The best ever Electrical Engineer

This gentleman is Nicola Tesla. Many wise people term him ‘the best Electrical Engineer’ of all time. Now there might be a question as to, if he really is the best-ever Electrical Engineer, why isn’t he that famous now-a-days? Many people who are interested in science and technology haven’t heard his name at all. Even some people who may have heard his name are unaware of what activities Tesla really did or what inventions he had made. Some people believe that he worked on electromagnetic waves, but it is difficult to find someone who would be able to say what those works exactly were. Even people who graduated on Electrical Engineering or had a diploma on that subject, they too consider Tesla as an average-scaled scientist. They are totally unaware that Nicola Tesla was basically a scientist of high stature same as Einstein and also the greatest Electrical Engineer of all time.




The reason behind his becoming NOT so famous is that he was born in a region under Soviet Union’s regime which is currently known as Croatia. When he finished his graduation studies on Electrical Engineering, he migrated to USA and spent most of his life there. The most valuable inventions after the discovery of electricity like AC generator, AC motor, transformer, transmission line, transmission of radio signal etc. were all his contributions (Tesla’s patent on radio signal transmission system was illegally used by Marconi. Although an american court gave its first verdict on behalf of Marconi, but later they withdrew it and declared Testla as the genuine and original inventor of radio signal transmission system once and for all). Even the ‘Strategic Defense Initiative’ system used by many countries now-a-days to stop enemy missiles carrying ‘Atom bombs’ was originally envisioned by Nicola Tesla (rumor has it that after Tesla’s death in New York, american government illegally photographed his papers and thus started to build that system. Later Tesla’s nephew and only heir to his legacy came to New York to collect his papers and he then transferred those to Soviet Union’s authority and thus they too were able to build that system).

Although Tesla had all these achievements and success in his career, he couldn’t come into limelight after his death. The reason behind this is that since he was a soviet citizen by birth, the western media, specially american media didn’t want to focus on his name that much. There is another reason behind this, let’s explain the details of that. Tesla was once offered the Nobel prize for physics, in 1910; but he had to share this with his nemesis Thomas Alva Edison, the so-called american patriot scientist. Tesla really had a beef with this guy. The enmity originated when Tesla worked in Edison’s company. Edison assigned him with the development of performance of his DC motor. When Tesla completed his assignment he demanded for his promised remuneration ($50,000), but Edison simply laughed at him saying that ‘You really don’t understand our american sense of humor, do you Mr. Tesla?’ and offered him an amount much less than the promised one. Tesla flew into a rage upon hearing that, he had enough and left that job. He really had to pay a lot for his audacity. The following one year he had to dig canals for Edison’s company.

But Tesla was finally able to overcome all those obstacles and establish himself as a successful scientist. Then he had to cross path with Edison again. This time it was a fight between Tesla’s AC currents vs. Edison’s DC currents. Tesla was a supporter of AC currents because he realized that AC currents could perform the jobs that DC currents couldn’t, like sending electricity to a distance. So after all these conflicts between the two scientists, Tesla couldn’t possibly share the Noble Prize with his nemesis, Edison and he directly declared about that. Even Edison did the same. But the thing is that Edison was an american citizen by birth and Tesla was an american citizen by migration, so naturally american media as well as western media always supported and rooted for Edison, overlooking Tesla’s genius and successes.

In the first paragraph of this article, Tesla has been termed as a scientist with a high stature same as Einstein, there is actually enough bases for this declaration. Both these scientists had almost the same level of intelligence and talent. Out of these two, Tesla was a practical scientist (i.e. he worked on the material world) and Einstein was a theoretical scientist. Although Einstein liked Tesla a lot and always praised him, but it was not certain whether Tesla liked him the same. Because once Tesla mocked Einstein by saying that ‘Theoretical scientists now-a-days, they surely think deep, but I’m not sure whether they think straight and clear.’ This comment of Tesla had a basis though. After a long time of coming up with the theory of ‘Special Relativity’, Einstein again checked all the calculations of his theory and then found a ‘major’ mistake in those. There you have it, no matter how famous and well-established a theory might be, it may still inherit a ‘grave’ mistake since its inception.



However, let us now talk about Tesla’s lifetime activities. He was born in 1856 and died in 1943. He earned a lot of money in his lifetime, but he spent all of it in scientific activities and hardly saved any money in bank. As a consequence of that, he really had to endure a hard time in his old age; even he had to take monetary help from those companies that he once worked for at his young age. Those companies too, were liberal to do him this monetary help at his old age, considering the contributions that Tesla once had for them.

Nicola Tesla lived up to 87 years of age, he might have lived longer. But when he was 83 years old, he was hit by a taxi on a road of New York. A few years after this incident, he finally died suffering from multiple diseases and illness. He was a christian indeed, but we could still pray for the redemption of his soul, no matter what religion and origin we individually are from, considering all his contributions for the betterment of humanity.

