শাহনাজ মঞ্জিলের শাহনাজ আন্টির বিশাল গতর

কুড়িল বিশ্বরোডের কাছে ‘শাহনাজ মঞ্জিল’ নামে একটি ছয়তলা বিল্ডিং রয়েছে। সে জমির প্রকৃত মালিক শাহনাজ নামের এক ৪২-৪৩ বছরের মহিলা। যৌবন এখনো ফুরায় নি মহিলার, তার শরীরের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। কারণ যেমন তার টসটসা দুধ, তেমন তার পাছা। আমি আসলে তার পাশের বিল্ডিং এ ভাড়া থাকতাম; আর মনে মনে ভাবতাম, ইস, এই মহিলার সাথে যদি ঘনিষ্ঠ হওয়া যেত!

মহিলাও মনে মনে আমাকে কামনা করতো, যেটা আমি তার সাথে প্রথম দিন দেখা করতে গিয়ে বুঝেছিলাম। আসলে নতুন বাসা দরকার ছিল, তাই তাদের সাথে দেখা করতে গেছিলাম। মহিলার স্বামীর সাথে কিছুক্ষণ কথা বলার পর দেখলাম, সে যেন কোথায় চলে গেল। এদিকে ওরনা ছাড়াই বিশাল বিশাল দুধ দু’টো দেখিয়ে ঠোটে একটা মিচকি শয়তানি হাসি ধরে রেখে আমার সাথে আলাপ চালিয়ে যাচ্ছিল মহিলা।

ওদের বাড়িতে চার তলায় ভাড়া উঠেছিলাম। তাদের দরজার লকগুলো আধুনিক ছিল, সেটা কীভাবে ব্যবহার করতে হয় তা ঐ মহিলাকে শিখিয়ে দিতে অনুরোধ করলাম। কিন্তু মহিলা মনে করলো, তাকে ফাঁকা বাসায় আটকিয়ে লাগাতে চাই আমি। মনে মনে সে ভাবলো, প্রথম দিন এসেই পরকীয়া সেক্স! সে মুখে একটা লোচ্চা মার্কা হাসি ধরে রেখে আমার মনের ইচ্ছা বুঝতে চেষ্টা করলো। আমিও তার আমন্ত্রণসুলভ হাসি দেখে যৌনউত্তেজিত হয়ে পড়লাম, ডান্ডা দাঁড়িয়ে গেল আমার। কিন্তু কিছুই করার নেই, ভেতরে শ্বশুর ছিল আমার। সে না থাকলে ওখানেই বিছানায় ফেলে মাগিকে…!

আরেক দিন সিঁড়ি দিয়ে নামছিলাম, আর শাহনাজ টুলেট লাগাচ্ছিল। আমার উপস্থিতি টের পেয়ে সে পাছাটা পেছনের দিকে ঠেলে আমাকে বুঝিয়ে দিল ওটার সাইজ, কমপক্ষে ৪২ ইঞ্চি তো হবেই! কিন্তু আমি তখন বাচ্চা কোলে নিয়ে নিচে নামছিলাম ওকে ঘুরানোর উদ্দেশ্যে। বাচ্চা কোলে না থাকলে, অর্থাৎ আমি একা থাকলে অবশ্যই তার পাছায় হাত বুলিয়ে বলতাম, ‘আন্টি, আপনার পাছাটা কিন্তু হেব্বি’। এতে অবশ্য খুব একটা কিছু মনে করতো না সে, কারণ এগুলো সে ইচ্ছে করেই করছিলো।
https://www.youtube.com/watch?v=X13iKVWT8xw
আবার মাঝে মাঝে সে চা খাওয়ার জন্য ডাকতো, আমি ভিতরে যেতাম না এটা ভেবে যে, তার স্বামী হয়তো ভিতরে আছে। আসলে তার স্বামী থাকলেও আমার ভিতরে ঢোকা উচিত ছিল। প্রথম প্রথম স্বামী থাকা অবস্থায় আমার সাথে ফ্রি হয়ে পরবর্তীতে সে না থাকলে আমাকে ডাকতো। আসলে, ঐ সময়টায় চোখের একটা সমস্যা নিয়ে খুবই বিব্রত ছিলাম, তাই ‘কাঁচা পরকীয়া সেক্স’-এর ব্যাপারে খুব একটা আগ্রহ দেখাই নি। তবে আরো কিছুদিন সে বাসায় থাকলে হয়তো ঐ মহিলার সাথে শুতে পারতাম। কিন্তু মাঝখানে উপরের তলায় এক নোয়াখাইল্লা ব্যাচেলর ফ্যামিলি এসে এত ধুপধাপ আর ডিস্টার্ব করতে শুরু করলো যে, বাসা ছেড়ে দিতে বাধ্য হলাম।

শাহনাজ সমস্যাটির কোনো সমাধান করতে পারলো না। এর সম্ভাব্য কারণ এই যে, ঐ ব্যাচেলরদের মধ্যে একজন সুদর্শন ছয় ফুটিয়া ইয়াং যুবক ছিল, আন্টি সম্ভবতঃ তার সাথে শোয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।



Leave a Comment

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.