বাংলাদেশে পতিতা ‘লাগানো’র সমস্যাসমূহ

অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের মতো সেক্স আসলে মানুষের একটি মৌলিক অধিকার। কিন্তু ইসলামসহ কয়েকটি ধর্ম মানুষের এই মৌলিক অধিকারকে কঠিন করে দিয়েছে। যদিও এরূপ কড়কড়ির ফলে কিছু সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে, যেমন এইডস ও অন্যান্য যৌনরোগের হার কমে গেছে। তবে ঠিকমতো সেক্স করতে না পারার কারণে এ দেশের পুরুষদের মাথা সবসময় গরম থাকে, এতে করে উৎপাদনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ কমে গেছে।



এজন্য অবাধ সেক্স দরকার এদেশে। এর মানে হলো, গার্লফ্রেন্ড বা পছন্দের কোনো মেয়ে বা মহিলাকে নিয়ে যেকোনো হোটেলে বা বাসায় গিয়ে সেক্স করা যাবে, এতে কোনো বিধিনিষেধ থাকবে না। আর পরকীয়াকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা যাবে না, ঠিক যেমনটি আমেরিকা আর ইন্ডিয়াতে চলে।

তবে এগুলো সবই কল্পনা, বাংলাদেশের মতো কট্টরপন্থী মোল্লাদের দেশে এগুলো বাস্তবায়িত হতে অনেক সময় লাগবে। সে পর্যন্ত গোপনে পরকীয়া আর পতিতাই ভরসা এদেশের যুবকদের। কিন্তু পতিতাদের সাথে সেক্স করতে গেলে বেশ কয়েকটি সমস্যা রয়েছে, তা নিচে উল্লেখ করা হলো।

(১) পতিতারা তাড়াহুড়া করে। আমি এখন পর্যন্ত যে তিনজন পতিতার কাছে গিয়েছি, তারা সবাই তাড়াহুড়ো করেছে, তাদের পরবর্তী কাস্টমারের জন্য। একজন তো বীর্যপাত না করেই উঠে যাওয়ার চেষ্টা করছিল।

(২) পতিতাদেরকে করতে হলে কনডম দিয়ে করতে হয়। কনডম দিয়ে করলে সেক্সের সত্যিকার মজা পাওয়া যায় না।

(২) পতিতারা বহুল ব্যবহৃত, তাই তাদের যৌনরোগ বেশি থাকে। এদেরকে কনডম ছাড়া করলে এইডস হবার ঝুঁকি অনেক বেশি (হাই ক্লাস পতিতাদের ক্ষেত্রে অবশ্য এটা প্রযোজ্য নয়)।

(৩) পতিতাকে নিজের বাসায় নিয়ে গিয়ে করলে আরামসে করা যায়। কিন্তু ‘কাজ’ শেষে ওরা অতিরিক্ত টাকার জন্য ব্ল্যাকমেইল ও মানহানি করতে পারে।

(৪) ভাসমান পতিতারা অনেক সময় ছিনতাইকারী ও বাটপারদের সাথে জড়িত থাকে।

আরো কোনো সমস্যার কথা যদি আপনার মাথায় থাকে, তাহলে সেটা কমেন্টে জানান। আর এ সমস্যাগুলো সমাধানের কোনো উপায় যদি বাতলাতে পারেন, তবে সেটাও কমেন্ট বক্সে জানাতে পারেন।



Leave a Comment

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.