মায়মুনা আপার ইতিবৃত্তান্ত – পর্ব ৫

এরপর ২০০৬ সালে বাবা-মাকে না জানিয়ে বিয়ে করি, তবে বিয়ের দু’-তিন মাস পরে তাদেরকে জানিয়ে দেই। তখন মায়মুনা দূর হতে এই সংবাদ শুনে সেটা যাচাই করার জন্য আমাদের বাসায় হাজির হলো। বাহানা দিল – স্পোকেন ইংলিশ শিখবে, সে নাকি এফএম মেথডে ভর্তি হয়েছে।




আমি অবশ্য তার দূরভিসন্ধির বিষয়টি প্রথমে বুঝতে পারি নি, তবে বিয়ের বিষয়টি তার কাছে অস্বীকার করি। আসলে সে তথা তার পরিবার ও ওমর আলী আমাদের পরিবারের বিশাল শত্রু ছিল। তারা সবসময়ই চাইতো যাতে আমরা ধ্বংস হই। তাই যখন মায়মুনা খবর পেল যে, আমি বাবা-মাকে না জানিয়েই বিয়ে করেছি, তখন সে অতিশয় খুশি হলো; বুঝতে পারলো যে, জাকির হোসেনের (আমার) পতন অনিবার্য ও নিকটাপন্ন। জাস্ট খুশিতে আল্টিমেট সেলিব্রেশনের আগে সে বিষয়টি সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে চেয়েছিল, সে হেতু আমাদের বাসায় তার আগমন।

তবে আমি তাকে একরুমে একা পেয়ে যৌন উত্তেজিত হয়ে পড়লাম; মনে পড়ে গেল, পুরনো দিনের লটরপটরের কথা, তার সাথে যে শুতে চেয়েছিলাম। আরো সঠিকভাবে বলতে গেলে, সে যে আমাকে তার সাথে শোয়ার সুযোগ দিয়েছিল, যেটা আমি হেলায় মিস করেছি।

স্পোকেন ইংলিশ বুঝাতে বুঝাতে এক পর্যায়ে আমার লিঙ্গ উত্থিত হয়ে গেল, আমি তখন বক্সার্স পড়ে ছিলাম। তার প্রলোভনসুলভ ফেসিয়াল এক্সপ্রেশন আর পাহাড়ের মতো উঁচু দুধদু’টো দেখে আর থাকতে পারলাম না, এক পর্যায়ে তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়লাম। তার দেহের উপর শুয়ে ঠোটে তীব্রভাবে চুমু খেতে শুরু করলাম। সেও কিছুটা যৌন উত্তেজিত হয়ে গেল, তাই আমাকে বললো, ‘চুমা খাইস্ না।’ অর্থাৎ ঠোটে গাঢ় চুমু খেতে থাকলে সেও হয়তো আর থাকতে না পেরে আমাকে ‘সবকিছু খুলে’ দিবে।

আসলে সে আমার বাসায় এসেছিল খবর সংগ্রহ করতে, আমার সাথে শুতে নয়। তাছাড়া পরবর্তীতে জানতে পেরেছিলাম যে, তার পেটে ঐ সময় বিপুর দেয়া একটি সন্তান ছিল। ঐ সময় সে তার দ্বিতীয় স্বামী বিপুর প্রতি ‘বিশ্বস্ত’ ছিল, তাই কোনোরূপ পরকীয়া বা বিবাহবহির্ভূত কিছু করতে চায় নি।

আমি তাকে বিভিন্নভাবে হেনস্থা করি, যেমনঃ কামিজের উপর দিয়ে তার স্তনজোড়া টিপতে থাকি। কামিজের নিচ দিয়ে তার দুধে হাত দেয়ার চেষ্টা করি, এমনকি এক পর্যায়ে স্যালোয়ারও টেনে খুলে ফেলতে উদ্যত হই। চাইলে অবশ্য আমার এ সকল উদ্দেশ্যের কোনো একটি বা একাধিকটিতে আমি সফলকাম হতে পারতাম, তবে সেক্ষেত্রে তার জামা ছিঁড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তাই খুব বেশি বলপ্রয়োগ করি নি।

