বিক্রমপুইরা ফ্যামিলির মোনা আর চায়না আন্টি – পর্ব ২

এছাড়া মোনা আন্টিও একদিন যে আচরণ করেছিল, সেটা উল্লেখ করা আবশ্যক বলে মনে করি। ১৯৯৬ সাল, আমি ক্লাস টেনে পড়ি। আমাদের টেলিভিশনটা সদ্য ভেঙ্গে গিয়েছে, তাই প্রতিবেশী মোনা আন্টিদের বাসাতেই বিশ্বকাপ ক্রিকেট দেখতে গেলাম। তাদের বাসায় তখন মোনা আন্টি আর তার দ্বিতীয় লম্বু বোন ছাড়া আর কেউ ছিল বলে মনে হয় না।

লম্বুটা এক পর্যায়ে এসে বলে গেল, টিভির রিমোটটা যাতে যথাযথভাবে ব্যবহার করি, সেটাও হাস্যজ্জ্বোল মুখে। আসলে তারা সবাই কমবেশি আমাকে পছন্দ করতো আমি ব্রিলিয়্যান্ট স্টুডেন্ট ছিলাম বলে। এক পর্যায়ে মোনা আন্টি এসে কিছুটা দূরত্ব বজায় রেখে সোফায় বসলো। তার মুখেও একটা লোচ্চা বা রোমান্টিক হাসি ছিল সবসময়। মোস্ট ইম্পোর্টেন্টলি, সে একটা টিশার্ট পড়ে বসেছিল, কোনো ওরনার বালাই ছিল না। আমি খেলা দেখার ফাঁকে ফাঁকে তাকে দেখছিলাম, অর্থাৎ তার উন্নত স্তন আর মুখের মিচকা হাসি দেখতেছিলাম। মনে হয়, সেদিন তার গাঁ ঘেঁষে গিয়ে বসলে খুব একটা মাইন্ড করতেন না তিনি। আসলে তখন তিনি আমার ‘ডান্ডা খাড়া’ করানোর গেইম খেলছিলেন আমার সাথে।



তারপর ২০০৪ বা ০৫ সালের ঘটনা, তখন তাঁরা ছয় তলার বাসা ছেড়ে একই বিল্ডিং-এর তিন তলায় থাকতেন। একদিন সিঁড়িতে আমার সাথে দেখা, যদিও মোনা আন্টির সাথে তার ছোট বোন লুনাও ছিল। মোনা হঠাৎ আমাকে বলে বসলো, ‘তোর বাসায় যাব কম্পিউটার শিখতে।’ আমি হাঁ করে চেয়ে থাকলাম, সম্মতি বা অসম্মতি কোনোটাই জানাতে পারলাম না। আসলে তখন চট করে স্মার্ট ছেলেদের মতো বলা উচিত ছিল, ‘অবশ্যই’। আর পরে না আসলে তার সাথে দেখা হওয়া মাত্রই কম্পিউটার শেখার ব্যাপারটা মনে করিয়ে দিতে হতো।


আর পরে একসময় বাসায় কেউ না থাকলে তাকে সন্তর্পণে ডেকে আনা দরকার ছিল, এই বলে যে, ‘আসেন আন্টি, আজকে আমার হাতে যথেষ্ট সময় আছে।’ বাসায় আনার পর যখন দেখতো কেউ নেই, তখন একটু শক্ড হওয়ার অভিনয় করলেও ঠিকই আমার পাশে বসতো। তখন কিছুক্ষণের মধ্যেই তার গাঁ ঘেঁষে বসে শরীর গরম (উত্তেজিত) করে ফেলার দরকার ছিল। আমি বাসায় একা জেনেও যে মহিলা আমার সাথে সময় কাটাবে, তাকে তো আমি বিছানায় চেপে ধরতেই পারি, এ বিষয়ে জানাজানি হলে লোকে তাকেই খারাপ বলবে, সুতরাং ব্যাপারটা সে ফ্ল্যাশ করবে না। আর লাগানোর সময় খালি বলা দরকার, ‘আন্টি, আপনাকে আমি ভালবাসি!’ বা ‘আপনাকে আমার খুব ভালো লাগে!’

https://www.youtube.com/watch?v=bQfuHABRkJk

মোনা আন্টি আমার এক দূরসম্পর্কের মামা কামরুল সাহেবের সাথেও একা ফ্ল্যাটে সময় কাটিয়েছেন (তাদের বাসায়)।

তবে আমার ঐ মামাটা প্রাপ্তবয়ষ্ক হলেও হয়তো একটু লাজুক ছিল, তাই তাকে চেপে ধরে নি, যেটা আশা করেছিল মোনা। চেপে ধরলে ‘প্রাপ্তবয়ষ্ক যুবক-যুবতীর এক ফ্ল্যাটে সময় কাটানোর’ ব্যাপারটি কেউ জানতে পারতো না। কিন্তু কোনো অঘটন হয় নি বলেই মোনা আন্টি মনের ক্ষোভে বিষয়টি তার পরিবারের লোকজনকে জানিয়ে দিয়েছিলেন, আর এমনভাবে ব্যাপারটি সাজিয়েছেন, যেন কামরুল মামা তার অমতে দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকেছেন।



Leave a Comment

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.