙ্গে তার কাছ থেকে শিশুটিকে কেড়ে নেয়া হয় এবং একটি ধারালো বড় দা উদ্ধার করা হয়।

রায়হান কাজেমী বলেন, ওই নারী মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। শিশুটিকে উদ্ধার করে তার হাত ব্যাগ তল্লাশি করে ব্যাগে দু’টি জবাই করা মুরগি পাওয়া যায়। পরে শিশুটিকে বাবার কাছে হস্তান্তর করে ওই নারীকে থানায় সোপর্দ করা হয় বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা।



হোটেল-রুমে মৃত্যু হলে কী হয়?

মৃত্যু নিয়ে মানুষের কৌতুহল শেষ নেই।আর হোটেলে মৃত্যু শুনলেই, তার মধ্যে কোনও অস্বাভাবিকতা রয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়।তবে হোটেলে মৃত্যু বা অপমৃত্যু হলে সেই ঘরটির কী হয়? এ নিয়ে কিছু ঘটনার বিশ্লেষণ শুনুন।

দুবাইয়ের হোটেলে বাথরুম পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছিল কিংবদন্তী অভিনেত্রী শ্রীদেবীর। ফরেনসিক রিপোর্ট থেকে এমনই জানা গিয়েছে। তবুও এই মৃত্যু ঘিরে অনেকের মনেই অনেক প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে। আর তার অন্যতম কারণ হল, নিজের বাড়িতে নয়। হোটেলে মৃত্যু হয়েছে তাঁর।

বহু থ্রিলার গল্প বা ছবির প্রেক্ষাপটই হয় হোটেলের ঘরে মৃত্যু। আর হোটেলে মৃত্যু শুনলেই, তার মধ্যে কোনও অস্বাভাবিকতা রয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়। তবে শ্রীদেবী প্রথম নন, শশী তারুরের স্ত্রী সুনন্দা পুষ্করের মৃত্যুও হয়েছিল হোটেলে। কিন্তু হোটেলে মৃত্যু বা অপমৃত্যু হলে সেই ঘরটির কী হয়?



এই সম্পর্কে ব্লগে কয়েকটি তথ্য জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক একটি হোটেলের ম্যানেজার, মাইক হোলোওয়ক্স—

১. কেউ হোটেলে মারা গেলে সেই ঘরটি প্রথমে সিল করে দেওয়া হয়।

২. ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছনোর আগে হোটেলের কোনও স্টাফ সেই ঘরের কিছু ব্যবহার করতে পারেন না।

৩. তদন্ত যতদিন চলে, ততদিন সেই হোটেল রুম কোনও ভাবে ব্যবহার করতে পারে না হোটেল কর্তৃপক্ষ। তদন্ত শেষ হলে সেই রুম আবার ব্যবহার করা যায়।

৪. তদন্ত শেষ হওয়ার পরে সেই ঘরের প্রতিটি কোণ পরিষ্কার করা হয়।

৫. হোটেল কর্তৃপক্ষ প্রাণপণ চেষ্টা করেন, যাতে সেই রুম নম্বরটি জানাজানি না হয়ে যায়। কারণ জানাজানি হলেই সেই রুমে আর কেউ থাকতে চায় না।

৬. যদি হোটেলের সেই রুমটির নম্বর জানাজানি হয়ে যায়, তাহলে সেই নম্বর বদলে দেয় হোটেল কর্তৃপক্ষ।

শারীরিক সম্পর্ক না থাকায় বিয়ে বাতিল!

বিয়ে টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা নিয়ে বিতর্ক নতুন করে উসকে দিয়েছে মুম্বাই হাইকোর্টের একটি রায়।

মহারাষ্ট্রের কোলাপুরের এক দম্পতির দীর্ঘ ৯ বছর আগে বিয়ে হলেও এই সময়ের মধ্যে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কের কোনও প্রমাণ মেলেনি- এই যুক্তিতে তাদের বিয়ে খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। খবর বিবিসির।

ওই বিয়ের ঠিক পরপরই স্ত্রী আদালতে অভিযোগ করেছিলেন, তাকে ধোঁকা দিয়ে ওই বিয়েতে রাজি করানো হয়েছে। তিনি বিয়ে ভেঙে দেয়ার আবেদন জানালেও স্বামী তাতে রাজি হননি।

