ছাত্রী জেনির মা শবনম আন্টির স্বপ্ন পূরণ হলো না

ছবির এই মহিলার মতো চেহারা ও ফিগার ছিল আমার প্রাক্তন এক ছাত্রী জেনি’র মা শবনম আন্টির, ইয়াং বয়সে। আন্টির অনেক স্বপ্ন ছিল আমার সাথে শোয়ার, কিন্তু তাঁর সে স্বপ্ন পূরণ হলো না। তখন আমার বয়স ছিল ৩০, আর ওনার বয়স ৪০। বলতে গেলে, যৌবনের শেষ পর্যায়ে ছিলেন তিনি, এই সময়টায় মহিলাদের গোপনাঙ্গের উত্তাপ প্রকাণ্ড হয়ে উঠে।


শবনম আন্টিরও হয়েছিল, উনি ছিলেন নরসিংদী শিবপুরের মহিলা। নরসিংদী ও বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের মহিলাদের ঐ বিশেষ জায়গায় উত্তাপ এমনিতেই বেশি। তার উপর শবনমের স্বামী জুয়েল মামার শরীর ছিল হাড্ডিসার, তাঁর সাথে লাগিয়ে শবনম খুব একটা সুখ পেত না, সেটা সে আমার মা’র কাছে স্বীকার করেছিল। তাই সে একদিন আমার দিকে হাত বাড়াবে, এটা আগে থেকেই জানা ছিল আমার। কিন্তু আমার নজর ছিল তার ইয়াং মেয়ে জেনি’র উপর। তাকে যতটা সম্ভব কচলিয়ে খেয়েছি আমি। আর শবনম দেখেও না দেখার ভান করেছে, আর ভেতরে ভেতরে জ্বলেছে। কারণ সেও তো আমাকে অসৎ উদ্দেশ্যে রিক্রুট করেছিল।
https://www.youtube.com/watch?v=WXw4QhdKrV4
তবে শেষের দিকে আল্টিমেট একটা সুযোগ দিয়েছিল শবনম আমাকে, আমার শুধু উচিত ছিল তার দরজা ঠেলে ভেতরে ঢোকা, বাকিটা সে নিজেই সেরে নিবে –  এমন ইঙ্গিত পেয়েছিলাম তার কাছ থেকে। তবে ঐ সময় ফারিজা বিন্তুর সাথে ফোনসেক্সে ব্যস্ত থাকায় শবনম আন্টিকে সময় দিই নি বোকামি করে – যেটা নিয়ে এখনো অনুশোচনা করি। সেদিনের সুযোগটা কাজে লাগাতে পারলে ‘নরম মাংসের কাঁচা স্বাদ’ পেতে পারতাম।



Leave a Comment

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.