আপন খালা-ফুপুদের সাথে অন্যরকম অভিজ্ঞতা – পর্ব ২

ফরিদা-পারভীন ছাড়াও অন্য কয়েকজন খালার সাথে আমার মশলাদার কিছু অভিজ্ঞতা আছে, সেগুলো বলার আগে একমাত্র আপন ফুপু রাবেয়ার ব্যাপারে কিছু বলে নিই। সত্যি বলতে, তিনি অবশ্য আমার একমাত্র ফুপু নন। আরেকজন আছে, রাবেয়ার চেয়ে বেশ কয়েক বছরের ছোট, নাম সম্ভবতঃ কুলসুম। তবে ওই ফুপুটি ছোট বেলা থেকে পাকিস্তানে থাকেন, সম্ভবতঃ করাচী নগরীতে। আসলে মধ্যবয়সে আমার দাদীর মাথা খারাপ হয়ে গেছিল, তখন একদিন তিনি আমার সেই ছোট ফুপুকে গলা টিপে হত্যা করতে উদ্যত হয়েছিলেন, তখন কুলসুমের বয়স ছিল এক বা দুই বছর। তবে খারাপ কিছু ঘটে যাবার আগেই আশপাশের লোক ঘটনাটি দেখে ফেলায় সে যাত্রা বেঁচে যান কুলসুম। তখন তাঁকে যে দম্পতির কাছে পালক দেয়া হয়, তাঁরা তাঁকেসহ পাকিস্তানে চলে যান।




যাই হোক, এবার রাবেয়া ফুপুর বিষয়ে বলি। সত্যি বলতে তাঁকে দীর্ঘ একটা সময় ভালো চোখেই দেখেছি, তাঁর চরিত্রে কোনো সমস্যা আছে বলে কখনো মনে হয় নি। তবে সম্প্রতি দুই-তিন বছর আগে এমন একটি ঘটনা ঘটলো যেটির কারণে তাঁকে বাঁকা চোখে দেখতে বাধ্য হলাম। তিনি ২০০৪ বা ‘০৫ সালে স্বামীহারা হয়েছিলেন, এরপর ১০-১২ বছর বিধবার বেশেই জীবনযাপন করেছেন। এ সময় কারো সাথে কোনো দৈহিক সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন কিনা, সে বিষয়ে নিশ্চিত নই আমি, তাই ফাও কথা বলে কাজ নেই।

‘১৭ সালের কথা, তখন তাঁর বয়স প্রায় ৫৫ বছর, অর্থাৎ তাঁকে বুড়ি বললেও ভুল হবে না। অবশ্য দেখতে উনি বুড়ি ছিলেন না, গায়ের রং কালো হলেও তাকে ৪০-৪২ বছরের মহিলাদের মতো দেখাতো। এমন একটা সময় শুনতে পেলাম যে, তিনি নাকি এক মধ্যবয়সী পুরুষের সাথে বদ্ধকক্ষে পরকীয়া করতে গিয়ে জনগণের হাতে ধরা খেয়েছেন, ফলশ্রুতিতে তাঁদেরকে বিয়ে পড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকে ফুপুর চেহারা গত তিন বছর ধরে দেখি নি। এক দিক থেকে ভালোই হলো, আগে তো আমাদের কাছ থেকে সাহায্য নিয়ে চলতেন, এখন তাঁকে আর্থিক সাপোর্ট দেয়ার মতো কেউ একজন আছে।

