সুযোগ তারা দিয়েছিলো ঠিকই – পর্ব ২

এরপর কিশোরগঞ্জের ভৈরবের এক কাজের বুয়ার কথা বলি, সে দেখতে সুন্দরী ও গায়েগতরে ‘ভলাপচুয়াস’ ছিল। আবার এর বয়সও কম ছিল। আমার বয়স যখন ৩৪ তখন তার বয়স ছিল ২৫-২৬ এর মতো। একদিন এই বুয়াকে একই বিল্ডিংয়ের চার তলায় মান্নান স্যারের বাসা হতে বেরোতে দেখেই প্রথম দর্শনে তার প্রেমে পরে গিয়েছিলাম। ভাবলাম, ‘ইস, এরকম একটা কাজের বুয়া যদি আমাদের থাকতো, তবে আমি তার সাথে প্রেম করতে পারতাম’। খোদা মনে হয় আমার এই ইচ্ছের কথা শুনেছিল, তাই একদিন দেখলাম ওই বুয়াকেই আমার মা বাসায় কাজ করার জন্য ঠিক করেছেন। তবে আমি তখন অন্য কারো প্রেমে মশগুল ছিলাম হয়তো, তাই সলজ্জ বুয়াকে আমাদের বাসায় বেশ কয়েকবার একা পেয়েও প্রসেস করার কোনো উদ্যোগ নিলাম না।



বুয়ার স্মিত হাসি ও বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখে একটা ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলাম যে, তিনি আমাকে পছন্দ করতেন, তাই তাকে একটু পাম্প দিলে আর জোর করলেই আমার সাথে এক বিছানায় শুতেন। আমি যে কাজগুলো তার সাথে করতে পারতাম বা যেগুলো আমার করা উচিত ছিল সেগুলো এইরূপঃ যখন-তখন তার দেহের বিভিন্ন অংশে স্পর্শ করা; তিনি যখন বেসিনে দাঁড়িয়ে প্লেট ধুতেন, তখন তার পিছনে গিয়ে তার পাছায় আমার লিঙ্গ চেপে ধরা বা স্পর্শ করানো। তবে আমি যে কিছুই করি নি, তা নয়। যেমন একদিন তিনি যখন আমার সামনে দিয়ে হেটে যাচ্ছিলেন, তখন অত্যন্ত হাল্কা করে তার পাছার এক দাবনাতে হাত দিয়ে স্পর্শ করি। সেটা এতোটাই হাল্কা ছিল যে, তিনি ভেবেছিলেন আমি হয়তো ভুলে সেটা করেছি; তাই আমার দিকে ফিরেও তাকান নি, আপত্তি করা তো দূরে থাক।

আবার এমনো হতে পারে, তিনি হয়তো লজ্জায় ঘাড় ঘুরিয়ে আমার দিকে তাকান নি। যাই হোক, মোদ্দা কথা হলো এই যে, আমার আরো বোল্ড বা সাহসী পদক্ষেপ নেয়া উচিত ছিল, কারণ মালটা ছিল পাখির মতো নরম ও ভীতু; তার উপর তার মনে আমার প্রতি সফট কর্নার তো ছিলই।

সেদিন আসলে পাশের বিল্ডিংয়ে এক ব্যাটা ঝুলে ঝুলে রঙ করছিল, সে বেহুদা আমাদের বাসার দিকে নজর রাখছিল, তাই বেশি কিছু করতে পারি নি। যেমন ওই ব্যাটা তখন না থাকলে বুয়া যে রুমে (মা-বাবার) ঢুকেছিল, আমিও তার পিছন পিছন সে রুমে ঢুকে তাকে জড়িয়ে ধরতাম, তারপর যা থাকে কপালে। হয় তিনি আমার সাথে পুরো সেক্স করতেন, যার জন্য তাকে একটু পাম্প দেয়া লাগতো এবং টাকার লোভ দেখানো লাগতো; অথবা তিনি শুধু কামিজ উপরে উঠিয়ে তার দুধগুলো টেপাটিপি করতে ও চুষতে দিতেন। আর সেটাতেও আপত্তি করলে উপরে উপরেই তাকে কিছুক্ষণ টেপাটিপি করতাম। তবে ঘটনা যাই হোক, তিনি কখনো সেটা কারো কাছে ফ্ল্যাশ করতেন না, কারণ আমাকে পছন্দ করতেন।

