শ্বাশুড়িকে যে কারণে যৌন হেনস্থা করলাম

পাঠকগণ নিশ্চয়ই ভাববেন, আমি কী ধরনের লোক যে নিজ শ্বাশুড়িকে যৌন হেনস্থা করলাম, আবার সেটার কারণও পাবলিকলি শেয়ার করছি। আসলে দেশে কুটনামি এবং স্টার জলশার প্রভাব এতদূর গড়িয়েছে যে, এ সংক্রান্ত আমার অভিজ্ঞতা শেয়ার না করে পারছি না।

https://www.youtube.com/watch?v=TR0mahL7G3E

বিয়ের পর দু’-এক বছর শ্বাশুড়ি কখনো মমতাময়ী, কখনো সেক্সি নারীর মতো আচরণ করেছেন, কিন্তু এর পরে এতগুলো বছর আমার বিরূদ্ধে কেবল কুটনামি আর শয়তানিই করেছেন। তাই তার যৌবনকালের সায়াহ্নে তার সাথে এই বেত্তমিজিটা না করে পারলাম না।

ঘটনা ২০১১ সালের ২৭শে জানুয়ারী বিকেল বেলা, মাথা পুরোপুরি পরিষ্কার ছিল – সেটাও বলবো না। বাসায় আমি আর শ্বাশুড়ি ছাড়া আর কেউ ছিল না। ঘুম থেকে মাত্র উঠলাম, হঠাৎ তিনি দু’-তিনটে প্লেটে করে কয়েক আইটেমের কাটা ফল নিয়ে আমার বউয়ের রুমে হাজির হলেন (তখন পর্যন্ত বউকে নিজ বাড়িতে তুলে নেই নি, তুলে নিয়েছি ২০১১ এর শেষে)।




তিনি ফলগুলো টেবিলে রেখে আবার বর্ণনা দিচ্ছিলেন কোনটাতে কোন ফল। এর দু’এক বছর আগে তিনি একইভাবে ঐ একই রুমে সহাস্যবদনে আমাকে জিজ্ঞেস করছিলেন, ফ্যান ছাড়ার দরকার আছে কিনা; অর্থাৎ শুধু শুধু রুমে ঢুকেছেন। তার হাসি দেখে বুঝতে পেরেছিলাম, ডালমে কুছ কালা হ্যায়। ঐসময়ও তাদের বাসায় শ্বাশুড়ি আর আমি ছাড়া আর কেউ ছিল না।

আন্দাজ করতে পেরেছিলাম, তিনি আমার সাথে কোনো একটা কিছু করতে চান, অন্যরকম কিছু। ভাবলাম কী লাভ এসব করে আমার সাথে। অনুধাবন করার চেষ্টা করে বুঝলাম, দৈহিক সম্পর্কে জড়ালে তার সাথে আমার আন্ডারস্ট্যান্ডিংটা ভালো হবে, আর তার মেয়ের জীবনও সুখের হবে।

শাশুড়ি দেখতে অনেকটা এরকম ছিল

সেই দিন যদিও কিছু করতে পারি নি উপস্থিত সিদ্ধান্তহীনতার অভাবে। কিন্তু আজ ঠিক করলাম, কিছু একটা করেই ছাড়বো, প্রচেষ্টা একটা নেবই। ফল দেয়া শেষে তিনি ড্রয়িং রুমে গিয়ে স্টার জলশা দেখছিলেন, সোফায় বসে। আমি সন্তর্পণে সেখানে গিয়ে তার পাশে বসলাম, প্রথমে একটু দূরত্ব রেখে, পরে একেবারে গা ঘেঁষে; এতে তিনি কিছু মনে করলেন না। আসলে তখন তার বয়স ছিল ৪৫ প্রায়, রজনিবৃত্তি বা মেনোপজ শুরু হলো বলে, শরীরে যৌন উত্তেজনা নেই বললেই চলে। কিন্তু এসব বিবেচনায় নেই নি আমি। যেটা করলাম সেটা অনেক আগেই করা উচিত ছিল।

কিছুক্ষণ গা ঘেঁষে বসে থাকার পর তাকে সোফায় চেপে ধরি এবং ঠোটে চুমু খাওয়ার চেষ্টা করি। তিনি বলে উঠলেন, ‘কী হইছে?’ আমি বললাম, ‘কিছু না, আপনাকে একটু আদর করি।’ আমার ঠোটজোড়া তার ঠোটজোড়াকে স্পর্শ করেছে মাত্র, তখনই একটা ভুল করে বসি। ঐ আসন (সিটিং) থেকে উঠে গিয়ে তাকে দু’হাতে ভালো করে চেপে ধরার চেষ্টা করি। আসলে আমার উচিত ছিল, আরো কিছুক্ষণ চুমাচুমি করে পরে দুধ টেপাটিপির দিকে মনোযোগ দেয়া। এভাবে তার পৌঢ়া শরীরটাকে কিছুটা গরম করে তুলে পরে পাশের বিছানায় তাকে টেনে নিলেই বাকি কাজটুকু অনায়াসে সারা যেত।



