স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষক কে – মুজিব না জিয়া?

কেয়ামতের আগ পর্যন্ত বোধ হয় এই বিতর্ক চলতেই থাকবে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষক আসলে কে – মুজিব না জিয়া? একজন মুক্তচিন্তার ও বিবেকবান মানুষ হিসেবে এক্ষেত্রে আমারও কিছু বলার থাকতে পারে। আমি আমার বিবেকের কথা বলে যাই, তারপর কে আমাকে মুজিবপন্থী আর কে জিয়াপন্থী বলবেন, সেটা আমার মাথাব্যথা নয়। কারণ চাইলেও দেশের সকল মানুষের চোখে আমি ভালো হতে পারবো না।

বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ -এ ৭ই মার্চ রেসকোর্সের ময়দানে বলেছিলেন, ‘তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকবা। আমি যদি হুকুম দিবার নাও পারি, তবুও তোমরা ঝাঁপায়া পড়বা। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’- এর দ্বারাই প্রমাণিত হয় যে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রকৃত ও প্রথম ঘোষক শেখ মুজিবুর রহমান। এখানে ব্যক্তিবিশেষ কারো রাজনৈতিক মতাদর্শে কিছু যায় আসে না। শেখ মুজিবকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে মেনে নিয়েছি, তার মানে এই নয় যে, আমি আওয়ামী লীগ করি। আমি আসলে কোনো লীগ বা দল করি না। আসলে বাংলাদেশের বর্তমান নেতা-নেত্রীদের মনমানসিকতা এতটাই নোংরা পর্যায়ের যে, তাদের কাউকে সমর্থন করার মতো রুচি আমার হয় না।




তবে ২৭ মার্চ তারিখে জিয়া চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে যে ঘোষণাটা দিয়েছিলেন, সেটাও প্রশংসার দাবী রাখে বটে। জিয়ার জায়গায় অন্য কেউ হলে এতটা স্বতস্ফূর্ত ও সাহসিকতার সাথে ঘোষণাটা দিতে পারতেন কিনা – এ সন্দেহ বেশিরভাগ দেশবাসীর ন্যায় আমারও আছে। ‘আমি মেজর জিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করছি’- এ কথা বলার সময় তিনি শেখ মুজিবের নাম না নিয়ে থাকলেও এটা বুঝতে কোনো সমস্যা হয় না যে, তিনি স্বাধীনতার প্রথম ঘোষক নন; বরং তিনি শেখ মুজিবের হয়েই ঘোষণাটা দিয়েছিলেন। ঐ সময় বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী থাকলেও তিনিই ছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন সর্বাধিনায়ক।

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশ অনেক কলুষিত হয়ে গেছে, তাই আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতারা একে অপরের ওপর কাঁদা ছোড়াছুড়ি করছেন, এমনকি তারা এর মাঝে বঙ্গবন্ধু ও জিয়াকেও টেনে আনতে দ্বিধাবোধ করছেন না। তারেক জিয়া বৃটেনে অবস্থান করে বলতে চাইছেন, বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানী পাসপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। তিনি তখন যাই করে থাকুন না কেন, তিনি ছিলেন বাংলাদেশ নামক নতুন রাষ্ট্রের প্রাণভোমরা – এ কথা বুকে হাত দিয়ে অস্বীকার করার দুঃসাহস কারো হবে বলে মনে করি না।

ওয়ালটন পণ্য কেনার আগে দ্বিতীয়বার ভাবুন

আমি ওয়ালটনের বিশাল বড় ফ্যান ছিলাম একসময়। তাদের বেশ কয়েকটি পণ্য ব্যবহার করেছি। তবে বউয়ের প্ররোচণায় পড়ে ওদের একটি ফ্রিজ কিনেই ধরাটা খেলাম। পণ্যে তো সমস্যা ছিলই, তদুপরি সেলসপার্সনগুলো যেভাবে মিথ্যাচার করেছে, তাতে আমার ভোগান্তি আরো বেড়েছে। শুনলাম এটা নাকি শেখ রেহানার কোম্পানী, তাই বোধ হয় আওয়ামী লীগের ক্ষমতার শেষপ্রান্তে এসে তারা যাচ্ছেতাই করে যাচ্ছে। যেসব পণ্যে তারা দশ বছরের ওয়ারেন্টি দিচ্ছে, সেগুলোতে আদতে তারা দুই বছর ওয়ারেন্টি দিতে পারবে কিনা তা নিয়ে আমার সংশয় আছে। কারণ বর্তমান সরকারের আমলে ওদের বিজনেস যেমন চৌদ্দগুণ বেড়েছে, ঠিক তেমনি বিএনপি ক্ষমতায় আসলে মোটেই টিকতে পারবে কিনা সেটাই দেখার বিষয়।

