আমার এলাকাভিত্তিক থিওরিটা ভেরিফাই করার জন্য এক নারীকে সেক্সের প্রস্তাব দেব

আমার এলাকাভিত্তিক থিওরিটা হলো, ‘একই জেলার মানুষদের বৈশিষ্ট্যে ব্যাপক মিল আছে।’ এটা অবশ্য আমার নিজের থিওরি বললে পুরোপুরি ঠিক হবে না, কারণ এ থিওরিটা অনেকেই জানে এবং মানে। তবে আমিই সম্ভবতঃ প্রথমবারের মতো থিওরিটা ভেরিভাই করার জন্য কোনো নারীকে যৌনপ্রস্তাব দেয়ার মতো একটা রিস্কি কাজ করতে যাচ্ছি। আর সে রাজি হলে কী আর করা, তার সাথে বিছানার খেলাটা খেলব। আশা করি, তার এইডস বা অন্য কোনো মারাত্মক যৌনরোগ নেই।

আমার টার্গেটকৃত মহিলা ‘প’ আদ্যাক্ষরের যে গাইডবই পাবলিকেশন্সের কথা আমি প্রায়ই বলি, সেখানে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ করে। তাকে টার্গেট করার কারণ হলো, তার দেশের বাড়ি মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে। ইতিপূর্বে ঐ এলাকার এক মহিলার সাক্ষাৎ আমি পেয়েছিলাম, যে কিনা যৌন চরিত্রের দিক থেকে পুরোপুরি ৪২০ টাইপের ছিল। এমনকি, তার কাছে এসব অবৈধ দৈহিক সম্পর্ক বাম হাতের খেলা মাত্র। সে নামে মুসলিম হলেও ইসলামে যে এসবের বিরুদ্ধে নিয়ম বেঁধে দিয়েছে, তা যেন অজানা তার। 




সে সবাইকে দেখিয়ে দেখিয়ে অবৈধ লীলাখেলা করতে পছন্দ করতো। বিশেষ করে, আমার বউটা যেহেতু কালো, তাই আমাকে তার ফর্সা ও সেক্সি দেহের নাচন-কুর্দন দেখিয়ে সবসময় যৌন উত্তেজিত করে রাখতে পছন্দ করতো। তার সাথে চাইলে যে শুতে পারতাম না, ব্যাপারটা তা নয়। তবে সে যে সময় আমার সাথে শুতে চেয়েছিল, সে সময় আমি প্রতিবেশী শবনম আন্টির মেয়ে জেনি’র প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছিলাম; তাই সত্যিকার প্রেমের নিদর্শনস্বরূপ জেনির মা শবনম আর মানিকগঞ্জের সেই মহিলার সাথে শুতে চাই নি। 

বলতে ভুলে গেছি যে, উক্ত মহিলার নাম সেলিনা, সে আমার চেয়ে এক্সাক্টলি তিন বছরের বড় ছিল এবং আমাদের পাশের ফ্ল্যাটে স্বামী আর দু’ ছেলে নিয়ে থাকতো। আপনারা যারা এই ব্লগের ‘এক ঘরের পরকীয়া দেখে অন্য ঘরের লোকজন উৎসাহিত হয়’ আর্টিক্যালটি পড়েছেন, তারা অলরেডি সেতুর মা সেলিনার ব্যাপারে জানেন। পড়ে না থাকলে সেটা একসময় পড়ে নিয়েন।

সেলিনা দেখতে অনেকটা এই রকমই ছিল

সেলিনা যে সময় আমাকে সুযোগ দিয়েছিল, সে সময় তার পরকীয়া দেবর বিদেশে ছিল, তিন বৎসর যাবত। এই তিন বছর বেচারী নিশ্চয়ই অনেক কষ্ট পেয়েছে, কারণ তার স্বামীকে দেখলেই বোঝা যায়, বিছানার খেলায় একেবারেই অপারগ। এ দিক দিয়ে শবনমের সাথে সেলিনার মিল রয়েছে। শবনম প্রেম করে বড়লোকের ছেলে জুয়েল মিয়াকে বিয়ে করলেও জুয়েল ছিল মাত্রাতিরিক্ত শুকনো দেহের অধিকারী। শবনম তাকে বিয়ে করেছিল খুব সম্ভবতঃ ধন-সম্পদের আশায়। 

