খুলনা বিভাগের ‘ভদ্দরনোক’দের স্বরূপ (আসল চেহারা) – প্রিভিউ

উপর্যুক্ত শিরোনামে একটি পূর্ণদের্ঘ্য আর্টিক্যাল লিখতে যাচ্ছি কয়েকদিনের মধ্যে। আসলে দেশের কোনো অঞ্চলের লোকই পুরোপুরি বিশুদ্ধ না, সবাই কম-বেশি খারাপ। তবে একেকজনের খারাপি একেক সাইডে। এগুলো তুলে ধরছি ইয়াং জেনারেশনের জন্য, যারা এখনো মানুষ চিনতে শেখে নাই। তারা যাতে লোকজনের অঞ্চলভিত্তিক খোঁজ জেনেই আন্দাজ করতে পারে, লোকটি বা মহিলাটি (বা ছেলেটি বা মেয়েটি) থেকে সে কীরূপ ব্যবহার আশা করতে পারে।

খুলনা বিভাগের লোকদের আচরণ ও ব্যবহার একেবারে অসভ্যের মতো নয়, তবে এদের সমস্যা অন্য জায়গায়। ইন ফ্যাক্ট, আমার অভিজ্ঞতা অনুসারে, এরা এতখানি ফাউল করেছে যে, সেগুলোর বেশিরভাগ গুছিয়ে লিখতে বেশ কয়েকদিন সময় লাগবে। যেহেতু ‘শাহেদ’ কাণ্ডে দেশ বেশ উত্তাল, তাই একজন সচেতন নাগরিক ও ব্লগার হিসেবে এখানে আমারও কিছু মন্তব্য করা উচিত। ‘কিছু মন্তব্য’ না, আমি বরং পূর্ণদৈর্ঘ্য বর্ণনাই লিখবো এ বিভাগের লোকদের সম্পর্কে, যে বিভাগে রয়েছে খুলনা জেলা, যশোর জেলা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, মাগুরা, নড়াইল, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া প্রভৃতি জেলা।

যাই হোক, এ মুহূর্তে যেহেতু বিস্তারিত লেখা সম্ভব হচ্ছে না, তাই কি পয়েন্টগুলো (key points) তুলে ধরি। সেগুলো নিম্নরূপঃ

১। তাদেরও আচরণগত সমস্যা আছে, হয়তো পরিমাণে একটু কম, এই আর কি।
২। তারা ব্যাপক নাকউঁচু টাইপের, বাংলাদেশের বাকি জেলার মানুষদেরকে মানুষ মনে করে কিনা, সেটা গবেষণার বিষয়।
৩। খুলনা বিভাগের গড় আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ। তা সত্ত্বেও তারা সুযোগ পেলেই ব্যাপক বিলাসী জীবনযাপন করতে চায়, নিজেদেরকে জমিদার মনে করে।

৪। তারা নিজেদেরকে দেশের অবশিষ্টাংশের চেয়ে বেশি হ্যান্ডসাম ও সুন্দরী মনে করে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, তারা নিজেদের চেহারা বেচে খেতে চায়। অর্থাৎ নিজেদের দৈহিক সৌন্দর্য বাড়াবাড়ি রকম এক্সপ্লয়েট করতে চায় তারা।

কত আর চেহারা বেচে খাবি তোরা?!

৫। সুযোগ পেলেই চরম খাইষ্ঠামি করে, অর্থাৎ স্বার্থপরতার পরিচয় দেয়। বেশিমাত্রায় হিসেবী, হিসেবের দিক থেকে তারা মুন্সিগঞ্জবাসীর ‘ভাই-বোন’ লাগে।

৬। সমগ্র দেশকে দেশ মনে করে না, দেশ মনে করে কেবল খুলনা বিভাগকে। নেপোটিজম যদি শিখতে হয়, তবে এদের কাছ থেকে শেখো। উত্তর বঙ্গের লোকদের মতো এরাও একদিন নিজেদের স্বাধীনতার প্রতীক্ষায় আছে। অর্থাৎ এদের মনের গহীন কোণে একটা আশা আছে যে, খুলনা বিভাগ একদিন স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। অন্তত তাদের কর্মকাণ্ড ও মনমানসিকতা দেখলে এমনটাই মনে হয়। দেশ ভাগের ক্ষেত্রে তাদের অনুরূপ চিন্তাভাবনা ও আচরণ করে উত্তরবঙ্গবাসী (রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের লোকজন, একত্রে, দুই বিভাগ মিলিয়ে)।

৭। যৌন চরিত্রকে আমি খুব একটা আমলে নেই না। কিন্তু যারা নেন, তাদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছিঃ দেশের যে সকল অঞ্চলের লোকের যৌন চরিত্র সবচেয়ে খারাপ, তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে খুলনা ও সিলেট বিভাগের লোকজন। বিশেষ করে, খুলনা বিভাগের বহু মেয়েই ভারতে পাচার হয়ে পরে দেশে ফেরত আসে। এদের মাধ্যমেই দেশে ব্যাপক হারে এইডস/এইচআইভি’র বিস্তার ঘটছে।

আরো কিছু পয়েন্ট আছে, সেগুলো না হয় পরে আপডেট করবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


CAPTCHA Image
Reload Image

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.