কুমিল্লার হোমনার কাজের মহিলা

ঐদিন ২০১৫ সালের কুরবানীর ঈদ ছিলো। সেদিন সকাল থেকেই গরু কাটাকাটির বিষয়ে ব্যস্ত ছিলাম। আমি, আমার বড় ভাই, আমার এক ছোট ভাই আর আমার পিতা -এই চারজনে মিলে দুই গ্রুপ করে কিছুক্ষণ পরপর শিফট বদল করছিলাম। বেশ কিছুক্ষণ কঠোর পরিশ্রম করার পর এবার আমার আর বাবার বিশ্রাম নেবার পালা। বাবা মরা গরুর সামনে একটা টুলে বসে কাটাকাটি দেখছিলেন, অর্থাৎ উনি ওখানেই বিশ্রাম নেবার সিদ্ধান্ত নিলেন। আর আমি গরু ছেড়ে বিল্ডিং এর উপরে চলে গেলাম বিশ্রাম নিতে। কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়েই আবার চলে আসার ইচ্ছে ছিলো। আমরা ৬ তলায় থাকতাম।




গরু কাটাকাটির পরিশ্রমের কাজে এতটাই ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিলাম যে, চারতলার সিড়িতে বসেই কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে থাকলাম। এসময় মর্জিনার মা’কে দেখলাম সিঁড়ি দিয়ে উঠতে। উনি ২০১৪ সালে আমাদের বাসায় কাজ করতেন। উনার চেহারাটা বিশ্রী হলেও ফিগারটা দারুণ ছিলো। উনাকে ঠাপানোর খুব ইচ্ছে ছিলো আমার। কিন্তু তুরুপের তাস ঠিকমতো মেলাতে পারিনি, তাই ওই বছর যে কয়েক মাস উনি আমাদের বাসায় কাজ করেছেন, সে সময় উনাকে লাগাতে পারিনি। তবে ঠিক করেছিলাম, পরবর্তীতে সুযোগ পেলে আর হাতছাড়া করবো না।

উনাকে যে আমি মনে মনে কামনা করতাম তা উনি বুঝতে পারতেন। উনি নিজেও আমার সাথে শুতে চাইতেন, কিছু আলগা উপার্জন করার উদ্দেশ্যে। আমাদের মহল্লায় যে কাজের বুয়াগুলো ছিলো, তারা পাশের বস্তি থেকে আসতো। ওখানকার বেশিরভাগ বুয়াই খানকি টাইপের ছিলো। বিভিন্ন বাসায় বাসায় গিয়ে সাহেবদের সাথে লাগিয়ে তারা এক্সট্রা ইনকাম করতো।

যাই হোক, বুয়া লাগাতে আমার কোনো সমস্যা ছিলো না। কিন্তু এই বুয়াটাকে ঐ সময় আমি ম্যানেজ করতে পারিনি। কারণ হলো, আমি একটু লাজুক প্রকৃতির ছিলাম, প্লাস ঐ বুয়াটা বয়সে আমার চেয়ে বেশ কয়েক বছরের বড় ছিলো। উনার বয়স প্রায় ৪০ ছিলো আর উনার বেশ কয়েকটা ছেলেমেয়ে ছিলো। এর মধ্যে বড় ছেলেটার বয়স প্রায় ২০-২২ বছর ছিলো। আর বুয়া লাগানোর একটা সমস্যা হলো, এদের শরীর থেকে প্রচন্ড বাজে গন্ধ আসে।

উক্ত বুয়ার ক্লিভেজটা এভাবেই বেরিয়ে থাকতো, এমনকি এর চেয়ে বেশিও থাকতো

যাই হোক, সিড়িতে আমাকে ঘর্মাক্ত অবস্থায় বসে থাকতে দেখে বুয়া আকর্ণ বিস্তৃত একটা হাসি দিলো আর ব্লাউজের উপর দিয়ে শাড়ীর আঁচল ঠিক করতে লাগলো (যেন আমি তার বুকের দিকে তাকিয়েছিলাম!)

– কেমন আছেন, বুয়া ?

– ভালো।

– কই যাইতাছেন?

– তোমার মা’র লগে দেহা করতে।

– ওঃ যান। মা বাসায় আছে।

এক মিনিটের মধ্যেই বুয়াকে দেখলাম নেমে আসতে, আমি তখনো ঐ সিড়িতেই বসে ছিলাম। বুঝলাম, কোনো কারণে হয়তো মা’র সাথে বুয়ার দেখা হয় নি। 

– কী ব্যাপার? চলে আসলেন যে?

– তোমগো বাসা তো বাইরে থেইকা বন্ধ!

