মায়মুনা আপার ইতিবৃত্তান্ত – পর্ব ২

(পূর্বে প্রকাশের পর) এভাবে প্রায় ৭/৮ বছর কেটে গেলো। মায়মুনা আপা আর তার বোনদের মাগীবাজির খবর আমার কানে প্রায়ই আসতো। শুনতাম ওরা নাকি টাকার বিনিময়ে হোটেলেও লাগাতে যায়। আর অহরহ ছেলেদের সাথে প্রেমপ্রেম খেলা তো আছেই। এছাড়া ওরা বোনেরা বোনেরা মিলে দেশের বিভিন্ন জায়গায় যেতো সেক্স পার্টি করতে। একবার সিলেটে বেড়াতে গিয়ে মায়মুনার ছোট বোন আকলিমা নাকি গণধর্ষণের শিকার হয়।




তবে এসব আমার সেই খালা কোনোদিন স্বীকার করবে না। উনি উনার মেয়েদের নিয়ে রীতিমতো গর্বিত। আর উনি নিজেও ছিলেন বিশাল একটা মাগী। লোকমুখে শোনা যায় যে, উনি উনার আপন ভাই ওমর আলীর সাথে সেক্স করতেন (উনার স্বামী দুবাই প্রবাসী ছিলেন)। একবার এলাকাবাসীর কাছে আপত্তিকর অবস্থায় উনারা দুই ভাই-বোন ধরা পড়েন। তখন এলাকাবাসীর চাপে পরে সাভারের সেই বাড়িটা বিক্রি করে চলে আসতে বাধ্য হন। 

যাই হোক, উনারা পুরো ফ্যামিলি মিলে এবার টঙ্গীর পরিবেশটাকে নোংরা করতে শুরু করলেন। আমার সেই ওমর আলী মামা দীর্ঘদিন আমার ঐ খালার বাসায় ছিলেন (উনারা দু’জন মিলে কী করতেন, এটা বোঝাই যায়!)। তো, আমি তখন ইউনিভার্সিটিতে সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। একটা মেয়ের সাথে প্রেম ঠিকমতো শুরু করার আগেই ছ্যাঁকা খেয়ে গেলাম। ভাবলাম, “নাহ্ আর প্রেমটেম করবো না, একেবারে সেক্স করবো।” সেক্স করতে চাইলে একটা অপশন ছিলো হোটেলে যাওয়া। কিন্তু হোটেলে যাওয়ার মতো সাহস তখনো আমার হয় নি। তাই সহজ উপায়টা বেছে নিলাম। ঠিক করলাম, টঙ্গীতে ঐ খানকি খালার বাসাতেই যাবো। দেখি ওখানে কাকে লাগানো যায়!

ওদের ফোন নাম্বার যোগাড় করে ইউনিভার্সিটির হলের কার্ডফোনে ঐ খালাতো বোনগুলোর সাথে আলাপ করা শুরু করলাম। প্রেম করার ক্ষেত্রে আমার টার্গেট ছিলো আকলিমা (আমার চেয়ে ৫-৬ বছরের ছোট, তখন তার বয়স ১৭)। কিন্তু যেহেতু ওদের নিজস্ব টেলিফোন ছিলো না (২০০২ সালের কথা), অর্থাৎ আমার কাছে এগুলো ছিলো রিকোয়েস্টের কল, তাই (ওদের বাসার নিচ তলার গার্ড ব্যাটাকে) সরাসরি এটা বলতে আমার লজ্জা করতো যে, “আকলিমাকে একটু ডেকে দেন।” কারণ তাহলে এই গার্ড ব্যাটা আর আমার খালাসহ অন্যান্যরা আমার মনের কথা জেনে যাবে। তাই যে ফোন রিসিভ করতো তাকে বলতাম, “আকলিমাদের (বা মায়মুনা আপাদের) বাসার কাউকে ডেকে দেন।” সেক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময়ই মায়মুনা আপা এসে ফোন রিসিভ করতেন। কারণ হাবিব ততদিনে কর্ম উপলক্ষ্যে দুবাইয়ে চলে গিয়েছে।

এভাবে বেশ কয়েকদিন মায়মুনা আপার সাথে আলাপ করার পর উনার প্রতি আমি একটু দুর্বল হয়ে পড়লাম। ভাবলাম, “বেচারীর স্বামী বিদেশ থাকে। নিশ্চয়ই ঠিকমতো সেক্স করতে পারে না। উনার সাথেই আমি সেক্স করবো।” মাঝে অবশ্য আকলিমার সাথে দু’-একদিন আলাপ করেছিলাম। মায়মুনা আপাকে দিয়েই আকলিমাকে ডাকাতাম। ওরা দু’জনেই (সম্ভবত ওদের বাসার সবাই) বুঝতে পেরেছিলো যে, আমার মতলব বেশি সুবিধার নয়। আমি হয় প্রেম করতে চাই অথবা সেক্স। এতে অবশ্য ওদের আপত্তি থাকার কথা নয়। কারণ ওরা ছিলো একটা মাগীবাজ ফ্যামিলি। তদুপরি আমি একটা পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে ভালো একটা সাবজেক্টে পড়তাম। সুতরাং প্রেম বা সেক্স করে পেটে বাচ্চা হয়ে গেলেও এতে ওদের আপত্তির তেমন কিইবা আছে! আমার বাবা-মা’র ঠিকানা থেকে শুরু করে সব নাড়ি-নক্ষত্র তো ওদের জানাই ছিলো!

