খালি বাসায় শ্বাশুড়ি

অনেকদিন পর শ্বাশুড়ির সাথে একা বাসায়

আমার শ্বাশুড়ি লুৎফুন্নেছা, বয়স ৫৩ বছর। গত দুই বছর ধরে বিধবা, শরীরে কোনো যৌবন নেই বললেই চলে। প্রধান কারণ হলো ডায়াবেটিস, দ্বিতীয় কারণ হলো – হিংসুটে ও সর্বদা প্রতিযোগিতা পরায়ণ মানসিকতা। তিন নম্বর কারণ হলো, বোকাচন্দ শ্বশুর বেঁচে থাকতেই অনেক আগে থেকে শ্বাশুড়ির সাথে ‘ওসব’ করতেন না। শ্বশুর ছিলেন অনেকটা মহাত্মা গান্ধী টাইপ। মহাত্মা গান্ধীর বয়স যখন ৩৮, তখন তিনি যৌনতা সম্পর্কে নতুন একটা থিওরী নিয়ে হাজির হয়েছিলেন – যে, বাচ্চা জন্ম দেওয়া ছাড়া নাকি যৌনতা বা সেক্স করা উচিত নয়। তাই ঐ সময় থেকেই তিনি তাঁর স্ত্রী’র (নাম কমলা বাই সম্ভবতঃ) সাথে শারীরিক নয়, বরং কেবল আধ্যাত্মিক সম্পর্ক রেখে চলতেন।



শ্বশুরও ছিলেন অনেকটা এই টাইপের, প্লাস অন্যমনস্ক হয়ে রাস্তা পার হতে গিয়ে উত্তরায় একটি বাসের ধাক্কা খেয়েছিলেন। তাতে প্রাণে বাঁচলেও নুনুতে আঘাত পেয়েছিলেন সম্ভবতঃ। সেখান থেকে প্রায়ই রক্তক্ষরণ হতো, আর তাই সেক্স তো ছিল পুরো অসম্ভব একটি ব্যাপার তাঁর জন্য।

https://www.youtube.com/watch?v=jVuLlL-oBnU

শ্বশুরের অ্যাক্সিডেন্ট হওয়ার আগ পর্যন্ত শ্বাশুড়ির ছিল টসটসে যৌবন। শ্বশুর অক্ষম হলেও আমার সাথে তাঁর যৌনজীবন কন্টিনিউ করতেন শ্বাশুড়ি, যদি তাঁদের মনে দুঃখ না দিতাম। তাঁরাও যে আমাকে দুঃখ দেন নি, ব্যাপারটা তা না। তাঁরা তো আমার ছাত্রজীবন বিশেষ করে, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন ধ্বংস করেছেন। আমিও তাঁদেরকে যথাসম্ভব হয়রানি করেছি। আমাদের মাঝে এই ভুল বোঝাবুঝিগুলো না হলে দীর্ঘদিন যাবৎ শ্বাশুড়ির শয্যাসঙ্গী হতে পারতাম আমি, যেমনটির ঈঙ্গিত বহুবার দিয়েছেন তিনি। সেগুলো পরবর্তী অংশে বর্ণনা করবো। আগে বলে নেই, আজকে কী ঘটলো।

ডাক্তার শ্যালক এফসিপিএস এর ভর্তি পরীক্ষা দেবে, তাতে বেশ কিছু টাকা লাগবে। শ্বশুরবাড়ির আর্থিক অবস্থা একেবারে খারাপ নয়, তবে এখন সম্ভবতঃ কিছুটা টান যাচ্ছে। তাই আমি বলে দিলাম, টাকার জন্য যাতে উচ্চতর পড়াশুনা আটকে না থাকে, দরকার হলে টাকা আমি দেব। সেটা পরে একসময় শোধ করে দিলেই চলবে। সেই টাকা দিতে অফিসের পর তাদের বাসায় হাজির হলাম কুড়িল চৌরাস্তার নিকট, একটা বিল্ডিং-এর নিচ তলায়; এখানে তারা ১৩ বছর ধরে থাকে। বাসায় তখন শ্বাশুড়ি ছাড়া আর কেউ ছিল না। তাই একটু আতংক বোধ করছিলাম, শ্বাশুড়ি আদৌ আমাকে বাসায় ঢুকতে দেয় কিনা। এজন্য অবশ্য আমিই দায়ী। তাঁর যখন ভরা যৌবন ছিল, তখন তুরুপের তাস ঠিকমতো খেলতে পারি নি, তাই বিছানায়ও নিতে পারি নি। আর যৌবন যখন শেষ পর্যায়ে, তখন একদিন তাঁকে একা পেয়ে চেপে ধরেছিলাম, সোফায়, এক শুক্রবার বিকেলে, ২০১১ সালের ২৭ শে জানুয়ারী তারিখে।