ওয়ালটনের কর্মীদের মিথ্যেচার

অাসলে ওয়ালটনের ফ্রিজ কেনার ইচ্ছা আমার কোনোদিনই ছিল না। সেটা করেছি বউয়ের ঘ্যানঘ্যানানিতে বিরক্ত হয়ে। সে বরাবরই বলে এসেছিল, ‘আমাদের অত বড় ফ্রিজ দরকার নেই, ছোটখাট হলেই চলবে।’ ওর বাপের বাড়ির এক প্রতিবেশী ওয়ালটন ফ্রিজ কিনেছে, তাই আমাকেও সেটা কেনার জন্য তাগিদ দিচ্ছিল। প্লাস, বহুস্থানে ওয়ালটনের সার্ভিসিং সেন্টার আছে (তখন ঢাকার বাইরে চলে যাবার প্ল্যান ছিল) – এটা বিবেচনা করে হলেও শেষ পর্যন্ত কুরবানী ঈদের আগে ছাড়ে ওয়ালটনের ফ্রিজ কিনলাম। অরিজিনাল মূল্য নাকি সাড়ে একত্রিশ হাজার, সেটা আমার কাছে সাড়ে আঠাশে বেচলো, অর্থাৎ তিন হাজার টাকা ছাড় দিল।




এখন আপনারাই বলুন, যে ফ্রিজের দাম সাড়ে আঠাশ হাজার, তার স্ট্যাবিলাইজারের দাম কি চার হাজার হওয়া উচিত? মোটেই না। তাহলে বুঝা যাচ্ছে, আসলে এক থেকে দেড় হাজার টাকা ওরা নিজের পকেটস্থ করতে চাচ্ছিল। ফ্রিজটা কিনেছিলাম কুড়িলে অবস্থিত ওয়ালটনের কর্পোরেট শোরুম থেকে। স্ট্যাবিলাইজারের দাম শুনে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে ওখানকার সিনিয়র স্যালস পার্সনকে জিজ্ঞেস করলাম, স্ট্যাবিলাইজার ছাড়া চলবে কি না। সে মাথা অন্য দিকে ঘুরিয়ে বললো, চলবে। অর্থাৎ সেটা ছিল একটা ডাহা মিথ্যা কথা। কারণ স্ট্যাবিলাইজার ব্যবহার না করলে ফ্রিজের ক্ষেত্রে ওয়ারেন্টি প্রযোজ্য হয় না, সেটা ওদের ওয়ারেন্টি বুকেই লেখা আছে। তাহলে এই মিথ্যেচার কেন?

আরেকটি মিথ্যেচার হলো এই যে, ছাড়ের অফারটি সেপ্টেম্বরের ৫ তারিখ পর্যন্ত প্রযোজ্য ছিল। কিন্তু আমি ওখানে গিয়েছিলাম ২ তারিখে, অর্থাৎ ঈদের আগের দিন। তাড়াহুড়া করে ফ্রিজের মতো বড় একটা অ্যাপ্লায়েন্স কেনার ইচ্ছে আমার ছিল না। তাই সেখানে ঢুকেই একজন জুনিয়র সেলস পার্সনকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘ছাড়ের শেষ দিন কবে?’ সে জানালো, ঐদিনই ছিল শেষ দিন। এটাও ডাহা মিথ্যে কথা। ওয়ালটনের মতো বড় একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা যে এভাবে ঢালাও মিথ্যা বলবে সেটা আমার কল্পনাতীত ছিল।

মেলা বা ছাড়ে বড় ধরনের পণ্য কিনবেন না

অবশেষে যা হবার তাই হলো, ফ্রিজটি কেনার ছয় মাস পার হবার আগেই সেখান থেকে বিকট ঘড়ঘড় শব্দ তৈরি হচ্ছে। সার্ভিস করাব ভেবে যেই না ওদের বুকলেটটা বের করলাম, তখনই দেখতে পেলাম যে, স্ট্যাবিলাইজার ব্যবহার না করলে ফ্রিজে ওয়ারেন্টি কার্যকর হবে না। এবার বুঝুন আমার অবস্থা!