ঘুমন্ত শহরে রূপালী রাতে – লিরিক্স

ঘুমন্ত শহরে রূপালী রাতে
স্বপ্নের নীল চাদর বিছিয়ে
কষ্টের শীতল আবরণ জড়িয়ে
আমি আছি আছি তোমার স্মৃতিতে
ভালোবাসার সরল বাঁধন ছিঁড়ে
চলে গেছো এই হৃদয়টাকে ভেঙ্গে
তুমি আমি একই শহরে
তবুও একাকী ভিন্ন গ্রহে।

মনে পড়ে সেই নিয়ন জ্বলা রাতে
অনন্ত প্রেম দিয়েছি উজাড় করে
নিঃসঙ্গ নিশি পথিক পেছনে ফেলে
পথ হেঁটেছি বাঁধা দু’টি হাতে
দূর অাঁধারের ভালোবাসায় হারাতে
ছুটেছিলাম সেই রূপালী রাতে।




এই রাতে সব প্রেম হারিয়েছি অকারণে
নিশি ব্যস্ত মানুষ হয়েছি কেমনে
সমুদ্র কোলাহলের মতো অবিরাম ক্ষণে
নগরের যত বিষাদ আমাকে ভর করে
দরজার চৌকাঠকে পিঁড়ি বানিয়ে
বিনিদ্র জেগে আছি এই রূপালী রাতে।

ঘুমন্ত শহরে রূপালী রাতে
স্বপ্নের নীল চাদর বিছিয়ে
কষ্টের শীতল আবরণ জড়িয়ে
আমি আছি আছি তোমার স্মৃতিতে
ভালোবাসার সরল বাঁধন ছিঁড়ে
চলে গেছো এই হৃদয়টাকে ভেঙ্গে
তুমি আমি একই শহরে
তবুও একাকী ভিন্ন গ্রহে।

নাটক-চলচ্চিত্র-গেমসের সহিংসতা শিশুমনে গভীরভাবে দাগ কাটে

নাটক-চলচ্চিত্র-গেমসের সহিংসতা যে শিশুমনে গভীরভাবে দাগ কাটে এবং এর প্রভাব যে দীর্ঘদিন রয়ে যায় সেটা বোধ হয় প্রাপ্তবয়ষ্ক কেউ চিন্তা করেন না আমাদের দেশে। স্টার জলশায় বেশ কয়েকটি নাটকে হয় শিশুদেরকে নির্যাতন করা হচ্ছে (‘রাখিবন্ধন’ নাটকে) অথবা ওদেরকে ভিলেন হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে (‘পটলকুমার গানওয়ালা’ নাটকে)। বেশিরভাগ পরিবারে এসব নাটক বড়দের সাথে সাথে ছোটরাও দেখে। এসব দেখে বড়দের সম্পর্কে খুবই খারাপ মনোভাব হতে পারে শিশুদের, প্লাস ছোটকাল থেকেই ‘কুটনামি’ শিখে যেতে পারে ওরা। সন্তানকে সুষ্ঠুভাবে মানুষ করতে হলে এই বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে বাবা-মায়ের।

শুধুই কি নাটক?! গেমস আর চলচ্চিত্রেও সহিংসতার অভাব নেই; সেটা বাংলা, হিন্দী অথবা ইংরেজি – যে চলচ্চিত্রই হোক না কেন। অপেক্ষাকৃত গরীব ঘরের ছেলেরা যারা ছোটবেলা থেকেই কায়িক পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করা শেখে, তারা বাংলাদেশি ছবিগুলো দেখতে সিনেমা হলে যায়। এসব সিনেমার বেশিরভাগের মধ্যেই রয়েছে অশ্লীল গালাগাল আর কারণে-অকারণে মারামারি, কাটাকাটি, খুনাখুনি। এসব ছবি দেখার কারণে গার্মেন্টসে কর্মরত কমবয়সী ছেলেরা, বাস আর টেম্পোর হেল্পাররা, বস্তির ছেলেরা কথায় কথায় মারামারিতে জড়িয়ে যায়, নেশা করে এমনকি ইভটিজিংয়ের মত কর্মকাণ্ডও করে। বড়লোকের ছেলেরাও নিরাপদ নয়, তারা যেসব গেমস খেলে আর ইংরেজি ছবি দেখে সেগুলোর বেশিরভাগই সহিংসতায় পরিপূর্ণ। প্লে-স্টেশন ফোর আর এক্স-বক্সে যে কয়টি গেম রয়েছে তার কয়টিতে মারামারি বা সহিংসতা নেই? একেবারে হাতে-গোণা কয়েকটা। আর ইংরেজি ছবিগুলোর কথা না হয় নাই বললাম।




সুস্থ ধারার ইংরেজি চলচ্চিত্র যে আসে না, তা নয়। তবে সেগুলো দেখার ব্যাপারে বাচ্চাদের আগ্রহ নিতান্ত কম। তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একশনধর্মী চলচ্চিত্রই দেখতে চায়। এসব ছবি দেখতে দেখতে একসময় তারা নিজেরাও একশনে, মানে মারামারি আর গ্রুপিংয়ে জড়িয়ে পড়ে। সম্প্রতি বাংলাদেশে বিশেষ করে ঢাকা শহরে কিশোর অপরাধ বেড়ে যাওয়ার পেছনে এসব সহিংসতাপূর্ণ গেমস আর চলচ্চিত্র অনেকাংশে দায়ী। গরীবের ছেলেরাও একটাকা-দু’টাকার কয়েন দিয়ে পাড়া-মহল্লায় যেসব ভিডিও গেমস খেলে, সেগুলোও মারামারি আর ফাইটিং ছাড়া আর কিছুই নয়। এসব গেমস খেলে আর ছবি দেখে বাচ্চাদের ধারণা হয় যে, পৃথিবীতে টিকে থাকতে হলে মারামারির বিকল্প নেই। তাই ঢাকা শহরের অলিগলিতে তৈরি হয়েছে অমুক গ্রুপ – তমুক গ্রুপ (নাইন শ্যুটার গ্রুপ, পিচ্চি হান্নান গ্রুপ ইত্যাদি)। এসব গ্রুপের নাম শুনলে বড়দের ‘পিলে’ পর্যন্ত চমকে যায়।