এভাবে তাঁকে হেনস্থা করার পেছনে শ্বাশুড়ি নিজেও কম দায়ী নন, এ ব্যাপারে আরেকটি নিবন্ধে লিখেছি, যেটির শিরোনাম হলো ‘শ্বাশুড়িকে যৌন হেনস্থা করার প্রকৃত কারণ’। সেটা পড়ে না থাকলে এখনই ব্লগে সার্চ দিয়ে খুঁজে বের করে পড়ে নিন (নিচে সাজেস্টেড বা রিলেটেড তিনটা নিবন্ধের মধ্যে একটা)।

যাই হোক, শ্বাশুড়ি দেখলাম, আমাকে ঢুকতে দিলেও মেইন দরজা পুরোপুরি বন্ধ করছেন না। একা কক্ষে বা ফ্ল্যাটে মেয়ে বা মহিলাদের সাথে কখনোই আমার অস্বস্তিবোধ লাগে না, বিশেষ করে স্বাস্থ্যবান বা নাদুসনুদুস যখন হলাম, সেই ২২ বছর বয়স হতে। তাই আজও শ্বাশুড়ির সাথে স্বাভাবিক আচরণ করছিলাম। আমার টার্গেট ছিল, টাকাটা দিয়ে আমার যে ব্যাগটা এখানে ছিল, সেটা নিয়ে প্রস্থান করা। কিন্তু শ্বাশুড়ি আমাকে খেয়ে যেতে বললেন। আমি বললাম, ভাত খাব না, হালকা-পাতলা কিছু থাকলে দেন। তখন তিনি দই বের করে দিলেন। পরে যখন জানালেন যে, চিংড়ী মাছ আর ইলিশ মাছের ভুনা তরকারী রেঁধেছেন, তখন লোভ আর সামলাতে না পেরে খেতে বসে গেলাম। খাওয়ার আগ পর্যন্ত তাঁর সাথে আই কন্ট্যাক্ট করি নি, অর্থাৎ চোখে না তাকিয়েই আলাপ চালিয়ে যাচ্ছিলাম। তবে শ্বাশুড়িকে মনে হলো, আমার আচরণে ধীরে ধীরে মুগ্ধ হচ্ছেন; এই যে, আমি সুযোগ পেয়েও তাঁর সাথে বেয়াদবী করি নি, সেই কারণে।

যেটাকে এখন বেয়াদবী বলতে বাধ্য হচ্ছি, সেটা এক সময় ছিল ‘সুবর্ণ সুযোগ’, বউয়ের সাথে বোনাস হিসেবে শ্বাশুড়ির দেহ উপভোগ করার সুযোগ। তবে কথায় আছে না, ‘কাঁচায় না নোয়ালে বাঁশ, পাকলে করে টাস্ টাস্’। শ্বাশুড়িকে দিয়ে এবং আরো বেশ কয়েকজন মহিলা ও মেয়েকে দিয়ে এই সত্যটা হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করলাম। তাই যুবক বন্ধুদের কাছে পরামর্শ হলো, যৌনজীবন পুরোপুরি উপভোগ করতে চাইলে চোখ-কান খোলা রাখবেন সবসময়, মেয়ে ও মহিলাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ও কথাবার্তার ধাঁচ পর্যবেক্ষণ করতে থাকুন; তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন, কখন আপনার সুবর্ণ সুযোগটি পাশ দিয়ে যাচ্ছে।