মামলায় দীর্ঘ শুনানির পর মুম্বাই হাইকোর্ট বলেছেন, যদিও ওই নারীকে প্রতারিত করা হয়েছে এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি – তা সত্ত্বেও যেহেতু বিবাহিত জীবনে তাদের মধ্যে কোনও শারীরিক সম্পর্কও ঘটেনি তাই সেই বিয়েও অর্থহীন।

বিচারপতি মৃদুলা ভাটকর তার রায়ে বলেন, যে কোনও বিয়ের একটি অন্যতম প্রধান উপাদান হলো স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক। আর সেটা যদি অনুপস্থিত থাকে তাহলে বিয়ের একটা মূল উদ্দেশ্যই ব্যর্থ প্রতিপন্ন হয়।




নিয়মিত যদি না-ও হয়, অন্তত একবারের জন্যও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক মিলন যে কোনও বিয়েকে বৈধতা দেয় বলেও বিচারপতি ভাটকর মন্তব্য করেন।

মামলার শুনানিতে স্বামী অবশ্য দাবি করেছিলেন তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক ছিল- এমনকি তার ফলে তার স্ত্রী নাকি একবার সন্তানসম্ভবাও হয়ে পড়েছিলেন।

কিন্তু সন্তানসম্ভবা স্ত্রীকে গায়নোকলজিস্টের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, বা তার প্রেগনেন্সি টেস্ট করানো হয়েছিল- এ রকম কোনও প্রমাণ পেশ করতে না পারায় আদালতে সেই দাবি ধোপে টেকেনি।

ফলে ২০০৯ সালে বিয়ের পর থেকে আজ পর্যন্ত একবারের জন্যও কোনও শারীরিক সম্পর্ক না হওয়ায় সেই বিয়ের বিচ্ছেদ হওয়াই সমীচীন বলে মনে করেছেন মুম্বাই হাইকোর্ট।

এবারও সবার নজর কাড়লেন কিমের বোন ইয়ো জং

ফেব্রুয়ারিতেই নজর কেড়েছিলেন তিনি। দক্ষিণ কোরিয়ায় শীতকালীন অলিম্পিকসে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে তাকে পাঠিয়েছিলেন উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ও তার ভাই কিম জং উন।

বলতে গেলে দুই কোরিয়ার বরফ গলার শুরু তখন থেকেই। শুক্রবার দুদেশের ঐতিহাসিক বৈঠকেও ভাইয়ের পাশে পাশেই দেখা গেল তাকে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম ইতিমধ্যেই বলতে শুরু করেছে, কিম জং উনের একমাত্র বোন কিম ইয়ো জং ধীরে ধীরে উত্তর কোরিয়ার দ্বিতীয় ক্ষমতাশালী ব্যক্তি হয়ে উঠছেন।-খবর আনন্দবাজারপত্রিকা অনলাইনের।

গত অক্টোবরে তাকে পলিটব্যুরোর গুরুত্বপূর্ণ পদে বসান কিম। তার পর থেকেই ভাইয়ের ছায়াসঙ্গী তিনি।




যে কোনো জরুরি বৈঠকে কিমের সঙ্গে থাকেন ইয়ো। মাস খানেক আগে কিমের বেইজিং সফরেও তার পাশে দেখা গিয়েছিল ইয়োকে। শুক্রবারও ব্যতিক্রম হয়নি।

কিমের সঙ্গে সীমান্ত পার হতে দেখা গিয়েছে তার বোনকে। বৈঠকেও হাজির ছিলেন ইয়ো।

পিস হাউস ভবনে রাখা অতিথিদের জন্য বইয়ে সই করার সময় ভাইকে কলম এগিয়ে দিতে দেখা গেছে তাকে।

দুদেশের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকের সময় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন যখন ইয়োর প্রশংসা করছেন, লজ্জা পেতেও দেখা গিয়েছে কিমের ৩০ বছর বয়সী বোনকে।

যৌন সম্পর্ক নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য ও প্রতিবাদ

‘কাস্টিং কাউচ কোনো খারাপ বিষয় নয়। কাজ দেয়। অন্তত ধর্ষণ করে ছেড়ে তো দেয় না।’ সম্প্রতি এই মন্তব্য করেছেন সরোজ খান, ‘দেবদাস’ (২০০৩), ‘শ্রীঙ্গারাম’ (২০০৬) ও ‘যব উই মেট’ (২০০৮) ছবির জন্য ‘সেরা কোরিওগ্রাফি’ বিভাগে তিনবার ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ‘শিল্পীদের অনেক সুযোগ রয়েছে। যাঁরা কাজের বিনিময়ে কিছু চান, তাঁদের সঙ্গে কাজ না করলেই হয়। যখন তোমার প্রতিভা রয়েছে, তখন নিজেকে কেন বিক্রি করবে?’