তাই বড়দের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে আপনার বাচ্চাটিকে সারাদিন গেমস খেলতে আর মুভি দেখতে দিবেন না। অ্যাকশন মুভির বদলে শিক্ষণীয় অথবা এনিমেটেড মুভি দেখতে দিন, অথবা এ ধরনের মুভি দেখার জন্য বাচ্চাদেরকে মাল্টিপ্লেক্সে নিয়ে যান। আর গেমস খেলার বেলায়ও ওদেরকে কেবল ক্রিয়েটিভ গেমসগুলো খেলতে দিবেন। তাইলেই কেবল সামাজিকভাবে সুস্থ বাচ্চা আশা করতে পারেন। অন্যথায় আপনার বাচ্চাটিও ‘আয়নাবাজি’ চলচ্চিত্রের ঐ প্রতিবন্ধী ছেলেটির মতো হতে পারে যার বয়স ১৮-২০ বছর হলেও গেমস খেলা ছাড়া আর কিছুই বোঝে না, খেলার ছলে হেলিকপ্টার চালাতে গিয়ে যে বেশ কয়েকটি মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়েছিল। ছেলেটি এতই ‘নাদান’ ছিল যে, সে জেলখানায় টিকতে পারবে না জেনে তার বাবা-মা ‘আয়না’কে জোগাড় করেন জেলখানায় তার প্রক্সি দেয়ার জন্য।

এ পর্যায়ে ছোটবেলায় নিজের কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার না করে পারছি না। আমাদের সময়ে প্লে-স্টেশন টাইপের জিনিসপত্র ছিল না, আমরা দোকানে গিয়ে টাকার বিনিময়ে ভিডিও গেমস খেলতাম। সবগুলো গেমসই ধুমধারাক্কা মারামারি টাইপের ছিল, তাই ছোটবেলা থেকেই আমার মনে সবসময় সহিংসতা আর মারামারির চিন্তাভাবনা বিরাজ করতো। এতে প্রায় সময়ই আমি সহপাঠী আর সমবয়সী ছেলেদের সাথে মারামারিতে জড়িয়ে পড়তাম, পরে আবার মনেমনে ভাবতাম কেন এমন করলাম। এমনকি অনেকসময় বড়রাও মারামারি উসকে দিত।



আমার মনে আছে, আমার বয়স যখন মাত্র পাঁচ বছর, তখন আমার বড় ভাই (যিনি আমার চেয়ে প্রায় সাড়ে তিন বছরের বড়) আর তাঁর এক বন্ধু মিলে আমাকে আমার সমবয়সী ‘লিটন’ নামে একটা ছেলের সাথে মারামারিতে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন, ফলে আমিও ওর সাথে বক্সিং টাইপের মারামারি করার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হলাম। কিন্তু আমি ওকে আঘাত করার আগেই লিটন আমার নাকে ঘুষি মেরে আমার নাক ফাঁটিয়ে দেয়। নাকে রক্তমাখা অবস্থায় আমি মা’র কাছে এসেও কোনো সহানুভূতি পাই নি, উল্টো তিনি আমাকেই দোষারোপ করলেন এই বলে যে, কেন মারামারি করতে গেলাম। আমার বড় ভাই-ই যে আমাকে এ ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন, সেটা উল্লেখ করতে ভুলে গেলাম আমি।

এবার একটা ‘নিরীহ’ নাটকের কথা বলি শুনুন। নাটকের নাম ‘সংশপ্তক’, যা ১৯৮৮ সালের দিকে বিটিভিতে প্রচারিত হতো। এই নাটকের এক পর্যায়ে ‘রমজান’ ‘লেকু’কে জন্মের কোঁপান কুঁপিয়ে পঙ্গু বানিয়ে ফেলে, ঐ দৃশ্য দেখার সৌভাগ্য/দুর্ভাগ্য আমার হয়েছিল। ছেলেবেলায় বহুদিন যাবত সেই দৃশ্য আমার মনে ঘুরপাক খেত। এমনকি এই দৃশ্যের মতো করে রুটি বানানোর ‘বেলন’ দিয়ে পিটিয়েও ছিলাম একজনকে, যখন আমি ক্লাসে এইটে উঠবো এমন একটা সময়ে।

ja re ud ja re panchhi – Lyrics

ja re, ja re ud ja re panchhi
baharo ke desh ja re
yaha kya hain mere pyare
kyu ujad gayi bagiya mere man ki
ja re, ja re ud ja re panchhi
baharo ke desh ja re
yaha kya hain mere pyare
kyu ujad gayi bagiya mere man ki
ja re




na daali rahi na kali
ajab gham ki aandhi chali
udi dukh ki dhul raho me
na daali rahi na kali
ajab gham ki aandhi chali
udi dukh ki dhul raho me
ja re, ye gali hain birhan ki
baharo ke desh ja re
yaha kya hain mere pyare
kyu ujad gayi bagiya mere man ki
ja re

main vee na utha na saki
tere sang gaa na saki
dhale mere geet aaho me
main vee na utha na saki
tere sang gaa na saki
dhale mere geet aaho me
ja re, ye gali hain asuvan ki
baharo ke desh ja re
yaha kya hain mere pyare
kyu ujad gayi bagiya mere man ki
ja re, ja re ud ja re panchhi
baharo ke desh ja re
yaha kya hain mere pyare
kyu ujad gayi bagiya mere man ki
ja re