এবার তাহলে শ্বাশুড়ির সাথে একা বাসায় পূর্বোক্ত অভিজ্ঞতাগুলো বর্ণনা করি।

নাভি দেখানো শ্বাশুড়ি

শ্বাশুড়ির শরীরে যে যৌনতার সুড়সুড়ি আছে, সেটা প্রথম বোঝা উচিত ছিল, যেদিন তাঁকে তাঁদের রান্নাঘরে নাভি খোলা অবস্থায় দেখতে পাই। তখন সদ্যমাত্র বিবাহ করেছি, একমাস-দু’মাস হবে। মজার ব্যাপার হলো, আমার উপস্থিতি টের পাওয়া সত্ত্বেও তিনি নাভি ঢাকেন নি, এমন কি মুখে একটা স্মিত বা লোচ্চা হাসি ধরে রেখেছিলেন। ঐ সময় বাসায় আরো দু’একজন থাকলেও তারা সম্ভবতঃ ঘুমাচ্ছিল। তখন তারা বসুন্ধরা গেটের অপোজিটে ‘চাঁন মিয়া হাউজ’ নামক একটি বিল্ডিং-এ ছয় তলায় থাকতো।

https://www.youtube.com/watch?v=THNMfO86dM4

আমার সেদিন উচিত ছিল, রান্নাঘরে প্রবেশ করে তাঁর সাথে আলাপচারিতা করা ও তিনি ‘নাই’ (আঞ্চলিক ভাষায় ‘লাই’) দিলে তাঁর পেছনে গিয়ে তাঁকে আলতোভাবে জড়িয়ে ধরা, বিশেষ করে তাঁর নাভিতে হাত দিয়ে স্পর্শ করা।

এরকম একটা সময়ে একদিন আমার বউয়ের এক চাচাতো বোন যে কিনা বউয়ের চেয়ে দু’-তিন বছর ছোট, তাকে একা এক রুমে পেয়ে হাতে হাত রেখেছিলাম। শ্বাশুড়ি সেটা দূর থেকে দেখতে পেয়েছিলেন, কেবলই মুচকি হেসেছিলেন, কোনো আপত্তি করেন নি।

বাসা বদলের দিন মেয়েজামাইয়ের পেছনে ঘুরঘুর করে শ্বাশুড়ি

চাঁন মিয়া হাউজের মালিক বাড়িটা বিক্রি করে দিবেন, ঋণে জর্জরিত হয়ে। তাই ভাড়াটিয়া সবাইকে বাসা ছেড়ে দিতে হবে, আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজনও ব্যতিক্রম নন। যেদিন তাঁরা বাসা বদল করছিলেন, ঐদিন সেখানে আমি ছিলাম। ঘুরে ঘুরে ‘প্রায় খালি’ বাসাটা দেখছিলাম আর ভাবছিলাম, ‘এখানেই আমার প্রথম বাসর দিন হয়েছে। সত্যি, এই বাসাটা খুব মিস্ করব।’ ঐ সময় আমার বয়স ছিল প্রায় সাড়ে পঁচিশ, আর তখনকার দিনে লুঙ্গির বদলে বক্সার্স পরতাম।

এমন একটা সময় আমি আর শ্বাশুড়ি ছাড়া ঐ ফ্ল্যাটে আর কেউ ছিল না। শ্বাশুড়ি তখন গোছগাছ করছিলেন, আর বিভিন্ন রুম ঝাড়ু দিচ্ছিলেন। হঠাৎ শ্বাশুড়ি ঐ সকল কাজকর্ম ফেলে আমার পেছনে ঘুরঘুর শুরু করলেন, বিভিন্ন প্যাঁচাল পাড়তে শুরু করলেন। যেমনঃ তাঁর আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে কে কে পয়সাওয়ালা আর ক্ষমতাধর আছেন, এই সব আর কি! আমি ভদ্রতার বশে সেগুলো শুনছিলাম ঠিকই, কিন্তু ওনার ঈষৎ স্মিত তথা লোচ্চা টাইপের হাসি দেখে আর অবাধ্য লিঙ্গ দাঁড়ানো শুরু করলো। তখন পড়ে গেলাম অস্বস্তিতে, কারণ শ্বাশুড়ি রেহাইও দিচ্ছেন না, একনাগাড়ে প্যাঁচাল পেড়েই যাচ্ছেন। মজার ব্যাপার হলো, শ্বাশুড়ি আমার লিঙ্গ উত্থানের বিষয়টি টের পেয়েছিলেন এবং কিছুক্ষণ পরপর সেদিকে নির্লজ্জের মতো তাকাচ্ছিলেন। যেন, আমি ছোট বাচ্চাছেলে, আমার লিঙ্গ দেখে বোঝার চেষ্টা করছেন, আমি এখন মুতবো কিনা। মুততে তো মনে চাচ্ছিলো ঠিকই, তবে তা বিশেষ ধরনের মোত (বীর্যস্খলন), আর সেটা তাঁর গোপনাঙ্গের ভেতর, যদি উনি একটা সুযোগ দিতেন।