এই বুয়া আরো বিভিন্নভাবে আমাকে সুযোগ দিয়েছেন, যেমন প্রায়ই বাচ্চা ছাড়াই আমাদের বাসায় কাজে আসতেন, যখন আমি ছাড়া আর কেউ থাকতো না। মুখে সবসময়ই স্মিত হাসি ধরে রাখতেন, কারণ তিনি জানতেন ওনার বেতন আমিই দেই। একদিন অবশ্য একটা বোল্ড মুভ নিয়েছিলাম, তার স্তনের উপরের অনাবৃত অংশে (যেটা কামিজের উপর দিয়ে দেখা যায়) একটা স্কার-এ (কাটা বা পোড়া দাগ) হঠাৎ করে হাত দিয়ে স্পর্শ করেছিলাম, এতে সে আতকে উঠেছিল। আরো কিছু হয়তো করতাম, বা অন্ততঃপক্ষে তার সাথে রসালো কিছু আলাপ করতাম, যদি না ভাগ্যের ফেরে মা তৎক্ষণাৎ চলে আসতেন।

আর একবার বাসায় যখন আমি ছাড়া আর কেউ নেই এমন এক সময়ে বুয়া এসে হাজির। গেটেই দাড়িয়েই তিনি আমাকে জিগ্যেস করলেন, দরজা লাগাবেন নাকি খোলা রাখবেন। আমি লাগাতে বললাম, তবে ভালো উদ্দেশ্য নিয়ে।

সেদিন তাকে দরজা আটকাতে বলে কাছে ডাকতে পারতাম। তারপর তাকে শরীর মালিশ করার জন্য অনুরোধ করতে পারতাম, দরকার হলে টাকাপয়সার লোভ দেখাতে পারতাম। ওই সময় আসলে আমি বিছানায় শুয়ে ছিলাম। তাই তখন তাকে ‘একটা কথা শুনে যান বুয়া’ বলে কাছে ডাকলে সেটা শুনতো বলে আন্দাজ করি। তখন কাছে আসলে তাকে বিছানায় আমার পাশে বসতে বলতাম। বসলে তাকে শরীর মালিশ করার অনুরোধটা করতাম। আর একবার মালিশ শুরু করলে সবকিছু অটোমেটিক ঘটতে থাকতো – এ ব্যাপারে নিশ্চিত ।

যাই হোক, কাছে তো আর ডাকি নি তাকে সেদিন, আসলে মনটা কী কারণে জানি ভালো ছিল না।

এবার তাহলে বর্তমান কাজের বুয়ার ফিরিস্তি দেই, সে এখনো আমার বাপ-মা’র বাসায় কাজ করে যেখানে আমি একসময় থাকতাম (এই বুয়ার দেশের বাড়ি ময়মনসিংহে)। সে প্রথম প্রথম কাজ করতে এসে ব্রেকড্যান্স মুডে দাঁড়াতো আমার সামনে, যদিও আমার মা’র সাথে কথা বলার উছিলায়। তখনই বুঝেছিলাম তার ওই জায়গায় যথেষ্ট রস আছে যেটা আমার সাথে শেয়ার করতে চায়। আর তার বয়সও ছিল বেশ কম, রস থাকবে এটা খুবই স্বাভাবিক। তবে সে বিবাহিতা ছিল, একটা বাচ্চা ছিল এবং গায়ের রঙ কালো ছিল।

তার চেহারা এবং বডি ল্যাঙ্গুয়েজে স্পষ্ট ছিল যে, নিতান্ত অভাবের তাড়নায় কিছুটা উপরি কামানোর আশায় সে আমার সাথে শুতে চেয়েছিল। তবে তার সে আশায় আমি জল ঢেলে দেই তার সাথে খারাপ ব্যবহার করে। একদিন আমি যখন মা’র সাথে আলাপ করছিলাম, তখন সে মাকে কিছু একটা জিজ্ঞেস করে আমাদের আলাপের ইন্টারাপশন ঘটায়, যেটা আমি ভালোভাবে নেই নি, তাই তাকে তখন ধমক মারি।

