A Nine year old child dies being victim of a lift accident

The child’s name is Alvira Rahman, she’s the eldest child of Shiplu Rahman who happens to be the eldest son of Mr. Mohammad Ali, the proprietor of AliBaba doors. The child lived with her parents in an apartment complex named ‘Green Peace’ which is to the opposite of Popular Diagnostic Center at Shantinagar.

This accident happened at around 9:30PM thursday, they were preparing to go outside to have dinner at a restaurant on the occasion of the child’s mother’s birth anniversary. They lived on the 14th floor of the complex. Apparently they were waiting for the lift to go downstairs, but when the lift reached their floor it was still upper bound, because there was a call from above. Well, Alvira just tried to enter the lift and her parents would board on the lift when it comes down. But that never happened, because when Alvira was on the lift door area, it suddenly started going above and the sensor wasn’t working.



As a result she got stuck between the heavy and metal doors of the lift. Actually her left hand and left leg were stuck in the lift and her parents tried to get her out of there. But it was late and her body would not get out. As a consequence her head collided with the roof and it started to bleed. When Alvira’s parents found themselves covered with fresh blood from their own daughter’s body, they started screaming to utterly horror and shouted for help. They even called the apartment complex office, but there was no response.

After struggling for about 15-20 minutes they somehow were able to release their daughter’s body from the lift and they rushed her to Square hospital where the on duty doctors declared her dead. Now it was too much tragedy for the poor family to bear. Anyway, the dead body was buried in Uttara-12 sector graveyard.

Later the apartment complex chief in charge by name of Alamgir Mia was contacted. He said, ‘The lift was 7-8 years old, still it was regularly maintained. Whatever happened was merely an accident.’ No complaint was lodged (no case was filed) on behalf of the departed soul in the nearest police station till the time we were writing this report.

Examinees won’t be allowed to appear for exams unless they arrive at the exam center half an hour before the exam starts

কোন দেশে এইডসের কী অবস্থা

কোন দেশে এইডসের কী অবস্থা

যদিও বর্তমান পৃথিবীতে এমন বেশ কয়েকটি রোগ (যেমনঃ ডায়াবেটিস) আছে যেগুলোতে মৃত্যুর হার এইডসের চেয়ে বেশি, তারপরও এইডসে মৃত্যুর ব্যাপারটি যে অন্য যেকোনো রোগের চেয়ে ভয়াবহ এবং লজ্জাজনক – সেটা মনে রাখতে হবে। তাই চলুন আজ জেনে নেই বিশ্বের কোন প্রান্তে এইডস বা এইচআইভি’র সংক্রমণ কী পর্যায়ের।

আফ্রিকা

এই মহাদেশে এইডসের প্রকোপ খুব বেশি। এখানে বিবাহবহির্ভূত যৌন মিলন এবং বহুবিবাহের প্রথা খুব বেশি, প্লাস এখানে অন্য যেকোনো অসুখের মতো এইডসের বিষয়ে সচেতনতা কম। রোগটি কীভাবে ছড়ায় এবং এটিকে কীভাবে প্রতিরোধ করা যায় – সে সম্পর্কে মোটামুটি অজ্ঞ এখানকার লোকেরা। যৌনমিলনের সময় নিরোধক (কনডম) ব্যবহারের প্রবণতাও এখানে খুবই কম। এইডসের কারণে আফ্রিকার মানুষের গড় আয়ু খুবই কম। এখানে এরকম বহু শিশু আছে, যাদের পিতামাতা এইডসের কারণে মারা গেছে এবং তারা নিজেরাও এই মরণব্যধিতে আক্রান্ত। একবার চিন্তা করুন, কথা বলতে শেখার পরেই কোনো শিশু যদি শোনে যে, সে আর বেশিদিন বাঁচবে না, তখন তার কেমন লাগে।

ভারত ও সিঙ্গাপুর

আফ্রিকার পরেই ভারত ও সিঙ্গাপুরে এইডসের সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি। সিঙ্গাপুরের লোকজন ক্যারিয়ার অরিয়েন্টেড এবং তারা বিয়ে করতে চায় না। ফলে তারা লিভ টুগেদার করে থাকে এবং ঘনঘন যৌনসঙ্গী বদলায়, একারণে এখানে এইডসের প্রকোপ অত্যন্ত বেশি। আর ভারতে বহুগামিতা, পরকীয়া এবং পতিতালয়ে গমনের প্রবণতা খুব বেশি। এখানে বেশিরভাগ পুরুষই যৌন মিলনের সময় কনডম ব্যবহার করতে চায় না। এছাড়া সাধারণ লোকজন তথা প্রশাসনের মধ্যে এমন একটি ধারণা আছে যে, উন্নয়নের জন্য যৌন স্বাধীনতা দরকার। ভারতেও এইচআইভি সম্পর্কে জনসচেতনতা কম। আগে এইচআইভি সম্পর্কে পাবলিক মিডিয়ায় প্রচারণা চালানো হলেও এখন সেই উদ্যোগ অনেকটা স্তিমিত হয়ে গেছে।