সে আমার ছোট বোন – লিরিক্স

মা’র স্নেহ কাকে বলে জানি না
বাবার মমতা সে কী বুঝতে না বুঝতেই
এ বিরাট পৃথিবীতে দেখলাম
সে ছাড়া আমার আর কেউ নেই
সে আমার ছোট বোন বড় আদরের ছোট বোন
সে আমার ছোট বোন বড় আদরের ছোট বোন

ভালো করে যখন সে কথা শেখে নি
তখন থেকেই সে গেয়ে যেত গান
বাজনার হাত ছিল ভালোই আমার
তার সাথে বাজাতাম দিয়ে মন-প্রাণ
রাস্তায় ভিড় করে শুনতো সবাই
অবাক হতো যে কত জ্ঞানী-গুণিজন
সে আমার ছোট বোন বড় আদরের ছোট বোন
সে আমার ছোট বোন বড় আদরের ছোট বোন

ভোর বেলা তার গানে ঘুম ভাঙতো
রাতে তাকে বাজনায় ঘুম পাড়াতাম
ভায়ের বাজনা বোনের গানে
সহজ-সরল সেই দিন কাটাতাম
ছোট্ট একটি ঘর এ দু’টি মানুষ
এই ছিল আমাদের সুখের ভুবন
সে আমার ছোট বোন বড় আদরের ছোট বোন
সে আমার ছোট বোন বড় আদরের ছোট বোন




একদিন যখন সে একটু বড়
প্রথম সুযোগ এলো এক জলসায়
মুগ্ধ শ্রোতারা তার কণ্ঠ শুনে
দু’হাত ভরালো তার ফুলের তোড়ায়
ঘরে এসে আমায় সে করলো প্রণাম
প্রথম ভরলো জলে আমার নয়ন
সে আমার ছোট বোন বড় আদরের ছোট বোন
সে আমার ছোট বোন বড় আদরের ছোট বোন

তারপর কী যে হলো গান শুধু গান
ছড়িয়ে পড়লো তার আরো বেশি নাম
শ্রোতারা উজার করে দিলো উপহার
দিলো না সময় শুধু নিতে বিশ্রাম
ক্লান্তির ক্ষমা নেই ওদের কাছে
আরো বেশি দিতে হবে বুঝে নিলো মন
সে আমার ছোট বোন বড় আদরের ছোট বোন
সে আমার ছোট বোন বড় আদরের ছোট বোন

একদিন শহরের সেরা জলসা
সেদিনই গলাতে তার দারুণ জ্বালা
তবুও শ্রোতারা তাকে দিলো না ছুটি
শেষ গান গাইলো সে পরে শেষ মালা
শিল্পের জন্যই শিল্পী শুধু
এছাড়া নেই যে তার অন্য জীবন
নীরব হলো ছোট বোন বড় আদরের ছোট বোন
নীরব হলো ছোট বোন বড় আদরের ছোট বোন

তার গান থেমে গেছে নেই শ্রোতা আর
আমি একা বসে আছি স্মৃতি নিয়ে তার
আনন্দ নিয়ে গেছে ওরা সকলে
দুঃখটা হোক আজ শুধুই আমার
অনুযোগ এতো নয় এই শিল্পীর
ভাই-বোন সকলের ভাগ্য-লিখন
সে আমার ছোট বোন বড় আদরের ছোট বোন
সে আমার ছোট বোন বড় আদরের ছোট বোন

Come to know who Pharaoh was

All the followers of Islam (and may be all Jews as well) hate Pharaoh simply by his name. Interestingly enough, the word ‘Pharaoh’ is not the name of a single person, rather it is the name of an ancient Egyptian race. For a long time (few hundred years) the emperor of Egypt was called ‘Pharaoh’. All these emperors came into power traditionally through their respective ‘father’s and they all claimed to be ‘God himself’, as a result of that the then Egyptians were simply forced to accept the emperor as ‘God’. By the way, the person who is known as ‘Pharaoh’ to the Muslims had his real name ‘Remesis’. He was Moses’ (A:) half-brother before they ever became enemies to each other. To be even more precise, Moses was Remesis’ adopted brother, because Remesis’ mother (the empress  herself) found baby Moses at the shore of the river ‘Nile’ and adopted him as her own child.

Remesis and Moses were almost the same age and they were raised together. Through the study of history, it is known that Moses had been very naughty since his early childhood. Many a times he was the one to create a mischief and then impose the responsibility on his brother Remesis. This is the reason why Remesis had been ‘mad’ at Moses since his childhood. Although they were almost the same age, but Remesis was a little bit older than Moses, that’s why he was the heir to the throne after the demise of their father ‘Pharaoh’. Remesis’ father (the then emperor) was almost all the time angry with his elder son, because most of the complaints came against his name. The emperor feared that all the traditions of their royal family that had been running the last couple of centuries might come to an end just because of Remesis’ wrong doings and decisions. That means he wanted to say that Remesis might be the one to cause the destruction of their family’s emperor-hood.



