বাইরে বেরুনোর সাহস

বাইরে বেরুনোর সাহস জোগাতে পারছি না।

সাত সকাল এখন, অফিসে যাওয়া দরকার।

কিন্তু বাইরে বেরুনোর সাহস জোগাতে পারছি না।

কারণ বাইরে নিশ্চয়ই ক্রুদ্ধ জনতা!

সরকার ডিজেল-পেট্রোলের দাম

অনেকখানি বাড়িয়ে দিয়েছে।

তাই বাড়বে পরিবহন খরচ

আর বাড়বে জীবনযাত্রার ব্যয়।

সবকিছুরই দাম বাড়বে

কমবে কেবল মানুষের জীবনের দাম

আর মানুষের সম্মান – মর্যাদা – অধিকার।

তাই নিশ্চয়ই বাইরে সবাই ক্রুদ্ধ।

তারা তো স্বৈরাচারী সরকারের

একটা ‘চুল’ও ছিড়তে পারবে না।

পারবে কেবল একে অপরকে আঘাত করতে

শারীরিকভাবে – মানসিকভাবে – সামাজিকভাবে।

আসলে বাঙালির, থুক্কু বাংলাদেশিদের চরিত্র খারাপ।

তাই তাদের কপালে জুটেছে স্বৈরাচারী সরকার।

তাও দু’-চার বছর নয়

যুগের পর যুগ ধরে।

অথচ এই বাঙালিরই নাভিশ্বাস উঠেছিল

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের দুই বছরে

দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য নাকি লাটে উঠেছিল!

এখন কোথায় উঠছে তোমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য?

আর বেঁচে থাকার অবলম্বন?

আর সরকারকেও বলি –

তোমরা যুগের পর যুগ ধরে

বড়লোকদেরকে আর স্বচ্ছল লোকদেরকে

সস্তায় পেট্রোল ব্যবহার করতে দিয়েছো

তাদের ব্যক্তিগত গাড়ি আর মোটর-সাইকেলগুলোয়।

কী দরকার ছিল পেট্রোলে এতদিন ধরে

এতো ভর্তুকি দেয়ার?

এখন তোমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।

তাই গরীবের ডিজেলে হাত দিয়েছো!

ডিজেল দিয়ে চলে গণপরিবহন, আর কৃষিখাত।

এছাড়া ডিজেল ব্যবহারে উৎপন্ন হয় বিদ্যুৎ

আরো কত কী কাজে লাগে?

গরীবের থেকে ট্যাক্স নিয়ে সে টাকায় কেন

বড়লোকদেরকে গাড়ি চালাতে দিয়েছো?

Shame on you, হাসিনা – আওয়ামী লীগের স্বৈরাচারী সরকার!

 

Leave a Comment

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.