চায়না ও এশিয়ার অন্যান্য দেশ

চায়না থেকে বাইরে কোনো তথ্য পাচার করা কষ্টকর। তারপরও জানা গেছে যে, সেখানে এইডসের প্রকোপ রয়েছে, তবে সেটা ভারত বা সিঙ্গাপুরের মতো ব্যাপক নয়। জাপানের লোকজনের মাঝে যৌনক্রিয়ায় আগ্রহ কম, তাই সেখানে এইচআইভির ঝুঁকি কম হওয়ার কথা। তবে থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, মায়ানমার – এ সকল দেশে এইচআইভির হার চায়নার মতো হওয়ার কথা। মালেশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া মুসলিম দেশ হওয়ায় সেখানে এইডসের হার তুলনামূলকভাবে কম।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ

মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরব ও ইরান – এ দুটি দেশে এইচআইভির ঝুঁকি কম। এর কারণ হলো সৌদি আরবে অবৈধ যৌন সম্পর্ক গুরুতর অপরাধ এবং একাজে লিপ্ত কাউকে পাওয়া গেলে তার মৃত্যুদণ্ড অবধারিত। আর ইরানে ভিনদেশী লোকের সংখ্যা মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক কম। তবে মধ্যপ্রাচ্যের যে সকল দেশে বিদেশী শ্রমিকের সংখ্যা বেশি এবং সেক্স ব্যবসা জমজমাট, সেখানে এইডসের হারও বেশি। একারণে সংযুক্ত আরব আমীরাত থেকে প্রতি বছর অসংখ্য বিদেশী শ্রমিক এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়ে নিজ দেশে ফেরত যায়।

আমেরিকা ও ইউরোপ

উন্নত বিশ্বে এইচআইভির হার খুবই কম। সেখানে যে অবাধ যৌনমিলন চলে না, তা নয়। তবে সেখানের মানুষ এসকল বিষয়ে খুবই সচেতন। আর তারা খুবই বেছে বেছে যৌনসঙ্গী নির্বাচন করে, সেখানে পতিতাবৃত্তির হার খুবই কম। সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক হলো, সেখানে এইডসের হার দিনদিন কমছে।

বাংলাদেশ

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত এইচআইভির হার কম, তবে আমাদের কিছু বোকামির জন্য দেশে এইডসের হার বেড়ে যাচ্ছে। এর প্রধান কারণ হলো, দেশে বিয়ের পূর্বে রক্ত পরীক্ষা করা হয় না এবং ভারতে নারীপাচার রোধ করা যাচ্ছে না। এছাড়া দেশের আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক-পারিবারিক পরিবেশের অবক্ষয়ের কারণে তরুণ সমাজ সিরিঞ্জভিত্তিক নেশার দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে। তার উপর, শ্রমিক সম্প্রদায়ের একটি অংশ পতিতাদের সাথে যৌনমিলনের সময় কনডম ব্যবহার করে না। এছাড়া, ভারতের দেখাদেখি বাংলাদেশেও পরকীয়া ও লিভ টুগেদারের সংখ্যা ক্রমশ বেড়ে যাচ্ছে। তরুণ-তরুণীরা প্রেমের নামে ঘনঘন যৌনসঙ্গী বদলাচ্ছে। নতুন সঙ্গী বাছাইয়ের সময় তার যৌনবাহিত রোগ আছে কিনা যাচাই করছে না।

ঢাকা এবং এর চারপাশে শুধু দূষণ আর দূষণ

Visit and subscribe to our YouTube channel:

https://www.youtube.com/channel/UC_ea40zKSAhep0MI23VQx0g

 

Finally its known who broke the dressing room glass

dressing room glass

There wasn’t shortage of anything in the match between Bangladesh and Sri Lanka held on Friday. The match took dramatic turns every now and then. Finally Bangladeshis tasted victory, but the drama wasn’t finished yet. The news of Bangladesh team dressing room glass being broken just spread everywhere. Later investigation started regarding this. It was decided that the CCTV footage would be checked to find the culprit. Finally it’s known that excessive level of celebration was the cause of the broken glass. At least this was informed by the match referee Chris Broad. This was the finding after the CCTV footage based investigation.

Broad actually took witness from the workers who attended Bangladesh cricket team. It was then found that the glass was simply broken while the winners’ side members were celebrating. It was neither planned or voluntary, it was simply an accident. Still the referee asked for more footage.

Previously there was agitation in the ground during the last over of the match. There was dispute between players from the opposing teams at the end of the match. After that the news of dressing room glass being broken was known.

How the agitation started before the ‘dressing room glass breaks’ incident

Bangladeshi players thought the umpires were partial in the match. This was critical in the last over. You know only one bouncer is legal in a T20 over. But in the last over the bowler delivered two consecutive bouncers and the second one wasn’t declared ‘NO’ by the umpire. On top of that, when Mustafizur was run out, the umpires declared that Mahmudullah would be at the non-striking end which seemed unfair to the Bangladeshi side. They protested, the captain Sakib at some point asked the batsmen in the crease to bunk the match and return to the dressing room.

But the Bangladeshi team manager Khaled Mahmud Sujan pacified his players and asked them to finish the match before they return. However, Bangladesh was lucky to score a win after all these adversaries.

