সুযোগ তারা দিয়েছিলো ঠিকই – পর্ব ১

আগের একটি আর্টিকেলে যে কাজের বুয়ার কথা উল্লেখ করেছি, তিনি আমাকে একটা আল্টিমেট সুযোগ দিয়েছিলেন। একদিন বাসায় ঢুকে তিনি দেখতে পান যে, কেউ নেই। তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ‘মুক্তা কই?’ মুক্তা হলো আমার বউয়ের নাম। আমি বললাম, ‘বাইরে গেছে।’ তখন তিনি বললেন, ‘এখনই আইবো?’ আমি বুঝলাম কী উদ্দেশ্যে তিনি এভাবে জিজ্ঞেস করলেন। আমি বললাম, ‘না দেরী আছে।’ তখন তিনি বারান্দায় চলে গেলেন কোনো একটা কাজে।




বুঝলাম, সময় যেহেতু আছে, তাই তাড়াহুড়াটা তিনি করতে চাচ্ছেন না; চাচ্ছিলেন আমিই যাতে তার দিকে হাত বাড়াই। আমার আসলে উচিত ছিলো তিনি ফিরে না আসা পর্যন্ত সেখানেই ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা। আফটার অল, বারান্দায় গিয়ে তার পেছনে দাড়াতে পারছিলাম না, লোকজন দেখতে পাবে বলে। তিনি ফিরতে দেরি হওয়ায় নিজের রুমে চলে গিয়েছিলাম, যেটা ভুল ছিল। উচিত ছিল কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে তার চোখের দিকে তাকিয়ে তার মনের কথা বোঝার চেষ্টা করা। তাতে করে তিনি অভিযোগ করতে পারতেন না যে, আমি তাকে সেক্সুয়ালি হ্যারেস বা রেইপ করতে চেয়েছি।

কিন্তু আমি ভোকচোদের মতো নিজের রুমে গিয়ে অপেক্ষা করতে থাকলাম, কখন তিনি এদিকে আসবেন সে আশায়। কিন্তু বুয়া এদিকে না এসে বাথরুমে ঢুকলেন কাপড় ধোয়ার জন্য। ফাইন, তিনি এক সময় বের হবেন তো বাথরুম থেকে, তাই না? কিন্তু দেখা গেল, স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি সময় নিচ্ছেন তিনি বাথরুমের ভেতর। আমি ভাবতে থাকলাম, ‘কী করছেন তিনি সেখানে?’ এদিকে কিছুক্ষণের মধ্যে তার সাথে সেক্স করব, এটা ভেবে আমার লিঙ্গ মারাত্মক রকম শক্ত হয়ে গেল। উত্তেজনায় আমি আর থাকতে না পেরে বিছানায় শুয়ে হস্তমৈথুন শুরু করলাম এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই মাল বেরিয়ে গেল আমার। শরীর ঠান্ডা হয়ে গেল এবং বুয়ার সাথে সেক্স করার ইচ্ছে অনেকখানি কমে গেল। 

এরপরও অপেক্ষা করতে থাকলাম কখন তিনি বের হবেন বাথরুম থেকে, কারণ তার সাথে আকাম করার ইচ্ছেটা পুরোপুরি ভ্যানিশ হয় নি আমার। মনে হলো তিনি বোধ হয় কাপড় কেচে নিজের শরীর ধুচ্ছেন অথবা গোসল করছেন। গোসল যদি করে থাকেন, তবে সেটা করার পেছনে তার একটাই কারণ থাকতে পারে, আর সেটা হলো আমার সাথে সেক্স করার প্রস্তুতি নেওয়া। বুয়াদের গায়ে বাজে গন্ধ থাকে যেটা তিনি আমার সাথে শেয়ার করতে চান নি – খুবই ভালো বিবেচনা। তবে তার এতোক্ষণের পরিশ্রমকে আমি মাটি করে দিলাম হস্তমৈথুনের মাধ্যমে। আমি যখন বিছানা থেকে উঠে বাথরুমের দরজা বরাবর কিছুটা দূরে গিয়ে দাড়ালাম, তখন বাথরুমের দরজা খুলে গেল, ভিতর থেকে বুয়া বেরিয়ে আসলেন। 

যেমনটি তিনি আশা করেছিলেন তেমনটিই দেখতে পেলেন, আমি তার সামনে দাঁড়িয়ে। বাঙালী নারীরা যেমনটা করে, তিনিও তাই সতী-সাব্ধী সাজার চেষ্টা করলেন, আমাকে দ্রুত পাশ কাটিয়ে চলে যেতে চাইলেন এবং চলে গেলেনও। ভেবেছিলেন, আমি তার পথরোধ করবো, তাকে টেনে বিছানায় নিয়ে যাব। কিন্তু সেটা করতে পারলাম না; সত্যি বলতে, তাড়াহুড়া করে বা উপস্থিত বুদ্ধি খাটিয়ে আমি কোনো কিছুই করতে পারি না। আমি একটা অলস ডাম্বএস যে কিনা আশা করে, সবকিছু আপনা-আপনি ঘটবে।