The emperor all the time asked his own son to be more strict and careful, still Remesis often got involved in controversies. Harassment would never cease following him, that’s why he never took it kindly to his adopted brother Moses. At a later time when Moses became prophet after being addressed by God (Allah), Remesis was in the throne of emperor because their father had already demised. Then prophet Moses (A:) invited the emperor to the ways devised by God (Sole Creator) and also to release the slaves of Bani Israel, but Remesis simply denied his proposals and requests. Although he was sure to deny the existence of ‘sole God’ (because he claimed himself as God over all Egypt), but he might still let go of the slaves, upon being requested by his once adopted brother. But he became strict when he remembered his father’s prophecies about him ‘You’ll be the one to put an end to the great legacies of Pharaohs’. That’w when he refused to release those slaves and everyone knows what happened in Egypt afterwards. The ‘golden’ Egypt was hit by the rages of God and it almost became a desert.

But Remesis was still silent and tried to endure those ‘rages’ sent by God. That means he yet didn’t take any actions to siege or kill prophet Moses. But at a later point when his own young son died after suffering from ‘plague’, he could not take it any more. This time he firstly released the slaves of Bani Israel and later attacked them on the shores of Nile with a thousands soldiers. Now God had mercy upon these poor people of Bani Israel and Moses, he made a way across the Nile for them to pass on. They passed safely, but Remesis with his soldiers followed them on this passage. However when they were on the midway, being ordered by God the passage was flown and filled by the water of Nile again, thus they were all bound to die there and at that instant.



সাত ভাই চম্পা জাগো রে – লিরিক্স

সাত ভাই চম্পা জাগো রে জাগো রে
ঘুম ঘুম থাকে না ঘুমেরই ঘোরে
একটি পারুল বোন আমি তোমার
আমি সকাল-সাঁঝে শত কাজের মাঝে
তোমায় ডেকে ডেকে সারা…
দাও সাড়া গো সাড়া

ও সাত ভাই চম্পা জাগো রে জাগো রে
ঘুম ঘুম থাকে না ঘুমেরই ঘোরে
একটি পারুল বোন আমি তোমার
আমি সকাল-সাঁঝে শত কাজের মাঝে
তোমায় ডেকে ডেকে সারা…
দাও সাড়া গো সাড়া

ও সাত ভাই চম্পা জাগো রে….

ও সাত ভাই চম্পা গো রাজার কুমার
কোথায় পঙ্খীরাজ ঘোড়া তোমার তলোয়ার?




ও সাত ভাই চম্পা গো রাজার কুমার
কোথায় পঙ্খীরাজ ঘোড়া তোমার তলোয়ার?
আজো রাজার বেশে ঘোরে ছদ্মবেশে
ডাইনি সর্বনাশী রাক্ষসীরা আবার

সাত ভাই চম্পা জাগো রে জাগো রে
ঘুম ঘুম থাকে না ঘুমেরই ঘোরে
একটি পারুল বোন আমি তোমার
আমি সকাল-সাঁঝে শত কাজের মাঝে
তোমায় ডেকে ডেকে সারা…
দাও সাড়া গো সাড়া

ও সাত ভাই চম্পা জাগো রে….

আর রাজবাড়ি সাত রাণী মায়ের ঘরে
ফিরে যাব না যাব না যাব না রে

আর রাজবাড়ি সাত রাণী মায়ের ঘরে
ফিরে যাব না যাব না যাব না রে
ঘরে ক্ষুধার জ্বালা, পথে যৌবন জ্বালা
রাজার কুমার আর আসে না ঘোড়ায় চড়ে

সাত ভাই চম্পা জাগো রে জাগো রে
ঘুম ঘুম থাকে না ঘুমেরই ঘোরে
একটি পারুল বোন আমি তোমার
আমি সকাল-সাঁঝে শত কাজের মাঝে
তোমায় ডেকে ডেকে সারা…
দাও সাড়া গো সাড়া
ও সাত ভাই চম্পা জাগো রে….

আব্রাহাম লিঙ্কন যে কারণে আমেরিকার সর্বশ্রেষ্ঠ প্রেসিডেন্ট

আব্রাহাম লিঙ্কন আমেরিকার প্রথম প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটনের মতো ধনী ছিলেন না, তিনি বেশ কিছু প্রেসিডেন্টের মতো সুদর্শনও ছিলেন না। তারপরও তাঁকেই আমেরিকার সর্বশ্রেষ্ঠ প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর একটি প্রধান কারণ হলো, তিনি তাঁর শাসনামলে আমেরিকাকে বিভক্তির হাত থেকে বাঁচিয়েছেন। আর একটি কারণ হলোঃ তিনি দাসপ্রথার কলঙ্ক থেকে পৃথিবীকে মুক্ত করেছেন।