কিন্তু আমি যখন তাকে সোফার উপর দুই হাত গেঁথে চেপে ধরার চেষ্টা করে যাচ্ছিলাম, তখন তিনি বলে উঠলেন, ‘বাবা, তুমি আমার ছেলের মতো।’ জবাবে আমি কিছুটা চোখ রাঙিয়ে বললাম, ‘তো, কী হইছে?!’ আসলে আমার উচিত ছিল তাকে মধুরভাবে বলা, ‘দেখেন আম্মা, আপনাকে অনেকদিন থেকেই আমার ভালো লাগে।’ একথা বললে কিছুটা নমনীয় হতেন বোধ হয়। কারণ যখন তার শরীরে পুরোদমে যৌবন ছিল, তখন বেশ কয়েকবার অশ্লীল আচরণ করেছিলেন আমার সাথে। এর মধ্যে রয়েছে নাভি দেখিয়ে এবং উত্তেজক অঙ্গভঙ্গি করে আমাকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করা, বাসায় যখন কেউ নেই তখন বারবার যেচে এসে আমার সাথে সহাস্যবদনে আলাপ করা, আমার উত্থিত লিঙ্গের দিকে বক্সার্সের উপর দিয়েই চেয়ে থাকা ইত্যাদি।

আবার একবার যখন বেশ কয়েক মাস তাদের সাথে যোগাযোগ রাখি নি (বিয়ের চার মাস পরেই, শ্বশুর-শ্বাশুড়ির আচরণের কারণে এমনটি করতে বাধ্য হয়েছিলাম), তখন শ্বাশুড়ি আমাদের বাসায় যেতে না পারায় (আমার বাবা-মা’র কড়া নিষেধ ছিল) অন্যত্র আমার সাথে দেখা করে জানতে চেয়েছিলেন, ‘তুমি কী চাও? তুমি যা চাও, তা-ই তোমাকে দেব। সব জায়গা-সম্পত্তি তোমার নামে লিখে দেব।’ তখন যদি জায়গা-জমির সাথে (বা জায়গা-জমি না চেয়ে) তার দেহ চাইতাম, তাহলে আলবৎ সেটা দিতে রাজি হতেন (দেহদান করলে তো আর্থিক ক্ষতি হয় না, তাদের কাছে টাকাপয়সাটাই মুখ্য ব্যাপার ছিল সবসময়)।

এবার তাহলে শ্বাশুড়ির সাথে এমন আচরণের মূল কারণগুলো খুলে বলি। শ্বাশুড়িকে যৌন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করাটা জরুরী ছিল না আমার, কারণ অনেক আন্টি টাইপের মহিলাই আমার সাথে সবসময় শুতে চেয়েছে, উল্টো আমিই তাদেরকে এড়িয়ে গিয়েছি।

শ্বাশুড়ির সাথে এমন করলাম, কারণ (১) একটা সময় আমি তাদের বাসায় গিয়ে প্রথমেই আমার বউয়ের রুমে যেতাম, তার সাথে শারীরিকভাবে মিলিত হওয়ার জন্য। বিষয়টি আমার শ্বশুর-শ্বাশুড়ি ভালো চোখে দেখতেন না। বিশেষ করে, আমার শ্বাশুড়ি এটা নিয়ে প্রায়ই আমার সামনে এবং অগোচরে আমার বউকে কটু কথা শোনাতেন। তাদের বাসায় গিয়ে প্রথমেই শ্বশুর-শ্বাশুড়ির খোঁজখবর নিতে হবে – এমনটা জরুরী বলে মনে করতাম না। তাই শ্বাশুড়িকে একটা উচিত শিক্ষা দেয়ার দরকার ছিল।

দ্বিতীয়ত শ্বাশুড়ি সবসময় আমার পিছে লেগে থাকতো, আমার বিরূদ্ধে বউকে নানা কুবুদ্ধি দিতো। আমি নিশ্চিত যে, তিনি নিজের দেহ আমার কাছে সঁপে দেয়ার চেষ্টা করা সত্ত্বেও তাকে গ্রহণ না করায় নাসরিন-বিথীর মতো আমাকে ‘কাপুরুষ’ বা ‘অর্ধেক পুরুষ’ ভেবেছিলেন। আমি দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি যে, কোনো নারী আপনার সাথে শুতে চাইলে যদি তা আপনি প্রত্যাখ্যান করেন, তবে সে আর আপনাকে সহ্য করতে পারবে না। আমার শ্বাশুড়ির ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা তা-ই হয়েছিল। তাই তার কাছে নিজের পুরুষত্ব দেখানোটা দরকার ছিল; সে চেষ্টা আমি করলাম বটে, তবে অসময়ে, অনেক দেরিতে, তাই তো ‘ধর্ষক’ বলে অ্যাখ্যায়িত হলাম।

আবার ভাবলাম, দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করলে তার সাথে আমার বোঝাপড়া ভালো হবে, তখন তিনি আর আমার পিছে লেগে থাকবেন না, বরং বউয়ের সাথে সমস্যা হলে তিনিই তা মেটাতে আসবেন। এসব ভেবেই ২০১১ সালের জানুয়ারী মাসের কাণ্ডটা ঘটাই। এজন্য আমি অনুতপ্ত না, কারণ তার যেটা পাওয়ার ছিল, সেটা তিনি পেয়েছেন (অসম্মান আর ইজ্জতহানি)। শুধু শেষ পর্যন্ত তার সাথে শুতে পারলাম না, এটাই আমার আফসোস। আমার আসলে এমন এক জায়গায় বিয়ে করার খায়েশ ছিল, যেখানে বউয়ের সাথে সাথে শ্বাশুড়িকেও লাগাতে পারবো। মনে হয়, সে খায়েশ পূরণ করার জন্য আরেকটা বিয়ে করা লাগবে।



Leave a Comment

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.