সরোজ খানের মতো ব্যক্তি যখন এমন মন্তব্য করেছেন, এরপর তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয়। প্রখ্যাত এই নৃত্যশিল্পী পরে নিজের ভুল বুঝতে পেরে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করবেন না। আমি বলতে চেয়েছি, যৌন হেনস্তা সবখানেই ঘটছে। শুধু বলিউডকে টার্গেট করা ঠিক নয়। কাজ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে সুযোগ নেওয়া নতুন কোনো ঘটনা নয়। তাহলে কেন শুধু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে টার্গেট করা হচ্ছে?’




এদিকে বলিউডে ‘কাস্টিং কাউচ’ নিয়ে বিবিসি ওয়ার্ল্ড নিউজ একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছে। এখানে বলিউড তারকা রাধিকা আপতে আর মারাঠি ছবির তারকা উষা যাদব ভারতের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে যৌন হেনস্তা নিয়ে কথা বলেছেন। তাঁদের আশঙ্কা, এই ইন্ডাস্ট্রিতে অনেকেই আছেন, যাঁরা যৌন হেনস্তার শিকার, অথচ ভয়ে সামনে আসছেন না।

তথ্যচিত্রে রাধিকা বলেছেন, ‘বলিউডের জাঁকজমকের পেছনে যে একটা গোপন অন্ধকার জগৎ আছে, তা হয়তো অনেকেরই জানা নেই। বলিউডে এমন অনেকেই আছেন, যাঁরা নিজেদের ঈশ্বরের আসনে বসিয়ে রেখেছেন। তাঁরা এতটাই প্রভাবশালী যে অনেকেই মনে করেন, তাঁদের ব্যাপারে মুখ খুললে হয়তো ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়ে যাবে।’ আর উষা যাদব বলেন, ‘আমাকে যখন এ ধরনের খারাপ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, প্রথমে তা বুঝতে পারিনি। আমি জিজ্ঞাসা করি টাকা লাগবে? কিন্তু আমার কাছে তো টাকা নেই। সে তখন বলে, “না না টাকা নয়।” তখন বুঝেছি, আমাকে তাঁর সঙ্গে বিছানায় শোয়ার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। সেটা কোনো প্রযোজক বা পরিচালকের সঙ্গে হতে পারে, আবার তাদের দুজনের সঙ্গেও হতে পারে।’

এবার ‘কাস্টিং কাউচ’ নিয়ে মুখ খুললেন বলিউডের বরেণ্য অভিনেতা ও বিজেপির সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা। সরোজ খানের পাশে দাঁড়ান তিনি। এই নৃত্যশিল্পীর মন্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন। বললেন, ‘বিনোদন ও রাজনীতি, এই দুই জায়গায় কাজের বিনিময়ে যৌন সম্পর্ক গড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। সরোজ খান কিছু ভুল বা মিথ্যা বলেননি। রাজনীতি, বিনোদন—দুই জায়গায়ই জীবনে উন্নতি করার বহু পুরোনো প্রথা কাস্টিং কাউচ। বিষয়টা এ রকম, আপনি আমাকে খুশি করুন, আমিও আপনাকে করব। সোজা কথায় দেওয়া-নেওয়া। খারাপ লাগার কী আছে!’

এদিকে বিবিসির তথ্যচিত্রে বলিউড তারকা অক্ষয় কুমার বলেন, ‘যেভাবে হলিউডে পুরুষ এবং নারী এই যৌন হেনস্তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। এই দেশেও যদি এমনটা সম্ভব হতো, তাহলে খুব ভালো হতো।’

আর বলিউডসহ ভারতের চলচ্চিত্র অঙ্গনে সরোজ খানের মন্তব্য নিয়ে সমালোচনা অব্যাহত আছে এখনো। এবার সরোজ খানের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন শত্রুঘ্ন সিনহা। তাতে এই বিতর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে। এনডি টিভি, মিড ডে, জি নিউজ, টাইমস অব ইন্ডিয়া



গ্যালারিতে কে এই রহস্যময়ী সুন্দরী!