আবার এমনও হতে পারে, পণ্যটিতে আগে থেকেই সমস্যা ছিল। আমার একটা পারসেপশন হলো এই যে, মেলা বা ছাড়ে লো কোয়ালিটির প্রোডাক্ট বিক্রি করা হয় এবং যেগুলোর সমস্যা বেশি সেগুলো সামনের দিকে সাজিয়ে রাখে যাতে সহজেই দৃষ্টিগোচর হয়। তাই বাহ্যিক চাকচিক্যে দামী ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক পণ্য না কেনাই ভালো। আমার ফ্রিজটি বাইরে থেকে দেখতে দারুণ ছিল, তাই সেটা কিনেছিলাম। ওয়ালটনের সব ফ্রিজই যে খারাপ তা নয়। আমি ছাড়ে কিনেছিলাম, বাহ্যিক চাকচিক্য দেখে; তদুপরি সেলসম্যানদের মিথ্যেচারে বিশ্বাস করেছিলাম, তাই ধরা খেয়েছি। যেখানকার সেলসপার্সন ওরা, সেটা ওয়ালটনের একটা কর্পোরেট শোরুম (কুড়িল), ঐরকম জায়গায় এরকম ব্যবহার প্রত্যাশা করি নি আমি।

ওয়ালটনের কাটতি বেড়েছে, তাই এখন ওদের গা ঘেঁষা কষ্টকর

নিরুপায় হয়ে ওদের হেল্পলাইনে (১৬২৬৭) বেশ কয়েকদিন কল দিলাম, প্রতিবারই বন্ধ পেয়েছি। সম্ভবত বাণিজ্য মেলা উপলক্ষ্যে ওদের সব কল সেন্টার কর্মীকে মেলায় স্থানান্তরিত করা হয়েছিল, শুধু জানুয়ারী মাসের জন্য। এক মাসের জন্য হলেও ব্যাপারটা বেশি অমানবিক এবং অপেশাদার।

দেশি পণ্যের নামে ওরা যেসব বিক্রি করছে, সেগুলো পুরোপুরি দেশে উৎপাদিত তো নয়ই (সিম্পলি এসেম্বল্ড), বরং একেবারে গার্বেজ বলা চলে। শুধু ফ্রিজ কেন, আরো কয়েকটি পণ্য ওদের কাছ থেকে কিনে এখন সরষে ফুল ছাড়া আর কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। মেলা বা ছাড়ে জিনিসপত্র কিনতে মানা করলাম এই কারণে যে, এর আগেও কম্পিউটার মেলা থেকে এসার-এর একটি ল্যাপটপ কিনেছিলাম, সেটা একটা জঘন্য পণ্য ছিল।

অার ওয়ালটনের সাথে শেখ রেহানা যদি সত্যিই সংশ্লিষ্ট হয়ে থাকে, তাহলে ক্ষমতার শেষ বছর হিসেবে ওরা আরো বেশি মরিয়া হয়ে আরো বেশি আজেবাজে প্রোডাক্ট গছিয়ে দিতে চাইবে জনসাধারণকে, তাই সকলকে ওয়ালটন পণ্য কেনার আগে দ্বিতীয়বার ভেবে নেয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।

