যুবলীগ নেতাকে সঙ্গে নিয়ে বিধবার সাথে সেক্স মিশন

সুলতানার বয়স প্রায় ৩৫, বিগত বেশ কয়েক বছর ধরেই সে বিধবা। বিয়ে বসতে পারে, তবে প্রয়াত স্বামীর সম্পত্তির লোভে সেটা সে করছে না। এমনিতে পেশায় সে ঘটক, আর দেবরদের কাছ থেকে আর্থিক সাহায্য নিয়ে চলে। তার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল মোশারফ ভাই। একদিন সে আমাকে প্রস্তাব দিল যে, আমার বউ যখন বাসায় থাকবে না তখন সে সুলতানাকে এনে লাগাতে চায়। আমি বললাম, ‘আমার জন্যও একটা মেয়ে ম্যানেজ করেন’। প্রথমে সুলতানা বলেছিল, সে ম্যানেজ করতে পারবে। কিন্তু বেশ কয়েকবার চেষ্টার পরও কাউকে ম্যানেজ করতে না পারায় সে নিজেই নাকি আমার সাথে শোবে – এমন আশা দিয়েছিল।

মোটকা মাগি সুলতানা দেখতে অনেকটা এরকমই

তো একদিন সত্যি সত্যিই আমার বউ তার মা’র বাসায় বেড়াতে গেল তিনদিনের জন্য আর এই সুযোগে মোশারফ সুলতানাকে নিয়ে আমার বাসায় হাজির। আশেপাশে দু’চারজন ব্যাপারটা দেখলেও কিছু বলার সাহস পেল না, কারণ মোশারফ যুবলীগ করে আর বেশ প্রভাবশালী।

প্রথমে সে নিজেই সুলতানাকে নিয়ে ভিতরে ঢুকলো। সাত-আট মিনিটের মাথায় বের হয়ে আসলো, আর আমাকে ভিতরে যেতে বললো। ভিতরে গিয়ে দেখি, সুলতানার চুল এলোমেলো। আমি ভাবলাম, হয়তো দুধ-টুধ চুষেছে, কারণ এতো অল্প সময়ে আসল কাজ সম্পাদন হওয়ার কথা নয়। মোশারফ গ্রিল দেয়া বারান্দায় খাটে শুয়ে পড়লো এবং আমি ঘরের ভেতর থেকে দরজা আটকে দিলাম। তারপর সুলতানার পাশে গিয়ে বসলাম।

https://www.youtube.com/watch?v=OSCSPCqvcZg

সুলতানা বললো, ‘আজকে শুধু কথা’। আমি তাকে বাম হাতে জড়িয়ে ধরে তার গালে চুমু খেলাম, একটু পর ঠোটেও চুমু খেলাম। তার ঠোট আগে যতটা রসালো ভেবেছিলাম, চুমু খেয়ে অতটা রসালো মনে হলো না এবার। আসলে পাতলা ঠোট রসালো হয় না। তারপর দুধ টেপা শুরু করলাম হেব্বি করে, সে একটু বাধা দেয়ার চেষ্টা করলো। আমি তাতে আরো উৎসাহ পেয়ে তাকে জোর করে বিছানায় ঠেলে ফেলে উপরে চড়ে বসলাম। তার কামিজ টেনে উপরে উঠানোর চেষ্টা করলাম, কিছুক্ষণ ধস্তাধস্তির পর সে নিজেই কামিজটা উপরে উঠিয়ে দুধ দু’টো বের করে দিল।

দেখলাম, স্তন দু’টো বেশ ফ্লেক্সিবল, ঝুলে যায় নি, তার বয়সের তুলনায় তরতাজা। একটার বোঁটা চুষতে শুরু করলাম, আরেকটা টিপতে থাকলাম। এক পর্যায়ে কামিজটা পুরোপুরি খুলে ফেলতে বললাম, সে রাজি হলো না। তখন আবার আগের কাজ চালিয়ে যেতে থাকলাম, এসময় তার দেহের উপর শুয়ে তার স্যালোয়ারের উপর দিয়ে উরুসন্ধি বরাবর ঠাপ দিচ্ছিলাম। এক সময় তার স্যালোয়ারের ফিতা খুলে ফেলতে উদ্যত হলাম, কিন্তু সে প্রচণ্ড বাধা দিয়ে বসলো, বহুত মোচড়ামুচড়ি শুরু করলো।

