বিক্রমপুইরা ফ্যামিলির মোনা আর চায়না আন্টি – পর্ব ১

আমি জীবনের দীর্ঘতম সময় যে বিল্ডিংয়ে ভাড়া বাসায় কাটিয়েছি (আমার বাবা, মা, ভাইদের সাথে), সেখানে (ছয় তলায়) আমাদের প্রতিবেশী ছিল একটি বিক্রমপুইরা পরিবার (প্রায় ৫/৬ বছর ধরে)। সে পরিবারের ইয়াঙ্গেস্ট সদস্যরাও আমার চেয়ে পাঁচ-সাত বছরের বড় ছিল। এর মধ্যে ছিল চায়না আন্টি যিনি আমার চেয়ে প্রায় ১০ বছরের বড়, মোনা আন্টি আমার চেয়ে পাঁচ বছরের বড় আর লুনা আমার চেয়ে দুই-এক বছরের বড় হলেও আমার সাথে একই ক্লাসে পড়তো (একই সাথে মেট্রিক পাশ করেছিল)।

ওদের আরো তিন বোন ছিল যাদের মধ্যে দু’জন ছিল বিবাহিতা (প্রথমটা আর চার নম্বরটা)। কিন্তু দ্বিতীয় ছয় ফুটিয়া বোনটা (তার নাম ভুলে গেছি), চায়না, মোনা –  এদের কারোরই বিয়ে হচ্ছিলো না। লুনার কথা না হয় বাদ দিলাম, তখন তার বয়স বিশ এর কম ছিল। বিয়ে না হওয়ার কারণ হলো – কারো হাইটে সমস্যা (খুব বেশি লম্বা না হয় খাঁটো), কারো চেহারায় সমস্যা (যেমনঃ নাক বোঁচা বা চাকমা টাইপের চেহারা), কারো আবার গায়ের রং কালো।



তাদের (যৌন) চরিত্র খুব একটা খারাপ ছিল না, আবার খুব একটা ভালোও ছিল না। তবে ‘চায়না’ নামক মহিলাটির চরিত্র চিরকালই খারাপ ছিল, সে সম্ভবতঃ হোটেলে গিয়ে ভাড়া খাঁটতো, অনেকের রক্ষিতা ও শয্যাসঙ্গী ছিল। একবার আমার সাথেও চান্স নিতে এসেছিল, যে ঘটনা তোমাদেরকে বলতে যাচ্ছি।

https://www.youtube.com/watch?v=HBdlqEWQ-Zg

আমি তখন সম্ভবতঃ ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। বাসায় একা ছিলাম, পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। হঠাৎ দরজায় নক, দরজা খুলতেই চায়না আন্টি হুড়মুড়িয়ে ভিতরে ঢুকে গেল এবং আমার রুমে গিয়ে রিডিং টেবিলের সামনে অবস্থান নিলো। সে সম্ভবতঃ আগে থেকেই জানতো যে, আমার বাসায় তখন আমি ছাড়া আর কেউ ছিল না।

আমি তার পাশে দাঁড়ালাম, সে সলজ্জ ভঙ্গিতে জিজ্ঞেস করলো, আমি ত্রিভুজ-চতুর্ভুজ বুঝি কিনা, সে নাকি একটা ডিপ্লোমা কোর্স করছে। ত্রিভুজ-চতুর্ভুজের কোন জিনিসটা সে বুঝতে চাচ্ছে, সেটা খোলসা করে বলছে না, শুধু সলজ্জ ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে ছিল, আমার দিকে না তাকিয়ে, মুখে একটা ঈষৎ হাসি নিয়ে।


আমি বুঝলাম তার মতলব ভালো না, তবে আগে কখনো এ ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখীন হই নি বলে বুঝতে পারছিলাম না যে, কী করা উচিত। বিছানা পাশেই ছিল, আমি নিজে তখন প্রাপ্তবয়ষ্ক শক্তিশালী যুবক হলে তাকে বিছানায় ফেলে কিছু একটা করার চেষ্টা করতাম। কিন্তু একে তো ছিলাম হেংলা, দ্বিতীয়ত সে ছিল আমার চেয়ে আট-দশ বছরের বড়। তাই ভাবছিলাম, সে নিজে আমাকে জড়িয়ে ধরে কিনা, বা অন্ততঃ আমার হাত স্পর্শ করে কিনা। আসলে মেয়েরা এমনই, তারা নিজ থেকে কিছু করতে চায় না। ওরা চায়, ছেলেরাই প্রথমে হাত বাড়াক, বা মুখ খুলুক। কিছুক্ষণ পর সে চলে গেল। বুঝলাম, শীতের দিনে শরীর গরম করার একটা মোক্ষম সুযোগ মিস করলাম আমি। (চলবে)



Leave a Comment

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.