ঢাকা এবং এর চারপাশে শুধু দূষণ আর দূষণ

এ ব্যাপারটি বোধ হয় নতুন কোনো টপিক নয় – ঢাকা আর এর চারপাশের এলাকা যে দূষণের ভারে ন্যূজ্ তা সবারই জানা। তারপরও বিষয়টিকে নিজের মতো করে উপস্থাপনের তাগিদ থেকে সরে আসতে পারলাম না। এর কারণ এই যে, এই পড়ন্ত বিকেলে লাঞ্চের পর একটু ঘুমের ইচ্ছে ছিল, সেটা পারলাম না শব্দ দূষণের কারণে। যেখানে অবস্থান করছি সেটা আমার পিতা-মাতার আবাসস্থল, অামি বউ-বাচ্চা নিয়ে অন্যত্র থাকি।

এখানে প্রতিবেশী যে পরিবারটি এই ক্রমাগত শব্দ দূষণ (ফার্নিচার টানাটানির শব্দ) চালিয়ে যাচ্ছে, তারা যে ব্যাপারটা ইচ্ছে করেই ঘটাচ্ছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। হয়তো আমার মা আপাতত কয়েকদিনের জন্য ঢাকার বাহিরে আছেন, তাই তারা এটা করার সাহস পাচ্ছে। অথবা ওনারা হয়তো এই ব্যাপারটিতে অভ্যস্থ হয়ে গেছেন। তবে আমি কিছুতেই শব্দ দূষণ সহ্য করতে পারি না, আমার কান বোধ হয় সাধারণের তুলনায় একটু বেশি সংবেদনশীল। সেটা হতেই পারে, আমি যেহেতু দীর্ঘদিন ইংরেজিতে লিসেনিং স্কিল বাড়ানোর জন্য চেষ্টা চালিয়েছি এবং তাতে প্রায় ৯৫% পর্যন্ত সফলকামও হয়েছি।

এ পর্যায়ে কিছু লোক প্রশ্ন তুলতে পারেন, প্রতিবেশী পরিবার কেন অপ্রয়োজনীয় শব্দ দূষণের মাধ্যমে বিরক্তির কারণ হবে, কী ঠেকা পড়েছে তাদের? আসলে আমাদের দেশে কিছু লোক যে অন্যের বিরক্তির উদ্রেক ঘটিয়ে মজা পায়, সেটা বোধ হয় কারো অজানা থাকার কথা নয়। আর সত্যি কথা বলতে গেলে, এজন্য আমি নিজেও খানিকটা দায়ী। প্রথম যেদিন এখানে এসেছি (তিন-চার দিন আগে), সেদিন প্রায় ঘণ্টা দুয়েক ধরে হাই ভলিউমে সাব-উফার বাজিয়েছি। ব্যাপারটি পাশের বিল্ডিংএর এক ভদ্র (নাকি অভদ্র!) মহিলা ভালো চোখে দেখেন নি মনে হয়, যেটা তার সাথে তাৎক্ষণিক আই কনট্যাক্ট এর মাধ্যমে বুঝতে পেরেছিলাম। তিনিই হয়তো তার সাধের কোনো বান্ধবী টাইপের ফ্যামিলিকে দিয়ে ফার্নিচার টানাটানির কাজটা করাচ্ছেন। আমার মা চলে আসলেই হয়তো তারা রণে ক্ষান্ত দিবেন, অথবা আমি চলে গেলে।

যাই হোক, দূষণের কথায় ফিরে আসি। এর আগে একটা বাসা বদলাতে হয়েছে এই প্রকার দূষণের কারণে। উপরের নোয়াখাইল্লা ব্যাচেলররা সারা দিন-রাত এত ধুপধাপ করতো যে, আমার বা আমার বাচ্চার শান্তিমতো ঘুমানোটা অসম্ভব হয়ে গিয়েছিল। এমনকি এখন যে বাসায় থাকি, সেখানেও প্রতিবেশী পরিবারে বাবা-মার উসকানির চোটে দুটি শিশু বালক দরজা ধাক্কাধাক্কির মাধ্যমে এতটা শব্দ দূষণ ঘটাচ্ছে যে, মনে হয় এখান থেকেও চলে যেতে হবে।