তার জামাকাপড় খুলতে না পারায় শেষ পর্যন্ত তার স্যালোয়ারের উপর দিয়ে (আমি নিজে নগ্ন অবস্থায়) তাকে ‘শুকনা ঠাপ’ দিতে থাকি এবং তার স্যালোয়ারে বীর্যপাত করে দেই। তবে পরবর্তীতে আমি নিজেই ত্যানা (টুকরা কাপড়) দিয়ে তার জামার উপর গড়াগড়ি খেতে থাকা সেই বীর্য মুছে দেই।

এরপর আমার সাথে শারীরিকভাবে মিলিত হতে তাকে বিভিন্নভাবে অনুরোধ জানাই। তাকে বলি, ‘চলেন, দু’জনে কয়েকদিনের জন্য কোথাও থেকে ঘুরে আসি’; যদিও একসাথে ঘুরতে যাওয়ার বিষয়টি প্রথমে সে-ই তোলে। যাই হোক, পরে আমি যখন কক্সবাজারের কথা বলি, তখন সে বলে, ‘আমরা কী পরিচয় দেব?’ আমি উত্তর দেই, ‘স্বামী-স্ত্রী’। এতে সে বললো, ‘এ কথা কেউ বিশ্বাস করবে না।’ এটা অবশ্য সে মিথ্যে বলে নি। মেয়েরা এমনিতেই আগে বুড়িয়ে যায়, তার উপর মেয়েটি যদি ছেলেটির চেয়ে বয়সে দশ বছরের বড় হয়, তাহলে তো কথাই নেই!

আসলে তার সাথে সেক্স করতে চাইলে আমার উচিত ছিল তাকে টাকার অফার দেয়া। এক বা দুই হাজার টাকা তখন তার হাতে তৎক্ষণাৎ ধরিয়ে দিলেই সে আমার সাথে শুতে রাজি হয়ে যেত। আমি যখন তাকে বিভিন্নভাবে সেক্সের প্রস্তাব দিচ্ছিলাম, তখন সে এক পর্যায়ে বলে, ‘আমার পাওয়ার কিন্তু অনেক বেশি’। একথা বলার সময় সে চোখ বড় বড় করে একটি বিশেষ ফেসিয়াল এক্সপ্রেশন দেয়, যেটা মোটের উপর সুপারসেক্সি ছিল বটে। অর্থাৎ সে বলতে চাইলো যে, তাকে সেক্সুয়ালি স্যাটিসফাই করা চাট্টিখানি কথা নয় এবং আমাকে পুনর্বিবেচনা করতে বললো, এসব জেনেও আমি তার সাথে শুতে চাই কিনা।

সে যখন আমার ডেস্কটপ পিসির সামনে বসলো, তখন বক্সার্স থেকে আমার লিঙ্গখানা বের করে তার মুখের সামনে ধরি, সে ফ্যালফ্যাল করে আমার দিকে চেয়ে থাকে। আমি যে এরকম আচরণ তার সাথে করতে পারি, এটা হয়তো সে ঘুণাক্ষরেও চিন্তা করতে পারে নি। তবে আমার উচিত ছিল, লিঙ্গটি পুনরায় প্যান্টের ভেতর না ঢুকিয়ে তার মুখের সামনে ঝুলিয়ে রাখা, বা ন্যাংটো হয়ে বসে থেকে তাকে স্পোকেন ইংলিশ বুঝানো এবং মাঝে মাঝে হস্তমৈথুনের ভঙ্গিতে লিঙ্গ নিয়ে টানাটানি করা। এগুলো করলে তাকে অবশ্যই কাত করতে পারতাম বলে মনে করি।

এক সময় রিডিং টেবিলের সামনে রাখা টিটেবিল টাইপের লম্বা টুলটাতে দু’জন যখন পাশাপাশি বসলাম, তখন তাকে ঠোটে চুমু খাওয়ার সময় আমার লিঙ্গখানা মুঠি করে চাপ দিতে বলি, যেটা সে বাধ্য মেয়ের মতো করে, আমি বেশ মজা পাই তাতে। তবে এত কিছুর পরও মাগিকে পুরোপুরি খুলে ‘লাগাতে’ পারি নি, যেটা ভাবলে এখনো অনুশোচনা হয়।