আমি বুঝতে পারলাম, মা হয়তো কুরবানীর গোশত কাটাকাটির মাদুর বিছাতে ছাদে গিয়েছেন।

– মা মনে হয় ছাদে। আপনি এক কাজ করেন, ছাদে যান।

এরপর বুয়া ছাদের উদ্দেশ্যে চলো গেলো। আমি আরো কিছুক্ষণ সেখানে বসে উঠে পড়লাম, ৬ তলার (বাসার) উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম। সিঁড়ি বেয়ে ওঠা শেষে যখন দরজার বাইরের ছিটকিনি খুলে বাসায় ঢুকতে যাবো, ঠিক এমন সময় বুয়াকে দেখলাম ছাদ থেকে নেমে আসতে। আমাকে বাসায় একলা ঢুকতে দেখে বুয়া পাকা খানকিদের মতো একটা হাসি দিলো। ঐ হাসি দেখে আমার সোনা দাঁড়িয়ে গেলো।

https://www.youtube.com/watch?v=OLNHS3iPDPo

আমি হঠাৎ উপলব্ধি করলাম, আজই এই বুয়াকে ঠাপানোর সবচেয়ে সুবর্ণ সুযোগ! বুয়া যখন তার মুখে হাসিটা ধরে রেখে ধীরে ধীরে আমাকে পাশ কাটিয়ে নেমে যাচ্ছিলো, তখনই আস্তে করে বুয়াকে বলা উচিত ছিলো (যাতে ছাদে আমার মা শুনতে না পায়), “আসেন, বুয়া, আমাগো বাসায় বেড়াইয়া যান।” তাহলেই তাকে সেদিন সিস্টেম করতে পারতাম। সেক্ষেত্রে তার সাথে আমার আলাপগুলো নিম্নোক্তরূপ হতে পারতো।

– তোমাগো বাসায় এখন কে আছে?

– আর কেউ না থাকুক, আমি তো আছি। আসেন ভিতরে।

– না, দরকার নাই। যাইগা।

– আরে আসেন আসেন, এমন করেন ক্যা?

তখন বুয়ার হাসিটা আরো বিস্তৃত হতো। এরপর উনি কিছুটা ইতস্ততঃ করতেন, আমি উনার হাত ধরে টেনে ভেতরে নিয়ে আসতাম; উনি মৃদু স্বরে বলে উঠতেন, “করে কি!” আমি হাত ধরে টেনে আমার রুমে তাকে ঢুকাতে ঢুকাতে বলতাম, “আসেন, আমার রুমে আসেন, আপনার সাথে আলাপ আছে।” উনাকে বিছনায় বসতে বলতাম। উনি কিছুক্ষণ দাড়িয়ে থেকে ইতস্ততঃ বোধ করে একসময় বিছানায় বসে পড়তেন। বলতেন, “কী আলাপ?”

– বুয়া আপনে তো আমাদের বাসায় আর আসেন-টাসেন না। ব্যাপার কী?

– এমনেই আসি না। কোনো ব্যাপার নাই।

– আমাদের বাসায় কাজ ছাড়লেন কেনো?

– আমার শরীরটা অসুস্থ ছিলো কয়েকদিন, তাই কাজ ছাইড়া দিছিলাম।

– ও।

আসল ব্যাপার হলো, ২০১৪ সালে বুয়া একদিন হঠাৎ করে তার বেতন বেশ খানিকটা বাড়াতে বললেন আমার মা’কে। বেতন হয়তো বাড়ানো যেতো, তবে উনি যে এপ্রোচে আমার মা’কে কথাটা বলেছিলেন, সেটা তাঁর পছন্দ হয় নি। তাই তাকে ছাড়ান দিয়ে আরেকটা বুয়া জোগাড় করলেন আমার মা। আমি অবশ্য বুয়ার এই আচরণের কারণটা আন্দাজ করেছিলাম। এইসব বুয়ারা আসলে মাসিক বেতনের পাশাপাশি দু’নম্বরী উপায়ে টুপাইস কামাতে চায়।

আমাদের বাসায় একমাত্র আমাকে দিয়েই উনি লাগানোর আশা করেছিলেন। কারণ, আমার ভাইয়েরা কখনো বুয়া লাগানোর কথা মাথাতেও আনবে না, আর আমার বাবা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে সারাদিন বাইরে থাকতেন (বুয়া ঠাপানোর মতো মনমানসিকতা ওনারও নেই, বৃদ্ধ মানুষ!)। বুয়া আমাদের বাসায় অনেক দিন কাজ করার পরও যখন আমি তাকে কোনো সাড়া (সিগনাল) দিলাম না, বা শেষ পর্যন্ত তার দিকে হাত বাড়ালাম না, তখন উনি হতাশই হলেন। অবশ্য উনার মনে এই দুরাশার জন্ম আমিই দিয়েছিলাম।

