নাসিমা আন্টির জ্বর এলো যে কারণে

নাসিমা আন্টির বয়স তখন ছিল ৩৬/৩৭ বছর, আর আমার বয়স ছিল ২৪ বছর। পরস্পরের যৌনসঙ্গী বা স্বামী-স্ত্রী হওয়ার জন্য খুব একটা খারাপ কম্বিনেশন নয়। কারণ আমাদের নবী তো ২৫ বছর বয়সে ৪০ বছরের মহিলাকে (বিবি খাদিজা) বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু আমি কিছুটা সময় নিতে চেয়েছিলাম পরিস্থিতি বুঝতে, নাসিমার মনের আসল ইচ্ছে বুঝতে; যেটা ওদের সহ্য হয় নি। ওদের বলতে নাসিমা আর তার স্বামীর কথা বলছি।




হ্যাঁ, আজব শোনালেও সত্য এই যে, নাসিমার স্বামীও চাচ্ছিলো তার স্ত্রীর জন্য একজন নতুন যৌনসঙ্গী বা বেডপার্টনার খুঁজে দিতে। আমি ছিলাম তাদের বড় পুত্র আসিফের প্রাইভেট টিউটর। সে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে ক্লাস নাইনে পড়তো। তখন ২০০৪ সালের কথা। যে মহিলার ছেলে এত ভালো স্কুলে পড়ে সে যে আমার সাথে এমন একটা অনৈতিক সম্পর্কে জড়াতে চাইবে, সেটা আমি ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারি নি আগে থেকে।

তাজরীর মা অবশ্য টিউশনিটা নিতে আমাকে মানা করেছিল, বলেছিল, ‘ঐ মহিলা ভালো নয়’। কিন্তু কী অর্থে খারাপ সেটা তিনি খুলে বলেন নি, আর আমিও আন্দাজ করতে পারি নি। তবে আমি যে ধোয়া তুলসিপাতা ছিলাম তা নয়, শুধু পরিস্থিতি বুঝে আগাতে চেয়েছিলাম, যাতে কোনো ভুল বোঝাবুঝি না হয়, অর্থাৎ বলতে না পারে যে, আমি নাসিমাকে ধর্ষণ করতে বা সেক্সুয়ালি হ্যারেস করতে চেয়েছি।

আমার সাথে অন্তরঙ্গ হওয়ার জন্য আসিফকে পড়ানো শেষে নাসিমা আমার কাছে ক্লাস ফোরের পড়া শিখতে আসতো, তার ছোট ছেলেকে পড়াবে বলে। পড়া বুঝে নেওয়ার সময়কালে রুমে উনি আর আমি ছাড়া আর কেউ থাকতো না, এসময় দরজা ভেড়ানো থাকতো। উনি এতো সাজগোজ করে আমার সামনে আসতেন যে, আমার লিঙ্গ তাতে দাঁড়িয়ে যেতো। আর ব্লাউজ বা নাইটিগুলো পরতেন কীভাবে! এমনভাবে যে, উনার ক্লিভেজ বা বক্ষবিভাজিকা স্পষ্ট বোঝা যেতো। আমি বুঝতাম, উনি আমাকে উত্তেজিত করতে চাইছেন। কিন্তু কী কারণে, বা আমার সাথে সেক্স করে উনার কী লাভ হবে – সেটা তখন বুঝতে পারতাম না।



একদিন আসিফের আব্বা আসিফকে পড়াশুনা নিয়ে ইনিয়েবিনিয়ে একগাদা লেকচার দিয়ে আমাকে পরোক্ষভাবে বুঝিয়ে দিলেন যে, উনারা আসিফের মা’র জন্য একটা ব্যাকআপ স্বামী খুঁজছিলেন। যেমন – ‘আমি মরে গেলে তোগো দেখাশুনা করবো কে?’ – এই টাইপের কথাবার্তা। আমিও মনে মনে নাসিমাকে (আসিফের আম্মু) আমার স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করলাম। তবে ওনার দেহের দিকে আদৌ হাত বাড়াব কিনা তা নিয়ে কিছুটা দ্বিধান্বিত ছিলাম।

একদিন রাতে তিনি চেহারায় মেকআপ আর লিপস্টিক লাগিয়ে একটা ডিপনেক নাইটি পড়ে আমার কাছে আসলেন পড়া বুঝতে (ভেতরে কোনো ব্রা ছিল না)। হাতটা আমার হাতের খুব কাছে রাখলেন, যাতে চাইলেই আমি তা স্পর্শ করতে পারি। তবে আমার ইচ্ছে করছিল, হাতটা তার ক্লিভেজ বরাবর ম্যাক্সির ভেতর ঢুকিয়ে স্তনগুলো আচ্ছামতো টিপে দিতে। এছাড়া তার ঈষৎ লিপস্টিক লাগানো ঠোটেও চুমু খেতে ইচ্ছে করছিল। কিন্তু দ্বিধা আর সাহসের অভাবের কারণে এর কোনোটাই করতে পারলাম না। কারণ দরজা ভেড়ানো থাকলেও অন্য রুমে আর সবাই ছিল।

আমার আসলে উচিত ছিল দিনের বেলা তার বাসায় যাওয়া, আর গিয়ে বলা, ‘আন্টি এদিকে এসেছিলাম একটা প্রয়োজনে, তাই ভাবলাম আপনাকে একটু দেখে যাই’। দিনের বেলায় তার ছেলেরা স্কুলে থাকে আর স্বামী থাকে কর্মস্থলে। তবে ১২ বছর বয়সের কাজের ছেলেটা থাকলেও সে খুব একটা সমস্যার কারণ হতো বলে মনে করি না।

যাই হোক, বেশ কয়েকটি দিন সুবর্ণ সুযোগ দেওয়ার পরও আমি তা কাজে না লাগানোয় তারা ভাবলেন যে, আমি হয়তো আন্টির প্রতি আকর্ষণ অনুভব করি না। আমি জানতাম, কিছুদিনের মধ্যেই আমাকে ছাড়িয়ে দেয়া হবে, হলোও তাই। জানি না, নাসিমা শেষ পর্যন্ত নিজের জন্য ‘সুইটেবল’ বেডপার্টনার খুঁজে পেয়েছিল কিনা।

https://www.youtube.com/watch?v=iIJv9oNNphs

ওহ, বলতে ভুলে গেলাম যে, আল্টিমেট সুযোগ দেয়ার পরও আমি সেটা ব্যবহার না করায় নাসিমা আন্টি খুব হতাশ হয়েছিলেন, আর তাই হয়তো পরের দিন গিয়ে দেখলাম, তার প্রচণ্ড জ্বর, বেচারি!



Leave a Comment

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.