মায়মুনা আপার ইতিবৃত্তান্ত – পর্ব ১

মায়মুনা আপা আমার দূর সম্পর্কের খালাতো বোন। উনি আমার মা’র সৎ বোনের প্রথম কন্যা। তিনি বহুকাল আগে থেকেই ছিনাল টাইপের। উনার উল্টাপাল্টা কর্মকাণ্ডের কথা আমরা সেই ছোটকাল থেকেই শুনে আসছি। বিশেষ করে উনার স্বামী যখন উনাকে আর উনার ছেলেমেয়ে দু’টাকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিলেন, তখন থেকেই উনার মাগীবাজি চরম হারে বেড়ে গেলো। উনি আমার চেয়ে কমপক্ষে ১০ বছরের বড়। উনারা মোট ৫ বোন, সবগুলোই ছিনাল টাইপের। আমার বড় ভাই সবকয়টাকে লাগিয়েছে। তবে আমি ২২/২৩ বছর বয়সের আগে কোনোটাকেই লাগাতে পারিনি, কারণ আমি ছিলাম একটু গাধা টাইপের। একটু চালাক-চতুর হলে ১৩/১৪ বছর বয়সেই মায়মুনা আপাকে লাগাতে পারতাম বলে আমার ধারণা।




উনার রূপ-যৌবন আমার চোখে প্রথম ধরা দেয় ঐ বয়সেই। উনারা উনাদের সাভারের বাড়ি বিক্রি করে যখন আমাদের বাসার কাছে বাসা ভাড়া নেন, তখন প্রায়ই বিকেল বেলা উনাদের বাসায় বেড়াতে যেতাম। এক বাসায় এতগুলো মেয়ে, স্বাভাবিকভাবে লোভ সামলে রাখা মুশকিল ছিলো। তবে আমার বড় ভাইয়ের দাপটে তেমন সুবিধা করতে পারতাম না। একদিন বিকেলে মায়মুনা আপা, আমি, খালা এবং আরো কয়েকজন মিলে উনাদের বাসায় টিভি দেখছিলাম। হঠাৎ কী কারণে জানি মায়মুনা আপা প্রচন্ড শব্দে খিলখিল করে হাসতে লাগলেন।

ঐ সময় উনি স্লিমিং বা ডায়েট কন্ট্রোল করতেন না বলে গায়ে-গতরে বেশ ছিলেন। ওরনা পরে ছিলেন না ঐ বিশেষ মুহূর্তে। তাই হাসির দমকে উনার কামিজের ভিতরে উনার দুধদু’টো যে তীব্র বেগে আন্দোলিত হচ্ছিলো, সেটা সাথে সাথে আমার নজরে পড়ে। আমি লজ্জা-বিবেক ভুলে সেদিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকলাম। উনি ব্যাপারটা বুঝতে পেরে হাসির মাঝেই উনার হাতদু’টো দিয়ে উনার দুধদু’টো ঢাকার চেষ্টা করলেন। আমি ঐ দৃশ্যটা প্রচন্ডভাবে উপভোগ করলাম। উনার বাসার লোকজন বেশ ফ্রি মাইন্ডেড ছিলেন, বিশেষ করে আমার খালা। তাই আমার এই লুচ্চামি কেউ সিরিয়াসলি বা খারাপভাবে নিলো না।



ঐ দিনই প্রথম মায়মুনা আপাকে লাগানোর ইচ্ছে আমার মনে আসে। কিছুদিনের মধ্যে উনি আর উনার ছেলেমেয়ে দু’টা যখন আমাদের বাসায় প্রথমবারের মতো বেড়াতে এলো, তখন আমিই ওদেরকে পথ দেখিয়ে নিয়ে আসি। এসময় মনে মনে আমি ভাবলাম, “আপা, তোমাকে যদি একদিন একা আমাদের বাসায় আনতে পারতাম (যখন বাসায় কেউ নেই) তাহলে কী যে করতাম!”

https://www.youtube.com/watch?v=QcEvl7bjCMw

যাই হোক, আমার ওদের বাসায় যাওয়াটা আমার মা পছন্দ করতেন না, এছাড়া বড় ভাইয়ের মাদবরি তো ছিলোই। তাছাড়া তখন আমি ছিলাম মাত্র ১৪ বছরের একজন কিশোর। তাই মায়মুনা আপার মতো একটা ধুমসি মহিলাকে ঐ সময় আমার পক্ষে জোর করে ধর্ষণ করা সম্ভব ছিলো না। তদুপরি, উনার ছোট বোনগুলো আমার বড় আর ইমেডিয়েট ছোট ভাই সহ আরো বেশ কিছু ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে যাওয়ায় ওদের আশা আমি বাদ দিলাম এবং এক সময় ওদের বাসায় যাওয়া ছেড়ে দিলাম।

তাছাড়া ওরাও দু’-এক বছরের মধ্যে বাসা বদলে অনেক দূরে টঙ্গী চলে গেলো। মায়মুনা আপার একমাত্র ভাই হাবিব ছোটকাল থেকে সন্ত্রাসী টাইপের। ও আমার চেয়ে বয়সে সামান্য বড় হলেও এই কারণে ওর সাথে আমি কখনোই মিশতে পারতাম না, তবে আমার বড় ভাই ওর সাথে ঘনিষ্ঠভাবে মেশা শুরু করলো। বড় ভাইয়ের টার্গেট ছিলো মূলতঃ লাইন ধরে হাবিবের বোনগুলোকে লাগানো। যাই হোক, আমার মূল বক্তব্য হলো, হাবিবের সাথে আমার খুব একটা বনিবনা না থাকায় ওদের টঙ্গীর বাসায় আমি দীর্ঘদিন যাই নি। (চলবে)



Leave a Comment

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.