একদিন আমি টিভি দেখছিলাম আর উনি ঘর মুছছিলেন। এমন সময় উনার বুকের আঁচলটা পড়ে যাওয়ায় উনার স্তন দু’টির অনেকখানি উন্মুক্ত হয়ে গিয়েছিলো। আমি উনার দুই স্তনের মাঝের গিরিখাতসহ অনেক কিছুই দেখতে পাচ্ছিলাম। এখন গায়ের রং জ্বলে গেলেও একসময় যে উনি সুন্দরীই ছিলেন – এতে কোনো সন্দেহ নেই। যাই হোক, উনার দুধের ভাঁজ দেখতে দেখতে আমার লিঙ্গ উত্থিত হয়ে গেলো। উনার পরোয়া না করেই আমি লুঙ্গির উপর দিয়ে আস্তে আস্তে আমার সোনা ডলতে লাগলাম।

উনি এটা টের পেলেন, কিন্তু চোখ তুলে তাকানোর সাহস পেলেন না। আমি আবার তখন এই বুয়ার সাথে কথা বলতাম না। কারণ ঐ সময় আমি অনেকটা সতি-সাধ্বী টাইপের ছিলাম। আমার অভিজ্ঞতা ছিলো এই যে, বুয়াদের সাথে একটু ফ্রি হলেই তারা নগদ অর্থের বিনিময়ে দেহ সম্ভোগ করাতে চায়। এইচআইভি এবং অন্যান্য যৌনরোগের ভয়ে আমি তখন বুয়া লাগাতে চাইতাম না।

যাই হোক, উনি টিভিরুম থেকে বারান্দায় যাওয়ার সাথে সাথে আমি প্রচন্ড বেগে আমার সোনাটা দলিতমথিত করতে থাকলাম। উনি বোধ হয় এটা জানালার ফাঁক দিয়ে দেখেছিলেন। হস্তমৈথুন করতে করতে এক সময় আমার বীর্য বেরিয়ে আসলো। আমি লুঙ্গির মধ্যেই বীর্যপাত করলাম। এরপর শান্ত হলাম। এর এক মিনিট পর বুয়া ময়লা পানির বালতি আর ত্যানা হাতে বারান্দা থেকে বুক টান করে বেরিয়ে আসলেন। আন্দাজ করলাম, উনি আমার দিকে সটানে চাইলেন, সম্ভবতঃ আই কন্টাক্ট বা চোখাচোখি করার চেষ্টা করলেন, যাতে উনি আমার মনের ভাষা বুঝতে পারেন। কিন্তু উনার দিকে চোখ তুলে তাকানোর হিম্মত তখন আমার হলো না।

এরপর থেকে বুয়ার আচরণে বেশকিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করতে লাগলাম। কারণে-অকারণে উনার শাড়ির আঁচল খালি পড়ে যায়। আর উনার বুক যথাসম্ভব উন্মুক্ত হয়ে যায় আমার সামনে! সুযোগ পেলেই উনি আমার দিকে চেয়ে একটা খানকি-মার্কা হাসি দেন। আমিও উনাকে ঠাপানোর সুযোগ খুঁজতে লাগলাম, তবে আমার মা আমার চরিত্র সম্পর্কে মোটামুটি অবগত ছিলেন। তাই বুয়া আসার সময় (দুপুরের দিকে) তিনি কখনো আমাকে বাসায় একলা রেখে যেতেন না।

সুযোগ খুঁজতে খুঁজতে এক পর্যায়ে আমি ক্লান্ত হয়ে গেলাম, প্লাস যখন জানতে পারলাম, এই বুয়ার বয়স প্রায় চল্লিশ বছর, তাই তখন উনার গোপনাঙ্গে বেশি রস পাওয়া যাবে না ভেবে রণে ক্ষান্ত দিলাম। তবে উনি আমাদের বাসার কাজ ছেড়ে চলে যাবার পর উনাকে খুব মিস করতাম। প্রায়ই উনাকে ভেবে হস্তমৈথুন করতাম। ভাবতাম, মধ্যবয়ষ্কা হলে কী সমস্যা? দরকার হলে লিঙ্গে পেট্রোলিয়াম জেলি মেখে উনাকে লাগাবো। আস্তে আস্তে উপলব্ধি করলাম, সেক্স জিনিসটাই হলো জীবনের আসল মজা!



Leave a Comment

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.