বলতে থাকলো, ‘বাইরে মোশারফ ভাই আছে, সে কী মনে করবে?! আমি কিন্তু চিৎকার দেব।’- এইসব। আমি জানতাম চিৎকার সে দেবে না। সে বলতে থাকলো, ‘পরে আবার একসময় আসবো। তখন কইরো’। কিন্তু আমি নাছোড়বান্দা, ফিতা টানতে থাকলাম এবং নাভি বরাবর স্যালোয়ারের ফাঁক দিয়েই হাত ঢুকিয়ে ফিঙ্গারিং করার টার্গেট নিলাম। কিন্তু আমার কোনো লক্ষ্যই সে সাকসেসফুল হতে দিল না।

আরেকটু জোর খাটিয়ে বুঝতে পারলাম, এবার স্যালোয়ার ছিঁড়ে যাবে, তাই রণে ক্ষান্ত দিলাম। পুনরায় আরো কিছুক্ষণ দুধ চুষাচুষি করার পর একসময় লিঙ্গটা অপ্রত্যাশিতভাবে নেতিয়ে গেল; বলতে গেলে, আমার সাথে বিট্রে করলো। তখন তাকে ছেড়ে দিলাম, সে উঠে বসে আমার দু’ গালে চুমু খেল, আমিও তার ঠোটে চুমু খেলাম। সে জিজ্ঞেস করলো, ‘তোমার কয়টা বাচ্চা?’। আমি বললাম, ‘একটা’। উত্তর শুনে সে খুশি হলো। মনে হয়, আমাকে ফাঁদে ফেলে বিয়ে করতে চায়।

যাওয়ার সময় ফ্রিজে থাকা বড়বড় সাইজের দু’টো আম ধরিয়ে দিলাম তাকে, একটা প্যাকেটে করে। পুরোপুরি ঢুকাতে দেয় নি, তাই টাকাপয়সা দেয়ার কথা মাথায় আসে নি। ভাবলাম, ‘পরের বার পুরোপুরি লাগিয়ে টাকা দিব’। তবে সেই পরের বার আর আসলো না, সুলতানা বিশাল অঙ্কের অর্থের জন্য বায়না ধরলো। বললো, তার একটা দশ শতাংশ জমির খারিজ করিয়ে দিতে হবে, যেটা করতে অন্তত দশ হাজার টাকা লাগবে। তার মতো বহুল ব্যবহৃত মালের পিছনে এতগুলো টাকা ব্যয় করার কোনো কারণ খুঁজে পেলাম না।

ঘটনার দু’-তিন পর মোশারফ ভাইকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, পুরোপুরি করেছিল কিনা। সে বললো, করেছে। আমি একটু অবাক হলাম, ভাবলাম সাত-আট মিনিটের মধ্যেই করে ফেললো! প্রথমে মনে হলো, তার কোনো যৌনরোগ আছে যে কারণে মিলন দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী করতে পারে নি। কিন্তু সে জানালো, আমার জন্যই নাকি তাড়াহুড়া করেছে। তাছাড়া বাইরেও লোকজন দেখেছে সুলতানাকে আমার বাসায় আসতে, তাই।

এবার বুঝতে পারলাম, সুলতানা কেন স্যালোয়ার খুলতে রাজি হয় নি। আসলে মোশারফের সাথে সঙ্গমের পর তার যৌনাঙ্গে তখনও মোশারফের বীর্য রয়ে গেছিল, এখন আমি ঢুকাতে গেলে আরেক পুরুষের বীর্যে আমার লিঙ্গ মাখামাখি হবে। অর্থাৎ মোশারফের কোনো যৌনরোগ (যেমনঃ সিফিলিস, এইডস) থাকলে সেটা সরাসরি আমার শরীরে চলে আসবে –  সম্ভবতঃ এই কারণেই সুলতানা তখন আমার সাথে যৌনসঙ্গম করতে রাজি হয় নি। কারণ আমি নিশ্চিত যে, তখন পর্যন্ত ‘মোটা অঙ্কের টাকা’র চিন্তা তার মাথায় আসে নি।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.