সুন্দর মুখের জয় সর্বত্র! রুদ্ধশ্বাস ক্রিকেট ম্যাচের চরম উত্তেজনাও প্রশমিত হয় সুন্দরীদের চোখের ভাষায়, আলতো হাসিতে! এখানেই আইপিএল ‘চ্যাম্পিয়ন’! ব্যাটিং দানব ক্রিজ গেইল বনাম কেন উইলিয়ামসনদের দ্বৈরথে প্রীতিকেও গ্ল্যামার-যুদ্ধে টেক্কা দিয়ে গেলেন এক সুন্দরী। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জার্সিতে গ্যালারিতে হাজির হতে দেখা গেল এঁকে।

আইপিএল-এর প্রত্যেক ম্যাচেই গ্যালারিতে হাজির থাকেন কত শত সুন্দরী। কেউ আটকে পড়েন ক্যামেরার রঙিন লেন্সে, কেউ আবার লেন্সের ব্যাসার্ধের বাইরেই থেকে যান!

সানরাইজার্স বনাম কিংস ইলেভেন পঞ্জাব ম্যাচের কথাই ধরা যাক। এমনিতে কিংসদের ম্যাচ থাকলেই ‘বোনাস’ দর্শকদের কাছে। প্রীতির সলজ্জ হাসি, তারকা ক্রিকেটারদের ‘হাগপ্লোম্যাসি’ টুর্নামেন্টের সহজ-সরল স্বাভাবিক দৃশ্য। আইপিএল-এর সময়েই যা একটু ‘প্রিটি’ প্রীতিকে দেখা যায়, এই আর কী!

গেইল বনাম কেন উইলিয়ামসনদের দ্বৈরথে প্রীতিকেও গ্ল্যামার-যুদ্ধে টেক্কা দিয়ে গেলেন এক সুন্দরী। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জার্সিতে গ্যালারিতে হাজির হতে দেখা গেল এঁকে। কখনও বিরস বদনে নির্নিমেষ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা, কখনও দলের সাফল্যে একাই হাততালি দিয়ে ওঠা, দু’আঙুল মুখের মধ্যে ঢুকিয়ে শিস দেওয়া— ম্যাচের উত্থান-পতন যেন সুন্দরীর অভিব্যক্তিতে প্রতিফলিত।

গেইল-প্রীতি জিন্টাদের শেষ পর্যন্ত ১৩ রানে হারিয়ে দিয়ে শেষ হাসি হেসেছিল সানরাইজার্সই। কিন্তু কে এই সুন্দরী? জানা গিয়েছে, ইনি তেলেগু অভিনেত্রী ঈশা চাওলা। হায়দরাবাদকে সমর্থন করতে প্রায়ই হাজির থাকেন ইনি।

বছর তিরিশের ঈশা অবশ্য জন্মসূত্রে দিল্লির বাসিন্দা। গত সাত বছর ধরে অবশ্য তিনি হায়দরাবাদি সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় মুখ। ২০১১ সালে ‘প্রেমা কাভালি’ সিনেমার মাধ্যমে তেলেগু সিনেমায় তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটে। গত বছরেই ঈশা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘আমান্য ফাউন্ডেশন’ তৈরি করেছিলেন, যে সংস্থা বিশেষভাবে সুবিধাযুক্ত শিশুদের নিয়ে কাজ করে।

হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে কিন্তু এই তেলুগু অভিনেত্রীই শেষ হাসি হাসলেন প্রীতি জিন্টার সামনে। সুন্দরীদের ‘যুদ্ধে’ জয়ী তিনি-ই।



বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে আড়াই লাখ রোহিঙ্গা বিদেশে গেছে

বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে দুই থেকে আড়াই লাখ রোহিঙ্গা বিদেশে চলে গেছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি।

সেসব দেশে তারা অর্থ উপার্জন করে মিয়ানমারে পাঠাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশে গেলে অনেকে বাংলাদেশি পরিচয়ে দেখা করতে আসে। কোথায় বাড়ি জিজ্ঞেস করলে জানা যায়, তারা রোহিঙ্গা।

শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

ওয়ার্ল্ড কনফারেন্স সিরিজের অংশ হিসেবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সেন্টার ফর এনআরবি-নন রেসিডেন্ট বাংলাদেশি।



নুরুল ইসলাম বলেন, মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠাতে সিন্ডিকেট হয়েছে, তবে এটা আমাদের দেশে না। সেই দেশের সিন্ডিকেট। এখন শ্রমিক পাঠানো বন্ধ করে দিলে কেউ যেতে পারবে না, ফলে সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তিনি আরও বলেন, যারা বৈধ পথে বাংলাদেশে প্রবাসী আয় পাঠাবে, তাদের প্রণোদনা দিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। অর্থমন্ত্রী রাজি থাকলে এ প্রণোদনা চালু হবে। এতে বৈধ পথে আয় বাড়বে।