এবার আসি বায়ু দূষণের কথায়। বাসার পাশে যদি পান-সিগারেটের দোকান থাকে, তাহলেই হয়েছে। এর আগে আমি যে বাসায় ছিলাম, সেটা অনেক সুন্দর ছিল – টাইলস, থাই গ্লাস, সবকিছুই হাই-ফাই। কিন্তু সমস্যা ছিল পাশে রিকশার গ্যারেজ আর পান-সিগারেটের দোকান। আমার বাসাটা ছিল তিন তলায়, তাই কী পরিমাণ ধোঁয়া যে জানালা দিয়ে প্রতিনিয়ত ঢোকার চেষ্টা করতো সেটা মনে পড়লে এখনো গা শিউরে উঠে।

বায়ুদূষণে টিকতে না পেরে সে বাসাটা ছেড়েছিলাম, বাড়িওয়ালা বুঝতে পারলেও তার কিছুই বলার ছিল না। তারপর নিশ্চয়ই মনে আছে চিকনগুনিয়ার কথা। এই অসুখ তথা মশার ভয়ে লোকজন সন্ধ্যা হলেই যা হাতের নাগালে পেত, তাই পোড়াতো, এমনকি প্লাস্টিকও। প্লাস্টিক বা পলিমারের ধোঁয়া যে দেহের বিশেষ করে শিশুদেহের কী পরিমাণ ক্ষতি করে তা বলাই বাহুল্য। সবচেয়ে আতংকের কথা হচ্ছে, কিছু কিছু লোক শুধুমাত্র অন্যকে বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে এ সকল দূষণ কর্মকাণ্ড করে থাকে।

ঢাকার আশপাশটাও দূষণের কারণে ত্রাহি-ত্রাহি অবস্থা। রূপগঞ্জের ভুলতার মাছুমাবাদ গ্রামের কথাই ধরুন, সেখানে পার্টেক্সের ফ্যাক্টরী স্থাপিত হয়েছে বিশাল জায়গা জুড়ে। ওখানে লোকাল কিছু লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে ঠিকই, কিন্তু এলাকায় যে ভয়াবহ টাইপের বায়ুদূষণ ঘটাচ্ছে, সেটা সন্ধ্যার পর সেখানে অবস্থান করলে বোঝা যায়। আমি নিজে সেখানে কোনো একটা কারণে দু’ রাত অবস্থান করেছিলাম সম্প্রতি, তাই ব্যাপারটা আমি চাক্ষুষ দেখে এসেছি।

এতো গেল পার্টেক্সের কথা। কিন্তু পার্টেক্সই কি একমাত্র ফ্যাক্টরি যেটা বায়ুদূষণ বা পরিবেশ দূষণ ঘটাচ্ছে। ঢাকার অভ্যন্তর থেকে শুরু করে আশপাশটায় এরকম হাজার হাজার ফ্যাক্টরি আছে, যেগুলো সংশ্লিষ্ট স্থানের পরিবেশকে চিরতরে ধ্বংস করে ফেলছে। আমাদের দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার যেখানে প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে ব্যর্থ, সেখানে এসব অনিয়মকে যে অর্থের বিনিময়ে প্রশ্রয় দিবে, এটা খুবই স্বাভাবিক। আমাদের – সাধারণ নাগরিকদের বোধ হয় চেয়ে দেখা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। তাই মন চায়, দূরে কোথাও গিয়ে বসবাস করি, যেখানে হিংস্র পশু-শ্বাপদ থাকলেও অন্তত পরিবেশ দূষণ নেই।

A few facts about Kajol you didn’t know

Kajol

Kajol is probably the most popular Bollywood actress in romantic and family based character. She and Shah Rukh Khan made a unique pair for almost a decade and ruled the film industry. She is still as much popular today as she was at the end of 1994, the year her first blockbuster Dilwale Dulhania le Jayenge was released. Now here are a few interesting facts you may not have known about her.

Her last name

You most possibly know the last names of all Bollywood actresses except Kajol. May be you know that Rani has the last name Mukherjee, Shilpa has the last name Shetty and Preity has hers as Zinta. But did you really know Kajol’s last name up until now? I guess not. Well, it is none other than Mukherjee and she’s a first cousin of Rani Mukherjee as well. She’s also from a Bengali-Marathi mixed family.

Her family background

Her father Shomu Mukherjee was a film director and producer while her mother Tanuja Samarth was an actress. Her younger sister Tanishaa Mukherjee was an actress for a brief period of time. Kajol was born in Mumbai.

