জোৎস্না আন্টি যে উদ্দেশ্যে আমার সাথে নির্জন রুমে সময় কাটিয়েছে

পাঠকগণ, এই ব্লগের আগের একটি আর্টিক্যালে আপনাদেরকে জানিয়েছিলাম, নরসিংদীর সেলিনা আন্টি কী কারণে আমার সাথে নির্জন বাসায় সময় কাটিয়েছিলেন। তবে তিনি কিন্তু একাই এভাবে সময় কাটান নি আমার সাথে, আরো বেশ কয়েকজন আন্টি আছে এ লিস্টে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো জামালপুরের জোৎস্না আন্টি আর আমার নিজের মেজো খালা (যিনি আমার মা’র ইমেডিয়েট ছোট)। যেহেতু নিজের খালার ব্যাপারে নোংরা চিন্তাভাবনা করা উচিত নয় (যদিও পরিস্থিতি আমাকে বাধ্য করেছে তার আসল উদ্দেশ্য নিয়ে ভাবতে), তাই তার কাহিনী পরে বলবো। আগে বলি জোৎস্নার কথা।




জোছনা খালা আমার মা’র বান্ধবী। ছোটকাল থেকেই দেখে আসছি, উনার সাথে আমার মা’র খুব ভালো সম্পর্ক। বেশ কয়েক বছর আগে আমার যখন টাইফয়েড হয়েছিলো, তখন তিনি খুব সাহায্য করেছিলেন; এমনকি আমাকে নিয়ে একদিন হাসপাতালে গিয়েছিলেন। হাসপাতাল থেকে আমরা দু’জন রিকশায় করে যখন ফিরছিলাম, তখন তিনি কথা প্রসঙ্গে একবার আমার উরুতে হাত রেখেছিলেন। তৎক্ষণাৎ আমার ‘ডাণ্ডা’ দাঁড়িয়ে গিয়েছিলো। তখনই প্রথমবারের মতো উনাকে লাগানোর চিন্তাটা আমার মাথায় আসে। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় উনাকে লাগানোর কথাটা ভুলে গিয়েছিলাম (অন্য মাগিদেরকে নিয়ে ব্যস্ত থাকায় উনার কথা বলতে গেলে ভুলেই গিয়েছিলাম)।

একদিন উনি আমাদের বাসায় একটা কাজে এসেছিলেন। ঐ সময় আমি বাসায় একা ছিলাম। আমি তখন ইউনিভার্সিটিতে ফোর্থ ইয়ারে পড়ি বলা যায় (যদিও ল্যাগ খেয়ে খেয়ে আমার জটিল অবস্থা তখন!)। ঐ সময়টায় আমি ধুমসে টিউশনি করাতাম। মিম নামে একটা মেয়েকে পড়ানো শুরু করেছিলাম। জোছনা খালা মিমের মা’কে অপছন্দ করতেন। বলতে গেলে, তারা একে অপরের অ্যান্টি-পার্টি ছিলেন। তাই জোছনা খালা আমার কাছে এসেছিলেন আরেকটা টিউশনির অফার নিয়ে, যাতে টিউটর হিসেবে আমাকে আরেকটু ব্যস্ত করা যায় এবং মিমকে আমি পূর্বের তুলনায় কম সময় দিই। কী হিংসা! চিন্তা করেন। যাই হোক, বাসায় কেউ না থাকায় জোছনা খালা আমার রুমে ঢুকে আমার বিছানায় বসলেন। আমি বিছানার পাশে একটা চেয়ারে বসলাম। উনি আমাকে টিউশনিটা অফার করলেন। আমার চরিত্রে একটু সমস্যা ছিল, তাই ছাত্রী পড়ানোর অফার পেলে তা কখনোই রিফিউজ করতাম না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হয় ছাত্রী অথবা ছাত্রীর মা’র সাথে ‘এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস’ করার একটা সুযোগ পেয়ে যেতাম!

https://www.youtube.com/watch?v=qlYAyKxnrrA

টিউশনিটার অফারটা আমি গ্রহণ করার পরও দেখতে পেলাম, কী কারণে জানি জোছনা খালা যাচ্ছেন না। আমার মনে খারাপ চিন্তা ঘুরপাক খেতে শুরু করলো। উনি বোরকা পড়ে এসেছিলেন। কিন্তু বোরকাটা সেক্সি টাইপের ছিলো, অর্থাৎ উনার শরীরের ভাঁজগুলো বোরকার উপর দিয়ে বোঝা যাচ্ছিলো। আমার ‘ছোট বাবাজি’ আস্তে আস্তে দাঁড়াতে  শুরু করলো। উনারও চোখমুখের ভাষা বেশি সুবিধার মনে হচ্ছিলো না, মনে হচ্ছে আমাকে দিয়ে কী যেন করাতে চান। আমি টেবিল থেকে নেইলকাটারটা নিয়ে আমার নিজের গলায় পোঁচ দেয়ার মতো একটা ভঙ্গি করলাম। উনি তাতে মনে হলো বেশ মজা পেলেন। মানে, উনার চোখমুখের ভাষা দেখে মনে হলো, এতে উনার সেক্স বেড়ে গেলো। আমার সেই পুরান দিনের কথা মনে পড়ে গেলো, একবার যে উনি আমার উরুতে হাত রেখেছিলেন। হঠাৎ আমার মাথায় আসলো, আজকে উনাকে লাগালে কেমন হয়! আমি তখনকার দিনে বাসায় লুঙ্গির বদলে শর্টস বা বক্সার্স (হাফপ্যান্ট) পরতাম। বক্সার্সের উপর দিয়ে আমার খাড়া হওয়া ডাণ্ডাটা বোঝা যাচ্ছিলো। উনি একবার দেখলাম, আমার লিঙ্গের দিকে তাকাচ্ছেন। বুঝলাম, মাগি গাদন খেতে চায়।

তারপরও দুঃখজনকভাবে সাহসের অভাবে কিছুই করতে পারলাম না, এরপর এক পর্যায়ে সে চলে গেল। জোৎস্না আসলে এসেছিল আমার সাথে ঘনিষ্ঠ হতে, তার একমাত্র ছোট বোন সাথীর সাথে আমার সেটিং করিয়ে দিতে। জোৎস্না আন্টিকে লাগালে সে তার মনের কথাটা আমাকে বলতে পারবে, ‘আমার বোন সাথীকে বিয়ে করলে আজীবন আমাকে লাগাতে দিব, যদি তুমি চাও।’ এ বিষয়টি অবশ্য আমি পরে উপলব্ধি করেছি, তবে সাথী আমার সমবয়সী হলেও সে দেখতে কুৎসিত ছিল, তাই তাকে বিয়ে করার প্রশ্নই আসে না।



Leave a Comment

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.