যাই হোক, এক পর্যায়ে লক্ষ্য করলাম, আকলিমার সাথে ফোনে কথা বলতে আমার আর ভালো লাগছে না, মায়মুনা আপার সাথে কথা বলতে ভালো লাগছে। ঠিক করলাম, প্রথমে মায়মুনা আপাকেই লাগানোর টার্গেট নিবো। এরপর আর কাউকে যদি লাগানো যায়, তাহলে সেটা হলো বোনাস। আপাকে জানালাম, উনাদের বাসায় খুব শীঘ্রই বেড়াতে আসছি। ওদের বাসায় যাওয়ার ব্যাপারে এটা আমার জন্য একটা পারফেক্ট সময় ছিলো, কারণ আমার বড় ভাইয়ের সাথে ওদের ভুল বোঝাবুঝির কারণে সম্পর্কচ্ছেদ ঘটেছিলো, তদুপরি ঐ বাসায় বড় ভাইয়ের (আপাতদৃষ্টিতে) মূল ফ্রেন্ড হাবিব তখন দেশের বাইরে। এছাড়া আমি ইউনিভার্সিটি হলে থাকতাম বলে যেকোনো সময় যেকোনো জায়গায় রাত কাটানো ছিলো আমার কাছে খুবই সম্ভব একটা ব্যাপার। আমার মা ভুলেও সেটা টের পাবে না, যদি আপাদের বাসার কেউ আমার মা’কে ব্যাপারটা বলে না দেয়। 

এভাবে এক সময় আমার যৌবনজ্বালা যখন তুঙ্গে তখন একদিন টঙ্গীর পথে যাত্রা করলাম। সাথে কনডম নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছে ছিলো। কিন্তু ফার্মাসিতে গিয়ে কনডম কেনার সাহস আমার হলো না। তাই কনডম ছাড়াই লাগানোর সিদ্ধান্ত নিলাম। রাত প্রায় দশটায় ওদের বাসায় গিয়ে উপস্থিত হলাম। আমার অভিজ্ঞ খালা আর ওদের বাসার অন্য সবাই আমাকে দেখেই বুঝতে পারলো যে, আমি সেক্স করার উদ্দেশ্যেই এখানে এসেছি। উনাদের সাথে একসাথে বসে রাতের খাবার (ভাত) খেলাম। খালা জিজ্ঞেস করলেন, বাসা থেকে, না হল থেকে এসেছি। আমি মিথ্যে করে বললাম, বাসা থেকে। উনি আরো জিজ্ঞেস করলেন, সাথে লুঙ্গি এনেছি কিনা। আমি বললাম, “না।” ভাবলাম, মহিলা কী খারাপ! উনার মেয়েদেরকে ঠিকমতো লাগাতে পারবো কিনা, সেটা এখন থেকেই চিন্তা করা শুরু করে দিয়েছে।

খাওয়ার সময় আমি খালাতো বোনদের (বিশেষ করে আকলিমা আর মায়মুনার) সাথে সামান্য আলাপচারিতা করলাম। এসময় খালা বলে উঠলেন, “এহন ঠিকমতো খা, সারা রাইত আলাপ করিস্ ।” চিন্তা করেন, চাইতে না চাইতেই লাগানোর অনুমতি দিয়ে দিলো। এসব দেখে-শুনে আমি তো মনে মনে প্রচন্ড খুশি। ঠিক হলো আপার ছেলেমেয়ে দুইটার সাথে আমি বিছানায় শোবো। আর উনারা দুই বোন (আকলিমা আর মায়মুনা আপা) ফ্লোরে শোবেন। অন্য বেড রুমটাতে খালা তার ছোট মেয়েটাকে নিয়ে শুয়েছে। এছাড়া মায়মুনার ইমেডিয়েট ছোট বোনটা (মাসুমা) স্বামীর সাথে আলাদা বাসায় থাকতো, আর আকলিমার ইমেডিয়েট বড় বোন নাসিমা বিদেশে কী যেন একটা কাজ করতো (মনে হয়, দেহব্যবসা!)। (চলবে)



Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *


CAPTCHA Image
Reload Image

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.