এখন, প্রশ্ন হলো, তাঁকে কি ঐ ব্যাটা একা পেয়ে জোর করে ধর্ষণ করেছিল, নাকি তিনি স্বেচ্ছায় তাকে ‘লাগাতে’ দিয়েছিলেন? আমার আন্দাজ হলো, আর্থিক সুবিধা পাবার আশায়, প্লাস পড়ন্ত বয়সে স্বামীবিহীন দিনগুলোতে যৌনজ্বালা মেটাবার জন্যই হয়তো তিনি ঐ পুরুষটির কাছে নিজের দেহ সমর্পণ করেছিলেন। বয়স ৫৫ হলেও তাঁর যৌবন হয়তো ফুরিয়ে যায় নি, যেটা আমার আগেই বোঝা উচিত ছিল, যখন তিনি আমাদের বাসায় আমাকে একা পেলে আমার পিছনে সহাস্যবদনে ঘুরঘুর করতেন এবং এটা-সেটা বলার চেষ্টা করতেন। আমি তাঁর মনের উদ্দেশ্য কখনোই বুঝতে পারি নি; তিনি যেসব প্যাঁচাল আমার সাথে পিটতে চাইতেন, সেগুলো আমার কাছে ফালতু মনে হতো, তাই তাঁকে এড়িয়ে চলতাম। তিনি আমার সাথে ‘লম্বা’ কথাবার্তা বা কনভারসেশন শুরু করার চেষ্টা করলেও আমি বরাবরই সেটা শর্টকাট করতাম।

আমি তাঁকে এড়িয়ে গেলেও আমার ছোট ভাই পাপ্পু হয়তো তাঁর সাথে প্যাঁচাল পিটতে কোনো সমস্যাবোধ করে নি, আসলে পাপ্পু ছেলেটি অন্য যেকোনো বাঙালী ব্যক্তির চেয়ে বেশি প্যাঁচালবাজ বলে আমার ধারণা। তাই পাপ্পুর পাল্লায় পড়ে ফুপু রাবেয়া উল্টো রেহাই চাইলেন; একটি অভিযোগ করে বসলেন ওর নামে, ‘পাপ্পু নাকি তাঁকে কেমন কেমন করে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরতে চেয়েছিল’। ব্যাপারটি পুরোপুরি বিশ্বাস হয় নি আমার। যদিও পাপ্পু ঠিক ধোয়া তুলসীপাতা নয়, সে একবার আমার বউকে যৌন হেনস্থা করেছিল। তাই বলে সে ৫৪/৫৫ বছর বয়সী একজন পৌঢ়া অনাকর্ষণীয় মহিলাকে ‘লাগাতে’ চেষ্টা করবে, সেটা বিশ্বাস হয় নি আমার তখন।

আমার মনে হয়, ফুপুর কথাবার্তা বা বডি ল্যাঙ্গুয়েজ হয়তো তার কাছে প্রভোক্যাটিভ মনে হয়েছে, তাই সে ওনাকে চেপে ধরতে চেয়েছিল। তবে শেষ মুহূর্তে হয়তো ফুপুর বিবেক জাগ্রত হয়, বয়সে এতো ছোট একটি ছেলের কাছে, বিশেষ করে যে কিনা তাঁর আপন ভাইপো হয়, তার কাছে নিজের দেহ সমর্পণ করে দিতে মন পুরোপুরি সায় দেয় নি তাঁর, তাই শেষ মুহূর্তে বেঁকে বসেন। আর ঘটনাটি ভিন্ন রকম দেখানোর উদ্দেশ্যেই তখন উল্টো ওর নামে অভিযোগ করেন; মেয়ে ও মহিলাদের এই আচরণ তথা চরিত্রটির কথা ভালোই জানা আছে আমার।

তবে কেন জানি মনে হয়, পাপ্পুর বদলে আমি যদি তাঁর সাথে কিছু করতে চাইতাম, তাহলে বোধ হয় রাজি হতেন ফুপু। প্রথম কারণঃ আমার সাথে তাঁর বয়সের ব্যবধান বেশি নয়, যেটা পাপ্পুর ক্ষেত্রে অনেক বেশি। দ্বিতীয়তঃ আমি প্রায়ই তাঁকে আর্থিক সাহায্য করতাম। হয়তো কৃতজ্ঞতাস্বরূপ অথবা আরো আর্থিক সাহায্য পাবার আশায় তিনি ট্যাবু ভেঙ্গে আপন ভাইপো মানে আমার সাথে যৌন সম্পর্কে জড়াতেন। তিনি হয়তো বুঝতে পেরেছিলেন যে, আমি একটি সেক্সপাগল ছেলে, সেক্সের বিনিময়ে অনেক কিছুই দিতে রাজি আমি

