বউয়ের মাধ্যমে শ্বাশুড়িকে যে খারাপ প্রস্তাব পাঠিয়েছিলাম

‘১৩ বা ‘১৪ সালের দিকে বউয়ের মাধ্যমে শ্বাশুড়িকে একবার যৌনতার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। বলতে গেলে, ব্ল্যাকমেইল করেছিলাম। এবার তাহলে আসল কাহিনী খুলে বলি।

বিয়ের পর বেশ কয়েক বছর পার হলেও বউয়ের পেটে বাচ্চা দিচ্ছিলাম না, যৌনসম্ভগের পর বীর্য কেবল বাইরে ফেলছিলাম। বউ তার শারীরিক শক্তি ও কৌশল ব্যবহার করেও গর্ভে বীর্য নিতে পারছিল না। সে কেবলই জিজ্ঞেস করছিল, ‘কেন এমন করছো? কবে বাচ্চা দিবা আমার পেটে?’ কিন্তু আমি সেটা চাচ্ছিলাম না বেশ কয়েকটি কারণে। এদের মধ্যে কয়েকটি কারণ সে নিজেও জানতো, আর কয়েকটি জানতো না।

তখন বউয়ের অব্যাহত চাপের মুখে একটা কৌশল নেই; আর সেটা হলো – বউকে বলি, ‘তোমার মাকে গিয়ে বলো আমার সাথে সেক্স করতে। কমপক্ষে তিনমাস টানা আমার সাথে সেক্স করলে এর পরেই তোমাকে বাচ্চা দেব।’ শ্বাশুড়িকে একবার বাসায় একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেছিলাম, সেটা বউ জানতো। তাই বোকাচোদাটা বেশি খেপে গেল না, বরং তার বাপের বাড়ি গিয়ে নিজের মাকে ঠিকই ঐ অশ্লীল প্রস্তাবটা দিলো।

বস্তুতঃ আমি নিজেও বুঝতে পারি নি যে, আসলেই সে তার মাকে গিয়ে এই কথাটা বলবে। প্রস্তাবটা আমি অনেকটা ইয়ার্কির মতো করেই বলেছিলাম, কিন্তু বউ ব্যাপারটা সিরিয়াসলি নিয়েছিল। প্রস্তাব শুনে শ্বাশুড়ি বললেন, ‘এটা কীভাবে হয়? এটা কিছুতেই সম্ভব না।’ শ্বাশুড়ির উত্তর শুনে বুঝলাম, তিনি নিজেও প্রস্তাবটা সিরিয়াসলি নিয়ে ভেবে-চিন্তে উত্তর দিয়েছেন। তাই মনে মনে আক্ষেপ করলাম এই ভেবে যে, প্রস্তাব আমি তাঁকে সরাসরি নিজে দিলেই পারতাম, ফোনে।

এরপর দিনকে দিন চলে যাচ্ছিল, বউকে বাচ্চা কিছুতেই দিচ্ছিলাম না। তো, এমন এক সময় বউয়ের কাছে তার মা ফোন করে, বউ অন্যত্র থাকায় ফোনটা আমিই রিসিভ করি। আমাকে পেয়ে শ্বাশুড়ি মনে হলো আনন্দে আটখানা হয়ে গেলেন; বললেন, ‘বাবা, তুমি আমাদের বাসায় আস না কেন? এখন আসতে পার, বাসায় কেউ নেই। মামুন (আমার বড় শ্যালক) মেডিকেল কলেজে চলে গেছে। মাহমুদা (একমাত্র শালী) চিটাগাং ভার্সিটি চলে গেছে। মিরাজ (ছোট শ্যালক) খুলনায় গেছে বেড়াতে। তোমার শ্বশুর বেশিরভাগ সময় বাইরে বাইরে থাকে। বাসায় কেবল আমি থাকি। তুমি আসো একদিন।’ জবাবে বললাম, ‘আমি একাই আসবো, নাকি মুক্তাকে সাথে নিয়ে আসবো?’ (মুক্তা হলো আমার বউয়ের নাম)। বললেন, ‘তুমি একাও আসতে পার, আবার মুক্তাকে সাথে নিয়েও আসতে পার। সমস্যা নাই।’

মনে মনে বললাম, ‘একবার যে তোমাকে বাসায় একা পেয়ে ধর্ষণ করার চেষ্টা করেছিলাম, সেটা ভুলে গেছো মনে হয়’। আসলে শ্বাশুড়ি সে ঘটনা ভুলে যায় নি, নিজের মেয়েকে ‘সন্তান’ নামক শান্তি এনে দেয়ার জন্য তিনি নিজ মেয়েজামাইয়ের সাথে বিছানায় পর্যন্ত যেতে রাজি ছিলেন। আমি অবশ্য তাঁর বাসার দিকে আর যাই নি, কারণ তখনকার দিনে আমার মনটা ছিল উড়ু-উড়ু। কার সাথে রেখে কার সাথে যে প্রেম করি! বয়সে বড় অনেক মহিলাই আমার সাথে শোয়ার জন্য তৎপর ছিল, উল্টো আমিই তাদেরকে পাত্তা দিতাম না। তবে এখন মনে হয়, শ্বাশুড়ি যেহেতু আমাকে একটা সুযোগ দিয়েছিলেনই, সেটা কাজে লাগানো উচিত ছিল আমার। তাহলে আমাদের দু’জনের মাঝে আন্ডারস্ট্যান্ডিংটা ভালো হতো বর্তমান সময়ে, বউয়ের সাথে ঝগড়া হলে উনি এক তরফা নিজ মেয়ের পক্ষাবলম্বন করতেন না।

এখন হয়তো জানতে চাইবেন, কেন বউয়ের পেটে বাচ্চা দিতে রাজি হচ্ছিলাম না। প্রথম কারণ ছিল, শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমাকে একাধিকবার ধোঁকা দিয়েছে, আমাকে মানসিক নির্যাতন করেছে। তাঁদের কারণেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করতে আমার অনেক দেরী হয়, যার ফলে এখনো পর্যন্ত ভালো বা হাই র‍্যাংকের কোনো চাকুরি আমি পাই নি, যদিও যেকোনো ধরনের জব করার মতো মেধা আমার আছে। দ্বিতীয়ত আমার শ্বশুর আমাকে একবার বলে-কয়ে একটা নিশ্চিত জব থেকে ছাড়িয়ে পরে প্রতিশ্রুত চাকুরিটা দিতে পারেন নি। এ সকল কারণে তাঁদের প্রতি আমার ভক্তি ছিল না, তাঁদেরকে নিতান্ত ডিসগাস্টিং মনে করতাম।

এছাড়া আমি চিরকালই ছিলাম, ‘চিরকুমার’ মানসিকতার। বাচ্চা হয়ে গেলে বন্ধনে আটকা পড়বো, তখন ইয়াং মেয়ে আর আন্টিদের সাথে রোমান্স করতে পারবো না। তদুপরি, আমি আর আমার বউ দুজনেই কালো হওয়ায় আমার ধারণা ছিল যে, বাচ্চাকাচ্চা হলে সেটা দুনিয়ার ‘কুচ্ছিত-কালো’ হবে (শৈশবে আমার ছোট শ্যালকের চেহারা কেমন ছিল সেটা দেখলেই আপনাদের ভ্রম ভঞ্জন হবে)। আরো কী কী কারণ ছিল সেটা এ মুহূর্তে মনে পড়ছে না।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.