Whatever ICC twitted regarding Mahmudullah’s heroism

‘Need 12 runs in 4 bowls? No problem, Mahmudullah is there! He took these runs just in three balls and Bangladesh ascended to the final.’ – These are the fine words what ICC twitted on their official Twitter page. They also added the scene of Mahmudullah striking the ‘match winning’ six. And this tweet from ICC was liked by 46 thousand people in just one hour of time. They congratulated Mahmudullah as well as Bangladesh. (This article is on Mahmudullah’s heroism)

Mahmudullah's heroism

It could be mentioned here that Bangladesh needed 12 runs in last over. That over was given to Sri Lankan bowler Isuru Udana. He delivered two no balls in first two deliveries, but field umpire didn’t call ‘No ball’ which was what Bangladeshi Cricketers were forced to protest. Umpire was told about the issue but he didn’t pay any heed.

Sakib decided to take the hard line, but Mahmudullah’s heroism didn’t deflect

Because of this partialty shown by umpire, tiger captain Sakib who was standing then at the boundary line called upon Mahmudullah and Rubel Hossain to leave the ground and bunk the match at some point. But Mahmudullah had confidence in himself, he continued the match. (This article is on Mahmudullah’s heroism)

Previously, Bangladesh just lost one wicket without scoring any runs in the first two deliveries of their innings. At last they needed 12 runs in 4 bowls to win. Mahmudullah hit a boundary in the third ball of the last over and paved the way for Bangladeshis to become victorious. He scored a double in the next delivery. And in the fifth one he hit a tremendous six over the backward square leg arena to ensure victory for the tigers. This over-boundary got Bangladeshis the win they craved the most.

The reason why Goldberg is the strongest wrestler of all time

Mahmudullah’s reaction regarding the match

At the end of the breathtaking match Mahmudullah let us know in his reaction that it has been the best innings of his career. He added, ‘Sakib’s return to the team has increased my confidence. You gotta keep track of remaining number of balls and play attacking cricket in such high tension match. When Sakib got out I really became very stressed.’ Indicating the ‘not so bright’ incidents that happened during the last over he said, ‘I want to forget everything that took place in the ground today. This is just past for me.’ (This article is on Mahmudullah’s heroism)

Visit and subscribe to our YouTube channel:

https://www.youtube.com/channel/UC_ea40zKSAhep0MI23VQx0g

 

Things you didn’t know about Alia Bhatt

Alia Bhatt

If you ask a young man who his favorite Bollywood actress is, he’ll probably mention Alia Bhatt. This talented young lady has placed her name among the A listers of the film industry. She has proved her capability in films like 2 States, Kapoor & Sons, Badri ki Dulhania, Udta Punjab and Highway. She is one of those actresses who’re not only cute but can sing pretty well also.

Although she is now one of the loveliest heroines of Bollywood, but it wasn’t always the same for her. That being said, here are a few things you probably didn’t know about Alia Bhatt.

The nickname of Alia Bhatt

Well, she’s called ‘Alu’ by her family members.

Her first ever film

Many of you could be thinking that ‘Student of the year’ was Bhatt’s debuting Bollywood film. Well, you would be wrong in that case. Because her first ever film was ‘Shangharsho’ which was released in 1999. She played the role of a child in that.

Her audition for ‘Student of the year’

Do you know how many girls she had to compete with to get to lead female role in ‘Student of the year’? Well, it was 700 girls. And she didn’t want to get introduced through one of his dad’s films as well. She wanted to shine on her own.

Her weight during this audition

Alia was really heavy just prior to her audition for her first Bollywood film as a lead female role. She weighed 67 kilos at that time. Later she lost almost 16 kilos in next three months.

She likes Yogurt

You may not know, but Alia Bhatt likes Yogurt very much. She even takes Yogurt with Italian and Mexican food.

She is an atheist

Mahesh Bhatt being an atheist himself has raised all his children to grow as atheists. And Alia is no exception to that.

Alia Bhatt is a good painter

Bhatt is a good actor and singer. She is also very good at painting, specially charcoal painting.

She likes boys’ perfume

You may be surprised to know that Alia actually likes boys’ perfume. And she has used those in numerous occasions.

Alia is an introvert

In cinemas Alia seems to be very jolly minded and bubbly. But in real life, she is actually an introvert.

A few facts about Kajol you didn’t know

Her favorite Bollywood actors

She previously liked Shah Rukh Khan. Later she liked Shaheed Kapoor. But now a days her favorite actor is Ranbir Kapoor.

She was part of PETA campaign

Alia Bhatt was part of PETA campaign which was run to save endangered animals.

What Alia can’t do

According to an interview, she can’t cook.

The kind of person she wants to marry

Alia wants to marry a man who is more like her father, Mr. Mahesh Bhatt. Also that guy must be able to keep her happy and pleased all the time.

What Alia Bhatt wishes to do

She actually wants to go shopping and roam around in the mall like a normal person.

Visit and subscribe to our YouTube channel:

https://www.youtube.com/channel/UC_ea40zKSAhep0MI23VQx0g