নানার নাতনী রূপা বনাম দারোগা আলীর কন্যা

নানার নাতনী রূপা বেশ রূপবতী, তাকে মনেপ্রাণে বহুদিন থেকেই কামনা করি। একবার প্রায় সিস্টেম করে ফেলেছিলাম তাকে, শুধু বউ ঢাকায় যাওয়ার অপেক্ষায়। এমন সময়ই সে ক্যাঁচাল লাগিয়ে দিল, রূপার টিউশনিটা ছুটে গেল আমার, তাকে আর ‘লাগাতে’ পারলাম না।

এই নানা হলো আমার একজন প্রতিবেশী, নানার একটা বিবাহিতা কন্যা থাকলেও তার পেটে কোনো নাতিপুতি হয় নি, তাই সবাই তাকে আদর করে নানা বলে ডাকে, অনেকটা খ্রিস্টানদের ফাদারদের মতো। আমি অবশ্য তাকে কখনো নানা ডাকি নি, সবসময়ই ‘আজিজ কাকা’ বলে ডেকেছি।




নানার মেয়েটি গর্ভবতী হয় নি তার স্বামীর অক্ষমতার কারণে, একারণে একবার ভেবেছিলাম মাগিকে আমি নিজেই প্রেগন্যান্ট করে দেই। তার হাবভাবেও মনে হয়েছিল, এতে তার আপত্তি নেই, শুধু একবার শুলেই চলবে। একবার মানে বারবার, অবৈধ সন্তানের আসল বাবাকে অবৈধভাবে দেহদান করতে থাকবে – এটা খুবই স্বাভাবিক।

যাই হোক, পরবর্তীতে আমার নজর গিয়ে পড়ে নানার সুন্দরী নাতনী রূপার ওপর যে ক্লাস টেনের ছাত্রী। রূপার পেছনে লাগায় ওর ফুপু মানে নানার মেয়ে খুব হতাশ হয়, বুঝতে পারে আমার কাছ থেকে ‘বীর্য’ পাবে না সম্ভবতঃ। তবে আমি যেমন তাকে না করে দেই নি, তেমনি তার প্রতি আগ্রহও দেখাই নি [নানার মেয়েটি বেশ পেশিবহুল, তার সাথে ঐ কাজ করতে গেলে আমার ‘ডাণ্ডা’ ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল]। এরপর নানার মেয়ে কুলসুম আমার পেছনে লাগে, নানার বাড়ি থেকে সাইড লাইন পাওয়ার যে কথা ছিল সেটা নাকচ করিয়ে দেয়। দুই তিন মাস তাদের সাথে আলাপ বন্ধ রাখলেও সম্প্রতি আবার সেটা শুরু করেছি। এখন নতুন করে আবার রূপার পিছনে লেগেছি, তাকে এবার শয্যাসঙ্গী করেই ছাড়বো।

সেক্স করতে গিয়ে ধরা খেলে দরকার হলে তাকে বিয়ে করবো। আমার এই মনের কথা নানা আর তার বউও বুঝতে পেরেছে, তারাও আমাকে নাতনী-জামাই হিসেবে পেতে অনাগ্রহী নয়। তবে সমস্যা একটাই, রূপার সাথে আমার বয়সের ব্যবধান অনেক, আমি সম্ভবতঃ রূপার বাপের বয়সী অথবা তার চেয়েও দু’-তিন বছরের বড়। প্লাস, ডায়াবেটিস থাকায় খুব বেশিদিন বাঁচবো না, সেটাও জানি আমি। তারপরও জেনেশুনে রূপার ক্ষতি না করে পারছি না, আমি যে তাকে খুব ভালোবাসি – ব্যাপারটা তা নয়। জাস্ট মৃত্যুর আগে একটা ইয়াং ও মেধাবী মেয়ের সাথে কয়েক বছর সংসার করতে চাই, এ সংসারে বাচ্চার দরকার নেই আমার।

তবে সম্প্রতি পাশের জমিনদার দারোগা আলীও আমাকে কোনো কারণে পছন্দ করেছে, তার বাসায় যেতে বলেছে লাকড়ি আনার জন্য (টাকার বিনিময়ে)। কেন জানি মনে হচ্ছে, দারোগা’র অবিবাহিতা কোনো মেয়ে আছে, তার বাসায় গেলে তার সাথে শুভ দৃষ্টি বিনিময় হয়ে যেতে পারে। তখন দারোগা আলী অথবা তার বউ যদি আমাকে পুনরায় তাদের বাসায় বেড়াতে যেতে বলে, তবে সেখানে বারবার যেতে থাকবো, ‘মধু’ খাবার আশায়। মধু খেতে গিয়ে যদি ‘কট’ খাই, তাতেও সমস্যা নেই, দারোগা বেশ বড়লোক।

তবে আমার মনের এ ইচ্ছে বোধ হয় নানা বুঝতে পেরেছে, সে দারোগা’র বাসায় যেতে আমাকে নিরুৎসাহিত করছে; বলছে, লাকড়ি নাকি বাজারে পাওয়া যায়। আর দারোগা নাকি বেশ খারাপ লোক, সে অযাচিতভাবে ও অনধিকারবলে এখানে-সেখানে জমিন কোপায়, আবার তার মা নাকি সিটি কর্পোরেশনের সুইপার ছিল। তবে এই নানাই কিছুদিন আগে আমাকে বলেছে, দারোগার সাথে তার নাকি ব্যাপক খ্যাতির; এমনকি দারোগার জমি থেকে মাটি কেটে নিয়ে গেলেও সে নাকি কিছু মনে করবে না। কী আর করা, দেখি কোথাকার পানি কোথায় গড়ায়!



Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *


CAPTCHA Image
Reload Image

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.