https://www.youtube.com/watch?v=tCrabyFaEkQ

সুযোগ অবশ্য উনি দিতেই চেয়েছিলেন, অন্ততঃ ওনার চোখমুখের ভাষা সেটাই বলছিল। আমি এক পর্যায়ে তাঁর খুব কাছাকাছি চলে আসি (নাকি উনি এসেছিলেন, সেটা মনে নেই এখন), হাত বাড়ালেই আলিঙ্গন করতে পারব এমন দূরত্বে। সারপ্রাইজিং হলো, তিনি দূরে সরে যাচ্ছেন না, বরং মুখের প্রলোভনসুলভ হাসিটা আরো বিস্তৃত করছিলেন। বোকাচন্দ আমি অন্তত তাঁকে জড়িয়ে ধরে বলতে পারতাম, ‘আসেন আম্মা, আপনাকে একটু জড়িয়ে ধরি (বা, আপনার সাথে কোলাকুলি করি)’, যেমনটি পরে একসময় ঠিকই বলেছিলাম, তবে ভুল সময়ে। এভাবে প্রথমে তিনি একটু আপত্তির অভিনয় করতেন হয়তো, তবে পরে ধীরে ধীরে সবকিছুই করতে দিতেন বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। পাশে খাটটা তো তখনও পাতা ছিল। আহারে, এমন সুযোগ হাতছাড়া করলাম!

রুটি-ভাজির বদলে শ্বাশুড়ির ‘আম’গুলোই খেতে মন চাচ্ছিল

বাসা বদলের পর একদিন সকালের ঘটনা, আমার বউ কলেজে গিয়েছে (অনার্স সেকেন্ড ইয়ারে পড়তো সে তখন)। বাসায় শ্বাশুড়ি আর আমি ছাড়া আর কেউ নেই। আমি ঘুম থেকে ওঠার পর ডাইনিং টেবিলে নাশতা খেতে দিলেন। আইটেম ছিল খুব সম্ভবতঃ রুটি-ভাজি আর ডিমপোচ। তবে এক পর্যায়ে তিনি কোনো কারণ ছাড়াই টেবিল ঘেঁষে আমার পাশে দাঁড়ালেন, ঐ সময় হঠাৎ করে দুর্ঘটনাবশতঃ নাকি উনি ইচ্ছে করেই শাড়ির আঁচলটা ফেলে দিয়েছিলেন, সেটা বলতে পারব না। তবে ব্লাউজের উপর দিয়েই ওনার ডান স্তন দেখে আমার তো পুরোপুরি দাঁড়িয়ে গেল, আর কিছুতেই নাশতা খেতে ইচ্ছে করছিল না তখন আমার। মনে চাচ্ছিল, তৎক্ষণাৎ গিয়ে তাঁর স্তনখানা খামছে ধরি। সেটাই করা উচিত ছিল বোধ হয়; আফটার অল, উনি শ্বাশুড়ি হয়ে এভাবে মেয়েজামাইকে যৌন উত্তেজিত করবেন কেন? আর অ্যাক্সিডেন্টালি যে ব্যাপারটা হয় নি, তা নিশ্চিত হওয়া গেল ওনার মুখের প্রলোভনসুলভ হাসি দেখে।

এরপর থেকে আজও যদি রুটি-ভাজি দেখি, শ্বাশুড়ির সেই স্তনের কথা খুব মনে পড়ে যায় আর জিহ্বা দিয়ে লালা ঝরে! (এগুলো সবই ‘০৬ সালের কথা, যে বছরের মার্চে বিয়ে করি)



Leave a Comment

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.