এরপর দীর্ঘদিন সে আমাকে ভয় পেয়েছে এবং খারাপ চোখে দেখেছে, অর্থাৎ তার সাথে আর পুরোপুরি সহজ হতে পারি নি। অনেক চেষ্টাচরিত্র করে তার সাথে কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছিলাম একটা সময়, যেদিন তার সাথে আকামের সুযোগ পাই, তবে সেটাও হেলায় হারাই। 

সেদিন সে একটু হর্নি হয়েছিল, অর্থাৎ তার ওই জায়গাটা গরম হয়েছিল অথবা দীর্ঘদিন আমাকে তার পিছনে ঘুরতে দেখে একটু দয়ামায়া হয়েছিল, তাই আমাকে একটা চান্স দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। অন্যান্য দিনের চেয়ে ওই দিন একটু পরিষ্কার জামাকাপড় পরে এসেছিল, আর চেহারাও পরিষ্কার ও উজ্জ্বল দেখাচ্ছিল। এসব কিছুতেই এটা স্পষ্ট ছিল যে, সে আমাকে একটা সুযোগ দিতে চায়।

আর তার চোখের লুক-এর মধ্যেও একটা দুষ্টামিভাব ছিল, অর্থাৎ সে আমার সাথে শোবে। ওরনাটাও আধুনিক মেয়েদের মতো তার এক কাধ বরাবর ঝুলানো ছিল, ফলে অন্য স্তনটা কামিজের উপর দিয়ে ফুটে উঠেছিল। আমার শুধু দরকার ছিল তার স্তন চেপে ধরা, নিদেনপক্ষে তার হাত ধরে নিজের দিকে টেনে আনা। সেদিন বাসাতে শুধু আমার বউ ও বাচ্চা ছিল, তবে তাদেরকে একটা রুমে দরজা বন্ধ করে রেখেছিলাম। 

https://www.youtube.com/watch?v=6tUxlhztsaQ

আমার বউ বিশাল বোকাচোদা, দরজা বাইরে দিয়ে আটকে আমি যে কাজের বুয়ার সাথে রঙ্গলীলা করতে পারি, সেটা সে ঘুণাক্ষরেও টের পায় নি। যাই হোক, কাজকর্ম শেষ করে বুয়া যখন চলে যেতে উদ্যত হলো, তখন আমি তার পথ আগলে ধরার চেষ্টা করলাম। কিন্ত বুয়া মুখে একটা মিচকা হাসি ধরে রেখে পাশ কাটিয়ে বেরিয়ে গেল। মনে হয় ঠিকমতো পথ আটকাতে পারি নি, অথবা হাত ধরে তার চলে যাওয়া রোধ করতে পারি নি। তারপরও আমি তার পেছন পেছন সিড়ি পর্যন্ত গেলাম; দেখতে পেলাম সে পাশের ফ্ল্যাটের দরজার দিকে তাকাচ্ছে যেটা তালাবন্দী ছিল। মুখে একটা ঈঙ্গিতপূর্ণ এক্সপ্রেশন নিয়ে সে সিড়ি বেয়ে ধীরে ধীরে নেমে গেল।

কিছুক্ষণ পর আমি সেই এক্সপ্রেশনের মানে বুঝলাম; আসলে সে ভেবেছিল, ‘বোকাচোদাটা আমাকে নিয়ে এই ফ্ল্যাটে ঢুকলেই তো পারতো, তাহলে দুজনে চিৎকার চেচামেচি করে সেক্স করতে পারতাম, ওর বউ একটুও শুনতো না।’ আসলে কথাটা ঠিক, কারণ সে ফ্ল্যাটে আমার বড় ভাই তার বউ-বাচ্চা আর আরেক ছোট ফ্যামিলিকে সাবলেট নিয়ে থাকতো। ওই সময় দুই ফ্য্যামিলিই অনুপস্থিত ছিল, আর মেইন গেটের চাবি দিয়ে গিয়েছিল আমাদের কাছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.