Interesting facts you didn’t know about Aamir Khan




Her marriage with Ajay Devgan almost wrecked at some point

It was a scene from a certain Bollywood film that pissed off Ajay Devgan. Kajol had an intimate romance scene with her male co-actor in that. This situation almost ended up on court at some point when their close relatives pacified both of the couple. Then they came up to make a few stipulations on their relation: the dos and don’ts of their film career. Since then both have been strictly maintaining those conditions and happy as well. They now have reached a stable point in their personal and family lives. Well, her fans expect that her marriage with Devgan will last really long.

kajol had a melanin operation

Previously Kajol’s body complexion was not bright although she always was naturally cute. Because of this some even commented that Kajol didn’t deserve to be an actress on Bollywood in the first place considering her body tone. Well, these things finally pissed her off and she went through a melanin operation. Now a days she looks quite bright and attractive, just has gained a few extra pounds lately.

Her husband isn’t in good terms with her favorite co-actor

Undoubtedly Kajol’s favorite Bollywood actor is Shah Rukh Khan, she herself confessed this little secret of hers. Well, interestingly enough, her husband Ajay Devgan isn’t exactly in good terms with Shah Rukh. Yet Khan and Kajol are best of friends and are likely to remain so for the rest of their days.

Facebook tricks: Learn a few here

রোহিঙ্গাদের পক্ষে বা বিপক্ষে বলার আগে নিজেকে ঐ অবস্থানে একবার ভাবুন

‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি বর্তমানে একটি গালির মতো হয়ে গেছে। বন্ধু-বান্ধবদের মধ্যে একজন আরেকজনকে তুচ্ছার্থে বা টিজ করার উদ্দেশ্যে এ গালিটি দিয়ে থাকে। এর দ্বারা মেইনলি বুঝানোর চেষ্টা করা হয়ে থাকে, ‘আমি স্থানীয়, তুই ভিনদেশী। আমি কেউকেটা, তুই তুচ্ছ।’ যারা এ জাতীয় অমানবিক গালি দিয়ে থাকেন, তাদের উদ্দেশ্যে অামার বক্তব্য হচ্ছে, অাপনারা বা আপনাদের পূর্বপুরুষেরা ১৯৭১ সালে কী অবস্থায় ছিলেন? তারা কি ঐ সময় বহাল তবিয়তে ছিলেন? যদি তাই হয়ে থাকে, তাহলে কি তারা রাজাকার ছিলেন? আর যদি তারাও ঐ সময় উদ্বাস্তু বা অসহায় হয়ে থাকেন, তাহলে রোহিঙ্গাদের এত নিচু চোখে দেখেন কেন?

এ কথাগুলো হয়তো অনেক আগেই বলা উচিত ছিল, যখন রোহিঙ্গা সমস্যা প্রকট ছিল, অর্থাৎ রোহিঙ্গারা দলে দলে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছিল। আসলে কোনো একটা কারণে এই ব্লগটিতে লেখালেখির ব্যাপারে ডিমোটিভেটেড হয়ে গিয়েছিলাম। রোহিঙ্গা সমস্যা যেহেতু এখনো সমাধান হয় নি, তাই শেষ পর্যন্ত এ কথাগুলো বলতে বাধ্য হলাম।




যেমনটি বলছিলাম, নিজেরা কমফোর্ট জোনে আছেন এবং চিরকাল তাই থাকবেন – এমনটা ভাবার কোনো অবকাশ নেই। জাস্ট কয়েকটা সম্ভাবনা বিবেচনা করুনঃ
(১) নিশ্চয়ই অবগত আছেন বাংলাদেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক সংকট সম্পর্কে। আওয়ামী লীগ যেভাবে ‘কাউট্টা’র মতো ক্ষমতা অাঁকড়ে ধরে আছে, তাতে যে কোনো সময়ই একটি গৃহযুদ্ধ শুরু হতে পারে বাংলাদেশে। তখন এই কমফোর্ট জোনের পাবলিকগুলো কোথায় যাবে তাই ভাবছি।

