কাজের মহিলাদের প্রতি যেভাবে আগ্রহ জন্মালো

অন্য আট-দশজন পুরুষের মতো আমিও কাজের মহিলাদের সাথে সেক্সের ব্যাপারে কম আগ্রহী ছিলাম। এর কারণ সম্ভবতঃ তাদের সামাজিক স্ট্যাটাস, দারিদ্র্য, নিচু মনমানসিকতা আর গায়ে গন্ধ। তবে দু’একজন কাজের বুয়ার কারণে আমার মানসিকতা পাল্টে গেল। একটা সময় কাজের বুয়ারাই আমার ‘বিগেস্ট ফ্যান্টাসি’ হয়ে দাঁড়ালো।

https://www.youtube.com/watch?v=fCG0JiKQVRM

এর মধ্যে প্রথমজন হলো হাসিনা যে কিনা বয়সে আমার চেয়ে আট-দশ বছরের বড় ছিল। আমাদের বাসায় যখন কাজ করতো, তখন তার চরিত্র ভালো ছিল (খুব সম্ভবতঃ)। তবে এখন কী অবস্থা কে জানে?! ইদানিং সে আর বুয়াগিরি করে না, ৩০-৩৫ জন শ্রমিক টাইপের লোককে ভাত রেঁধে খাওয়ায়। এর মধ্যে কেউ কেউ যে তার সাথে সেক্স করে না – তার গ্যারান্টি কে দেবে?




যাই হোক, আমাদের বাসায় যখন কাজ করতো, সেই ৯৫-৯৬ সালের দিকে, তখন আমার মা তাকে মাত্রাতিরিক্ত প্রশ্রয় দিয়ে মাথায় তুলেছিল। তাই সে উচ্চস্বরে ছাড়া কথাই বলতো না, এতে আমার পড়াশুনায় সমস্যা হতো। একদিন তাকে আস্তে কথা বলতে বলা সত্ত্বেও আমাকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ করে বসলো। বললো, ‘আমি জোরেই কথা কমু। তুমি কী করবা?’ তখন মেজাজ সামলাতে না পেরে তাকে চড় মেরে বসেছিলাম।

https://www.youtube.com/watch?v=fCG0JiKQVRM

আর তাতেই সে রটিয়ে দিল যে, আমি নাকি তার ইজ্জতহানির চেষ্টা করেছিলাম, সে তাতে বাধা দেয়ায় আমি তাকে চড় মেরেছি। তখন আমি মাত্র ক্লাস টেনের ছাত্র। আমার মতো নাদান এক কিশোরের উপর এমন একটা অপবাদ চাপিয়ে দেয়ার কারণে সিদ্ধান্ত নিলাম যে, এখন থেকে বাসার প্রতিটি কাজের বুয়ার সাথে লোচ্চামি করবো আর তাদেরকে বিছানায় নেয়ার চেষ্টা করবো।

প্রতীকী কাজের বুয়া

তবে প্রতিজ্ঞাটা প্রতিজ্ঞাই থেকে গেল, আদতে আমি নতুন কাজের মহিলাদের সাথে ভালো আচরণই করতে থাকলাম; তারা আসলে হাসিনার মতো জংলি ছিল না। তবে কুমিল্লার হোমনার এক কাজের বুয়া পেলাম যার গায়ের রং কালো, আর গায়েও গন্ধ। শুধু একটাই প্লাসপয়েন্ট ছিল তারঃ মোটামুটি সুন্দর ফিগার। আমার বাসার লোকজন কয়েকদিনের জন্য দেশের বাড়িতে বেড়াতে গেল, বাসায় রেখে গেল শুধু আমাকে।

পরপর তিনদিন শুধুমাত্র আমার উপস্থিতিতে ঐ মহিলা কাজ চালিয়ে গেল। আমি তাকে কিছু বললাম না, বা করলাম না, পাছে সে আমার মা’র কাছে বলে দেয়। সেও কোনো অশ্লীল আচরণ করলো না বা প্রলোভন দেখাল না। তবে তৃতীয় দিন সে কথা বলার উছিলায় আমার খুব কাছে এসে দাঁড়িয়েছিল, সে সম্ভবতঃ আমার সততায় মুগ্ধ হয়ে আমাকে তার দেহ দান করতে চেয়েছিল, প্লাস কিছু বখশিস পেতে চেয়েছিল।

তবে ব্যাপারটা অপ্রত্যাশিত ছিল বিধায় আমি তাৎক্ষণিকভাবে মাথা খাঁটিয়ে কোনো কিছু করতে পারি নি। আমার উচিত ছিল সে মুহূর্তে তাকে জড়িয়ে ধরা, তারপর যা হবার হবে। আবার চলে যাবার সময়ও সে মারাত্মক একটা প্রলোভনসুলভ হাসি দিয়ে গেল, যার মানে হলো, ‘বোকাচন্দ, তুমি আমাকে পেয়েও লাগালে না! এখনও সময় আছে, সাহস থাকলে আমাকে টেনে বিছানায় নিয়ে যাও।’



Leave a Comment

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.