সেন্টার ফর এনআরবি চেয়ারম্যান এমএস সেকিল চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান, শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহা. রাজি হাসানসহ কয়েকজন প্রবাসী।

প্রতারণার অভিযোগে শুটিং না করেই চলে গেলেন মাহি

ঢাকাই ছবির চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি সম্প্রতি ব্যস্ত রয়েছেন বেশ কিছু ছবির কাজ নিয়ে। এর মধ্যে অনন্য মামুনের ‘তুই শুধু আমার’ ছবির কাজও করছেন তিনি। এ ছবিতে তার বিপরীতে রয়েছেন ওপার বাংলার সোহম ও ওম।

এই ছবিতে কাজের জন্য মাহির শিডিউল নেন পরিচালক। সেই অনুযায়ী আজ শনিবার (২৮ এপ্রিল) এফডিসির ৭ নং ফ্লোরে শুটিং শুরু হয় এবং মাহিও অংশ নেন।




কিন্তু মাহিয়া মাহি পরিচালকের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ করেন এবং শুটিং শেষ না করেই চলে যান। জানা গেছে, এই সিনেমার গানের শুটিংয়ের কথা বলে মাহির সিডিউল নেন পরিচালক। কিন্তু পরে দেখা যায় সিনেমার গানের কথা বলে মাহিকে দিয়ে মিউজিক ভিডিওর কাজ করানো শুরু করেছিলেন পরিচালক। বিষয়টি যখন মাহি বুঝতে পারেন তখনই সঙ্গে সঙ্গে শুটিংস্থল ত্যাগ করেন। পরে মাহি আর কাজটি করেননি।

এ প্রসঙ্গে মাহি বলেন, ‘আমাকে সিনেমার গানের শুটিংয়ের কথা বললে আমি সিডিউল দেই। প্রায় গানের অর্ধেক কাজ শেষ হওয়ার পর আমি জানতে পারি এটা সিনেমার গান নয়। আমাকে দিয়ে মিউজিক ভিডিও বানানো হচ্ছে। এরপর আর কাজটি করিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘পরিচালকের এমন মিথ্যাচার আমার খারাপ লেগেছে। তিনি অন্যায় করেছেন।’

পরিচালক অনন্য মামুন এ বিষয়ে বলেন, ‘পুরো ব্যাপারটাই ভুল বোঝাবুঝি। মাহির সঙ্গে আমি কথা বলব এই নিয়ে। সবকিছু মিটে যাবে শিগগিরই।’

তবে গানটির প্রযোজক ইয়াসির আরাফাত বলেন, ‘অনন্য মামুনের সঙ্গে গানের মিউজিক ভিডিওর কথা হয়। সে আমাকে বলে এটা মাহিকে দিয়ে শুট করাবে। এরকম ঝামেলা হবে আশা করিনি। নাহলে আমি নিজেই মাহির সঙ্গে কথা বলতাম।’



ভারতে সস্তায় বিক্রি হয় মেয়েরা

প্রথমবার যখন মোকলেসাকে বিক্রি করা হয় তখন তার বয়স মাত্র ১২। তাকে কিনে ৭০ বছরের এক বৃদ্ধ বিয়েও করেছিল। এরপর একটি সন্তান জন্ম দেয় মোকলেসা।

তিন বছর পর মারা যায় তার বৃদ্ধ স্বামী। আবারও বিকিকিনির বাজারে তোলা হয় তাকে। কিন্তু এবার মোকলেসাকে যে কিনে নেয় সে ছিল খুব ভয়ঙ্কর ধরনের মানুষ।

মোকলেসার ভাষায়, ‘সে আমাকে খেতে দিত না। আমাকে মাঠে নিয়ে গিয়ে মুখে কাদামাটি ঢুকিয়ে দিত, মারধর করত।’ ভারতের এমন হাজারও দাসীবধূর মতো মোকলেসা একজন। বাকি জীবন নির্যাতন সহ্য করেই কাটাতে হয় তাদের।

পুত্রসন্তানের আশায় গর্ভপাত আর কন্যাশিশু হত্যার কারণে ভারত বিশ্বের সবচেয়ে লিঙ্গবৈষম্যের দেশই শুধু নয়, লিঙ্গ ভারসাম্যহীনতায়ও শীর্ষে আছে।



