শালীর সাথে যেসব কর্মকাণ্ড করলে সে হারিয়ে যেত না

আমার একমাত্র শালী মাহমুদা আক্তার, সে ২০১৭ সালের ৩রা জুন হতে নিখোঁজ। তাঁকে সম্ভবতঃ হিন্দুরা ফুসলিয়ে ইন্ডিয়ায় পাচার করে দিয়েছে। জানতে পেরেছি, সে শেষের দিকে হিন্দুধর্মে দীক্ষিত হয়েছিল এবং ভার্সিটিতে যাবার নাম করে মন্দিরে মন্দিরে ঘুরে বেড়াত।

সে আসলে প্রথমে চিটাগাং ভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছিল ‘ল’-তে। পরে কোনো হিন্দু বন্ধু-বান্ধবের পাল্লায় পরে মন্দিরের কর্মকাণ্ডের দিকে আসক্ত হয়, এমনকি সেখানে রাতও কাটাতে থাকে। এমনি কোনো এক রাতে এক দুশ্চরিত্রের পুরোহিত তাকে জোরপূর্বক সিঁদুর পরিয়ে দেয়, হয়তো তার সাথে যৌনসঙ্গমও করেছে। তখন থেকে সে পুরোহিত নিজেকে মাহমুদার স্বামী হিসেবে দাবী করতে থাকে তার কাছে। মাহমুদা প্রথমে তার সাথে কিছুটা সময় কাটালেও পরবর্তীতে কোনো কারণে তাকে ঘৃণা করতে থাকে এবং তার থেকে দূরে চলে আসার চেষ্টা করে।




তখন সে পুরোহিত তাকে ব্ল্যাক ম্যাজিক করে। এরপর থেকেই মাহমুদা (ডাক্তারদের ভাষ্যমতে) সিজোফ্রেনিয়া রোগে আক্রান্ত হয় এবং চিটাগাং ভার্সিটির পড়াশুনা সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হওয়ায় ঢাকায় বাবা-মা’র (আমার শ্বশুর-শ্বাশুড়ি) কাছে ফিরে আসে। এখানে কিছুদিন সে বেকার অবস্থায় বসে থাকার পর উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ল’-তে ভর্তি হয়। কিন্তু পুরনো অভ্যাস তাকে ছাড়লো না, এখানেও সজীব নামে এক হিন্দু বন্ধুর সাথে পরিচয়ের সূত্র ধরে সে পুনরায় মন্দিরে মন্দিরে ঘুরতে থাকে।

আসলে আমার শালী মাহমুদা ছোটকাল থেকেই একটু অতিরিক্ত সহজ-সরল টাইপের, দুনিয়ার প্যাঁচ-গোচ সে বুঝতো না। এর প্রধান কারণ হলো, সে তার মা’র পেটে থাকাকালে আমার দাদীশ্বাশুড়ি আমার শ্বাশুড়িকে বেশ মানসিক যন্ত্রণা দিয়েছে। আর দ্বিতীয় কারণ হলো, আমার শ্বশুর-শ্বাশুড়ি তাকে মাত্রাতিরিক্ত রক্ষণশীল পরিবেশে বড় করেছে। বেশিরভাগ বাংলাদেশি কিশোরী-তরুণীর মতো সে ধরে নিয়েছিল যে, সেক্স খুব খারাপ একটা বিষয়, এটা কখনোই ট্রাই করতে নেই। সেক্স যে আসলে মজা করার বিশাল একটা সোর্স, সেটা সে জানতো না বোধ হয়। আর সে কালো ছিল বলে তার পিছনে অপেক্ষাকৃত কমসংখ্যক পুরুষই ঘুরতো।

https://www.youtube.com/watch?v=0U_Le_QqhtI

এমন একটা সময়ে আমিই হতে পারতাম তার মেন্টর এবং যৌনশিক্ষক তথা যৌনসঙ্গী। কিন্তু আমার শ্বশুর-শ্বাশুড়ি সেটা অ্যালাও করলেন না, সবসময় আমাকে আর তাকে চোখে চোখে রাখতেন। তবে সত্যি বলতে কী, আমি যে তার সাথে কিছু একটা করার কোনো সুযোগই পাই নি – ব্যাপারটা তা নয়, তবে সে সুযোগগুলো বোকাচন্দমি করার ফলে হারিয়েছি।

যেমনঃ একবার তাকে এবং তার ছোট ভাইকে (আমার ছোট শালা) নিয়ে বসুন্ধরা ব্লকবাস্টারে গিয়েছিলাম ‘কেলোর কীর্তি’ ছবিটি দেখতে। তখন বোকামি করে তাদের দুজনের মাঝে না বসে এক প্রান্তে বসেছিলাম, শালাকে মাঝখানে বসতে দিয়ে। সেদিন শালীর পাশে বসলে প্রথমে হাত ধরাধরি, পরে টেপাটিপি করে তাকে বুঝিয়ে দিতে পারতাম যে, তাকে দৈহিকভাবে চাই আমি। এছাড়া একদিন তাকে তাদের বাসায় একাও পেয়েছিলাম এবং তার বডি ল্যাঙ্গুয়েজে এটা স্পষ্ট ছিল যে, সে আমার সাথে কিছু একটা করতে চায়। কারণ যখন তাকে ডাক দিলাম দরজা লাগানোর জন্য, তখন সে ওরনা ছাড়া এসেছিল আমার সামনে, উন্নত স্তন দু’টি মেলে ধরে। তবে সেদিন তাকে কোনো কিছু করি নি আমার বাচ্চাটি হাসপাতালে ছিল বলে, আর তখন তাকে দেখতে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়েছিলাম।

তবে ভুল করেছিলাম সেদিন, শালীকে চেপে না ধরে। তাকে সেদিন চেপে ধরলে সবকিছুই করতে পারতাম নিশ্চয়ই। কনডমবিহীন সেক্সও করতে পারতাম, খালি পরে তাকে একটা কন্ট্রাসেপটিভ পিল এনে দিলেই হতো। ঐ দিনের পর থেকে কেবলই দেখতাম, শালী তার গোপনাঙ্গগুলো আমার সামনে মেলে ধরতে অতিশয় তৎপর। আমার সামনেই ওপাশ ফিরে স্যালোয়ারের ফিতা বাঁধতো, ভেতরে ব্রা পরিধান না করে বিশাল স্তন দু’টোর নাচন দেখিয়ে দেখিয়ে চলাফেরা করতো- এইসব আর কি।

যৌনসঙ্গমের মজা পেয়ে গেলে তার মাথা খুলতো নিশ্চয়ই, তখন তাকে ফুসলিয়ে নিয়ে গিয়ে ইন্ডিয়ায় বেচে দেয়া কষ্টকর হতো।



Leave a Comment

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.