প্রথমে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে সামান্য কিছু বলা যাক। তিনি একটি সাধারণ মানের পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। অল্পবয়সে তাঁর মা মারা যায় এবং তাঁর বাবা তাঁকে প্রায়ই প্রহার করতেন। এজন্য প্রাপ্তবয়ষ্ক হওয়ার পরপরই তিনি বাসা থেকে বেরিয়ে যান এবং পিতার সাথে আর যোগাযোগ রাখেন নি। তিনি পেশায় একজন আইন ব্যবসায়ী বা উকিল ছিলেন। দাসপ্রথার ব্যাপারটা ছোটকাল থেকেই তাঁর কাছে খটকা লাগতো। কিন্তু এ ব্যাপারে মুখ খোলার কোনো জো ছিল না, কারণ দাসপ্রথাকে আমেরিকার সকল স্তরের লোকজন স্বাভাবিক চোখেই দেখতো। কালক্রমে বিভিন্ন ঘটনার পরিক্রমায় এই সহজ-সরল সাধাসিধে ব্যক্তিটিই আমেরিকা বা ইউএসএ’র প্রেসিডেন্ট হিসেবে আবির্ভূত হলেন। তাঁর শাসন আমলে আমেরিকাতে গৃহযুদ্ধ বেঁধে যায়। দক্ষিণের কিছু স্টেট উত্তরের স্টেটগুলোর বিরূদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। প্রেসিডেন্ট হিসেবে লিঙ্কন যেহেতু রাজধানী ওয়াশিংটনে বাস করতেন, তাই তিনি উত্তরের স্টেটগুলোকে প্রতিনিধিত্ব করতেন।




তিনি জানতেন, এ যুদ্ধে হেরে গেলে আমেরিকা চিরতরে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যাবে। তাই দেশটাকে অবিভক্ত রাখার জন্য তিনি সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করেছিলেন। এমনকি এসময় দু’-একজন জেনারেল তাঁকে অপমান করলেও সেটা তিনি মুখ বুঝে সহ্য করেন। বলে রাখা ভালো যে, গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার একটি প্রধান কারণ হলো এই যে, লিঙ্কনের সরকার দাসপ্রথা উচ্ছেদের জন্য ব্যবস্থা নিচ্ছিলো, যেটা দক্ষিণের বেশ কিছু স্টেট ভালো চোখে দেখে নি। এক পর্যায়ে স্বপক্ষের বেশকিছু ক্ষমতাধর লোকজন, যেমন একজন জেনারেল তাঁর বিরোধিতা ও অসহযোগিতা শুরু করলে তিনি যুদ্ধে জেতার জন্য সদ্যমুক্ত কৃষ্ণাঙ্গ দাসদেরকে ব্যবহার করেন। মূলত এই কৃষ্ণাঙ্গদের কল্যাণেই তিনি যুদ্ধে বিজয়ী হন।

প্রথম দফায় চার বছর শাসন শেষে তিনি পুনরায় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। এবার তিনি কৃষ্ণাঙ্গদেরকে ভোটের অধিকার দিতে চাইলেন এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া শুরু করলেন। কিন্তু এ বিষয়টি কিছু বর্ণবাদী লোক মেনে নিতে পারে নি। তাদেরই একজন লিঙ্কনকে গুলি করে হত্যা করে; সারা আমেরিকার লোকজন কান্নায় ভেঙ্গে পরে, যা দীর্ঘদিন স্থায়ী হয়েছিল। এখনো কথায় কথায় আমেরিকার লোকজন লিঙ্কনের প্রসঙ্গ নিয়ে আসে। তাঁকে সমাধিস্থ করা হয়েছিল ইলিনয় স্টেটে।

লিঙ্কন যদি আমেরিকার বিভক্তি ঠেকাতে না পারতেন, তাহলে বিশ্বভূগোলের চেহারা ভিন্ন হতো তথা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাস ভিন্নভাবে লেখা হতো। মূলতঃ তিনি ছিলেন ঠাণ্ডা মাথার একজন সত্যিকার দেশপ্রেমিক, প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সময়েও তিনি যতটা সম্ভব সাধারণ জীবন-যাপন করতেন, আপামর জনগণকে ভালোবাসতেন, মানুষে মানুষে ভেদাভেদ করতেন না। এ সকল কারণেই তাঁকে আমেরিকার সর্বশ্রেষ্ঠ প্রেসিডেন্ট মানা হয়। তিনি এতটাই সাধারণ মানসিকতার ছিলেন যে, বেশি পুলিশ প্রটেকশন ব্যবহার করতে চাইতেন না। তাঁর বক্তব্য ছিল, ‘কেউ যদি আমাকে মারতে চায়, তাহলে কোনো মাপের পুলিশ প্রটেকশন দিয়েই কোনো কাজ হবে না।’

Ye parda hata do – lyrics

Ye parda hata do…

Jara Mukhra dikha do…

Ye parda hata do

Jara Mukhra dikha do

Hum pyaar karne wale hain koi gair nehi

Arre hum tum pe marne wale hain koi gair nehi

O majnu ki naana mere piche na aana

Ja pyaar karne wale teri khair nehi

Arre o hum pe marne wale teri khair nehi

Ye parda hata do….