শবনম আমাকে রিক্রুট করেছিল আমার সাথে শোয়ার জন্য, অথচ আমি হাত বাড়ালাম তার ক্লাস নাইনের কন্যা ভিকারুননিসার ছাত্রী জেনির দিকে। এ কারণে শবনমও আমার উপর ক্ষ্যাপা, আর সে আগুনে ঘি ঢাললো আরেক অতৃপ্ত নারী সেলিনা। যার ফলে জেনির সাথে খুব বেশি সুবিধা করতে পারলাম না। মহিলা বাহিনীতে আরেকজন যোগ দিল, সেও আমাদের প্রতিবেশী ছিল এবং জনৈক ডিবি পুলিশের স্ত্রী ছিল। এই আন্টি আমার হোম ডিস্ট্রিক্ট-এর আরেক উপজেলার মেয়ে হলেও তাদের পরিবারের সাথে আমার সুসম্পর্ক ছিল না।

কারণ তারা নতুন বাসায় আমাদের প্রতিবেশী হয়ে এসেই ‘ডিবিগিরি’ অর্থাৎ পাওয়ার দেখানো শুরু করে দিল। তবে আমাদেরও সে সময় (বিএনপি’র আমলে) পলিটিক্যাল ছত্রছায়া ছিল বলে খুব বেশি ডিবিগিরি করতে পারে নি। সমস্যা হলো, ছাত্রী জেনির সাথে এই ছল-বল-কৌশলের খেলা শুরু করেছিলাম ২০১১ সালে, তখন তো আর বিএনপি নেই যে, অপরাধ করে পার পেয়ে যাব। তাই ডিবির বউ এতোদিন পরে একটা প্রতিশোধ নেয়ার চান্স পেলেন, তাদের পরিবারের কারো সাথে এতোদিন কথা না বলার কারণে (আমার মা আর ছোট ভাই তাদের সাথে কথা বলতো, তবে আমি মাত্রাতিরিক্ত অহংকারী আর হিসেবি হওয়ায় কোনোদিন যেচে তাদের সাথে কথা বলি নি। উক্ত ডিবি আংকেল দু’ বছর আগে মারা গেছেন, আন্টির ভাবসাবে এখন মনে হয়, পুরনো সব কিছু ভুলে গিয়ে তিনি আমার সাথে বন্ধুত্ত্ব করতে ও শুতে চান! হেঃহেঃ)।



প্লাস, পরিমলের ঘটনাটা ঘটায় ছাত্রী জেনি আরো সাবধান হয়ে যায়। কারণ পরিমল ২০১১ সালে ভিকারুননিসায় বসুন্ধরা শাখায় ক্লাস টেনে পড়ুয়া ‘তানি’ নামের একটি মেয়ের সাথে আকাম করে, আমার জেনি ছিল উক্ত শাখারই ক্লাস নাইনের স্টুডেন্ট। যাই হোক, জেনিকে যখন পুরোপুরি পেলাম না, তখন আমার রাগ গিয়ে চাপে ওর মা শবনম, ডিবির বউ আর মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের সেই আন্টি সেলিনার উপর। মূলতঃ তখন থেকেই সেলিনাকে মনে-প্রাণে তীব্র ঘৃণা করতে থাকি। তার দেবর বিদেশ থেকে ফেরত আসার পর দু’জনের হানিমুন নতুন করে শুরু হয় এবং তীব্রবেগে চলতে থাকে। 

এসময় মাঝে মাঝে সেলিনা আমাকে বিক্ষিপ্তভাবে দু’-একটা চান্স দিয়েছিল, আমার শুধু দরকার ছিল তাকে চেপে ধরে বিছানায় নিয়ে যাওয়া। তবে মাঝে মাঝে সে আমার মা’র সামনে বেশ সতীপনা করতো, তখন বেশ বিরক্ত লাগতো। মোটের উপর, সেলিনার কান-কথার কারণেই জেনি এবং আমার বিচ্ছেদ ঘটে, তাই সে যখন আমাকে বড় বড় সুযোগ দিয়েছিল, তখন পুরনো সেই রাগের কারণে তাকে কোনোদিন কাছে টেনে নিই নি। যেমনঃ প্রায়ই সে আমার বাসায় ‘হুশ’ করে এমন সময় ঢুকে পড়তো যখন আমি ছাড়া আর কেউ নেই। আর তার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখেও বোঝা যেত, সবকিছু খোঁজখবর নিয়েই এসেছে। 