https://www.youtube.com/watch?v=IrF60SlOr9A

আর একটু আগে যে বললাম, উনি অনাকর্ষণীয়, কথাটা পুরোপুরি সঠিক নয়। অনেক মেয়ে বা মহিলা আছে, যাদেরকে বাইরে থেকে দেখে আকর্ষণীয় মনে হলেও কাপড়-চোপড় খুললে বা যৌনসঙ্গম করার সময় বেশি আকর্ষণীয় মনে হয় না, যেমনঃ মোটা মেয়েরা ও মহিলারা। বাইরে থেকে দেখে তাদের ৩৮ বা ৪০ ইঞ্চি বুক বা নিতম্ব অনেক আকর্ষণীয় মনে হয়; মনে হয়, ‘একবার যদি পেতাম তাহলে খুব করে টিপে দিতাম অথবা জন্মের মতো ‘দুচে’ দিতাম!’ কিন্তু ঘটনা ঘটার সময় দেখা যায়, হয় ঐগুলো ঝুলে গেছে, এখন দুই হাত দিয়ে ‘আটা’ ঠিকমতো গোলা যাচ্ছে না; অথবা শরীর এতো ভারী যে, মনে হয় জিমে কঠিন কোনো ব্যায়াম করা হচ্ছে, ৭০ বা ৮০ কেজি ওজনের কোনো বারবেল দিয়ে।

এই মেয়েটিকে দেখলেই ফুপু রাবেয়ার কথা মনে পড়ে, ফুপু যৌবনে হয়তো এমনই ছিলেন দেখতে

আর রাবেয়া ফুপু ছিলেন একেবারে অপোজিট, তিনি ছিলেন ছোটখাট আর স্লিম। এইরকম শরীরের মেয়ে বা মহিলাদেরকে লাগাতে বেশ আরাম, তাদেরকে যেকোনো পজিশনে বসিয়ে আরামসে ‘করা’ যায়, এমনকি কোলে বসিয়েও। তাই নিষিদ্ধ সম্পর্ক হলেও রাবেয়ার সাথে একটা চান্স নেয়া উচিত ছিল আমার, আফটার অল তাঁকে নিজ থেকেই আগ্রহী মনে হচ্ছিল। সে চেষ্টাটা করতাম অবশ্য, যদি ঘুণাক্ষরেও তাঁর মনের কথা বুঝতে পারতাম।

এজন্য পরকীয়ায় আগ্রহী যেকোনো পুরুষের প্রতি আমার পরামর্শ হলো, যদি কোনো মেয়ে বা মহিলা, হোক সে মধ্যবয়সী বা পৌঢ়া, আপনার সাথে যেচে বারবার আলাপ করতে আসে, তাহলে তাঁর ইনোসেন্ট চেহারা বা এপ্রোচ দেখে আগেই ওয়াকওভার দিবেন না। তাঁকে কিছুটা সময় দিন আপনার সাথে আলাপচারিতার। আপনার সাথে ফ্রি হলে এবং আপনাকে তার অন্তরে ধরলে তখন সে নিজেই আপনাকে বিশেষ ইশারা দিবে, যদি সে আপনার সাথে যৌনতায় আগ্রহী হয়। তবে এই পদ্ধতি যে সবসময়ই কাজে দেবে, ব্যাপারটা তা নয়। তাই কমপক্ষে ৭০%-৮০% নিশ্চিত না হয়ে কোনো মেয়ে বা মহিলার গায়ে হাত দেবেন না। তবে সত্যি এই যে, মেয়ে ও মহিলারা চায়, ছেলেরাই আগে তাকে দৈহিক সম্পর্কের প্রস্তাব দিক বা তার শরীর স্পর্শ করুক।



Leave a Comment

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.