Sukar karo ki pari nehi hain mere maa ki gaandi

Ek haat mein ho jate armaan tumhari thande

Sukar karo ki pari nehi hain mere maa ki gaandi

Ek haat mein ho jate armaan tumhari thande

Maa ko bhi shamja do, baas itna baata do

Hum pyaar karne wale hain koi gair nehi

Arre hum tum pe marne wale hain koi gair nehi

O majnu ki naana mere piche na aana

Ja pyaar karne wale teri khair nehi

Arre o hum pe marne wale teri khair nehi

Ye parda hata do….

Jaha mile do jaha nazar hoti takraar wohi hain

Dil par rakhkar haat ye kehdo humse pyaar nehi hain

Jaha mile do jaha nazar hoti takraar wohi hain

Dil par rakhkar haat ye kehdo humse pyaar nehi hain

Dil ki baate dilwaale nazro se hi pehchante

Dil ki baate dilwaale nazro se hi pehchante

Lekin kuch aise he aanari jo ye bhi na jante

Ye pehele baatate, baaraat leke aate

Hum pyaar karne wale hain koi gair nehi

Arre hum tum pe marne wale hain koi gair nehi

O majnu ki naana….

Hum pyaar karne wale hain koi gair nehi

Arre hum tum pe marne wale hain koi gair nehi

Ye parda hata do….

দেশের ক্যারিয়ার-পাগল নারীরা

ক্যারিয়ারের পেছনে ছোটা খারাপ কিছু নয়, কারণ এটা মানুষের মৌলিক অধিকার। তবে দেশে বেশ কিছু নারী রয়েছেন, যারা ক্যারিয়ারের পেছনে ছুটতে ছুটতে উদভ্রান্তের মতোন হয়ে যান, তাঁরা নিজেদের সাথে সাথে সামাজিক পরিবেশটাকেও কলুষিত করে ফেলেন, তাঁদের অপকর্মের ফিরিস্তি দিতেই আজকের এই আর্টিক্যাল।

প্রথমে এসব নারীদের পক্ষেই কিছু কথা বলি। চাকুরি-ব্যবসা-বাণিজ্য করার অধিকার যে নারীদের আছে, সেটা প্রমাণ করার জন্য কিছু যুক্তি দেই। অনেক পরিবার আছে, যাদের কেবল মেয়েসন্তান রয়েছে, ছেলেসন্তান নেই। ‘প্রতিবেশীর ছেলে দুইটা বড় হয়ে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হবে, আর আমার মেয়েরা কি ঘরে বসে থাকবে নাকি?’ – এই হলো মেয়ের অভিভাবকদের চিন্তাভাবনা। তাঁদের চিন্তাভাবনা ঠিকই আছে, কারণ বৃদ্ধ বয়সে সবারই তো অবলম্বন দরকার হয়। ছেলেদের মতো মেয়েরাও বাবা-মায়ের ‘অন্ধের যষ্ঠি’ হতে পারেন, যদি তাঁরা নিজেদেরকে কর্মজীবনে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন।




তবে একবার নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠা করার পর এরা যেসব কর্মকাণ্ড শুরু করে, সেগুলো সত্যিই দৃষ্টিকটু। এরা অনেকেই যৌন আবেদনময়ী পোশাক পরে বা ‘সিক্রেট টেম্পটেশন’ পারফিউম লাগিয়ে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে বের হয় (‘সিক্রেট টেম্পটেশন’ মানে হলো ‘গোপন প্রলোভন’, কীসের প্রলোভন সেটা নিজেই বুঝে নেন)। আর আপাতদৃষ্টিতে ‘ভদ্র’ পোশাক পরলেও নিজের ছিমছাম ‘স্লিম’ শরীরটার ভাঁজগুলো স্পষ্টরূপে ফুটিয়ে তোলার ব্যাপারে অত্যন্ত সচেষ্ট ও সচেতন থাকে। এতে করে সমাজের সকল বয়সী পুরুষের মনোসংযোগ ব্যাহত হয়। এ পর্যায়ে অনেকেই এ যুক্তি দিয়ে থাকবেন যে, ‘এ দেশের পুরুষেরা এত লোচ্চা কেন? সুন্দরী নারীদের দিকে তাঁরা ড্যাবড্যাব করে চেয়ে থাকেন কেন?’ তাঁদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি যে, পুরুষের এ প্রবৃত্তি প্রকৃতিজাত, অর্থাৎ স্বয়ং প্রকৃতি তাঁদের এ প্রবৃত্তি সৃষ্টি করে রেখেছে। তা সত্ত্বেও কিছু উন্মাদ বাদে বেশিরভাগ পুরুষেরা নিজেদের মা-বোনের কথা বিবেচনা করে হলেও যথাসম্ভব শালীন থাকার চেষ্টা করে এবং সর্বদা শালীন আচরণের চেষ্টা করে। তবে নারীদের অশালীন ‘গেটআপ’-এর কারণেই ভদ্র পুরুষেরা চাইলেও পুরোপুরি ভদ্র থাকতে পারছেন না। তাঁদের মাথায়ও যৌন ক্রিয়াকর্মের চিন্তাভাবনা প্রায়সময়ই ঘোরাফেরা করে, বেশি সমস্যা হয় ইয়াং ও অবিবাহিত ছেলেদের। তারা মুখে হয়তো অফিসের ‘স্লাট’ মহিলাটিকে ‘আপু’ বলে সম্বোধন করে, কিন্তু ভিতরে ভিতরে ঠিকই বলে, ‘তোমাকে যদি একা এক রুমে পেতাম, তাহলে তোমার দেহের/যৌবনের জ্বালা জন্মের মতো মিটিয়ে দিতাম’।