নারীর সংখ্যা কম থাকাতে বিবাহযোগ্য পুরুষের মধ্যে কনের চাহিদা প্রচুর। বিশেষ করে ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য হরিয়ানার মতো জায়গায়। দেশটির লিঙ্গ ভারসাম্যহীনতায় এই রাজ্যটি সবচেয়ে এগিয়ে। এই সুযোগটিকেই কাজে লাগায় মানব পাচারকারীরা।

হরিয়ানার ১০ হাজার পরিবারের ওপর জরিপ চালিয়ে দেখা যায়, সেখানকার ৯ হাজার বিবাহিত নারীই অন্য রাজ্য থেকে গেছে। গ্রামের নারীদের অনেকেই তিন বা তার চেয়েও বেশিবার কেনাবেচার শিকার হয়েছেন।

স্থানীয় লোকজন কিনে নেয়া এসব নারীকে ডাকে ‘পারোস’ বলে। এর অর্থ, যাকে কিনে আনা হয়েছে।

যুবকের ঘরে নারী ঢুকিয়ে ফেঁসে গেলেন এএসআই

নারায়ণগঞ্জের এক যুবকের ঘরে নারী ঢুকিয়ে ব্লাকমেল করে ৫০ হাজার টাকা আদায় করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক হলেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মাশিকুর রহমান শান্ত।

বুধবার (২৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩টার দিকে সদর উপজেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানার হাউজিং ফকির বাড়ি এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।

পরে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এএসআই মাশিকুর ও তার নারী সোর্স সাথীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

ভুক্তভোগী যুবক মাসুম ওই এলাকার মৃত কসাই আব্দুল খালেকের ছেলে।

এলাকাবাসী জানান, বুধবার রাতে এএসআই মাশিকুর জালকুড়ি, ২নং ঢাকেশ্বরী এলাকায় ডিউটিতে ছিলেন। এসময় পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সাথী নামে তার এক নারী সোর্সকে ফোন করে মাসুমের বাড়িতে পাঠায়। সাথী রাতে মাসুমের বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেন।




মেয়েটির মাসুমের বাড়িতে পৌঁছনোর খবর অপর এক সোর্সের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার পর এএসআই মাশিকুর তার নির্ধারিত এলাকা ছেড়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কোন অনুমতি না নিয়ে মাসুমের বাড়িতে যান। ঘরে ঢুকেই নারী নিয়ে অসামাজিক কাজ করার অপরাধে আটকের হুমকি দিয়ে ৫০ হাজার টাকা দাবী করেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

এক পর্যায়ে দু’জনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। গভীর রাতে শোরগোল শুনে এলাকাবাসী এসে মাসুমের বাড়িতে জড়ো হয় এবং এএসআই মাশিকুর এবং তার ওই নারী সোর্সকে আটকে রাখে। এসময় সাথীকে এলাকাবাসী মারধর করে বলেও জানা গেছে।

বিষয়টি জানতে পেরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (অপারেশন) আব্দুল আজিজ ও উপ-পরিদর্শক (এসআই) রজব আলীসহ অতিরিক্ত পুলিশ পাঠিয়ে এএসআই মাশিকুর ও সোর্স সাথীকে উদ্ধার করা হয়।

অভিযোগ অস্বীকার করে এএসআই মাশিকুর গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, ‘বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি পরিস্থিতির শিকার। আমাকে পরিকল্পনা করে ফাঁসানো হয়েছে। আমি নির্দোষ।’

তবে সাথী বলেন, ‘মাশিকুর স্যারের সাথে আমার অনেক দিনের পরিচয়। এর আগে তার নির্দেশে আরো কয়েকটি এ ধরনের কাজ করেছি। প্রতিটি কাজে তিনি আমাকে ৩ হাজার করে টাকা দিয়েছে। এ কাজে পুষিয়ে দিবে বলেছিলো।’

এলাকাবাসীর অভিযোগ, গত কয়েকমাসে সোর্স ব্যবহার করে এভাবে টাকা আদায়ের বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটিয়েছেন এএসআই মাশিকুর। এছাড়া এক প্রবাসীর বাড়ীতে এক বছরের বেশী সময় ধরে ভাড়া থাকলেও বাড়ীওয়ালাকে ঠিকমতো ভাড়া না দেয়ারও অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সাত্তার জানান, এএসআই মাশিকুর ও নারী সোর্সের সাথে এলাকাবাসীর মধ্যে ঝামেলার কথা শুনে ফোর্স পাঠিয়ে তাদেরকে থানায় এনেছি। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে এএসআই মাশিকুর ও সোর্স সাথীর বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।