আমার কাছে খবর সংগ্রহ করতে এসে এতটা যৌন নিপীড়নের শিকার হওয়ায় সে প্রচণ্ড মাইন্ড করেছিল মনে হয়। তাই একদিন আমার বড় ভাই যখন তাদের বাসায় বেড়াতে গেল, তখন তাকে মায়মুনা বললো, ‘তোর ভাই জাকির কী ধরনের ছেলে?! বড় বোনের দুধে হাত দেয়!’ বিষয়টি আম্মার মাধ্যমে আমি জানতে পারি। এই ঘটনার পর আমার বড় ভাই প্রায় দেড়-দুই বছর ধরে আমার পেছনে লেগে থাকে (ক্ষিপ্ত ছিল)। সে তো আর জানতো না যে, এই মায়মুনাই এক সময় আমার সাথে শুতে চেয়েছিল, এমনকি আমাকে বিয়েও করতে চেয়েছিল।

বড় ভাইয়ের দোষ দিয়ে অবশ্য লাভ নেই, কারণ আমার সাথে সুবিধা করতে না পারায় বড় ভাইকে মায়মুনার পরিবার চূড়ান্তরকম অবহেলা করতে থাকে, এতে সে তার এক সময়কার প্রেমিকা আকলিমার (মায়মুনার চতুর্থ ছোট বোন) সাথে শোয়ার সুযোগ আর তেমনটা পায় নি; খুবই স্বাভাবিক, সে এখন আমার পেছনে লেগে থাকবে।

এরপর মায়মুনার সাথে দেখা হয়েছিল তার বেয়াই এবং আমার দূরসম্পর্কের ভাই শাহজাহান-এর বিয়ের সময়। ঐ সময় একদিন সে আমার পাশে বসেছিল, একটা বিছানায়। আমার পাশে বসার সাথে সাথেই যৌন উত্তেজনায় তার পুরো শরীর গরম হয়ে ওঠে, যেটার ভাপ ছয় ইঞ্চি দূর থেকেও আমি পেয়েছিলাম। ভাবলাম, পয়তাল্লিশ বছর বয়সে একটা মাগির শরীরে এতো উত্তাপ আসে কোত্থেকে! তখন তাকে একাকী এক রুমে পেলে চেপে ধরতাম তো অবশ্যই, আর সেও বোধ হয় আপত্তি করতো না। তবে ভাগ্যের এমন পরিহাস যে, মিয়া-বিবি যখন রাজি, তখন ‘লাগানোর’ মতো সুইটেবল পরিবেশ চারপাশে নেই।

এরপর মায়মুনাকে দেখি খালাতো বোন আঁখির বিয়ের অনুষ্ঠানে, সেদিন আমার চোখ গিয়ে পড়ে তার বদলে তার একমাত্র কন্যা সামিরার উপর, তবে সেই কাহিনী আরেকদিন বলবো। যেহেতু মায়মুনার কাহিনী আপাততঃ এখানেই শেষ, তাই এখন সে কী করছে, সেটাও বলে রাখি। তার দ্বিতীয় স্বামী বিপুর সাথে ছাড়াছাড়ির পর এখন সে সৌদি আরব থাকে, কাজের বুয়া হিসেবে নাকি কাজ করে।

তবে আমার এস্টিমেট মোতাবেক, ওখানে সে দেহব্যবসা করে। কারণ কিছুদিন আগে জানতে পেরেছি যে, মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য অনেক দেশের মতো সৌদি আরবেও বাংলাদেশি ও ইন্ডিয়ান মেয়েদের নিয়ে গিয়ে দেহব্যবসা করানো হয়। এটা অবশ্য খুবই স্বাভাবিক, কারণ যে সকল যুবকেরা স্ত্রী-পরিবার ফেলে বছরের পর বছর সেখানে অবস্থান করে, সেখানে কি তারা অভুক্ত থাকবে নাকি! আর মায়মুনার মতো মহিলা সৌদি আরবে গিয়ে দেহব্যবসা না করলে, কে করবে সেটা?!

https://www.youtube.com/watch?v=J9HFIV9Qqhg

Leave a Comment

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.