অনেক নারীরা শুধুমাত্র দেহ দেখিয়ে ক্ষান্ত হয় না, তারা প্রমোশনের জন্য তথা অন্যান্য আর্থিক সুবিধা উপভোগের জন্য ইমেডিয়েট বস ও সুপার বসকে নিজের দেহ ভোগ করতে দেয়। এ কাজের মাধ্যমে তারা কর্মস্থলে নিজের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে এবং প্রতিদ্বন্দ্বী পুরুষ সহকর্মীকে দমন করে রাখে। কলিগ মহিলাটির এমন ‘অকারণ’ কর্তৃত্বের কারণে অনেক পুরুষ সহকর্মীই ভেতরে ভেতরে অসহায় বোধ করেন।

এসব নারীরা অনেক সময় নিজের দুধের বাচ্চাকে বাসায় ফেলে এসে অফিসে হাজিরা দেন। নিজে ভেতরে ভেতরে পিশাচিনী হলেও বাচ্চার প্রতি মমতা ঠিকই অসীম। তাই প্রথম কয়েকদিন অবুঝ শিশুটিকে অনবরত মনে পড়তে থাকে তাঁদের, এমনকি সময়মতো স্তনের দুধ খালাস না করায় স্তনে মাঝেমাঝেই সুড়সুড়ি হতে থাকে তাঁদের। এসব যন্ত্রণা ক্রমাগত সহ্য করতে করতে একসময় তাঁদের ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙ্গে যায় এবং ভিতরের পিশাচিনীটা বাইরে বেরিয়ে আসে; শুরু হয় আকাম-কুকাম, দুর্বল ও অসহায়দের সাথে দুর্ব্যবহার শুরু করে, গ্রুপিং ও ব্যাপক ‘অফিস পলিটিক্স’ শুরু করে, ‘যোগ্যতা’ নামক মাপকাঠিটিকে হেলা শুরু করে। যে ক্যারিয়ারের জন্য তাঁরা নিজের শিশুকে মাতৃস্নেহ থেকে বঞ্চিত করেছে, সেটিকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে তাঁরা যেকোনো কিছু করতে বদ্ধপরিকর হয়। অফিসের সাথে সাথে রাস্তাঘাটে, পাবলিক পরিবহনে ও অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সে তাঁদের ‘রাফ এণ্ড টাফ’ আচরণ ও ভাব ফুটে ওঠে।



অনেক নারী কর্মজীবন বা ‘ক্যারিয়ার’ নিয়ে ব্যস্ত থাকায় সময়মতো বিয়ে করতে পারে না। তারা তখন নিজেদের দেহের যৌবনজ্বালা মেটানোর জন্য পুরুষ সহকর্মী, অফিসের বস এমনকি বয়সে ছোট ছেলেদের সাথে যৌনতায় মেতে ওঠে। অনেক সময় এরা কিছুদিন পরপর যৌনসঙ্গী বদল করে, ফলে অনেক যৌনরোগের শিকার হয় এবং ঐ ভয়ংকর অসুখ-বিসুখগুলো সঙ্গীর শরীরেও ছড়িয়ে দেয়। কর্মস্থলে কোনো পুরুষকে যৌনসঙ্গী হিসেবে পছন্দ হলে তাকে প্রথমে ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’ বা অন্য কোনোভাবে ঈঙ্গিত করে বুঝিয়ে দেয়, তাতে কাজ না হলে নিজের ‘বিশেষ ক্ষমতা’ ব্যবহার করে তাকে অফিস থেকে বিতাড়ণের সর্বোত্তম চেষ্টা করে, আফটার অল নিজের দুশ্চরিত্রের স্বাক্ষী রাখতে চায় না এরা।

এ পর্যায়ে অনেকেই হয়তো জিজ্ঞেস করবেন, ‘এগুলো আপনি পেলেন কোথায়?’ তাঁদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি যে, এগুলো সবই আমার কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা থেকে নেয়া (বলতে গেলে ‘জীবন থেকে নেয়া’)। কেউ যদি আমার এ বক্তব্যগুলো পুরোপুরি অসত্য ও বানোয়াট বলে দাবী করেন, তাহলে বুঝতে হবে তাঁদের আত্মীয়স্বজনের মধ্যে এ ধরনের ‘স্লাট’ টাইপের মহিলার সংখ্যা বেশি। আর কেউ যদি সত্যিই আন্তরিকভাবে মনে করে থাকেন যে, তাঁরা তাঁদের কর্মস্থলে কখনোই এ ধরনের ব্যাপার লক্ষ্য করেন নি, তাহলে বুঝতে হবে তাঁদের প্রতিষ্ঠানটি সত্যিই এক্সট্রা-অর্ডিনারী (হয়তো কোনো জামাতী প্রতিষ্ঠান), অথবা তাঁদের পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা খুবই কম এবং তাঁদের ব্যক্তিত্ব ও চেহারা মুরুব্বী বা একঘেঁয়ে টাইপের, তাই হয়তো কোনো মহিলা কলিগ তাঁদের প্রতি কখনোই শারীরিকভাবে আকৃষ্ট হয় নি।