(২) সরকার পাবনায় একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি করেছে, আরেকটি করার পরিকল্পনা করছে বরগুনায়। এর মধ্যে একটি কেন্দ্রেও যদি সোভিয়েত ইউনিয়ন বা জাপানের মতো দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে দেশে অবস্থান করার মতো আর জায়গা থাকবে না কারোর জন্য, কারণ দেশটা যে বেজায় ছোট! সুতরাং উদ্বাস্তু বা ‘রোহিংগা’ হতে পারেন যে কেউ, যখন তখন – ভুলে গেলে চলবে না।

(৩) বাংলাদেশে যে কোনো সময়ই একটি বড় ধরনের ভূমিকম্প হতে পারে সে সম্পর্কে নিশ্চয়ই জানেন। আল্লাহ না করুক, তাই যদি হয় তাহলে অনেক লোকই তো বাস্তুচ্যুত হবেন, এরা তখন কোথায় যাবেন?

এ সকল বিবেচনায় নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন, আরাম করার সময় এখনো আসে নি বাংলাদেশিদের জন্য। আমেরিকার মতো দেশে জনগণ শান্তিতে ঘুমাতে পারছে না, কখন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় আর তাদের উপর এটম বোমা এসে পড়ে সে দুশ্চিন্তায়, বাংলাদেশে তো কোন ছার! বাংলাদেশ এখনো নিউজিল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, সুইডেন বা নরওয়ে হয়ে যায় নি যে, সকলে পায়ের উপর পা তুলে আরাম করে ঘুমাবেন আর উদ্বাস্তুদের দেখলেই বলবেন, ‘রোহিঙ্গা’।

আশা করি আর কোনো ব্যাখ্যার দরকার নেই। নিজেদের যে অবস্থা হতে পারে যে কোনো সময়, সে অবস্থায় বর্তমানে যারা আছে, তাদেরকে উপহাস করার মতো দুঃসাহস করবেন না। আমরা বাংলাদেশিরা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছি মানবিক বিবেচনায়, তারা মুসলিম বলে নয়।

Interesting facts you didn’t know about Aamir Khan

Top blockbusters of Bollywood like PK, Three Idiots and Ghazini starred Aamir Khan. This actor seems to be introvert considering the fact that he hardly attends any award ceremony. Yet he is considered the best actor of the film industry by many (even surpassing Shah Rukh Khan). With that said, here we a present a few interesting facts you probably didn’t know about Aamir Khan.

image of Aamir Khan

His full official name is quite lengthy

We can bet 99.9% of the people don’t know his full name. Its Mohammed Aamir Hussain Khan. He is an Indian film actor, producer, director and television talk show host. He received the Padma Bhushan award in 2010.

Qayamet se qayamet tak was his first blockbuster

This film was released in 1988 and it was a huge success in Aamir Khan’s film career. You may not know that this film is based on tragic romance, which means Aamir Khan died as the lead male role with his lover which was played by Juhi Chawla in the end of the cinema. Now this film had even a Bengali remake which starred the late famous and popular Bangladeshi actor Salman Shah.

Things You Didn’t Know About Shah Rukh Khan

Lagaan was Amir’s first produced film

You’re most probably aware that Shah Rukh Khan has a film productions company which goes by the name ‘Red Chillies Entertainment’. But did you know that Aamir Khan has a productions company too? Well, it’s called ‘Aamir Khan Productions’. Now his first produced film Lagaan (2001) was nominated for the ‘Academy Award for Best Foreign Language Film’. It also earned him a ‘National Film Award for Best Popular Film’.

His films which held the record for being the ‘highest grossing Indian film’

If you’re a fan of Bollywood, then you most probably have watched films Ghazini (2008), 3 Idiots (2009), Dhoom 3 (2013), PK (2014), Dangal (2016). Each of these films has held the record for being the highest grossing Indian film.

Aamir Khan also won the award for best director

Khan’s 2007 film Taare Zameen Par won him the Filmfare award for best director. This film was based on an autistic child and his school teacher whose role was played by Aamir Khan. He wanted to stress through this film that even handicapped children can shine in life and be good citizens.

12 signs your computer has been hacked: Beware now and take necessary actions