সে আমাদের রান্নাঘরে ঢুকে এটা-ওটা খোঁজার অভিনয় করতো, আর মূলতঃ অপেক্ষা করতো কখন আমি তাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরি বা তার পশ্চাৎদেশে আমার ‘ডাণ্ডা’টা ঠেকাই। এরকম বেশ কয়েকবার প্রচেষ্টার পরও যখন আমি কোনোকিছুই করলাম না, তখন তার চেহারায় হতাশার নিশ্চিত ছাপ দেখতে পেয়েছিলাম। পরবর্তীতে তারা কেরাণীগঞ্জে তাদের আগে থেকে কেনা জমিতে ছোটখাট বাড়ি করে চলে গেছে। তার সাথে যৌন সম্পর্কে না জড়ানোর একটি কারণ যেমন আমার অভিমান, তেমনি আরেকটি কারণ হলো আমার মায়ের কড়া শাসন। আমার মা যে ধোয়া তুলসীপাতা তা নয়, কিন্তু আমার বেলাতেই তার অকারণ শাসন কেন – সেটা বুঝতে পারি না। তার অতিরিক্ত শাসনের কারণে আমার সবচেয়ে ছোট ভাইটা ‘সাইকো’ টাইপের হয়েছে।

এ কথাগুলো বললাম এই কারণে যে, সেলিনারা চলে যাবার পর তাদের খুব মিস করেছি; মনে হয়েছে, ওর সাথে শুলেই পারতাম। আর সেটা তখনও সম্ভব ছিল একটা মাত্র ফোনকলে। কিন্তু বোকাচন্দ সেলিনা যদি ভুলেও ফোনকলের কথা আমার মাকে বলে দেয়, তাহলে মাও বুঝে যাবে আমার আসল উদ্দেশ্য, আর আমাকে দেবে ‘ব্যাম্বু’।

যাই হোক, পরবর্তীতে কোনো একটা অনলাইন সংবাদপত্রের আর্টিক্যালে পড়েছিলাম, দেশে যে সকল এলাকার মেয়েরা সবচেয়ে বেশি পরকীয়াকাতর হয়, তাদের একটি হলো মানিকগঞ্জ; অন্য এলাকাগুলোর নাম এখন না হয় নাই বললাম।

এই আর্টিক্যালের শুরুতে যে কম্পিউটার অপারেটর মহিলার কথা উল্লেখ করেছিলাম, তার দেশের বাড়িও মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে, যেমনটি আগে উল্লেখ করেছিলাম। তাই এর সাথেও একটা ট্রাই নিতে চাই। অবশ্য শুধু একারণেই নয়, আরো দু’-একটি কারণ আছে বৈকি। যেমনঃ মহিলা কালো হলেও বেশ সুইট দেখতে, আর সে সবসময় সেলিনার মতো একটা মেচকি লাজুক হাসি ধরে রাখে। মহিলাকে কিছুদিন আগে তার দেশের বাড়ির ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেছিলাম, সে উত্তর দিয়েছিল, মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে। তখন জিজ্ঞেস করলাম, চর এলাকায় কিনা; উত্তরে সে বললো, ‘না, চর এলাকায় না, বরং মূল ভূখণ্ডে।’ এ কথা জিজ্ঞেস করার কারণ হলো, সেলিনার পিতা ও শ্বশুরবাড়ি হলো হরিরামপুরের চর এলাকায়, পদ্মা নদীর মাঝে।

ঐ অপারেটর মহিলা সম্ভবতঃ ইতিমধ্যেই তার প্রতি আমার ভালো লাগা টের পেয়েছে, তাই কয়েকদিন আগে আমার সামনে অন্যরকম একটা লাজুক ভঙ্গি ফুটিয়ে তুলেছিল চেহারায়। টের যেহেতু সে পেয়েই গেছে, তাই এখন সামনে এগুনো ছাড়া এক্সপেরিমেন্টের ফলাফল জানার উপায় নেই। তাই এখন আমার প্ল্যান থাকবে, তার সাথে যদি নির্জন কোনো স্থানে (যেমনঃ সিঁড়ি বা লিফট) দেখা হয় এবং সে যদি আমার কুশলাদি জানতে চায়, তাহলে হয় তার ফেসবুক আইডি’র লিংক অথবা তার ফোন নাম্বার চাইবো। তারপর একসময় সুযোগ বুঝে হালকা করে জানিয়ে দেব, ভালো লাগার কথা। দরকার হলে ‘ভালো লাগে’ না বলে বলবো, ‘চলুন দু’জনে কোথাও ঘুরে আসি।’ এভাবেই তাকে সিস্টেম করার চেষ্টা করবো।

যদি অনেক কাঠখড় পোড়ানো সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত তাকে বিছানায় নিতে না পারি তাহলে বুঝতে হবে, এক এলাকার সকল মানুষ সমান নয়, অন্ততঃ আমার পূর্বে উল্লিখিত থিওরিটি’র যথার্থতা তখন থাকবে না। আর যদি পারি, বা এরকম সম্ভাবনা দেখি, তাহলে বিছানায় নিয়ে বা না নিয়েই বলা যাবে, আমার দেয়া থিওরিটা যথার্থ।



Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *


CAPTCHA Image
Reload Image

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.