আর কেন যে মেইন দরজাটা খোলা রেখেছিলাম, সেটা বিধাতাই ভালো বলতে পারবে! এই দরজাটা বন্ধ থাকলে সেটা খুলে বেরুতে কিছুটা সময় তো অবশ্যই লাগতো বুয়ার, এই সুযোগে তাকে জিজ্ঞেস করতে পারতাম, ‘কি বুয়া, গোসল করলেন নাকি?’ যার উত্তরে সে কিছুতো বলতো অবশ্যই, তখন কথার মারপ্যাচে বা ‘আপনার সাথে একটু কথা আছে’ এই কথা বলে তাকে আমার রুমে নিয়ে আসতে পারতাম। তারপর মেইন দরজা এবং আমার রুমের দরজা বন্ধ করে তার সাথে অন্তরঙ্গ হবার খেলা শুরু করা যেত।

এরপর আরেক কাজের বুয়ার কথা বলি, তার দেশের বাড়ি হবিগঞ্জে। বুয়াটা স্লিম, তবে বয়সে আমার চেয়ে ৮-১০ বছরের বড় ছিল। তখন আমার বয়স ছিল ২৫ এর কাছাকাছি। একদিন আমার বাসার লোকজন তিন দিনের জন্য দেশের বাড়ি বেড়াতে গেল। তো সেই বুয়াটা তার বাচ্চা মেয়েকে সাথে নিয়ে আসলো আমার বাসায় কাজ করতে। বাচ্চা আনার উদ্দেশ্য সম্ভবতঃ এই যে, আমি যাতে তাকে সেক্সুয়ালি হ্যারেস করতে না পারি। এই ঘটনা অন্য অনেক বুয়াদের ক্ষেত্রেও দেখেছি; যখনই তারা সেক্সুয়াল হয়রানি ঠেকাতে চায়, তখনই তারা সাথে বাচ্চা নিয়ে আসে। 

তবে ওই বুয়াটা এক সময় একটা অশ্লীল আচরণ করে বসলো; সে আমার সাথে কোনো একটা প্রসঙ্গে কথা বলার সময় বুক হতে শাড়ীর আঁচলের পরদা সরিয়ে লো কাট ব্লাউজের মাধ্যমে তার স্তন দুটোর অনেকখানি দেখিয়ে দিল। এমন করার উদ্দেশ্য আমি সেই মুহূর্তে বুঝতে পারি নি, তবে পরের দিন ঠিকই বুঝেছিলাম। আসলে বুয়াকে খালি বাসায় একলা পেয়েও তার সাথে লাইন মারার চেষ্টা করি নি বা চেপে ধরি নি, তাই সে আমার প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছিল এবং আমাকে দেহদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

পরের দিন ওই বুয়া মাথায় বিশাল ঘোমটা দিয়ে আসে (বাচ্চাকে সাথে আনে নি), এতে তার চেহারা একেবারেই দেখা যাচ্ছিল না। আসলে আমার সাথে সেক্স করবে বা আমি তার দিকে হাত বাড়াব ও চেপে ধরব এমন উদ্দেশ্য নিয়ে এসেছিল, তাই শুরুতেই চেহারা দেখাতে লজ্জা পাচ্ছিল। আমি অবশ্য তার মোটিভ সম্পর্কে প্রথমে কিছুই বুঝতে পারি নি।

দেখলাম যে, বুয়া বিশাল ঘোমটা মাথায় রেখেই সব কাজ সম্পাদন করল, তারপর একসময় চলেও গেল। যেহেতু এক মুহূর্তের জন্যও তার চেহারা দেখতে পাই নি, তাই বলতেও পারবো না, এটা কি ওই বুয়া ছিল নাকি অন্য কেউ ছিল নাকি ভুত ছিল। বুয়া যে আমার সাথে লাগাতে না পেরে অসন্তুষ্ট হয়েছিল, সেটা পরে একদিন বুঝেছিলাম। একদিন দেখলাম ঘর মোছার সময় কোনো একটা কারণে রাগে গজগজ করছেন। কীভাবে যেন বুঝতে পারলাম যে, রাগের কারণটা আমি, অথচ বিগত কয়েক দিনে আমি তার সাথে কোনো ফাউলই করি নি। এর মানে হলো এই যে, সেই দিন তাকে একা পেয়েও চেপে না ধরায় সে বিশাল মাইন্ড করেছিল। হয়তো তার স্বামী তাকে সেক্সুয়ালি স্যাটিসফাই করতে পারতো না, অথবা সে কিছু উপরি কামাতে চেয়েছিল।

সেই বুয়া আমার উপর এতই মনোক্ষুণ্ণ হয়েছিলেন যে, আমাদের বাসার কাজ ছেড়ে চলে যান। অর্থাৎ হঠাৎ করে বেতন অনেকখানি বাড়াতে বললেন, যেটাতে আমার মা রাজি হয় নি। যাই হোক, ওই বুয়ার সাথে পরবর্তীতে একদিন সিড়িতে দেখা হয়েছিল প্রায় দুই বছর পর। আমাকে দেখামাত্রই তার মুখ হাস্যোজ্জ্বল হয়ে উঠলো এবং আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, আমি তাকে চিনতে পেরেছি কিনা। আমি বললাম, হ্যাঁ। এসময় তিনি আমাকে একা পেয়ে আমার এতো কাছে চলে আসলেন যে, মনে হলো এখনই আমার সাথে চুমাচুমি শুরু করবেন।

https://www.youtube.com/watch?v=bgD-PhrPIVg

Leave a Comment

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.